Debshankar Haldar brings back to life Bengal’s most celebrated Theater artist;Sisir Kumar Bhaduri’; Theater Review

6
128
debshankar haldar

 

Debshankar Haldar shoots his career’s best stage performance as “Sisir Kumar Bhaduri”, The Lonely Monarch of Bengali Commercial Theatre.

Central to this endeavor is the effort to present glimpses of the essential “MAN” that Sisir Kumar Bhaduri was, despite the mask(s) and aura of being an undisputed legend of Bengali theatre even in his life-time. And in trying to relocate this stalwart in the light of contemporaneous times, Sunil Gangopadhyay’s novel has been an obvious choice. The relevance of this production stems from a plethora of concerns. Sisir Kumar Bhaduri had eschewed the career of being a Professor of English Literature to dedicate himself wholly to professional theatre, a choice that was certainly not easy for him. He was a bold purist for whom folk culture was always to be prized and prioritized in spite of the lures of western assimilations at the time when “Theatre of Roots” was hardly a seedling in the cultural domain.

Sisir Kumar Bhaduri refused to be institutionalized, disregarded national honours including “Padma Bhusan” and yet remained devoted to his vision of actualization of a National Theatre with an uncompromising zest.

debshankar haldar

নাটক যখন নটের কথা শোনায় তখন সেই কাহিনী হয়ে ওঠে অপরূপ। দেবেশ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত “নিঃসঙ্গ সম্রাট” তেমনই এক মহামানবের জীবন গাঁথা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর কালজয়ী উপন্যাস “নিঃসঙ্গ সম্রাট” -এর নাট্যরূপ দিতে গিয়ে Debesh Chatterjee যথেষ্ট বেগ মানে বাংলার রঙ্গমঞ্চের এমন এক ইতিহাস, যা বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না। সুনীলের পেয়েছেন কারন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর “Sisir Kumar Bhaduri” অনেকাংশে উপন্যাসের কল্পনায়ক কিন্তু সেই নায়ককে নাটককে রঙ্গমঞ্চে আনয়ন করতে গেলে প্রয়োজন ছিল তার পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেকখানি গবেষণার এবং সেই গবেষণা লব্ধ তথ্যের সঙ্গে সুনীলের fictional অলংকারকে মিলিয়ে মিশিয়ে একাকার করে তোলার। সেই কাজটাই দেবেশ চট্টোপাধ্যায় খুব ভালোভাবে করে দেখিয়েছেন, তার এই নবতম প্রযোজনার মধ্য দিয়ে। বাংলা রঙ্গমঞ্চের সেরা নট শিশিরকুমার ভাদুরি-র জীবন নিয়ে পাইকপাড়া ইন্দ্ররঙ্গ-র সাম্প্রতিক নাট্য প্রযোজনা “নিঃসঙ্গ সম্রাট” দর্শকদের মনে এমন এক মানসিকতার উদ্রেক ঘটায়, যেখানে প্রেক্ষাগৃহে উপবিষ্ট সমস্ত দর্শক ‘শিশিরবাবু’-র সঙ্গে একাত্মবোধ করেন। শিশিরবাবুর জীবনালেখ্য উপন্যাসটিও অনেকেই পড়েননি তাই এমন একটি লেখা নিয়ে কাজ করে দেবেশদা নিঃসন্দেহে এক সমাজচেতনা মূলক কাজের নজির স্থাপন করেছেন। সুনীলের আপন মনের মাধুরীর সঙ্গে গবেষণালব্ধ ঐতিহাসিক তথ্যসমূহর মিশ্রণ ঘটিয়ে নাট্যকার দেবেশ চট্টোপাধ্যায় প্রকৃত অর্থে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মূল উপন্যাসটিরই শ্রীবৃদ্ধি করেছেন, ঠিক যেমনটি করেছিলেন গৌতম ঘোষ তার “মনের মানুষ” ছায়াছবির দ্বারা।

debshankar haldar

দেবেশ চট্টোপাধ্যায় যখন শিশিরকুমারের চরিত্রে অভিনয় করার জন্যে অভিনেতা নির্বাচন করতে বসেছিলেন তখন তিনি কি Debshankar Haldar ব্যতিত অন্য কোন অভিনেতার কথা ভেবেছিলেন? মনে তো হয়না কারন বাংলার রঙ্গমঞ্চে এই মুহূর্তে দেবশঙ্করের মতন এমন অভিনেতা বোধয় নেই, যিনি একই মঞ্চে অনেকরকমের চরিত্রে অভিনয় করার ক্ষমতা রাখেন। শিশিরকুমারের চরিত্রে অভিনয় করতে হলে সেই অভিনেতার এই বিরল ক্ষমতা থাকতেই হবে। কারন শিশিরকুমার এমনসব চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিজের সময়ে, যেগুলির একটিও কোন অভিনেতা নিজের গোটা অভিনয় জীবনে করে উঠতে পারলে আপনমনেই গর্ববোধ করতেই পারেন। শিশিরকুমার এবং দেবশঙ্করের এখানে একটা খুব বড় মিল, যে এই দুই অভিনেতাই নিজেদের অভিনয় জীবনে এমন এক একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেগুলি পরবর্তী অভিনয় প্রজন্মের জন্যে পথিকৃৎ স্বরূপ হয়ে থেকে গেছে। মনে হয়, এই কারনেই হয়তো পরিচালক দেবেশ চট্টোপাধ্যায় শিশিরকুমারের চরিত্রে দেবশঙ্কর হালদার ব্যতিত অন্য কোন অভিনেতার কথা ভাবেননি।

এই নাটকে মানুষ শিশিরকুমার ভাদুরি এবং নট শিশিরকুমার এই দুই সত্বাকেই সমপরিমাণ প্রাধান্য দিয়েছেন নাট্যকার আর তাই হয়তো প্রায় প্রতিটি দৃশ্যে দর্শক সজল চোখে করতালি দিয়ে শিশিরকুমার রুপী দেবশঙ্কর হালদারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। Group Theater-এ এমন ঘটনা প্রায় ঘটেনা বললেই চলে কারন এখানে সংযমী দর্শকরা সাধারনতঃ করতালি দেন নাটকের অন্তিমে কিম্বা মধ্য-বিরতির সন্ধিক্ষণে। কিন্তু “Nihsanga Samrat” দেখতে এসে প্রথমবার দেখলাম যে সংবেদনশীল দর্শকগনমণ্ডলী তাদের মনের আবেগ এবং চোখের অশ্রু কোনটাই চেপে রাখতে পারেননি। দর্শকদের মনের অভ্যন্তরে এমন স্বতঃস্ফূর্ত অভিনন্দনের জোয়ারের সঞ্চার করার জন্যে যতটা কৃতিত্ব অভিনেতা দেবশঙ্করের প্রাপ্য, ঠিক সমপরিমান কৃতিত্ব দিতে হবে স্বয়ং শিশিরকুমার কে কারন তিনি যদি এমন পর্বতপ্রমাণ প্রতিভার অধিকারী না হতেন তাহলে তাকে নায়ক করে এমন সফল নাট্য প্রযোজনা কি হতে পারতো?

আজ ২রা অক্টোবর শিশিরকুমারের জন্মদিন কিন্তু আমরা এই দিনটাকে শুধু “গান্ধী জয়ন্তী” হিসাবেই মনে রেখে দিয়েছি। আজকের এই দিনে আমরা বাঙালিরা কি পারিনা সেই মানুষটার স্মৃতির প্রতি একটু শ্রদ্ধা জ্ঞ্যাপন করতে? যে মানুষটা নিজের মূল্যবান জীবন ব্যায় করে ফেললেন বাংলার নাট্য সংস্কৃতি গড়ে তোলার স্থির লক্ষে! পাইকপাড়া ইন্দ্ররঙ্গ এই কাজটাই করে দেখিয়েছে তাদের এবারের অধিনায়ক দেবেশ চট্টোপাধ্যায়-এর হাত ধরে। অভিনয়ে সবাই এককথায় অনবদ্য।

মঞ্চসজ্জা করেছেন নাটকের নির্দেশক স্বয়ং এবং এমন মনগ্রাহী সেই সজ্জা যে দর্শকদের মন ভেসে চলে গেছিলো সেইসব দিনগুলিতে যখন বাংলার রঙ্গমঞ্চের একছত্র অধিপতি ছিলেন শিশির কুমার ভাদুরি। সুদীপ স্যান্যালের আলোকসজ্জাও উৎস, প্রবাহ তথা ধারার সঙ্গে খাপ খেয়ে গেছে। রূপসজ্জায় মহম্মদ আলীও এক কঠিন চ্যালেঞ্জকে সাফল্যের সঙ্গে জয় করেছেন কারন এখানে একই মঞ্চে শিশিরকুমার ভাদুরি রুপী দেবশঙ্কর হালদার একাধিক ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং প্রত্যেকটি চরিত্রের জন্যে নির্ধারণ করা আছে স্বতন্ত্র মেক-আপ।

নাম ভূমিকায় দেবশঙ্কর হালদার ছাড়াও “নিঃসঙ্গ সম্রাট” নাটকে অভিনয় করেছেনঃ

রনজিৎ চক্রবর্তী, দেবাশিস রায়চৌধুরী, চিরঞ্জিৎ ভদ্র, অশোক মুখোপাধ্যায়, জয়ন্ত ঘোষ, সুশান্ত বসু, তথাগত চৌধুরী, সউমক ভট্টাচার্য, অনির্বাণ সরকার, ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল মুখোপাধ্যায়, প্রতীক বন্দ্যোপাধ্যায়, চয়ন দে, গম্ভীরা ভট্টাচার্য, টুটুল ঘোষ, সুস্মিতা ভট্টাচার্য, অনন্যা পাল, ইপ্সিতা দেবনাথ, মোনালিসা দাস, নম্রতা শীল,অনিন্দিতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেঁজুতি মুখোপাধ্যায়।

 

নেপথ্যে

মঞ্চভাবনাঃ দেবেশ চট্টোপাধ্যায়

মঞ্চসজ্জাঃ হিরন মিত্র

সংগীতঃ দ্রোণ আচার্য

আলোঃ সুদীপ সান্যাল

নৃত্যবিন্যাসঃ কস্তুরী চট্টোপাধ্যায়

পোশাকঃ অমিত রায়

আবহ নিয়ন্ত্রনঃ অনিন্দ্য নন্দী

রূপসজ্জাঃ মহঃ আলি

প্রযোজনা সহায়তাঃ শুভজিৎ মিত্র, অরূপ ভট্টাচার্য, পারমিতা চক্রবর্তী, বিজয় বসু, প্রবীর চক্রবর্তী, অপরাজিত সেনগুপ্ত, রাজশ্রী কুণ্ডু, সত্যজিৎ চক্রবর্তী।

নাট্যরূপ নির্দেশনাঃ দেবেশ চট্টোপাধ্যায়।

Enhanced by Zemanta

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and have written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com

6 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!