New Bangla Movie Durbin Review, Poster, Interview; A Confluence of Goendas

0
248
Durbin Review

Durbin Movie Review

প্রথমেই এটা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন যে ‘ছোট’ দের জন্য ছবি করা কিন্তু একেবারেই সহজ কাজ নয়। তাদের জন্য সিনেমা বানাতে গেলে কিছু জিনিস পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার-কে সর্বদা মাথায় রাখতে হয়। প্রথম কথা – চিত্রনাট্য এমন হতে হবে যা তাদের সরল মনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। দ্বিতীয় কথা – কঠিন কথাগুলিকে তাদের কাছে সহজভাবে উপস্থিত করতে হবে। সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray) (গুপি গাইন – বাঘা বাইন / হীরক রাজার দেশে), তপন সিনহা (Tapan Sinha) (সবুজ দ্বীপের রাজা) কিম্বা ঋত্বিক ঘটক (Ritwik Ghatak) (বাড়ি থেকে পালিয়ে) যখনই ছোটদের জন্য ছবি করেছেন, এই কথাগুলিকে মেনে চিত্রনাট্য লিখেছেন। ‘ওরে হাল্লা রাজার সেনা !!! তোরা জুদ্ধু করে করবি কি তা বল?’ অথবা ‘… একবার ত্যাজিয়ে সোনার গদি, রাজা মাঠে গিয়ে যদি হাওয়া খায়। তবে রাজা শান্তি পায়। একবার ভেবে দেখুন পাঠকরা, কত বড় জীবন/সমাজদর্শনের কথা, কিন্তু কত সহজ ভাষায় অভিব্যক্ত করা! অথবা সবুজ দ্বীপের রাজা ছবিতে যখন শহুরে মানুষের লোভের কথা তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি ‘পাতালঘর’ ছবির কথাও এখানে উল্লেখ্য। যেখানে সাম্রাজ্যবাদ তথা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানবিকতার কথা, সম্পর্কের কথা, ভালবাসার কথা কত সহজভাবে বলা হয়েছিল। অনেকেই হয়ত বলবেন যে গোয়েন্দা গল্পে সমাজদর্শনের কথা কিভাবে বলা যেতে পারে? কিন্তু একটু ভেবে যদি দেখেন তাহলে দেখবেন ব্যোমকেশ বক্সী (Byomkesh Bakshi) থেকে শুরু করে পাণ্ডব গোয়েন্দা সব গল্পেই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির জয়ের কথা বলা হয়েছে সহজভাবে। অপরাধ একধরনের সামাজিক অসুখ এবং রহস্যভেদি গোয়েন্দা সেখানে ডাক্তার, যার মূল কাজ হচ্ছে, নিজের বুদ্ধিমত্তার দ্বারা সেই অপরাধের কিনারা করা এবং অপরাধীকে সংশোধনাগারে পাঠানো। অনেকসময় এমনও হয়েছে যে গোয়েন্দা অপরাধীকে ধরে ফেলেও শেষে মুক্তি দিয়েছে কারন তার বিশ্বাস হয়েছে যে অপরাধী নিজেই এখানে অবিচারের শিকার।

DURBIN ছবির গল্পে তেমন বুদ্ধিমত্তার কোনোরকম ঝলক খুঁজে পাওয়া যায়না। গল্পটাকে বেশ ‘বোকা-বোকা’ বলা চলে। প্রধান চমক হিসাবে কাহিনী, চিত্রনাট্যকার তথা ছবির সৃজন-পরিচালক সুব্রত গুহ রায় বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল গোয়েন্দাকে এই গল্পে একসঙ্গে নিয়ে এসেছেন। সত্যজিৎ রায়ের প্রদোষ মিত্র ওরফে মধ্যবয়স্ক ‘ফেলুদা’ (Feluda) এবং শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Saradindu Bandopadhyay) বৃদ্ধ ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ এই পাড়ার একই ভাড়া বাড়ির উপর-নিচে বসবাস করেন। বর্তমান সময়ের ফেরে প্রাইভেট গোয়েন্দাদের পেশায় খরা তাই আজ দুজনের হাতেই তেমন কেস নেই। ফেলুদা এবং তোপসে বাচ্ছাদের অঙ্কের টিউশন দেন এবং ব্যোমকেশের বন্ধু অজিত জীবন বিমার এজেন্ট হিসাবে কাজ করেন। বলতেই হচ্ছে পুরো ব্যাপারটা যতটাই হাস্যকর ততটাই খেলো। চিত্রনাট্যকার বোধয় বর্তমান কলকাতায় প্রাইভেট ডিটেকটিভ এজেন্সি-গুলির বাড়বাড়ন্ত বাজারদরের খবর রাখেন না। কর্পোরেট, সম্পত্তি তথা বৈষয়িক এবং প্রাক- বৈবাহিক তদন্ত নিয়ে কলকাতার ডিটেকটিভ এজেন্সি গুলির এখন বেশ রমরমা অবস্থা। লেখায় হাত দেবার আগে আরো খানিক রিসার্চ করে নেওয়া উচিৎ ছিল সুব্রতবাবুর। যদি আমরা সৃজনজনিত কারনে যদি ধরেও নিই যে ফেলুদা এবং ব্যোমকেশের হাতে বর্তমানে তেমন জবরদস্ত তদন্তের কাজ নেই তাহলেও বলতেই হবে ‘দুরবীন’-এর মূল গল্পটাই ভীষণ দুর্বল।

দুরবীন ছবির মূল চরিত্র একটি ছোট্ট ছেলে ‘পুপুল’ এবং দুই বন্ধু তাতাই আর ভেবলি। এই দুই ছেলে এবং একটি মেয়ে মনে মনে ‘গোয়েন্দা’ ভাবে এবং রাস্তায়, ঘাটে, অলিতে-গলিতে যেখানেই একটু রহস্যের গন্ধ পায়, সেখানেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। পুপুলের বাবা একজন আইনজীবী এবং পাড়ার সবার সাথেই তার সম্পর্ক বেশ ভালো। পুপুল বাবার কাছে জন্মদিনের উপহার হিসাবে একটি দুরবীন চায় কিন্তু পুপুলের মা আপত্তি তোলাতে তিনি ছেলেকে ‘দুরবীন’ উপহার দিতে পারেননা। এদিকে আদরের ভাগ্নের আবদার মেটাতে পুপুলের মামা তাকে জন্মদিনের উপহার রূপে একটি দুরবীন কিনে দেন। সকালবেলা ছাদে উঠে পুপুল সেই দুরবীন দিয়ে একটি ‘হত্যাকাণ্ড’ স্বচক্ষে প্রতক্ষ্য করে ফেলে। পাশের বাড়ির ‘দত্তকাকু’-কে আচমকা একজন ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। পুপুল হত্যাকারীকে চিনে ফেলে কারন দুরবীনের সাহায্যে সে অপরাধীকে খুব কাছ থেকে দেখেছে। এতেও ক্ষান্ত নেই!!! পুপুলের দুরবীন আবার জাদু দুরবীন … দুরবীন থেকে স্বর নির্গত হয়ে পুপুল্-কে সব বিপদের কথা আগে থেকে জানিয়ে দেয়। এমনকি খুনির আসল পরিচয়টাও ঐ দুরবীনই পুপুলকে জানিয়ে দেয়। প্রথমে ভয় পেয়ে গেলেও পরে পুপুল, তাতাই এবং ভেবলি নিজেদের মতন করে খুনিকে ধরার চেষ্টা করতে থাকে।

এদিকে দত্তকাকুর স্ত্রী এই কেসের দায়িত্ত্ব দিতে যান ব্যোমকেশ বক্সীর কাছে অথেচ মাঝপথে তোপসে এবং ফেলুদার বন্ধু লেখক লালমোহনবাবু দত্তবাবুর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়ে কেস নিয়ে চলে যায় ফেলুদার কাছে। ফেলুদা কেস হাতে পেয়ে সিধু জ্যাঠার কাছে যায় এবং জানতে পারে যে দত্তবাবুর সঙ্গে ফিল্ম ডিরেক্টর গোবিন্দ গড়গড়ি-র ঝগড়া হয়েছিল কারন দত্তবাবুর স্ত্রী বিয়ের আগে ছবির নায়িকা ছিলেন। ছবির মাঝপথে প্রযোজক দত্তবাবুকে বিয়ে করে নায়িকা ছবি ছেড়ে দেন। সেই বিয়েকে কেন্দ্র করেই অতঃপর প্রযোজক এবং পরিচালকের মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। এই পর্যন্ত পৌঁছেই ফেলুদার মগজাস্ত্র পথ হারিয়ে ফেলে। অতঃপর অগতির গতি ব্যোমকেশ বক্সী। এরপরে ফেলুদা এবং ব্যোমকেশ দুজনে একসঙ্গে দত্তবাবুর খুনের কিনারা করতে আসরে নেমে পড়েন অজিত, তোপসে এবং লালমোহন গাঙ্গুলি-কে সঙ্গে নিয়ে। এদিকে পুপুল, তাতাই, ভেবলিও নিজেদের মতন করে খুনি গোবিন্দ গড়গড়িকে কে ফাঁদে ফেলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ধুরন্ধর অপরাধী গোবিন্দ সুযোগ বুঝে পুপুলকে অপহরন করে। এরপর ভেবলি -তাতাই দের থেকে খুনির নাম জেনে নিয়ে ফেলুদা – ব্যোমকেশ পুপুল-কে গোবিন্দ-র কবল থেকে পুপুল-কে উদ্ধার করে। ছবির একদম শেষে এসে জানা যায় যে আসল মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন স্বয়ং প্রয়াত দত্তবাবুর স্ত্রী, যার গুলিতে খুন হয় গোবিন্দ গড়গড়ি। জানা যায় যে দত্তগিন্নীর অঙ্গুলিহেলনেই তার স্বামীকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়ে খুন করেছিল গোবিন্দ গড়গড়ি। কিন্ত কেন যে তিনি নিজের স্বামীকে গোবিন্দর হাত দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, সেই উত্তর কিন্তু আমরা ছবির শেষে এসেও খুঁজে পাইনা। এরপরে জানা যায় সবটাই স্বপ্ন ছিল। জন্মদিনের রাতে দুরবীন উপহার পেয়ে আনন্দিত পুপুল ঘুমের মধ্যে এই পুরো ঘটনাটা স্বপ্নে দেখছিল। গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে গেলে হয়ত ভালো হত। এতদুর পর্যন্ত তাও মেনে নেওয়া যেত কিন্তু এরপরেই যা ঘটলো, সেটাকে কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।

পুপুল ছাদে উঠে চোখে আবার দুরবীন লাগিয়ে যখন দেখল যে তার দেখা রাতের স্বপ্নের মতনই সবকিছু একইরকম তখন সে মনে মনে চাইতে শুরু করলো যে পাশের ছাদে এক্সারসাইজ করা ‘দত্তকাকু’ খুন হয়ে যান। যাতে তার স্বপ্নে ছএকবারও ভেবে দেখলেন না ? চুরি কিম্বা অন্য কিছু রহস্য পর্যন্ত ঠিক ছিল কিন্তু হত্যা? একটি সরল বাচ্চা ছেলে কিভাবে মনে মনে চাইতে পারে যে তার বাবার এক বন্ধু, স্নেহশীল এক কাকু খুন হয়ে যান? এটা কি ধরনের জীবনদর্শন? এমন যদি সব খুদে গোয়েন্দা ভাবতে শুরু করে তাহলে সমাজের কোন সৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ হবে? প্রথমেই লিখেছিলাম যে ‘ছোট’ দের জন্য গল্প লেখা অথবা সিনেমা বানানো মোটেও সোজা কাজ নয়! সৈকত মিত্র, সুব্রত গুহ রায় এবং স্বাগত চৌধুরী তিনজনের টিম ‘ডাহা’ ফেল করে গেলেন! সমিত গুপ্তের চিত্রগ্রহণ খুব সাধারন মানের। বেশির ভাগ দৃশ্য বাড়ির ভিতরের অথবা পাড়ার গলির মধ্যে। ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের মধ্যে কোনরকম নতুনত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না। এই ছবির আরেক দুর্বলতা হচ্ছে সুজয় দত্ত রায়ের ‘সাধারন’ মানের সম্পাদনা। এখনকার বাংলা ছবিতে যেপ্রকার কারিগরী দক্ষ্যতার নিদর্শন দেখা যায়, তার ছিটেফোঁটাও ‘দুরবীন’ ছবিতে দুরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। সৈকত মিত্রের (Saikat Mitra) কণ্ঠে তথা সুরে শুরুর গানটা শুনতে বেশ লাগে এবং সুমিত সমাদ্দারের (Sumit Samaddar) গানের ‘কথা’ ও উপযোগী। পরিচালক স্বাগত চৌধুরী-কে (Swagato Chowdhury) নিয়ে লেখার বিশেষ কিছু নেই কারন সুব্রত গুহ রায়-ই এই ছবির আসল পরিচালক।

অভিনয়ে খলনায়ক গোবিন্দ গড়গড়ির ধুরন্ধর চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় (Shantilal Mukherjee) নিজের মতন করেই অভিনয় করেছেন। শান্তিলাল এমন একজন অভিনেতা, যার অভিনয় দেখতে সবসময় ভালো লাগে। পুপুলের মা-এর ভূমিকায় অঞ্জনা বসু সীমিত অবসরে বেশ ভালো অভিনয় করেছেন। পুপুলের বাবার চরিত্রে কাহিনী-চিত্রনাট্যকার সুব্রত গুহ রায়ের অভিনয় খারাপ লাগেনা। দত্তবাবুর ছোট্ট ক্যামিওতে গায়ক প্রতীক চৌধুরী-কে (Pratik Chowdhury) বেশ দেখতে লেগেছে কিন্তু অভিনয় করার তেমন সুযোগ তিনি পাননি। গল্পের মূল খলনায়িকা মিসেস দত্ত-র ভূমিকায় ছোট পর্দার ব্যস্ত তথা বিখ্যাত অভিনেত্রী অপরাজীতা আদ্ধ্য (Aparajita Auddy) যতটা সুযোগ পেয়েছেন, সেটার পরিপূর্ণ স্বদব্যবহার করেছেন। পুপুল, তাতাই এবং ভেবলির চরিত্রে তিন খুদে রঙ্গিত, দীপ্তদীপ এবং অহনা-কে নিয়ে লিখতে গিয়ে কিঞ্চিৎ কুণ্ঠাবোধ করছি কারন ওরা তিনজনেই বয়সে খুব ছোট। তাও লিখতে বাধ্য হচ্ছি যে দীপ্ত সারাক্ষন দাঁতে দাঁত চেপে সংলাপ বলে গেল। রঙ্গিত (Rangeet Guha Roy) ভীষণ কনশাস, হাতে পায়ে যেন সারাক্ষন ‘আঠা’ লেগে ছিল। সংলাপ বলতে গিয়েও খুব নার্ভাস লাগছিল রঙ্গিতকে। তিনজনের মধ্যে একমাত্র অহনা-কেই বেশ সপ্রতিভা লেগেছে, তার অভিনয়ে বিশেষ জড়তা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ব্যোমকেশ বক্সীর চরিত্রে আমাদের সবার প্রিয় অভিনেতা Soumitra Chatterjee-কে দেখতে দারুন লেগেছে। সত্যি তো, ব্যোমকেশ বক্সীর বয়স বাড়লে এমনটাই তো হতেন। বৃদ্ধ অথচ সর্বদা চৌকস তথা স্মার্ট। অজিত রূপে থিয়েটর অভিনেতা রজত গঙ্গোপাধ্যায়-কেও বেশ মানানসই লেগেছে বয়স্ক ব্যোমকেশের পাশে। অনেকদিন পরে আমরা একজন নতুন লালমোহন গাঙ্গুলিকে পেলাম ছবির পর্দায়। ইনিও গাঙ্গুলি … তবে … নিত্য গাঙ্গুলি (Nitya Ganguly) !!! ভালোই লেগেছে আমাদের নিত্যদাকে লালমোহনবাবু রূপে। যদিও আরো খানিকটা ওজন বাড়ালে আরও বেশি মানাত। অভিনয়টা কিন্তু নিত্যদা জমিয়ে করেছেন। তোপসের ভূমিকায় ছোট পর্দার অভিনেতা অরিত্র-কে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত লেগেছে। ফেলুদার চরিত্রে সব্যসাচী চক্রবর্তীকে (Sabyasachi Chakraborty) নিয়ে নতুন করে কিই বা লিখি? যতদিন না অঞ্জন দত্তের (Anjan Dutta) ব্যোমকেশ বক্সীর খোলস ঝেড়ে ফেলে সন্দীপ রায়ের (Sandip Ray) পরবর্তী ফেলুদা ছবি ‘বাদশাহি আংটি’-তে ফেলুদা রূপে আবীর চট্টোপাধ্যায় বড় পর্দায় আবির্ভূত হচ্ছেন, ততদিন আমাদের কাছে বর্তমান ফেলুদা বলতে তো ‘বেনুদা’-ই। এই ছবিতে অবশ্য বেনুদা খানিক কমেডি মিশিয়ে দিয়েছেন ফেলুদা চরিত্রে। এই ছবিতে ‘ভানু গোয়েন্দার’ চরিত্রটিকেও স্বল্পক্ষনের জন্যে নিয়ে এসেছেন চিত্রনাট্যকার কিন্তু ভানু গোয়েন্দা রূপী দেবাঞ্জন নাগ (Debanjan Nag)-কে আমরা একটি দৃশ্যের বেশি দেখতে পেলাম না। কেন? এর উত্তর আমার জানা নেই।

একটি দৃশ্যে যখন ফেলুদা ব্যোমকেশের হাতে পায়ে ধরে, অনুনয় বিনয় করছেন কেসে সাহায্য করার জন্যে তারপর বলছেন যে এটা তো মানবেনই যে আপনার এতো জনপ্রিয়তার পেছনে আমার বাবারও কিছুটা কন্ট্রিবিউশন আছে … চিড়িয়াখানা … ওহ … সরি … চারমিনার নিন। এই সংলাপটা আমার দারুন লেগেছে।

Sholoana Bangaliana-র পক্ষ থেকে পরিচালক স্বাগত চৌধুরীর প্রথম ছবি ‘দুরবীন’-কে আমি 4/10 নম্বর দিলাম।

Durbin Review can thus be summarized by saying  that Fantastic performances by Soumitra Chatterjee and Sabyasachi Chakraborty got wasted due to a weak story and script.


Interview: Durbin Child Artist Ahana Dutta and Director Swagato (You Tube)

 

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and has written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com
The information and views set out in this movie review are those of the author and do not necessarily reflect the official opinion of the Publication/Organization. Neither the Publication/Organization nor any person acting on their behalf may be held responsible for the use which may be made of the information contained therein.

 

Enhanced by Zemanta

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!