Flight of the Creative Mind: Rituparno Ghosh and Mahanayak Uttam Kumar in conversation in their heavenly abode

5
197
uttam kumar-rituparno ghosh

Statutory Note : this is a piece of absolute fictional conversation. The names of real life characters have been used only for the sake of creativity and not for anything else. This does not mean to hurt anyone’s sentiments, living or dead. The various views expressed in this fictitious interview exclusively & solely belongs to the writer only. No real facts or information has been tampered in this article.

 

গত পয়লা সেপ্টেম্বর ছিল আমাদের সবার প্রিয় মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মবার্ষিকী। স্বর্গের টেলিভিশন চ্যানেল স্বর্গবার্তা-র বিশেষ প্রতিনিধি রূপে জন্যে উত্তমকুমারের সাক্ষাতকার নিতে স্বর্গে অবস্থিত উত্তম ভবনে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। স্বর্গবার্তায় এটাই ঘোষ এন্ড কোং প্রথম পর্ব। এই দুই ব্যক্তিত্তের অন্তরঙ্গ কথোপকথন বিশেষ গোপনীয় সূত্রে ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা-র দপ্তরে এসেছে। আমরা  সেই সাক্ষাতকারের সম্পাদিত প্রথম পর্ব প্রকাশিত করলাম আমাদের পাঠক/পাঠিকাদের জন্যে।

 

উত্তম -ঋতু

 

ঋতুপর্ণ  জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা উত্তমদা (ফুলের তোড়া এগিয়ে দিয়ে) তোমাকে এতো কাছ থেকে দেখব, কোনোদিন ভাবিনি। ভাজ্ঞিস, জীবনের ওপারেও এমন এক জীবন অপেক্ষা করে ছিল ।

 

উত্তমকুমার (হেসে) ধন্যবাদ ঋতু … সেদিন শুভেন্দু যখন বলল যে ‘জান দাদা, ঋতু -ও চলে এসেছে আমাদের এখানে।‘  তখনই মনটা খুব খারাপ হয়ে গেছিলো। কি এমন বয়স তোমার?

 

ঋতুপর্ণ এই বছর ৫০-এ পা রাখলাম।

 

উত্তমকুমার – পা রাখতে ঋতু !!! আমাদের এখানে এলে বয়স থেমে যায় হে ! আহা দাড়িয়ে কেন? বস বস … আজ জমিয়ে আড্ডা মারবো তোমার সঙ্গে … অনেকদিন সেভাবে আড্ডা দেওয়া হয়না … মানিকদা মাঝে মাঝে আসেন আমার এখানে, আমিও যাই,  তুমি এলে খুব খুশি হলাম ঋতু।

 

ঋতুপর্ণ  (বসে)  সেদিন বিকাশ রায়ের সঙ্গে আড্ডা মারছিলাম, ‘মরুতীর্থ হিংলাজ নিয়ে কত যে গল্প শুনলাম বিকাশদার কাছে, বলছিল তুমি কিভাবে সাবুদির গলা সত্যি সত্যি টিপে ধরেছিলে …

 

উত্তমকুমার (হেসে) হ্যাঁ … আমারও মনে পড়ে গেল … Actually I was such a passionate actor … বিকাশ যদি ঠিক সময় cut না বলতো তাহলে সাবুর যে কি হতো …

 

ঋতুপর্ণ  – জানো উত্তমদা … আমারও খুব ইচ্ছে ছিল তোমাকে নিয়ে ছবির করার কিন্তু আমি যখন ছবি করতে এলাম, তুমি আমাদের পথে বসিয়ে দিব্যি এখানে চলে এলে ……

 

উত্তমকুমার – তোমার প্রায় সব ছবি আমি দেখেছি এখানকার প্রেক্ষাগৃহে … ‘খেলা’ ছবিটা বেশ লেগেছিল… Film Director -এর চরিত্রটা বেশ interesting … যদিও বুম্বা (Prosenjit Chatterjee) খুব ভাল কাজ করেছে ছবিটা তে … আর রমার নাতনি-ও বেশ অভিনয় করে … যদিও দিদিমার ধারে কাছে পৌঁছতে ওর এখনো অনেক দেরি … তাও মনে হয় রমা মাঝে মধ্যে রাইমাকে কাজ দেখিয়ে দেয় … (nostalgic) ওর রাইমা নামটা কে রেখেছিল জানো? রমা ?

 

ঋতুপর্ণ  – না না … আমি যা জানি, রাইমা নাম মুন-দি (Moonmoon Sen)-ই রেখেছিল তবে রমা নামটার সঙ্গে রাইমার বেশ মিল।

 

উত্তমকুমার – তবে বিশ্বজীৎ-র (Biswajit Chatterjee) ছেলেটা কিন্তু নিজের বাবার থেকে অনেক গুন ভাল অভিনয় করে … যদিও বিশু মুম্বইতে কাজ করে অনেক নাম করেছিল আর বিস্তর টাকা কামিয়েছিল … (থেমে) আমি সেটা পারিনি। রাজ কপুর কে ওই ভাবে ফিরিয়ে দেওয়াটা বোধয় ঠিক কাজ হয়নি … After all he was a good friend … actually ঋতু আমাকে guide করার মতন তখন industry -তে কেউ ছিলোনা। খুব কম বয়সেই আমাকে বাংলা industry-র দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল…

 

ঋতুপর্ণ  – আমারও মনে হয় ‘Sangam’-এ রাজেন্দ্রকুমারের (Rajendrakumar) রোলটা তোমার জন্যে একেবারে ঠিক character ছিল … Soft, romantic, classy … করলে না কেন?

 

উত্তমকুমার – বেনু অনেকবার বলেছিল … রাজকে ফিরিয়ে দিওনা … কিন্তু …

 

ঋতুপর্ণ  – এই কথাটা বেনুদি আমাকেও একবার কথায় কথায় আক্ষেপ করে বলে ফেলেছিল … যে উত্তম কেন যে সেই সময় Raj Kapoor- কে ‘না’ বলে দিয়েছিল …

 

উত্তমকুমার (দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে) আসলে আমার কোন বন্ধু ছিলনা ঋতু … সবার মধ্যমণি হয়ে থেকেও আমি খুব একা ছিলাম। বাংলা ছবি আমাকে সব দিয়েছিল নাম, যশ,অর্থ, প্রতিপত্তি, কিন্তু একজন ভালো বন্ধু দিতে পারেনি …(সামলে উঠে) তোমার শেষ ছবির নামটা যেন কি ঋতু ?

 

ঋতুপর্ণ  – সত্যান্বেষী … আর তুমি আমাকে তুই বলে ডাকো উত্তমদা …

 

উত্তমকুমার – সত্যান্বেষী অর্থাৎ Byomkesh Bakshi ?

 

ঋতুপর্ণ  – হ্যাঁ … চোরাবালি বলে যে গল্পটা আছে ।

 

উত্তমকুমার –  তা ব্যোমকেশ পার্ট-টা কে করছে?

 

ঋতুপর্ণ  – Sujoy Ghosh.

 

উত্তমকুমার – সুজয় কে ?

 

ঋতুপর্ণ  –  আমারই মতন একজন director। Mumbai-তে কাজ করে। অভিনেতা হিসাবে এটাই ওর প্রথম ছবি।

 

উত্তমকুমার – Sounds interesting !!! আর অজিত?

 

ঋতুপর্ণ – Anindya Chatterjee … Chandrabindoo নামে একটা বাংলা গানের দল আছে।

 

উত্তমকুমার – তোর ‘শুভ মহরৎ -এ যে দাড়িওলা ছেলেটা কাজ করেছিল?

 

ঋতুপর্ণ – হ্যাঁ … হ্যাঁ … ও-ই …

 

ঋতুপর্ণ – আচ্ছা উত্তমদা তোমার ব্যোমকেশ বক্সীর চরিত্রে অভিনয় করতে কেমন লেগেছিল চিড়িয়াখানা ছবিতে?

 

উত্তমকুমার –  মানিকদা নিজের মতন করে ছবিটা বানিয়েছিলেন, যা শরদিন্দুর গল্পের থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র। আমাকে বলেছিলেন নিজের মতন করে অভিনয়টা করো উত্তম। শরদিন্দুর ব্যোমকেশের মতন তোমাকে হতে হবেনা, নিজে যেমন ভালো বোঝো, তেমন ভাবেই কাজটা করো। তুই সুজয়কে কি বললি?

 

ঋতুপর্ণ – আমি সুজয়কে বললাম যে আমি যেমন ভাবে বলছি, ঠিক তেমন ভাবে কাজ কর। নিজের পরিচালক সত্বা কে অভিনয়ের উপর dominate করতে দিসনা। এখানে তুই শুধু একজন অভিনেতা। সুজয় যেভাবে কাজ করেছে, তাতে আমি যথেষ্ট খুশি। সত্যজিৎ রায়ের ‘ব্যোমকেশ’ বেশ নায়কোচিত ছিল, আমার ব্যোমকেশ অনেক বেশি সাধারন। একজন অসাধারন মেধার সাধারন মানুষকে নিয়ে আমার ‘সত্যান্বেষী’ ছবি। আমি জানি বাঙ্গালির চিন্তনে ব্যোমকেশ বক্সী একজন সুদর্শন নায়ক। বিশেষত আবির (Abir Chatterjee) অঞ্জনদার (Anjan Dutt) ছবিতে ব্যোমকেশ করার পরে দর্শক হয়তো ব্যোমকেশকে Hero রূপেই দেখতে চায়… কিন্তু আমি তো চিরকালই প্রথা ভাঙ্গায় বিশ্বাসী উত্তমদা।

 

উত্তমকুমার – তাই কি চোখের বালি-তে বিনোদিনী Bombay-র ওই মেয়েটাকে নিলি ? রবি ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) বিনোদিনীর থেকে বেশ আলাদা …

 

ঋতুপর্ণ –  Aiswariya Rai, এখন অবশ্য Bacchan -টাও যোগ হয়েছে নামে। আসলে রবি ঠাকুরের বিনোদিনীর যে অবদমিত sexual hunger ছিল। সেই  শরীরী ক্ষিদে-টাই চরিত্রটার  বহিরাঙ্গে একটা sex appeal -এর সঞ্চার দিয়েছিলো … আর সেই বন্য উদ্দাম শরীরী আবেদনের সঙ্গে যোগ হয়েছিল একরকম elegant sophistication, যেটা সাহেবি তালিমের মাধ্যমে এসেছিল। এই unique sexual mix of beauty with brain -টা Ash খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল Chokher Bali -তে।

 

উত্তমকুমার (আনমনে) যেটা আমার সময় শুধুমাত্র রমার মধ্যে ছিল … Suchitra Sen was truly international … দর্শকদের নিজের চোখের ভাষায় এমন মাত করে রাখতো যে তারা রাতেও সুচিত্রার স্বপ্নে দেখত।

 

ঋতুপর্ণ – আমারও সেটাই মনে হয়েছে সবসময়… আমি রাইমা (Raima Sen) কেও এটাই বলতাম। আচ্ছা উত্তমদা, নিতে এলাম তোমার interview আর হচ্ছে উল্টো-টাই। এবার কিন্তু আমি পর পর কয়েকটা প্রশ্ন করব তোমাকে।

 

উত্তমকুমার – উল্টো হলেও মন্দ কি? আচ্ছা বাবা! ছাড় তোর প্রশ্নবান …

 

ঋতুপর্ণ – তোমার অভিনীত ছবি গুলোর মধ্যে যদি এক দুই তিন নম্বর ক্রমে তিনটে ছবি বেছে নিতে বলি, পারবে?

 

উত্তমকুমার – প্রথমেই চন্দ্রশেখরের Googly!!! (একটু ভেবে) … যদুবংশ … অপরিচিত … বাঘবন্দি খেলা ।

 

ঋতুপর্ণ (অবাক) সপ্তপদী নেই?

 

উত্তমকুমার – এখন যখন ভাবতে বসি, এই তিনটে ছবিকেই নিজের সেরা কাজ বলে মনে হয়, সপ্তপদী খুব ভাল ছবি কিন্তু উত্তমকুমারের romantic image থেকে বাইরে বেরতে পারিনি পুরোপুরি। যদি নায়কের পরে করতাম তাহলে হয়ত আরেকটু ভালো হতো কাজটা।

 

ঋতুপর্ণ – তাহলে নায়ক নেই কেন?

 

উত্তমকুমার – “নায়ক” মূলত মানিকদার ছবি আর ওই ছবির অরিন্দম তো উত্তমকুমার-ই, তাই অভিনয় করতে হয়নি … শুধু behave করতে হয়েছিল। মানিকদার ছবিতে মানিকদাই সব … Satyajit Ray was a legacy, even deeper than an ocean … সেই অর্থে সিনেমার জগতে আমার প্রথম তথা শেষ শিক্ষক। “Nayak”did help me learn a lot about different aspects of modern cine-acting.

 

ঋতুপর্ণ – তিনটের মধ্যে দুটোই negative role !! খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করতে তোমার বেশি ভাল লাগত বুঝি?

 

উত্তমকুমার – অপরিচিতের রঞ্জন-কে villain বলা চলেনা … চরিত্রটার মধ্যে অনেক shades ছিল … ওই একটা ছবিতেই মনে হয়েছিল পুলু-কে (Soumitra Chatterjee) টেক্কা দিতে পেরেছি একই ছবিতে অভিনয় করে।

 

ঋতুপর্ণ – কেন? ঝিন্দের বন্দিতে তুমি-ই তো hero। তাও আবার double role  করেছিলে ….

 

উত্তমকুমার –  তাতে কি হয় ঋতু? ময়ূরবাহনের পার্ট টা করে পুলু  বাজি মেরে বেরিয়ে গেল যে। What a stylish performance …what an elegant crudeness … ছোট রোল কিন্তু দর্শকরা পুলুকেই মনে রেখে দিয়েছে … ঝিন্দের বন্দি মানে আমার কাছেও ময়ূরবাহন!!!

 

ঋতুপর্ণ – তপনবাবু আমার নিজের খুব প্রিয় পরিচালক …

 

উত্তমকুমার – আমারও … Infact I have given him the first break as a Director, তখন বাংলা ছবির সমীকরণ টাই অন্যরকম ছিল ঋতু । অন্যধারার ছবির পেছনে কেউ টাকা লাগাতে চাইতো না। উত্তমকুমার মানেই সেইসব producer-দের কাছে ঘাড় হেলানো, মিষ্টি হাসি ছুড়ে দেওয়া romantic hero। তপন সিংহ সেই প্রেমিক উত্তমকুমারকে প্রথম ভাঙ্গলেন তারপর অনেকগুলো ছবি করেছিলাম আমরা একসঙ্গে … সেই “যৌতুক” দিয়ে শুরু তারপর জতুগৃহ, ঝিন্দের বন্দি (একটু থেমে) জীবনে অনেককিছু পেয়েছি রে, অনেক কাজ করেছি কিন্তু ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ নিয়ে যে আক্ষেপ জমা হয়ে আছে … সেটা মরেও গেলনা … কাজটা করার জন্যে আমি ভীষনরকম মরিয়া ছিলাম, Script নিয়ে hospital-এ ভর্তি হয়ে গেছিলাম, যাতে কেউ বিরক্ত করতে না পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাকে বাদ দিয়ে দিলেন তপনবাবু। আমি মেনে নিতে পারিনি …  আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছিলাম ব্যাপারটাকে তারপর বেনু বলল এতো কিছু করেও তুমি ওই রোলটা ফিরে তো আর পাবেনা তখন ছেড়ে দিলাম … টিটো (Dipankar Dey) করলো পার্ট টা … আমার কিন্তু দেখে মন ভরেনি রে … টিটো খুব ভালো অভিনেতা কিন্ত্ তখনো ওর সেই maturity-টাই আসেনি …. যে depth of acting আমি তোর “আবহমান” -এ দেখেছি। আবহমানে টিটো নিজেকে নিঃশেষ করে অভিনয় করেছিল।

 

ঋতুপর্ণ – জানো উত্তমদা … যখন আবহমান ছবিটার চিত্রনাট্য লিখছি, বারবার তোমার কথা মনে পড়ছিল, যদি তুমি থাকতে … চরিত্রটা তাহলে অন্য একটা মাত্রা পেয়ে যেতো ।

 

উত্তমকুমার – তার মানে টিটো (Deepankar Dey) বার বার আমাকে replace করেছে … (জোরে হেসে ওঠেন)

 

ঋতুপর্ণ – আমার ছবি ছাড়া আর কারো ছবি দেখে কাজ করতে ইচ্ছে হয়েছে তোমার ? মানে এখন যে পরিচালকরা কাজ করছে …  তাদের কারো ছবিতে?

 

উত্তমকুমার (একটু ভেবে) হুম … সেদিন ‘বাইশে শ্রাবন’ (Baishe Shraban) বলে একটা thriller ছবি দেখলাম … তাতে বুম্বা যে পুলিশের পার্ট টা করেছিলো … কার যেন ছবি ওটা?

 

ঋতুপর্ণ – সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherji) … নতুন ছেলে … Young, energetic & most importantly academically bright … JNU, Delhi pass out … Bangalore -এ corporate চাকরি করতো!!!

 

উত্তমকুমার – বলিস কি? এখনকার generation এমন বড় চাকরি ছেড়ে ছবি করতে আসছে?

 

ঋতুপর্ণ –  হ্যাঁ তা আসছে … আমিও তো একসময় Response Agency-তে Advertisement-এর  Copy লিখতাম। তারপর বেশ কয়েক বছর corporate film direction দিয়েছি। Mumbai-তেও কাজ করেছি।

 

উত্তমকুমার – “জীবনের ওঠাপড়া যেন সহজে গায়ে না লাগে” (হাসেন) সুরভিত Antiseptic Cream Borolene …

 

ঋতুপর্ণ – তুমি জানো ? (Surprised)

 

উত্তমকুমার – আমি অত জানতাম না রে … শুভেন্দু-ই বলছিল The Last Lear দেখতে দেখতে … ওই আমাদের মধ্যে সবথেকে পরে এসেছে এখানে …… পাশে মানিকদা -ও বসেছিলেন। He was very impressed with ‘The Last Lear’ … Amitabh Bacchan-এর একটা ছবিতে আমি guest appearance করেছিলাম, কি যেন নাম ছিল ।। ও হ্যাঁ … মনে পড়েছে ‘Deshpremi’ … তখনি বুঝেছিলাম কি শক্তিশালী অভিনেতা জয়ার বর  কিন্তু ওকে সেভাবে ব্যবহার করতে পারলো না Bombay। তুই কিন্তু দারুন ভাবে ব্যবহার করেছিলি অমিতকে তোর ছবিতে।

 

ঋতুপর্ণ – তুমি থাকলে ছবিটা হয়তো বাংলায় করতাম … ‘আজকের সাজাহান’ নামেই … উৎপল দত্ত (Utpal Dutt) কে তার বাংলা ভাষাতেই শ্রদ্ধা জানাতাম কিন্তু তুমি যখন রইলে না তখন অমিতদা ছাড়া অন্য কোন অভিনেতাকে দিয়েই অমন চরিত্র করানো যেত না।

 

উত্তমকুমার – জয়ার (Jaya Bhaduri) সঙ্গেও কাজ করেছিলাম ‘ধন্যি মেয়ে’ ছবিতে, খুব মিষ্টি মেয়ে … মানিকদা এখনো বলেন যে জয়া তো সেভাবে নিজেকে মেলেই ধরলো না অভিনয়ের জগতে।

 

ঋতুপর্ণ – আমারও একবার জয়াদির (Jaya Bacchan) সঙ্গে কাজ করার খুব ইচ্ছে ছিল কিন্তু হয়ে উঠলো না। আচ্ছা আবার কিন্তু এই সাক্ষাতকার-টা উল্টোদিকে ঘুরে যাচ্ছে। এবার বল তোমার নায়িকাদের কথা … অনেকের সঙ্গে কাজ করেছো … সবচেয়ে পছন্দের তিনজন কে বেছে নিতে পারবে? Diplomatic হবেনা কারন এই interview  মর্তের কেউ পড়বে না আর তোমার নায়িকাদের বেশির ভাগ-ই এখনো এখানে আসেনি।

 

উত্তমকুমার (একটু ভেবে) – রমা …… বেনু … সাবু …

 

ঋতুপর্ণ – খুব predictable হয়ে গেল যদিও … কিন্তু কিছু করার নেই … সুপ্রিয়া চৌধুরী (Supriya Choudhury) আর সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় (Sabitri Chatterjee) তো থাকবেই আর সুচিত্রা সেন (Suchitra Sen) কে বাদ দিয়ে উত্তমকুমার হয়না … সংখ্যা টা যদি পাঁচ করে দিই?

 

উত্তমকুমার – অঞ্জনা আর রীনা …

 

ঋতুপর্ণ – অঞ্জনাদি আমার বেশ কয়েকটা ছবির হিরো যীশুর (Jissu Sengupta) বউ নীলাঞ্জনার মা …

 

উত্তমকুমার – আরে যীশুকে চিনি তো … উজ্জ্বলের ছেলে … উজ্জ্বল সেনগুপ্ত  আকাশবানীতে ভাল নাটক করতো। উজ্জ্বল এখানে আছে তো, ছেলের ছবি এলে ডেকে ডেকে দেখায় আমাদের … তোর অনেকগুলো ছবি ওই দেখিয়েছে আমাদের। বেশ ভালো কাজ শিখেছে ছেলেটা … আর দেখেতেও বেশ মিষ্টি।

 

ঋতুপর্ণ – রীনাদির (Aparna Sen) কাছে তোমার কথা অনেক শুনেছি আমি … অনেকগুলো ছবি করেছ একসঙ্গে … রাতের রজনীগন্ধা, মেমসাহেব … জানো ? অপর্ণা সেন না থাকলে আমার হয়তো ছবি করাই হতো না। আমার প্রথম ছবির producer রীনাদি-ই জোগাড় করে দিয়েছিলো আর দ্বিতীয় ছবিতে এক কথায় অভিনয় করে দিয়েছিল।

 

উত্তমকুমার- উনিশে এপ্রিল খুব ভালো ছবি … যদিও আমি দেখেছি অনেক পরে … তোর প্রথম যে ছবিটা দেখি, সেটাতেও রীনা ছিল … আর ছিল রীনার মেয়ে কঙ্কনা (Kankana Sen Sharma) … মায়ের থেকে অনেক ভালো অভিনয় করে মেয়েটা … অপর্ণা হল আসলে filmmaker। ’রীনার ‘পারমিতার একদিন’ আর ‘যুগান্ত’ দুটোই আমার খুব প্রিয় ছবি। তোর প্রথম কিছু ছবির মধ্যে রীনার কাজের influence লক্ষ্য করেছি আমি। উৎসব আর তিতলী-র পরিচালকের নাম না বলে দিলে, অনেকেই হয়তো রীনার নাকি ঋতুর বলে গুলিয়ে ফেলবে … আবার পারমিতার একদিন-কেও অনেকসময় তোর ছবি বলে ভুল হয়ে যাবে।

 

প্রথম পর্ব এইটুকুই … আপনাদের মতামত আমাদের দপ্তরে স্বাগত।

Writer:
Sanjib BanerjiSanjeeb Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and have written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Enhanced by Zemanta

5 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!