Interview: Samrat Mukherjee, The journey from Mr. Kolkata to SMPAI (Sholoana Bangaliana Exclusive)

0
259
SMPAI

Click Play to listen to Samrat Mukherjee talk about his days in the Show Biz and his institute SMPAI

actor samrat mukherjee

সম্রাট মুখোপাধ্যায়ের নাম আমরা সবাই জানি। তিনি একাধারে প্রাক্তন মিঃ কলকাতা তথা মিঃ ইন্ডিয়া, সেকেন্ড রানার- আপ , তিনি এমন একজন শিক্ষক, তিনি কলকাতার ছেলেমেয়েদের জন্যে খুলে দিয়েছেন মডেলিং এবং অভিনয় জগতের দরজা। এছাড়াও সম্রাটের আরো একটি পরিচয় আছে।  সম্রাট মুখোপাধ্যায় এই মুহূর্তে টেলিভিশন সিরিয়াল জগতের এমন একজন অত্যন্ত সুদর্শন সু-অভিনেতা, যিনি বর্তমানে দুটি সুপারহিট মেগা সিরিয়ালে দুটি পরস্পর বিরোধী চরিত্রে দক্ষ্যতার সঙ্গে অভিনয় করছেন। রবি ওঝা প্রোডাকশনের ‘সখি’ -র বেপরোয়া অথচ সংবেদনশীল সাব ইনস্পেক্টর অনিরুদ্ধ দে এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তী-র ‘ব্লু’ প্রোডাকশনের ‘টাপুর টুপুর’ -র stylish & suave  প্রতিনায়ক “পারিজাত সেন”, এই দুটি চরিত্রের মধ্যে দর্শকরা কোন মিল খুঁজে পাবেন না কারন দুটি একেবারে ভিন্ন ঘরানার চরিত্র। শুধু একটাই মিল, এই দুটি চরিত্রেই দাপটে অভিনয় করে চলেছেন সম্রাট মুখোপাধ্যায়।

samrat mukherjee

সেই জনপ্রিয় অভিনেতা এবং শিক্ষক সম্রাট মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দুরাভাসে চুটিয়ে আড্ডা দিলো “ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা”। এই স্বল্পপরিসরে আমরা সম্রাটকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেষ্টা করলাম, তার ফেলে আসা দিনগুলিতে। সেই সময়ে যখন তিনি আজকের সম্রাট মুখোপাধ্যায় হয়ে ওঠেননি। কিভাবে তিনি আজকের জনপ্রিয় টি ভি অভিনেতা হয়ে উঠলেন? তার সংস্থা SMPAI -ই বা কিভাবে গড়ে উঠলো? চলুন এবার সম্রাটের সঙ্গে আড্ডায় ঢুকে পড়া যাক।

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা :  নমস্কার সম্রাট, Welcome to sholoanabangalina.com। আপনি যদি আমাদের পাঠক/পাঠিকাদের সঙ্গে আপনার সাফল্যের কাহিনী ভাগ করে নেন। অর্থাৎ আপনার কেরিয়ার ধাপে ধাপে কিভাবে গড়ে উঠলো … কিভাবে হয়ে উঠলেন আজকের সম্রাট মুখোপাধ্যায় !!! সেই বিন্দু থেকে শুরু করার গল্প যদি আজ আমাদের শোনান …

সম্রাট : আমি মডেলিং শুরু করি ১৯৯৪-এ, যখন কলকাতায় মডেলিং সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। সেইসময় একটি ক্লাস টেন -এর ছাত্র পেশাদার মডেল হবে, এমন ভাবনা কেউ ভাবতে পারতো না। যদিও সর্বভারতীয় স্থরে মডেলিং তখন বেশ ভালো একটা জায়গা পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় সুস্মিতা সেন (Sushmita Sen) এবং ঐশ্বর্য রাই (Aishwariya Rai) যথাক্রমে মিস ইউনিভার্স আর মিস ওয়ার্ল্ড রূপে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বিশেষত সুস্মিতা সেনের এমন আকাশছোঁয়া সাফল্য অনেক বাঙালি ছেলেমেয়েদের মডেলিং কে পেশা হিসাবে বেছে নিতে উৎসাহ যুগিয়েছিল। ১৯৯৪-এই আমি “মিঃ কলকাতা” প্রতিযোগিতায় নিজের নাম নতিভুক্ত করি। সেই বছর আমি-ই মিঃ কলকাতা রূপে নির্বাচিত হই। এতে আমার ভীষণ উৎসাহ বৃদ্ধি ঘটে এবং ১৯৯৬ সালে আমি মুম্বইতে অনুষ্ঠিত “Mr. India” প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করি এবং সর্বভারতীয় বিচারকদের দ্বারা Second Runner’s-Up রূপে বিবেচিত হই। কলকাতায় ফিরে এরপর আমার মনে হয় যে বাংলার ছেলেমেয়েরা যারা পেশাদার model হতে চায় তাদের জন্যে কিছু করাটা খুব প্রয়োজনীয় কারন মডেল হয়ে উঠতে গেলে লাগে ঠিকমতন grooming। আমার সর্বভারতীয় স্থরে যা অভিজ্ঞ্যতা হয়েছিলো, তাকেই সম্বল করে গোড়াপত্তন করি আমার নিজেস্য মডেল ট্রেনিং -গ্রুমিং সংস্থার । এরপর বুঝতে পারলাম যে আমার ছাত্রছাত্রীদের কাজের অভিজ্ঞ্যতা করাতে গেলে, আমাদের নিজেদেরই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট-এর কাজ শুরু করতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই আমরা event management শুরু করি। আমার প্রাক্তন স্কুল ক্লাসমেট সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় তখন ফ্যাশন ডিসাইনিং-এর পেশায় মোটামুটি নাম করেছে, ওই এগিয়ে এলো আমার সংস্থাকে সাহায্য করতে। আমরা কলকাতার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাশন ইভেন্ট তথা Ramp Show অরগানাইজ করতে থাকি এবং সেগুলিতে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা কাজ করতে শুরু করে। এইভাবে Choreography, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নিজেস্য সংস্থার ছাত্রছাত্রীদের গ্রুমিং করে ১৯৯৮ পর্যন্ত কেটে যায়।

kolkata acting institute smpai

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা : এবার আমাদের বলুন Actor Samrat Mukherjee-এর জন্ম হল কিভাবে?

১৯৯৮ সালে এসে আমি অনুভব করি যে আমি নিজের স্বপ্নর থেকে আস্তে আস্তে দুরে সরে যাচ্ছি।আসলে আমি চেয়েছিলাম তো একজন ফিল্ম অভিনেতা হতে। এরমধ্যেই Orissa-য় ইভেন্ট করতে গিয়ে আমার সঙ্গে আলাপ হয়ে যায় ওড়িয়া ছবির জনপ্রিয় পরিচালক প্রশান্ত নন্দার। তিনি আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেন নিজের ছবিতে। ছবির নাম ছিল “রাজকুমার”। ছবিটি করার পরে বুঝতে পারি যে ওড়িয়া ছবি করে কেরিয়ারের কোন উন্নতি ঘটাতে পারবো না কারন ওড়িয়া ছবির বাণিজ্যিক অবস্থা খুব একটা ভালো যাচ্ছিলো না সেই সময়। এরপর অভিনয় করতে আমি চলে যাই দক্ষিন ভারতে। সেখানে গিয়ে অভিনয় করে ফেলি “প্রিয়তমা” বলে একটি ছবিতে, আমার সঙ্গে ওই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ওখানকার সুপারস্টার Nagarjuna এবং নায়িকা Rambha। সাউথে নিজের কেরিয়ার নিয়ে যখন ভাবনাচিন্তা করছি, সেই সময়ে আলাপ হয়ে গেল মুম্বই-এর নামকরা প্রযোজক-পরিচালক K.C Bokadia সঙ্গে। তিনি আমাকে বললেন মুম্বই তে এসে তার সঙ্গে কাজ করতে। আমার মধ্যে একটা পরিচালক সত্বাও আছে তাই মুম্বইতে গিয়ে ওনার ইউনিত-এ একজন সহপরিচালক হিসাবে কাজ করতে শুরু করে দিই। সেইসময় উনি একটি বিগ বাজেট ছবি করলেন “Hum Tumhare hain Sanam”, যে ছবিতে Shahrukh Khan, Madhuri Dixit, Aiswariya Rai Bacchan এবং Salman Khan অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া “Road” নামে একটি ছবিতেও সহপরিচালনার কাজ করি, যেখানে আমার বন্ধু Koena Mitra কাজ করেছিলেন। একটি মুম্বইতে কাজ করতে করতেই আমি মডেলিং -এর কাজও চালিয়ে যেতে থাকি। Hero Honda এবং Samsung -এর জন্য মডেলিং করে ফেলি। এরপর আমার আলাপ হয় Manisha Koirala-র সঙ্গে এবং অল্পদিনেই আমারা দুজনে খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠি। একদিন কথায় কথায় আমি মনীষা কে প্রস্তাব দিই, তার নিজের জন্যে একটি বাংলা ছবি প্রযোজনা করার জন্যে। মনীষা রাজি হয়ে যায় এবং আমি কলকাতায় এসে দেখা করি Rituparno Ghosh-এর সঙ্গে। তখন জানতে পারি যে ঋতুদা তার ছবি ‘চোখের বালি”-তে আমাকে নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন। এরপর কিছুদিন আমি কলকাতাতেই থেকে যাই। যখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আবার মুম্বইতেই কাজ করতে ফিরে যাব তখন SRFTI -এর একটি ছেলে আমাকে ফোন করে ওর Diploma Film-এ অভিনয় করার প্রস্তাব দেয় Sonali Kulkarni বিপরীতে। অবশ্য সেই সময় সোনালী কোন বড় স্টার ছিলোনা।

acting school kolkata

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা: আপনার প্রথম বাংলা ছবি তো প্রয়াত অঞ্জন চৌধুরী-র প্রযোজনায়। কাজটা পেলেন কিভাবে? আপনার প্রথম বাংলা ছবির পরে এক সুদীর্ঘ বিরতি নিয়েছিলেন অভিনয়ের জগত থেকে। সেটাই বা কেন?

সম্রাট: ডিপ্লোমা ছবিটি করার সময়-ই আমার আলাপ হয় অঞ্জন চৌধুরী-র সঙ্গে। উনি ওইসময় “চন্দ্রমল্লিকা” নামে একটি রোম্যান্টিক বাংলা ছবি করবেন বলে ভাবছিলেন। নায়িকা হিসাবে লঞ্চ করতে চলেছিলেন নিজের পুত্রবধূ বিদিশা  চৌধুরী-কে। আমাকে দেখে উনি এই ছবিতে নায়কের চরিত্রটি অফার করেন এবং আমি তা সানন্দে গ্রহন করি। তখন আমার সম্বন্ধে বলা হত “মুম্বই মডেল” বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে এসেছে। ছবিটি যখন করছি তখন আমার প্রায় ৭ টি বাংলা ছবি-র শুটিং চলছে।  কিন্তু খুব খারাপ publicity এবং making-এর জন্যে “চন্দ্রমল্লিকা” বক্স অফিসে ব্যর্থ হল। প্রথম ছবি চূড়ান্ত flop হলে যা হয়, আমার সঙ্গেও ঠিক তেমনটাই হল। হাতের কাজগুলি সিব ভেস্তে গেলো। আমার তৎকালীন বাংলা ছবির কেরিয়ার যখন শেষের মুখে তখন আমার মন দিলাম আমার সংস্থা SMPAI -র কাজে। এরপর দীর্ঘ ৫ বছর শুধু গ্রামে-গঞ্জে যাত্রা করেছি এবং আমার ইন্সিটিউটকে ধাপে ধাপে গড়ে তোলার কাজের উপর মনোনিবেশ করেছি। যাত্রা থেকে রোজগারের টাকা ব্যবহার করে আমার ইন্সিটিউটটাকে আস্তে আস্তে বড় করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে গেছি। তারপর ইন্সিটিউট-কে ভালোভাবে স্থায়িত্ব দেবার জন্যে যা যা প্রয়োজন ছিল, সব এক এক করে করে ফেললাম। আজ SMPAI সবকটা ক্লাসরুম-ই air conditioned।

SMPAi

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা : অভিনয়ের সেকেন্ড ইনিংস-এর শুরুটা হল কিভাবে?

সম্রাট :  আমার এক বন্ধু মঞ্জিল বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে কথা হচ্ছিলো ২০০৬ সালে। মঞ্জিল চিত্রনাট্য লেখে এবং পরিচালনাও করে। মঞ্জিল আমাকে জিজ্ঞেস করলো যে আমি আবার পর্দায় অভিনয় করছি না কেন? উত্তরে বলেছিলাম যে আমি নিজে থেকে কারো কাছে গিয়ে কাজ চাইতে পারবোনা কারন আমি অনেকদিন আগেই সেই প্রাথমিক স্থর পার করে গেছি। একজন নবাগতর মতন করে ভাবা আমার আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারন আমার বিশ্বাস যে আমি নিজের কাজটা দক্ষ্যতার সঙ্গে করতে পারবো। এখন কেউ যদি আমাকে নিয়ে কাজ করতে চায় ছবিতে তাহলে প্রথমে তাকে নিজেকেই আমার কাছে আসতে হবে। নিদেনপক্ষে আমার সঙ্গে একবার আলোচনা করে নিতে হবে যে আমি আদৌ কাজটা করতে চাই কি না কারন আমি আর অভিনয়ের কাজ পাবার জন্যে মরিয়া নই এবং উল্টোপাল্টা ছবিতে কাজ করে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইনা। আমি ছবিতে আবার অভিনয় করতে চাই কিন্তু সেটা নিজের আত্মসম্মান বজায় রেখে। যদি সুযোগ আসে অভিনয় করার, আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমি ভালো অভিনয় করতে পারবো। মঞ্জিল আমাকে বলল যে সে ZEE Bangla-র জন্য একটি সিরিয়ালের কাজ করছে, আমি যদি সেই সিরিয়ালে অভিনয় করি। এরপর আমি ডাক পেলাম মিঃ রবি ওঝার কাছ থেকে, ZEE Bangla-র জন্যে করা ওনার সিরিয়াল “মোহনা” -তে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করার জন্যে। আমাকে তখন অনেকেই পরামর্শ দিয়েছিলেন এই কাজ না করার জন্যে কারন এর ফলে আমি নাকি খলনায়ক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যাবো। আমি কিন্তু নিজে চেয়েছিলাম Ravi Ojha -র সঙ্গে কাজ করতে কারন তিনি বাংলা টেলিভিশনে যে কাজ-ই করেন তাই দর্শকরা সাদরে গ্রহন করে। এই কাজটাকেই আমার অভিনয় জীবনের সেকেন্ড ইনিংস-এর গোড়াপত্তন বলা যেতে পারে।  “মোহনা” সিরিয়াল এবং সেটিতে আমার অভিনয় দুই-ই অসম্ভব জনপ্রিয় হয়। তারপর আসে “ক্ষনা”, যেখানে আমি ক্ষনার বাবার চরিত্রে অভিনয় করি। “ক্ষনা” বোধয় সেই সময়ের সবচেয়ে ব্যায়বহুল মেগা সিরিয়াল ছিল। কাজটা করতে করতে আমিও উপলব্ধি করি যে বাংলা টেলিভিশন সিরিয়ালের পরিকাঠামো এখন আগের থেকে অনেক বেশি উন্নতমানের এবং  চিত্রনাট্যগুলিও বেশ উপভোগ্য। এরপর একে একে আসে ‘বউ কথা কও’ সিরিয়ালের জনপ্রিয় চরিত্র “সাগর সেন”, ‘টাপুর টুপুরের’ -এর ‘পারিজাত সেন’ …আরো অনেক ভালো চরিত্র। একটা কথা আমি আজ গর্বসহকারে বলতে পারি যে আমার বয়সী অন্য অভিনেতারা আজ কিন্তু নায়ক/নায়িকাদের বাবা, কাকা, জ্যাঠা, মামার চরিত্র করছে, যেখানে আমি কিন্তু আজও নায়ক চরিত্রেই অভিনয় করে চলেছি। আমি বোধয় একমাত্র অভিনেতা যে স্টার জলসার এতোগুলি জনপ্রিয় মেগা সিরিয়ালে নায়ক হয়েছি। STAR JALSHA চ্যানেল শুরু হয়েছে ৩ বছর এবং এই ৩ বছরে স্টার জলসার ৮/৯ টি মেগা-সিরিয়ালের নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে ফেলেছি আমি।

samrat mukherjee interview

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা : SMPAI সংক্রান্ত আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন কি ?

সম্রাটঃ  আমার এই ইন্সটিটিউট আমার স্বপ্ন। মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় /Ms. Mamata Banerjee রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হাওয়ার পরে আমি দিদি কে আমি বলি যে আমার অনেকদিনের স্বপ্ন যে SMPAI থেকে অর্জন করা ডিপ্লোমাকে যদি কোন বিশ্ববিদ্যালয়-এর স্বীকৃতি দেওয়া যায়। দিদি আমাকে বলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে। ব্রাত্যদা সব শুনে বলেন যে একমাত্র রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে এই বিষয়ে সাহায্য করতে পারে। ব্রাত্যদার পরামর্শ অনুযায়ী আমি RBU সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং আলোচনা চলছে। আমি পশ্চিম বাংলার নানান প্রান্তে আমার ইন্সটিটিউট-এর শাখা খুলেছি। কলকাতা ছাড়াও দুর্গাপুরে আমি আমাদের শাখা খুলেছি। বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূম এমনসব প্রত্যন্ত জায়গা থেকে আজকে ছেলেমেয়েরা এসে আমার ইন্সটিটিউট-এর দুর্গাপুর ব্রাঞ্চে ভর্তি হচ্ছে। কলকাতাতে হাজরা রোড  ছাড়াও আমরা বেহালা, মনহরপুকুর রোড -এ আমাদের শাখা আছে এখন। অনেক দূর দুরান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা কাজ শিখতে আসছে এখন … আগরতলা, মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর … সবার মনে বিশ্বাস জন্মেছে যে প্রতিভা থাকলে এবং সঠিক পথে মন দিয়ে কাজ শিখলে একদিন সাফল্য আসবেই। আমার যেটা সবথেকে বেশি ভাললাগে সেটা হল প্রচুর ছেলেমেয়ে SMPAI থেকে ট্রেনিং নিয়ে আজ নিজের পায়ে দাড়িয়ে গেছে। জল নুপুর সিরিয়ালের নায়ক থেকে শুরু করে ভালোবাসা ডট কমের নায়িকা এরা সবাই আমার স্টুডেন্টস। খুব ভালো লাগে যখন কোন award function ceremony -তে গিয়ে দেখতে পাই, যারা পুরস্কার পাচ্ছে, তারা আমার স্টুডেন্ট। যারা স্তেজে পারফর্ম করছে তারাও আমারই স্টুডেন্টস। মনটা আনন্দে ভরে যায় যখন এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। নিজের জন্যে তো সবাই করে, আমিও করেছি কিন্তু তার সঙ্গে এইসব প্রতিভাবান ছেলেমেয়েদের জন্যেও কিছু করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত তথা গর্বিত। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আশা করছি ২০১৫-এর মধ্যে শিলিগুড়ি-তেও আমাদের ইন্সটিটিউট-এর শাখা খুলে যাবে এবং ততদিনে Rabindra Bharati University থেকে আমরা affiliation -ও পেয়ে যাব, যা হলে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি হবে।

ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা : অনেক ধন্যবাদ সম্রাট, আমাদের এতোটা সময় দেবার জন্যে, এতকথা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্যে। খুব ভালো লাগলো আপনার সঙ্গে এতোটা সময় গল্প করে।

সম্রাটঃ অনেক ধন্যবাদ ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা-কেও, আমার সঙ্গে এতটা সময় কাটানোর জন্যে।

Enhanced by Zemanta

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!