Sholoana Bangaliana’s tribute to Sri. Sukumar Ray- The Father Of Bengali Satirical Nonsensical Literature

0
283
abol-tabol

 abol tabol

 

Sukumar Ray was the son of the famous children’s fairy tale writer Upendrakishore Roy Chowdhury, the father of the greatest filmmaker of India, Satyajit Ray and also the grandfather of Tollywood filmmaker Sandip Ray. Sukumar Ray was the founder secretary of “Monday Club” (মণ্ডা ক্লাব), a weekly gathering of like-minded people at the Ray residence, where the members were free to express their opinions about the world at large. Eminent personalities like Rabindranath Tagore and Saratchandra Chattopadhyay also visited the Monday Club meetings, to honour the invitation of Sukumar Ray. A number of poems were penned by Sukumar Ray in relation to the matters concerning “Monday Club”, primarily soliciting attendance, announcing important meetings etc.

 

আয়রে ভোলা খেয়াল খোলা

স্বপনদোলা নাচিয়ে আয়

আয় রে পাগল আবোল তাবোল

মত্ত মাদল বাজিয়ে আয়

আজ ঈশ্বর দিবস। আজ থেকে ঠিক একশো ছাব্বিশ বছর আগে জন্ম হয়েছিল সেই বেয়ারা সৃষ্টিছাড়া নিয়মহারা হিসেবহীন ঈশ্বরের, যিনি তাঁর অসম্ভবের ছন্দে, উধাও হাওয়ার স্রোতে আজও ভাসিয়ে নিয়ে চলেছেন আমাদের। তিনি সুকুমার রায়। আমরা যারা বড্ড ছোট, বড্ড সাধারণ, বড্ড হিসেবী, যাদের জীবন ঘিরে বারবার প্রতিধ্বনিত হয় শুধুমাত্র ধুত্তেরিকা আর ধ্যাত্তেরিকা, আমাদের সেই বিরক্তিহীন বাঁচতে চাওয়ার বৃথা আশার দিকে সটান তাকিয়ে মুচকি হেসে যিনি আমাদের এই আকালেও স্বপ্ন দেখতে শেখান, তিনি হলেন সুকুমার রায়। ঈশ্বর, পৃথিবী এবং ভালোবাসাকে গুলে খাওয়া, যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকা এমন এক মানুষ, যাঁকে এখনো আমাদের চল্লিশ না পেরিয়েও চালসে পড়ে যাওয়া চোখ তকমা দেয় শুধুমাত্র শিশু সাহিত্যিকের।

এখনো যখন মাঝ ছাদে একলা দুপুর নামে, চিলেকোঠার ঘরে অল্প অল্প করে নেমে আসতে থাকে শান্ত রূপকথারা, আরো পশ্চিমে বড় হয়ে উঠতে থাকে ছায়া, যখন শৈশব পালন করে জ্যোৎস্নার উৎসব, তখন ঘুমপাড়ানি গানের মত সারা গায়ে জেগে থাকে পাগলা দাশু, খুড়োর কল,কাতুকুত বুড়ো, কাগেশ্বর কুচকুচে, আহ্লাদীরা। কবীর সুমন বলেছিলেন, ‘তোর গানে পেঁচী রে, সব ভুলে গেছি রে’ এর মত প্রেমের কবিতা একমাত্র সুকুমার রায়ের পক্ষেই লেখা সম্ভব। আর পুণ্যলতা চক্রবর্তী লিখেছিলেন, ছন্দ মেলানোর ব্যাপারে দাদা কখনো হারত না। যত শক্ত হোক না কেন, চট করে মিলিয়ে দিত। আট বছর বয়সে যাঁর প্রথম কবিতা ‘নদী’ এবং নয় বছর বয়েসে দ্বিতীয় কবিতা ‘টিক টিক টং’ ছাপা হয়েছিল ‘মুকুল’ পত্রিকায়, যাঁর ম্যাজিক ঝুলিতে রয়েছে ‘সন্দেশ’ এবং ‘মন্ডা ক্লাব’ এর মত অসম্ভব মজার সমস্ত জিনিস, তিনি শুধু একশো ছাব্বিশ বছর কেন, এক লক্ষ ছাব্বিশ বছর পরেও থাকবেন কন্টেম্পোরারি। তাঁর অজস্র গপ্প ছড়িয়ে রয়েছে পুণ্যলতা চক্রবর্তীর বই ‘ছেলেবেলার দিনগুলি’ তে। যদি সত্যিই জানতে চান এই মানুষটিকে এবং তাঁর সেই অসাধারণ পরিবারটিকে, তাহলে অবশ্যই পড়বেন এই বই। আরো অনেক কথা বলার ছিল, জানার ছিল। কিন্তু বাধ সাধল পাগলা দাশু। কানে কানে এসে বলে গেল, অতিরিক্ত কৌতূহল ভাল নয়। কাঁচকলা খাও।

 

Image Credits: Google Images

Article By:

sagnik roychowdhury

 

Sagnik Roy Chowdhury is an upcoming young & talented screenplay writer from Tollywood. He has got movies like “Bicycle Kick” to his credit as a script & dialogue writer. He also writes occasional columns for various Bengali newspapers and magazines.

Enhanced by Zemanta

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!