New Kolkata Bangla Movie Khiladi (2013): Review; Tollywood actress Nusrat Jahan steals the show

0
2966
khiladi

kolkata bangla movie khiladi

কেন যে কথায় বলে গান বাজনা – নাচন কোঁদন / চারে মিলে দেবীর বোধন , সেটা Eskey Movies-এর ‘Khiladi‘ দেখলে হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। কি নেই এই ছবিতে? নাচ,গান, চোখের জল,পারিবারিক নাটক এবং মজাদার কমেডি। উপরন্তু আছে বাঙালির সর্বপেক্ষা প্রিয় উৎসব “শারদ উৎসব” অর্থাৎ দুর্গা পুজা।

Ankush যখন হিরো তখন নাচ তো থাকবেই। অঙ্কুশের মতন ধুন্ধুমার পুরুষ নাচিয়ে বোধয় এই মুহূর্তে বাংলা ছবির দুনিয়ায় অন্য কেউ নেই। পরিচালক অশোক পতি তার নায়কের এই প্রতিভাকে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যবহার করেছেন “খিলাড়ি” ছবিতে। অঙ্কুশের বিপরীতে নায়িকা রূপে এই ছবিতে আছেন super hot & sexy “Nusrat Jahan”। নুসরতের মতন শারীরিক যৌন আবেদন (sex appeal) নিয়ে বাংলা ছবির জগতে খুব কম নায়িকা এসেছেন। পুরুষ দর্শকদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে এই নায়িকার।

এছাড়াও আছেন তাপস পাল (Tapas Pal), রজতাভ দত্ত (Rajatava Dutta), খরাজ মুখোপাধ্যায় (Kharaj Mukherjee), কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick), লাবনি সরকার, মৌসুমি সাহা এবং সুপ্রিয় দত্ত।

khiladi poster

যদি নিজের বুদ্ধি তথা মস্তিষ্ককে দু ঘণ্টার জন্যে নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা সিনেমা ঘরে ‘খিলাড়ি’ দেখতে বসেন তাহলে সময়টা হয়ত মন্দ কাটবে না কিন্তু যেই আপনার মস্তিক্স কাজ করতে শুরু করে দেবে, তখনই  ‘খিলাড়ি’-র খেল খতম। “খিলাড়ি”র গল্পটা খুব সরল সাধারন কিন্ত তাও দর্শকদের মনে রেখাপাত করে যায় কারন ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খুব সুন্দর এবং সুষ্ঠু ভাবে এক প্রতিবাদমূলক বক্তব্য রাখা হয়েছে এই ছবিতে। হিন্দু – মুসলিম সম্পর্ক কে পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে এমন এক সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন কাহিনীকার, যা আজকের সামাজিক পটভূমিকায় অত্যন্ত তাৎপর্যময়।

হিন্দু জমিদার আনন্দনারায়নের (তাপস পাল) আদরের বোন স্বরস্বতী (লাবনি সরকার) মুসলিম মহসিন খান (রজতাভ দত্ত) কে ভালোবেসে দাদার ঘর ছাড়ে। পরিস্থতির সুযোগ নিয়ে মহসিনের বাড়িতে আনন্দনারায়নের নাম করে হামলা চালায় খলনায়ক নটবর মণ্ডলের (সুপ্রিয় দত্ত) ভাড়া করা গুণ্ডার দল। গুণ্ডাদের হামলায় মহসিন খান পঙ্গু হয়ে যায়। ফলস্বরূপ দুই পরিবারের মধ্যে জন্ম নেয় শত্রুতা। অনেক বছর পরে মহসিন ও স্বরস্বতীর একমাত্র ছেলে সুলেমান (অঙ্কুশ) আনন্দনারায়নের বাড়িতে ‘কৃষ্ণ’ ছদ্মনামে এসে আশ্রয় নেয়। সুলেমানের জীবনের লক্ষ্য তথা স্বপ্ন হচ্ছে মহসিন এবং আনন্দনারায়নের পরিবারের মধ্যে ‘মিল’ করিয়ে দিয়ে তার মা-কে নিজের বাপের বাড়িতে উপযুক্ত মর্যাদার সঙ্গে পুনরায় ফিরিয়ে আনা। এই স্বপ্ন সত্যি করতে গিয়ে সুলেমানকে সাজতে হয় পুরোহিত কৃষ্ণ ভট্টাচার্য। কাজ করতে করতে সুলেমান প্রেমে পড়ে যায় আনন্দনারায়নের পালিতা কন্যা ‘পূজা’-র এবং পূজাও ভালোবেসে ফেলে ছদ্মবেশী সুলেমানকে। এরপর নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে ছবি এগিয়ে চলে এবং ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে হিন্দু-মুশলিম ভাই-ভাই এই স্লোগান তুলে দুই পরিবারের মিলন তথা সুলেমান-পূজার প্রেমের মধুরেন সমাপয়েৎ।

নায়ক অঙ্কুশ বেশ স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় করেছেন। কিন্তু রোম্যান্টিক, নাচ এবং মারপিটের দৃশ্যে তিনি যথেষ্ট সাবলীল, অথচ পারিবারিক নরম আবেগঘন দৃশ্যগুলিতে বেশ নড়বড়ে। অন্যদিকে নায়িকা নুসরৎ জাহান তার শারীরিক সৌন্দর্য তথা মদকতাময় দুটি চোখ নিয়ে স্ক্রিন জুড়ে রাজত্ব করেছেন। আনন্দনারায়নের চরিত্রে তাপস পাল বেশ ভালো অভিনয় করেছেন। রজতাভ দত্তে এবং লাবনি সরকারের বিশেষ কিছু করার ছিল না কারন চিত্রনাট্যকার মহসিন খান এবং স্বরস্বতী দুটি চরিত্রটিকে খুব ছোট করে লিখেছেন। খলনায়ক নটবর মণ্ডলের ভূমিকায় সুপ্রিয় দত্ত দারুন কাজ করেছেন। ছোট একটি চরিত্রকেও যে কিভাবে অভিনয়গুনে ‘বড়’ করে তোলা যায় সুপ্রিয় দত্ত তা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। দুজন কমেডিয়ান খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং কাঞ্চন মল্লিক দর্শকদের হাসানোর কাজটা খুব ভালোভাবে করেছেন। বিশেষত খরাজ মুখোপাধ্যায়ের কমিক টাইমিং এতটাই দুরন্ত যে তার খেলো কৌতুকেও, দর্শকরা হেসে লুটোপুটি খেয়েছে। খরাজ দা না থাকলে ‘খিলাড়ি’ ঠিক জমত না।

সংগীত পরিচালক শ্রী প্রীতম তেমনই কাজ করেছেন যেমন কাজ এই ধরনের ছবিতে করতে পারা যায়। শ্রী প্রীতমের হাত ধরে “খিলাড়ি”-তে প্রথমবার বাংলা গান গেয়ে ফেললেন বাবা সায়গল (Bollywood rap singer Baba Saigal)। এম.সুস্মিতের সম্পাদনা আরো টানটান হতে পারতো কারন আমার মনে হয়েছে ছবিতে কিছু বাড়তি মেদ জমে আছে, যা ঝরিয়ে ফেললে বোধয় ছবিটি আরো খানিক ছোট হতে পারত। ক্যামেরায় পি. সেলভাকুমার বেশ ভালো। কিন্তু পেলে ভট্টাচার্য আর কবে বুঝবেন যে চিত্রনাট্য লেখা ছেলেখেলা নয়!! পেলে ভট্টাচার্যকে আরো অনেকখানি মনোনিবেশ করতে হবে নিজের কাজে নচেৎ “বিক্রম সিংহ” কিম্বা “ওম শান্তি”র মতন কাণ্ড আবারও ঘটবে। এবার এসকে মুভিজের তথা হিমাংশু ধানুকার (Himanshu Dhanuka) বোধয় পেলে ভট্টাচার্যকে পাল্টানোর সময় এসেছে নাহলে প্রযোজকের পয়সার জমজমাট শ্রাদ্ধ হবে অথেচ ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়বে। বারবার এমন খারাপ চিত্রনাট্য লিখলে তো বিপদের কথা কারন চিত্রনাট্য একটি ছবির ভিত আর তা যদি শক্তপোক্ত না হয় তাহলে ছবি তো নড়বড় করবেই। কোন চরিত্রকে ঠিক কতোটা জায়গা দিতে হবে ছবিতে, সেটাই পেলে ভট্টাচার্য বোঝেন না।

সবদিক মাথায় রেখে আমি ‘খিলাড়ি’-কে দিলাম 4/10, তার সঙ্গে এও জানিয়ে রাখলাম যে উপযুক্ত চিত্রনাট্য থাকলে এই ছবি হয়ত আরো দুই/আড়াই নম্বর বেশি পেলেও পেতে পারত কিন্তু Pele Bhattacharya একাই দায়িত্ব নিয়ে সেটা হতে দিলেন না।

Ankush is sweet & spontaneous but its the sexy siren Nusrat Jahan, who seductively steals the show with her hot & spicy charm in new Kolkata Bangla Movie Khiladi.

Image Credits: Google Images


Joy Dugga Thakur (Song)(HD) – Khiladi (Bengali Movie)(2013 Puja) (You Tube)

 

 

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and have written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com

Enhanced by Zemanta

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!