Brief history of Kobi Gan in Bengal and its Impact in Bengali Film Music (Sholoana Bangaliana Feature))

2
204
jaatishwar

 গ্রামীন বাংলার প্রাচীন কবিগানের সংক্ষীপ্ত ইতিহাস এবং বাংলা সিনেমায় কবিগানের প্রভাব

রাজার গলার হার বা ফুলের মালা না পেলে রাজ্যবাসীর কাছে স্বীকৃতি মিলবে না আর তার জাত ও কুলীন হবে না। তাই রাজ সভায় যেতেই হবে তা সে মল্লবীর হোক যোদ্ধা হোক, অলঙ্কার শিল্পী হোক বা কথা শিল্পী। রাজতন্ত্রে রাজার স্বীকৃতিই শেষ কথা। তাই রাজসভাতেও বসত নানান আসর। সেখানে পেশ করা হত ওস্তাদি গান বা পাক্কা গানা, যার সমঝদার যে সব সময় খুব বেশী হত এমন নয়, কিন্তু যোগ্য বংশের রাজপুত্রদের অনেক কলার মত সঙ্গীত কলারও চর্চা করতে হত।  তা সেই পাক্কা গানার সমঝদার তিনি হয়ত হলেন কিন্তু সভার সবাই তো আর তা নয়, কিন্তু রাজা মশাই মাথা নাড়লে যদি সভাসদরা মাথা স্থির রাখেন তবে সে মাথা স্বস্থানে নাও থাকতে পারে। অগত্যা।

কিন্তু কবি, তাকেও তো স্বকৃতি পেতে হবে রাজার, না হলে সেও তো অজ্ঞাতকুলশীল। তাই সে এসে পৌছাল রাজসমীপে হাতে ভুর্জ পত্রে লেখা রাজ বন্দনা। রাজা যদি তা শুনে তাঁর গলার ফুলের মালাটি ও দেন তবে কবির সেটাই সেরা প্রাপ্তি। রাজা শুনলেন সিংহাসন থেকে নীচে নেমে এসে বুকে জড়িয়ে ধরলেন কবিবর কে। রাজ সভায় সেও পেল আসন। কিন্তু এতে সাধারন সভাসদ যারা তাঁরা তেমন আমোদ পেলেন না। কারন ওস্তাদি গানের মধ্যে আছে দাপট, সুরের রোশনাই, তানের হল্কা, না বুঝলেও তাঁর আঁচ গায়ে এসে লাগে, কিন্তু এই স্নিগ্ধ কাব্যের মধ্যে না আছে সেই দাপট, না কারিকুরি। তার থেকে রাজা মশাই আপ্লুত হতে পারেন কার স্তুতি তো তাঁরই কিন্তু এতে তো মাথা নাড়ানর ও ব্যবস্থা নেই, কেমন যেন একটা নরম নরম ব্যাপার। তা দু ছত্র এই নরম সরম ব্যাপার দেখিয়ে যদি সবাই রাজার অনুগ্রহ পেয়ে যায় তবে তো হয়েছে আর কি। তাই কবিকেও নামাও যুদ্ধে, দেখ সে পারে কি না। যদি পারে থাক না রাজার প্রিয় হয়ে কিন্তু যদি না পারে তবে যার কাছে তার হার তাকেই দিতে হবে রাজার সভায় আসন। কাব্য কে নামতে হল রণে।

তা রণের যা নীতি তা তো এখানেও প্রযোজ্য, দুপক্ষকে লড়িয়ে দাও রাজামশাইয়ের সামনে। শুরু হল কবির লড়াই। শাস্ত্রকাররা যেমন তর্কে শ্লোকে ব্যবহৃত সংস্কৃত শব্দের মানে ও তার কূট প্রযোগ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে একে অপরকে হারাতে চেষ্টা করতেন এখানেও ব্যপারটা অনেকটা সেই রকমই দাঁড়াল, এক কবিবর এক কবিতা পাঠ করেন, অন্যে তার সেই কবিতার ভাবকে নস্যাৎ করতে অপর একটি কবিতা পাঠ করেন, অন্তে যাঁরটি বেশী মনগ্রাহী হল সেই পেল সম্মান। এই করতে গিয়ে দেখা গেল একজন কবি দিয়ে তো ঠিক হচ্ছে না, কারন অন্যপক্ষের কবিতার ভাব বা ছন্দ বা শব্দ হয়ত হারিয়ে যাচ্ছে, তখন কবিরা সাথে করে বাহিনী নিয়ে নামতে শুরু করলেন। কেউ লিখে রাখেন ছন্দ, কেউ বা অন্তোতচারিত শব্ধ, কেউ বা ভাব। আর জবাবি সময়ে সেগুলি যথাযথ কবিকে যোগান দিয়ে দেওয়াই ছিল তাঁদের কাজ। দোহার এর জন্ম হয় সেই ভাবে। মুল কবিকে বলা হত সরকার। আর সরকারের সহযোগীদের বলা হত দোহারের দল।

কবিগান শুধু যে বাংলায় হত তা নয় ভারতের বিভিন্ন রাজ সভায় এই ব্যাপারের চল ছিল। কবিপ্রতিভা যখন রাজানুগ্রহ চাইতে যেতেন তখন তাকে বিভিন্ন রকমের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হত। রাজ সভার থেকে আটজন পণ্ডিতকে নিয়ে গঠিত হত “অষ্টবাধনা” এই আট জন তখন নতুন কবিকে বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা নিতেন, কেউ একটি নির্দিষ্ট শব্ধ দিয়ে শুরু করিয়ে কবিতা বলতে বলতেন, অগ্রমিল, কেউ শেষে মেলানর শব্ধ বলতেন, অন্তমিল, কেউ কোন নির্দিষ্ট শব্ধ বাদ দিয়ে কবিতা করতে বলতেন, কেউ নির্দিষ্ট ছন্দে, বা লয়ে, লয় ও ছন্দ পরীক্ষা করার জন্য তালবাদ্যের বাদক থাকত উপস্থিত। আর এই সবই হত একেবারে হাতে গরম।  মানে তৎক্ষণাৎ। রাজানুগ্রহ বলে কথা।

কবিগানের একটা ভাল ব্যাপার ছিল, এগান শুরু করতে হত প্রথমে গণেশ/ সরস্বতী বন্দনা দিয়ে, তারপরে বন্দিত হতেন গুরু, শেষে রাজস্তুতির পরে কবিয়াল উপস্থিত জন গণেশের বন্দনা করে শুরু করতেন প্রথম কবিতা। এই কবিগানের বহু ধরনের বিচরন ক্ষেত্র আছে, বাংলার বহু ধরনের সাংগীতিক ও বাচিক শিল্প মাধ্যমকে ব্যবহার করেই এই কবিগান সাধারণত হয়ে থাকে যেমন পাঁচালী, এই পদ্ধতিতে কবিয়াল কে একাই বিভিন্ন বিষয়কে নিয়ে কবিতা ও গানের মাধ্যমে উপস্থিত মানুষের মনরঞ্জন করতে হত, এতে দেব দেবীর অর্থাৎ কিনা রাধা কৃষ্ণের লীলা বর্ননার ভাগই থাকত বেশী, আবার শরতে মা দুর্গার আগমনের খবর নিয়ে হত ‘আগমনী’, আবার কবির লড়াই যখন হত তখন রাধা কৃষ্ণের লীলা বিষয়ক গানের উপস্থাপনাকেও বলা হত আগমনী, মানে আসছে, এবারে লড়াই শুরু। কবিয়ালের এখানে আর এক নাম থাকত কথক ঠাকুর। এরপরে থাকত আখড়াই, হাফ আখড়াই কবিগান। আখড়া যেখানে এই বিশয়ের চর্চা হয়ে থাকে সেখান থেকে কবি ও তার দলবল পাঠান হত, গুরু বা মুর্শেদ বা ওস্তাদ নিজে যখন আসতেন তখন হত ফুল আখড়াই, যখন আখড়ার গুরু বাদে অন্য কোন সদস্য কে আখড়ার দলবল সমেত পাঠান হত সেটা হত হাফ আখড়াই, সেখানে আখড়াই ধারার বাইরের জিনিসের ও প্রয়োগ করা যেত। এতে যারা অংশ গ্রহণ করতেন তারা একাধারে কথক, কবি, সুরকার সবই হতেন। তাছাড়াও ছিল তরজা, লহর, খেউর ইত্যাদি। লহর খেউর আবার রাধা কৃষ্ণের লীলা গানের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হত। আর এই কবিগান যখন রাজ দরবার থেকে সাধারন মানুষের মনরঞ্জনের কাজে নিয়েজিত হল তখন আবার তাতে একটি পদ যোগ হল, দলের কিছু মানুষের কাজ হয়ে দাঁড়াল অন্যপক্ষের যিনি বা যাঁরা আছেন তাঁর বা তাঁদের ব্যক্তিগত কেচ্ছাকে খুঁজে বার করা আর সময় মত তার সরবরাহ করে দেওয়া। আর এই ব্যাপারটা সাধারনের মধ্যে এত জনপ্রিয় হয়ে গেল যে বাকী সব কিছুকেই পিছনে ফেলে দেওয়ার উপক্রম হল। বাংলার কবিয়ালদের মধ্যে সব চাইতে বেশী সংখক কবিয়ালের উৎপত্তি বীরভুম জেলা থেকে। ১৮শ শতক থেকে ২০শ শতকের মধ্যে সেখানে প্রায় ৩০০ র বেশী কবিয়ালের উল্লেখ পাওয়া যায় ডঃ সুশীল কুমার দে মহাশয়ের লেখায়, তিনিই এই কবিয়াল নামকরণটি করেন।

১৮শ শতকে সবচাইতে আগে যে কবিয়ালের নাম আমরা পাই তিনি হলেন বীরভুমের গোঞ্জলা গুঁই, তার সমসাময়িক রা হলেন লালু-নন্দলাল, রঘু, রামজী ইত্যাদিরা।  তারপরে ১৯শ শতকে কলকাতার সেরা কবিয়াল দের মধ্য অগ্রগণ্য ছিলেন, হারু ঠাকুর, নিতাই বৈরাগী, রাম বসু, ভোলা ময়রা, ইনি ছিলেন হারু ঠাকুরের প্রধান চ্যালা। আর ছিলেন এন্টনী কবিয়াল। ইনি জাতে পর্তুগীজ ছিলেন বিধবা বিবাহের মত ঘটনা ছাড়াও এনার আরো একটি অবদান স্মরণীয় সেটা হল ব্যক্তিগত কুৎসার কে বাদ দিয়ে ইনি কবিগান কে অনেক উচ্চপর্যায়ে আবার উঠিয়ে নিয়ে যেতে সফল হয়ে ছিলেন।

বলহরি রায় (১৭৪৩-১৮৪৯), শম্ভুনাথ মণ্ডল (১৭৭৩-১৮৩৩), তারক চন্দ্র সরকার (১৮৪৫-১৯১৪), হরি চরণ আচার্য (১৮৬১-১৯৪১) রমেশ চন্দ্র (১৮৭৭-১৯৬৭) রাজেন্দ্রনাথ সরকার (১৮৯২-১৯৭৪), বিজয় কৃষ্ণ অধিকারী (১৯০৩-১৯৮৫), নিশিকান্ত রায়সরকার ও মুকুন্দ দাস এই দুজনকে প্রধানত চারন কবি বলা হয়, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে উজ্জীবিত করেছিলেন গ্রামে গঞ্জে মানুষের মাঝে গান গেয়ে। এক্ষেত্রে কবি রাজ শক্তির বিরধিতা করেছিলেন দেশের মানুষের মুক্তির জন্য। জনপ্রিয়তা এনাদেরও কিছু কম ছিল না। জয়মাল্য কখন যে কোথাথেকে আসে তা কে জানে।

বাংলা ছবিতে এক সময় কবিগান অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এন্টনী ফিরিঙ্গী (Anthony Firingee) ছবিতে উত্তমকুমারের অবিস্মরণীয় অভিনয়, তাকে জাতীয় পুরষ্কার এনে দিয়েছিলো। প্রয়াত শিল্পী মান্না দে সেই ছবিতে এমন গায়কির নিদর্শন রেখেচিলেন যে আমরা আজও সেইসব গান ভুলতে পারিনি। এই ছবিতে ভোলা ময়রার (Bhola Moira) ভূমিকায় বর্ষীয়ান অভিনেতা অসীত বরণ মনে রাখার মতন অভিনয় করেছিলেন। এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কয়েকবছর পরে আবার কবিগান নিয়ে ছবি হল, এবারে ছবির নায়ক ‘ভোলা ময়রা’, এবারও নায়ক উত্তমকুমার (Mahanayak Uttamkumar)। এবারও মনে রাখার মতন অভিনয় করলেন মহানায়ক। এরপরও ‘কবিগান’ কিম্বা ‘কবির লড়াই’ নিয়ে বাংলা ছবি হয়েছে। আমাদের নিশ্চয় মনে আছে পরিচালক তরুন মজুমদারের (Tarun Majumder) সঙ্গীতমুখর প্রেমের ছবি ‘ফুলেস্বরী’-র কথা, যেখানে নায়ক সমিত ভঞ্জ (Samit Bhanja) ছিলেন কবিগানের শিখরে বিরাজমান এক যুবক। বিশ্ববরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের (Satyajit Ray) বহুপ্রশংসিত এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনেমা ‘গুপি গাইন বাঘা বাইনে’-ও (Goopi Gayin – Bagha Bayin) পরোক্ষরূপে গ্রামীন বাংলার প্রাচীন কবিগানের প্রভাব তথা ব্যবহার লক্ষ্যনীয়।

বাংলা ছবির পরিছালকদের বাংলা কবিগানের প্রতি এই দুর্বলতার ধারা অব্যহত রেখে নবীন চিত্রপরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherji) নিজের আগামী বাংলা ছবি ‘জাতিস্মরে’ এমন এক ব্যক্তির গল্প দেখাতে চলেছেন বড় পর্দায়, যিনি ১৭৭ বছর আগে এন্টনী কবিয়াল রূপে জন্মগ্রহন করেছিলেন। সেই জাতিস্মরের দৃষ্টি দিয়ে আমরা দেখতে পাবো সেই সময়ের কবিয়ালদের। হরু ঠাকুর রূপে দেখা দেবেন প্রখ্যাত নাট্য পরিচালক এবং সুগায়ক সুমন মুখোপাধ্যায় (Suman Mukhopadhyay)। ভোলা ময়রা হয়ে আসতে চলেছেন আমাদের সবার প্রিয় খরাজ মুখোপাধ্যায় (Kharaj Mukherjee), যার গানের গলাটিও অভিনয়ের মতনই দিব্য সরেস। নায়িকা অনন্যা চট্টোপাধ্যায় আসবেন জজ্ঞেস্বরীর ভূমিকায় এবং এন্টনী কবিয়ালের চরিত্রে আমাদের সামনে আসবেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। বহু নথিপত্র ঘেঁটে এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন এমন এক মানুষ, যাকে বাংলা গানের নবনির্মাণের মূল কাণ্ডারী বলা চলে। সেই দিকপাল লেখক, কবি, গায়ক, সুরকার কবীর সুমনের (Kabir Suman) সুরে এই ছবিতে গান গেয়েছেন রূপঙ্কর, শ্রীকান্ত আচার্য, শ্রমণা গুহ ঠাকুর তা, সুমন মুখোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং কবীর সুমন স্বয়ং। আশা রাখাই যায় যে কবীর সুমন এবং সৃজিতের হাত ধরে আমরা ছবির পর্দায় আরো একবার ফিরে দেখব বাংলা গানের সেই পথিকৃৎ স্বরূপ কবিয়ালদের। অগনিত বাংলা ছবির দর্শক তথা বাংলা গানের গুণগ্রাহীদের মতন ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানাও অধীর আগ্রহে দিন গুনছে কবে জাতিস্মরের দেখা পাওয়া যায়।

 

Kobi Gaan Then and Now


Bengali film song Kemon Kore Bolli Joga … from the movie Antony Firingee (You Tube)

 


Khrishte Aar Kriste – Jatishwar (Bengali Movie 2013) (You Tube)

 

 

Article on history of Kobi Gan written by:

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

 

Research Contribution: Sanjib Banerji

 

 

Enhanced by Zemanta

2 COMMENTS

  1. কবিগানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস পড়ে ঠিক যতটাই ভালো লাগলো, বাংলা ছবিতে কবিগানের প্রভাব সম্বন্ধে দেবকী বসুর অনবদ্য ‘কবি’ (১৯৪৯) চলচিত্রটি নিয়ে একটি শব্দও খরচ করা হয়নি দেখে ঠিক ততোটাই বিস্মিত হলাম! অ্যান্টনি ফিরিঙ্গরও বহু আগের এবং একজন কবির জীবনের কাহিনী নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর উপন্যাস অনুসরণে দেবকী বসুর এই অসামান্য চলচিত্র টি কে অবহেলা করা মানে বাংলা সিনেমার একটি অমর রত্ন কে তার প্রাপ্য সম্মান না দেওয়া, এবং একটি অসম্পূর্ণ অর্ধসত্যের অবতারণা করা হয়। লেখবার আগে লেখকের যথেষ্ট রিসার্চ করা উচিৎ ছিল!

    • এটা আমার ভুল হয়ে গেছে আমি এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্যে ক্ষমাপ্রার্থি।

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!