Hanuman.com: Movie Review, Poster, Trailer; Was This Expected …

0
256

Hanuman.com Movie Reviewরামায়ন কবি তুলসিদাস লিখে গেছেন যে কোন কাজ শুরু করার আগে যদি হনুমানের নাম করা হয় তাহলে সেই কাজ কখনো বিফলে যেতে পারেনা। পরিচালক গৌরব পাণ্ডে (Gaurav Pandey) বোধয় Hanuman.com -এর চিত্রনাট্য লিখতে বসার আগে হনুমান জীর নাম নিতে ভুলে গেছিলেন এবং তাই ফল এমন বিপরীত হল।  গৌরব পাণ্ডের ‘শুকনো লঙ্কা’ (Sukno Lonka) দেখে বাঙালি উৎসাহিত হয়েছিলো, মনে হয়েছিলো এমন একজন পরিচালক এলেন বাংলা ছবির জগতে, যিনি নিজে অবাঙ্গালী হয়েও মননে, চিন্তনে পুরদস্তুর বাঙালি। জুনিয়র আর্টিস্ট চিনু নন্দীর জীবন ছবি দেখে আমরা সিনেমা হলে চোখের জল ফেলেছিলাম আনন্দে।

তাই গৌরব পাণ্ডে যখন বুম্বাদাকে (Prasenjit Chatterjee) নায়ক করে হনুমান ডট কম নামক ছবিটির ঘোষণা করেছিলেন,আমরা যারা টিকিট কেটে হলে গিয়ে বাংলা ছবি দেখি, তারা উৎসাহিত হয়ে অধীর আগ্রহে দিন গুনছিলাম যে কবে বাংলা ছবির পর্দায় আইসল্যান্ড দেখতে পাবো। বিশেষত এই প্রথম কোন ভারতীয় সিনেমার শুটিং হল আইসল্যান্ডে এবং সেটাও একটা বাংলা ছবি তাই গর্বিত বোধ করার এটাও এক অন্যতম কারন ছিল বইকি।

এমন এক ছবি যখন মুক্তি পায় তখন সমগ্র কলকাতায় যে হৈচৈ পড়ে যাবে, সেটাই তো স্বাভাবিক। এমন উৎসাহের মধ্যে যখন নন্দনে ঢুকলাম সোমবার বিকেলে, দেখলাম যে বেশ কিছু সংখ্যক নানা বয়সী দর্শক এসে ভিড় জমিয়েছেন গৌরব পাণ্ডের নতুন ছবি দেখার জন্যে। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনটায় যদি বিকেলের শো-তে সিনেমা হলে এমন দর্শক হয়, তাহলে সহজেই অনুমেয় যে বাঙালি দর্শকদের মনে কি পরিমান উৎসাহ তথা উৎকণ্ঠা জমা হয়ে আছে আইসল্যান্ডে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কীর্তিকলাপ দেখার জন্যে। যাই হোক, হলে বসে সিনেমা দেখা শুরু করলাম, শুরুতেই গল্পে এমনসব চমকপ্রদ উপাদান খুঁজে পেলাম যে টানটান হয়ে নন্দনের সিটে বসে, বড় পর্দায় চোখ রেখে অপেক্ষা করতে লাগলাম, এর পর কি হয়!

জার্মানির মিউনিখ শহরের লাস্যময়ী রমণী ‘মারিয়া’ গভীর রাতে, একান্ত নিরালায় ইন্টারনেট চ্যাটে তথা ওয়েব ক্যমেরায় অন্তরঙ্গ সাইবার সেক্সে মত্ত এক রহস্যময় মুখোশধারী ব্যক্তির সঙ্গে। কিন্তু সেই মুখোশধারীর প্রকৃত পরিচয় মারিয়া জানতে পারেনা। এরপর একদিন কিছুটা কাকতালীয় ভাবেই মারিয়া টেলিভিশনের পর্দায় আবিষ্কার করে বসে তার রাতের চ্যাট সঙ্গীকে। মারিয়ার তাকে চিনতে কোন অসুবিধে হয়না কারন লোকটির মুখের এক বিশেষ জরুল। মারিয়া চমকে ওঠে যখন সে জানতে পারে যে তার রাতের সাইবার যৌন সঙ্গী আসলে আইসল্যান্ডের মেয়র। মেয়রের স্বরূপ মারিয়ার সামনে আসার পর সে ইমেল করে মেয়র কে জানায় যে এবার সে মেয়রের প্রকৃত স্বরূপ সবার সামনে নিয়ে আসবে। এরপর মারিয়ার সিস্টেম হ্যাক করে মেয়র জেনে নেয় তার পরিচয় এবং বাসস্থান। এরপর জার্মানি পৌঁছে যায় স্বয়ং আইসল্যান্ডের মেয়র এবং নিজের হাতে গলার নলি কেটে নির্মমভাবে খুন করে মারিয়াকে। এই হত্যাকাণ্ড মারিয়ার খুলে রাখা ওয়েবক্যাম মারফৎ সরাসরি নিজের চোখে দেখে ফেলে বাংলার গ্রামের এক নিরীহ স্কুল অঙ্ক শিক্ষক ‘অঞ্জনিপুত্র সেন শর্মা। গ্রামের স্কুল থেকে পাওয়া নতুন কম্পিউটরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অঞ্জনিপুত্র সেন শর্মার তখন চ্যাট মারফৎ সদ্য আলাপ হয়েছে মারিয়ার সঙ্গে। এমনই এক রাতে যখন অঞ্জনিপুত্র এবং মারিয়া পৃথিবীর দুই প্রান্তে বসে নিজেদের মধ্যে চ্যাট করছে, তখন আচমকা তার চোখের সামনে মারিয়াকে হত্যা করে আইসল্যান্ডের মেয়র। জার্মানির মিউনিখে ঘটে যাওয়া এই খুনের একমাত্র সাক্ষী বাংলার এক অখ্যাত গ্রামের স্কুল শিক্ষক অঞ্জনিপুত্র সেন শর্মা। এরপর মারিয়ার হত্যাকাণ্ড তাড়া করে বেড়ায় অঞ্জনিপুত্রকে। নিজের জমি বিক্রি করে গ্রাম থেকে কলকাতা মারফৎ আইসল্যান্ড পাড়ি জমায় অঞ্জনিপুত্র সেন শর্মা। এরপর কি হল?

এখান থেকেই মূলত ঘেঁটে ঘ করে তবে ক্ষান্ত দিয়েছেন চিত্রনাট্যকার গৌরব পাণ্ডে। এক কথায় ‘জঘন্য’ চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক স্বয়ং। শুকনো লঙ্কার মতন মন ভালো করে দেওয়া ছবির পরে এই ছবিতে নিজের সুনামকে জোর ধাক্কা দিয়ে ফেললেন গৌরব। প্রথমে অনীক দত্ত (Anik Dutta) তারপরে গৌরব পাণ্ডে, এই সময়টাই বোধয় খানিক গোলমেলে কারন ২০১৩ -ই বাংলা ছবির দর্শক পর-পর এমন দুটো ধাক্কা খেলো, যা তারা আশা করেনি। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় (Saswata Chatterjee) এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় মতন দুই অভিনেতাও ‘আশ্চর্য প্রদীপ ও হনুমান ডট কম-কে বক্স অফিস বৈতরণী পার করাতে পারবেন না। এই সঙ্গেই আরো একবার প্রমানিত হয়ে গেল যে স্ক্রিপ্ট নামক ভিৎ যদি শক্তপোক্ত না হয় তাহলে সেই সিনেমার বাড়ি শেষ পর্যন্ত হুড়মুড় করে ভেঙে পড়তে বাধ্য। আমার আরো বেশি রাগ হচ্ছে কারন এই ছবির গল্পের মধ্যে এমন মশলা ছিল, যা প্রকৃতরূপে আন্তর্জাতিক ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার। একে তো বাংলা ভাষায় উচ্চমানের ক্রাইম থ্রিলার হয়না, তার উপর যদি এমন ভাল জাতের প্লট মাঝমাঠে মারা যায়, তাহলে কি আমাদের মতন রহস্যপ্রেমীদের শান্তিতে থাকা সম্ভব? গল্পটাকে ভালো ভেবেও, স্ক্রিপ্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ রূপদান করতে পারলেন না গৌরব পাণ্ডে। অথেচ শুকনো লঙ্কার পরে নিজেকে ভেঙ্গেছিলেন গৌরব, যদিও চিনু নন্দীর মতন অঞ্জনিপুত্র সেন শর্মাও একজন জীবনযুদ্ধে পেছিয়ে পড়া মধ্যবিত্ত মানুষ এবং দুজনের সামনেই সুযোগ এল ‘অসাধারন’ হয়ে ওঠার এবং নিজেদের ব্যক্তিত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করে তারা শেষ পর্যন্ত সমস্ত প্রতিকূলতাকে হারিয়ে দিয়ে জিতে যায়। তাও বলবো দুটো গল্পের মধ্যে এটুকু ছাড়া আর কোন মিল নেই। তাই এই ছবি ভালো হলে আমরা গৌরব পাণ্ডেকে ভারসাটাইল স্টোরিটেলার বলতেই পারতাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত গৌরব পাণ্ডে হেরে গেলেন। পারলেন না তিনি তার নায়ক অঞ্জনিপুত্রকে কিম্বা আইসল্যান্ডকে নিজের দ্বিতীয় ছবি ‘হনুমান ডট কম’ -এ মেলে ধরতে।

অভিনয়ে প্রথমেই বলবো প্রসেনজিতের স্ত্রীর চরিত্রে মৌসুমির ভট্টাচার্য-র (Mousumi Bhattacharya)কথা। বুম্বাদার মতন একজন সিনিয়র অভিনেতার সঙ্গে রোম্যান্টিক তথা খুনসুটির দুষ্টু মিষ্টি দৃশ্যগুলিতে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন এই নবাগতা নায়িকা। তারপরেই বলবো গৌরব পাণ্ডে তনয়া সালনী পাণ্ডের কথা। সালনীকে (Saloni Pandey) দেখে মনেই হয়নি, এটাই ওর প্রথম ক্যামেরার সামনে অভিনয়। সালনীর রূপ তথা গুন দুটোই সমপরিমাণে আছে। ছোট্ট দুটো চরিত্রে কৌশিক সেন (Kaushik Sen) এবং রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh) বেশ ভালো কাজ করেছেন। যদিও কৌশিক সেনের চরিত্রটির মূল ভাবধারা আমি বুঝতে উঠতে পারেনি। বিশেষত প্রসেনজিতের অনুপস্থিতিতে মৌসুমি কৌশিককে দেখে ওইভাবে আঁতকে উঠলেন কেন? অভিনেতা গৌরব পাণ্ডেও পরিচালক গৌরব পাণ্ডের মতনই ব্যর্থ। দারুন ইন্টারেস্টিং একটি চরিত্রে অভিনয় করতে এসে বড্ড বেশি লাউড পিচে সংলাপ বলেছেন গৌরব। একজন উচ্চমানের পরিচালক মাত্রই যে তিনি তেমনই ভালো অভিনেতা হয়ে যেতে পারেন না, এই আদি শৈল্পিক সত্য গৌরবের এই ছবিতে গৌরবের অভিনয়ের দ্বারা পুনর্বার প্রতিষ্ঠাপিত হল টলিউডে। খরাজ মুখোপাধ্যায়ের (Kharaj Mukherjee) চরিত্র সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক তাই সেটাকে নিয়ে আর আলোচনা করছিনা। জার্মান অভিনেত্রী সাস্কিয়া রানউইগ-কে (Saskia Ranwig) ‘মারিয়া’-র ছোট্ট চরিত্রে বেশ আবেদনময়ী লেগেছে। আইসল্যান্ডের মেয়র এবং মারিয়ার খুনির ভূমিকায় বিদেশী অভিনেতা অলি বিগাল্কি (Oli Bigalke) বেশ স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় করেছেন। মেয়র রূপে তিনি যেমন স্মার্ট, হটবয় হিসাবে তিনি ততটাই কামুক এবং খুনি রূপে বেশ নির্মম তার অভিব্যক্তি।

প্রসেনজিত (Prosenjit Chatterjee) চেষ্টা করেছেন ‘অঞ্জনিপুত্র’ হয়ে উঠতে কিন্তু বুম্বাদাও বোধয় নিজের বিচক্ষণতার মাধ্যমে বুঝে নিয়েছিলেন যে চিত্রনাট্য-টা ঠিকমতন দাড়ায়নি তাই মাঝেই মধ্যেই বুম্বাদার অভিব্যক্তির মধ্যে ওঠা-পড়া / তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। বুম্বাদা বোধয় কনফিউজড ছিলেন চরিত্রটার প্রবাহ-ধারা নিয়ে এবং তাই বোধয় তিনি এক-এক-সময় সময় এক-এক-রকম। সময়ে সময়ে এক্সপ্রেশন ধরে রাখতে পারেননি (নাকি ধরে রাখার চেষ্টা করেননি?)।

সঞ্জীব দত্তের সম্পাদনা বেশ শ্লথ এবং সাধারন। প্রায় বিনা ঘটনায় প্রথম একঘণ্টা কেটে যায় ছবির। প্রচুর বাড়তি মেদ জমা হয়ে আছে ছবির নানান বাঁকে। ক্রাইম থ্রিলার সিনেমায় এমন হওয়াটা খুব বিপদজনক। মধুসুদন নন্দীর চিত্রগ্রহণ সময়ে সময়ে বেশ ভালই লাগে দেখতে আর মাঝে মাঝে বেশ একঘেয়ে। আইসল্যান্ডের সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী করার জন্যে প্রয়োজন ছিল একজন অভীক মুখোপাধ্যায় (Avik Mukherjee) অথবা সউমিক হালদারের (Soumik Halder)। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের (Indraadip Dasgupta)সঙ্গীত পরিচালনা খুব হতাশাব্যঞ্জক। মহিনের ঘোড়াগুলির প্রাণপ্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের (Goutam Chattopadhyay) একি গানের ব্যবহার বেশ মনগ্রাহী ঠিকই কিন্তু ব্যস ওইটুকুই!!! গান বলতে ঐ একখানাই আছে ছবিতে। আবহ সঙ্গীত গল্পের মেজাজের সঙ্গে খাপ খায়না। হনুমান চালিশার ব্যবহার ঠিকমতন হয়নি, যে ছবির নাম হনুমান ডট কম (যদিও হনুমান ডট কম কেন নাম হল, আমি বুঝিনি ঠিক।) , সেই ছবিতে হনুমান চালিশার ব্যবহার আরো অনেক ভালোভাবে করা যেত বলে আমার মনে হয়।

আশা রাখলাম গৌরব পাণ্ডে নিজের তৃতীয় ছবিতে আমাদের সেই শুকনো লঙ্কার পরিচালককে পুনরায় ফিরিয়ে দেবেন (ঠিক যেমন আশা রেখেছি অনীক দত্তের ক্ষেত্রে)। গৌরবের এই ‘হনুমান ডট কমের ‘ মধ্যে আমি অন্তত কোনোরকম গৌরবের সন্ধান পাইনি। হনুমান অনুমানের ন্যায় হলনা, সেটা টলিউডের দুর্ভাগ্য।

 

 পরিশেষে ছয়-টা প্রশ্ন রাখছি পরিচালক গৌরব পাণ্ডের উদ্দেশে –

(১) গ্রাম থেকে কলকাতা হয়ে রাতারাতি আইসল্যান্ড পৌঁছে যাওয়া যায় কি? মনে হয় না। তাহলে অঞ্জনিপুত্রের জার্নির বিবরণ দেওয়া হলনা কেন?

(২) দুই নারী-পুরুষ স্বেচ্ছায় সাইবার সেক্সে লিপ্ত হতেই পারে, আজকের সাইবার যুগে তাতে ন্যায়-অন্যায়ের আবার কি আছে? মারিয়া ব্ল্যাকমেল যদি করত তাহলেও একটা আর্থিক লেনদেনের গন্ধ পেতাম কিন্ত মারিয়া মেয়র কে লিখে দিল যে ‘ “আমি তোমার স্বরূপকে সবার সামনে নিয়ে আসব। “ কিসের আবার স্বরূপ? এমন একজন জার্মান মহিলা, যিনি প্রতিরাতে স্বেচ্ছায় ওয়েবক্যামে সাইবার সেক্স করে থাকেন, তিনি আইসল্যান্ডের মেয়রকে এমন হুমকি দেবেন কেন? ছবিতে কারনটা বোঝা যায়নি।

(৩) এই ধরনের মার্ডার করার জন্যে রাজনৈতিক নেতারা সাধারণত ভাড়াটে খুনেদের কাজে লাগান। কেউ নিজের হাতে খুন করতে অন্য দেশে পৌঁছে যান না। একজন মেয়রের অন্য রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যে ঢুকে সেই দেশের এক বাসিন্দাকে নিজের হাতে খুন করাটা প্রায় অবিশ্বাস্য একটা ব্যাপার। এটা গৌরবের মাথাতে এলনা?

(৪) আইসল্যান্ডে পৌঁছে অঞ্জনিপুত্র সরাসরি তদন্তে না নেমে কিসের জন্যে অপেক্ষা করছিল? আর জমি বিক্রি করে কত টাকা পাওয়া যায়? যা দিয়ে একজন ছাপোষা মধ্যবিত্ত মানুষ আইসল্যান্ডের মতন দেশে গিয়ে কিছুদিন থাকার কথা ভাবতেও পারেন? পুরো ব্যাপারটাই খুব মেকি, সাজানো অথবা বোকা-বোকা মনে হচ্ছে না ?

(৫) অত খরচা করে আইসল্যান্ডে গেলেন আপনারা কিন্তু আইসল্যান্ড সেভাবে দর্শকদের দেখালেন কোথায়? যে দেশ সম্মধে আমরা প্রায় কিছুই জানিনা, সেই দেশটাকে, সেই দেশের মানুষগুলিকে যদি আরও একটু বিশদে দেখাতেন, তাহলেও হনুমান ডট কম কে আমি কিছু নম্বর দিতে পারতাম হয়তো। দেখালেন না কেন?

(৬) শেষের ওই চুম্বন দৃশ্যটার কি প্রয়োজন ছিল চিত্রনাট্যে? সিসকিয়া অথবা বুম্বাদা কি একে অন্যকে চুমু খেতে চেয়েছিলেন ক্যামেরার সামনে? মনে হয়না … তাহলে ওই কিসিং সিনটার তাৎপর্য কি হনুমান ডট কম ছবিতে?

আরো অনেক প্রশ্ন ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে করে হয়ে ওঠা হলনা। এবার নম্বরটা দিয়েই দিই?

দুঃখিত এবারের মতন  3/10 বেশি দেওয়া গেলনা।


hanuman.com | Theatrical Trailer | New Bengali Movie | 2013 | Prosenjit Chatterjee | Cinenine (You Tube)

 

Hanuman.com Movie Review By:

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and has written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com

The information and views set out in this movie review are those of the author and do not necessarily reflect the official opinion of the Publication/Organization. Neither the Publication/Organization nor any person acting on their behalf may be held responsible for the use which may be made of the information contained therein.

 

 

Enhanced by Zemanta

ইন্দ্রদীপদাশগুপ্ত

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!