Bengali Sweets that Tickle the Taste Buds;Celebarting Poush Sankranti the Sholoana Bangaliana Way

0
198
bengali sweets

begali sweets

সবিনয় নিবেদন,

আমি শ্রী সোমঙ্কর লাহিড়ী, সাকিন শ্রীরামপুর, জিলা হুগলী, এই মর্মে আপনাদের কাছে জানাইতেছি যে উক্ত জেলায় জন্ম গ্রহণের হেতু আমি ঈশদ মিষ্টান্নপ্রেমী, এহবাহ্য রক্তে শর্করার মাত্রা অধিক না হওয়ার হেতু ইহা খাইতে আমার কোনরূপ শারিরীক বাধা বিঘ্নও নাই। কিন্তু এই নিতান্তই সাধারন ব্যাক্তিগত তথ্য আমি সর্বসমক্ষে তুলিয়া ধরিতেছি কেন? কারন উক্ত দেবভোগ্য বস্তুটির যে জন্ম বৃত্যান্ত আমি হঠাৎ করিয়া জানিতে পারিয়াছি তাহা আপনাদিগের সন্মুখে না রাখিলে আমার ঘোরতর পাপ হইবে।

প্রত্যূষে ধ্যানযোগ মনুষ্য মাত্রেরই করা উচিত জানিয়া আমি প্রত্যহ ইহার সাধনায় উপগত হই এবং অনধিক আড়াই মিনিট কালের পরই আমার নিদ্রাযোগে দেবলোকের সহিত যোগাযোগ স্থাপিত হইয়া থাকে। সেইরুপ একদিন যখন আমি দেব সভায় উপস্থিত তখন লক্ষ করিলাম তাঁরা কোন একটি তরল পানীয় গলধঃকরণ করিতেছেন, অপরূপ তাহার সুঘ্রান। আমি পূর্ব পরিচিত হইবার কারনে আশা করিয়াছিলাম যে তাঁহারা আমায় এই সুঘ্রানের বস্তুটি পান করিতে আহ্বান করিবেন, কিন্তু না, তাহা হইল না।

Bengali sweets

তখন আপন কৌতূহল চাপিতে না পারিয়া জিজ্ঞাসা করিয়া ফেলিলাম “প্রভু কি সেবন করিতেছেন? এত সুন্দর সুবাস?” (মনে আশা ছিল offer করিবে, কিন্তু ও হরি তার বেলায় ছাই) উত্তর পাইলাম “অমৃত” মনের ভাব চোখে আসিয়া পড়িয়াছিল তাই দেবরাজ কহিলেন “খাস না পেট ছাড়বে হজম করতে পারবি না, ছড়াবি” মনে বড় ক্লেশ উপস্থিত হইল, কহিলাম “প্রভু এই স্বার্থপরতা কী ঠিক হইল? যাহা কিছু ভাল সব কিছু আপনাদের কুক্ষিগত করিয়া কেবলমাত্র নিকৃষ্ট বস্তু সকল আমাদিগের জন্যে রাখা কি দেব সুলভ কার্য?”

দেবরাজ উত্তর করিলেন “দ্যাখ আমরা দেবতা, অসুর নই যে সবকিছু নিজেরা ঝেড়ে খাব, তোদের ও তো সব কিছু দিয়েছি তোরা তা ভোগ ও কচ্চিশ আর আমাদের ভাগের থেকে না পেয়ে অমনি শক্ত শক্ত কথায় গাল দিচ্চিশ?” আমি অবাক হইয়া কহিলাম “সে কি প্রভু অমৃত ও আমাদিগের ভাগে কোথায়? ঐ প্লাস্টিকের পাউচে…”, “আরে ছ্যা ছ্যা ছ্যা ওতো বিষের রিফাইন্ড ভার্সান, মরতে ওটা অমৃত হতে যাবে কেন? আচ্ছা গাড়ল যা হোক!” “তাহা হইলে?” “শোন তবে বলি, সমুদ্র মন্থনের সময় যখন অমৃত উঠল অসুর গুলো সেই কন্টেনারটা নিয়ে পালিয়েছিল মনে আছে?” “আছে প্রভু?” “তাপ্পর সেটিকে ছাড়িয়ে আনার সে কি হ্যাপা তোকে কি বলব, সে তো অনেক ব্যাপার করে নিয়ে পালিয়ে এলেন ‘মা’ কিন্তু দৌড়ে পালিয়ে আস্তে গিয়ে তিন চার ফোঁটা গিয়ে পড়ল তোদের পৃথিবীতে”। “তাহা হইতেই তো গঞ্জিকার উদ্ভব প্রভু”। “তোমার মুন্ডু, ‘ত্রয়ী’ সিনেমাতে লিখে দিল আর অমনি মেনে নিলি সেটা? ভেরিফাই করবি নি?” “তাহা হইলে?”

“এক ফোঁটা গিয়ে পড়ল মাঠে সেখানে ছিল ঘাস, তাই বেড়ে হয়ে গেল আখ, মাঠের ধারে ছিল কিছু অন্য গাছ যেমন খেজুর নারকোল তাল এইসব আর কি, আর মাঠে চরছিলেন ‘মা ভগবতী’ তিনি তাঁর স্বর্গের কোটারটাও পেলেন, আবার মর্তের মাঠে চরতে দিয়ে পেলেন একটু ফাউ”। “অতঃপর?” “অতঃপর আবার কি! তাপ্পরে বহুদিন তোরা আখ চিবোলি, দাঁতের জোড় বাড়ালি, বুঝলি মালটা মিষ্টি, ‘মা ভগবতীর’ দুধ খেলি, ডাবের জল, নারকোলের শাঁস, খেজুর, খেজুর রস, সব আলাদা আলাদা করে খেলি, বুঝলি এগুলো সব সুখাদ্য, মানে মুখে দিলে আরো খেতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু মিলিজুলিটা শিখলি না, মানে সেন্স অফ কোয়ালিশন তোদের হল না, আসলে তোদের মধ্যে খানিকটা অসুরের ব্যাপার আছে তো তাই, কেবল হুমহাম করা সবতাতে, তারপরে সেই দুধ থেকে ছানা হল কোথায় না মিশরে? ভিস্তি করে নিয়ে যেতে যেতে দুধ গরমে গেল ছানা কেটে, তার জলটাও যে সুস্বাদু সেটা জানতে লাগল এক মিনিট, কিন্তু ছানাটা যে খাওয়া যায় সেটা জানতে লাগল আরো প্রায় দুশ বছর। তাও জানতে পারত না, ওখানকার রানীটার এতো সাজগোজের ধুম যে যাই পায় মুখে মাখে, আরে মা ভগবতীর থেকে আসছে লিকুইড টা মারছিস আর ছানাটা একটু চেখে দ্যাখ, তা না, হঠাৎ করে জিভে লাগাতে বুঝল যে ভাল টেস্ট, তখন ওটা এমনি খেয়ে দেখল, না হলে তো…”

bengali sweets

“তাহার উত্তর কি হইল প্রভু ইহার সহিত অমৃতের কী যোগাযোগ?” “তোর বুদ্ধি বড়ই মোটা, তুই কিছুই এমনি বুঝতে পারিস না, সব কিছু তোকে সিড়ি ভাঙ্গা অঙ্কের মত করে বুঝিয়ে দিতে হয়, ওরে বুদ্ধু, সেই অমৃতের ফোঁটা পরে যাযা তৈরী হয়েছিল পৃথিবীতে সেটাই তো অমৃত, আর এখন মিষ্টি নামক যে বস্তুটি তোরা খাচ্ছিস সেটা তো অমৃতের ডবল ডেরিভেটিভ রে বাবা, ঊঃ কিচ্ছু বোঝে না”। “এই ডবল ডেরিভেটিভ বস্তুটি কি প্রভু? যদি একটু প্রাঞ্জল করেন”, “নেহাত বাজটাজ আজকাল মারিনা রে জোর বেঁচে গেলি, না হলে না একেবারে ঝ্যাং করে ঝেড়েদিতাম এই রকম বোকাবোকা প্রশ্ন করলে, শোন মন দিয়ে, মা ভগবতীর থেকে কি পেলি? না দুধ। ওক্কে?” ঘাড় নাড়াইয়া সায় দান করিলাম, “ওটা ডেরিভেটিভ, আর সেই দুধ থেকে ছানা, মাখন, ঘি, পণীর, দৈ এগুলো হল ডবল ডেরিভেটিভ। আখ থেকে আখের রস, ডেরিভেটিভ, আর তা থেকে গুড়, চিনি হল ডবল ডেরিভেটিভ, বোঝাগেল?” পুনরায় মস্তক আন্দোলন।

“এইবার যেটা হল তাকে বলে মিশ্রন, বুঝলি? এক ব্রহ্ম নিজেকে বিভাজিত করে ও মিশ্রিত করে যেমন ব্রম্ভান্ডের সুচনা করেছিলেন, এও প্রায় সেই রকম একটা ব্যাপার। ছানা আর জলকে আগুনে গরম করতে করতে তার সাথে চিনি মিশিয়ে তাড়ু দিয়ে.. দাঁড়া দাঁড়া তাড়ু কি জানিস তো?” “আজ্ঞে না” “ওরে ছানাকে কড়ায় মারতে গেলে সেটা লোহার খুন্তি দিয়ে করা যায় না ভারী বলে সেটার জন্যে লাগে কাঠের খুন্তি তাকে তাড়ূ বলে বুঝলি? কারন অনেকক্ষন ধরে পাক দিতে হয় তো, ছানা আর চিনির মিশ্রন কে ঠিকঠাক মিহি আর মসৃণ করতে তাই।  সেই মিশ্রন কে আরো মিহিন করতে করতে সেটা শক্ত হতে সুরু করল তখন পাওয়া গেল কড়া পাক, আর নরম অবস্থাতেই যিনি তৈরী হলেন তিনি নরম পাক আর তার বিভিন্ন শেপকে বলা হল সন্দেশ। আবার সরাসরি দুধ কে আগুনে গরম করে তার জলীয় অংশকে বার করে দিয়ে তার বাকী অংশকে আরো শক্ত করে খোয়া ক্ষীর হল, আর তার সাথে চিনি মিশিয়ে যেটা তৈরী হল সে হয়ে গেল কালাকাঁদ। বোঝা গেল যে অমৃতের ভাগ তোরা পাচ্ছিস কি না?”

“কিন্তু প্রভু ঐ যে নারকোল বৃক্ষের খেজুর বৃক্ষের এবং আরো কিছু ফলের উল্লেখ আপনি করিলেন”? “ওরে হবে হবে সব হবে, ওগুলো বলব তবে তার আগে বলে রাখি তাড়ু যেমন একটা যন্ত্র যেটার ব্যবহার ছাড়া সন্দেশ হয় না, তেমনি ডাব্বু হাতা ছাড়া রসোগোল্লা পান্তুয়া ল্যাংচা হয় না, ছানচা আর মিহি ছানচা ছাড়া বোঁদে আর মিহিদানা হয় না, শিল ছাড়া জাঁক হয় না, জাঁক কি বল দিকিনি?” মস্তক এদিক ওদিক। “জাঁক হল ছানা যখন গোয়াল থেকে ভিয়েনে আসে, এবার যেন বলিস না ভিয়েন কি তা জানিস না…” “ইহা জানি প্রভু, মিষ্টান্নের পাকশালাকে ভিয়েন বলে”, “ বাঃ ব্রহ্মজ্ঞ্যানী! এই যে ছানা ভিয়েন ঘরে এলো সেটাতে প্রচুর জল থাকে, সেই জল কে বার করে শুধুমাত্র ছানাটাকে নেওয়ার যে প্রসেস, তাকেই জাঁক দেওয়া বলে। এছাড়া, ঝুড়ি, কুরুনি, চালনি, ছুরি এইসব ই লাগে মিষ্টি তৈরী করার জন্যে। আর সাজিয়ে রাখার জন্যে বারকোশ, আর এখন তোদের মেটালের ব্যবহার বেড়ে গেছে খুব, তাই ট্রে, কড়াই, নৌকা নামের অনেক রকমের বাসন কষনে তৈরী মিষ্টি রাখতে হয় বুঝলি? তবে এখন একটা বিশ্রী ব্যাপার দেখা যাচ্ছে তোদের ওখানে, গরম রসোগোল্লা, পান্তুয়া ল্যাংচা, টক বা মিষ্টি দৈ এই সব প্লাস্টিকের প্যাকেটে দিচ্ছে। এতে আসল মজাটাই মরে যাচ্ছে, এই ধর রসোগোল্লা খাওয়ার পরে ভাঁড় থেকে রস চেটে খাওয়া, বা দৈয়ের হাঁড়ি বা ভাঁড় থেকে আঙ্গুলে করে শেষ দৈটুকু টেনে নিয়ে আঙুলটা পরম আনন্দে চাটা, সেই সব মজা গুলো এই প্লাস্টিকে আর থাকছে না, বিষক্রিয়ার ব্যাপারটা না হয় আর বললামই না”।

“কিন্তু প্রভু এসকলই তো বঙ্গ দেশের মিষ্টান্ন, সমগ্র মানব জাতি কি ….?” “নিজের টুকুই সামলাতে হাপুসুটি অবস্থা সারা দুনিয়া দেখতে ছুটলি? সামলাতে পারবি?” “না প্রভু বড় জানতে ইচ্ছা হয় তো?” “শোন তবে বঙ্গে যেরকম কাঁচা,ভাজা, সেঁকা আর সিদ্ধ এই চার পদ্ধতিতে মিষ্টি তৈরী হয় বিদেশেও তাই হয় শুধু ওদের সব তাতে আমিশ না হলে ঠিক শানায় না তাই একটু ডিম টিম মেশায় আর কি। আর ফলের ব্যাপারটায় ইয়োরোপ বেশ নাম করেছে ওরা আপেল, চেরী, এপ্রিকট, আখরোট এই সব মেশাতে শুরুকরেছে আজকাল, কিন্তু আদতে সেই ভাজা সেঁকা আর পোড়া, তবে দুধের ছানা থেকে এই অপরূপ সৃষ্টি ওরা এখনো ঠিক সামলাতে পারেনি। তাই দেখিস না সাহেব মেম এরা সন্দেশ রসোগোল্লা আর মিষ্টি দৈ খেলে কেমন হতচকিত হয়ে যায়? বাকি মালপো, পিঠে, রসবড়া, এই সব তো ঠিকঠাক করে খাওয়ানোই যায়নি বিশ্বের লোককে। তাহলে তো কবেই বিশ্বর দরবারে তোদের বলত ‘জাঁহাপনা তুসি গ্রেট হো’

bengali sweets

“প্রভু এইযে বলিলেন ‘কাঁচা,ভাজা, সেঁকা আর সিদ্ধ’ এই বিষয় যদি কিঞ্চিত আলোকপাত করেন, ‘কাঁচা…?’ কি মিষ্টি হইতে পারে?” “পারে রে বাবা পারে, আমের রস, খাজা কাঁঠাল, ডাবের শাঁস, অঙ্গুরের রস, খেজুর, এই সমস্ত জিনিস গুলোকে আলাদা আলাদা করে মিষ্টির মত করে ব্যবহার করা হত আগেকার দিনে, তাপ্পর ধর গিয়ে আমসত্ত্ব, তালক্ষীর, ডাবের পাতলা শাঁস মিশ্রিত দৈএর শরবৎ, লিচুর আঙ্গুরের শাঁস দিয়ে শরবৎ, এগুলো হল কাঁচার দলে, সাধারন ছানা কে বেটে তারসাথে মিহি কাশীর চিনি মিশিয়ে শুধু খাওয়াও হত একসময়, সে এক অসাধারন টেস্ট রে, সময় পেলে খেয়ে দেখিস একবার। আর ধর গিয়ে ভাজার দলে আছে পান্তুয়া, লেডিকেনি, থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের পিঠে, যেমন রসবড়া, মালপো, গজা, লবঙ্গ লতিকা, বালুসাই, এইসব, দ্যাখ তোকে জ্ঞান দিতে গিয়ে আমার ই জিভে জল এসে গেল। সেঁকার মধ্যে আছে আমাদের দেশের ছানাপোড়া, আর মিডিলইষ্টে পণীর কে সেঁকে মধু টধু দিয়ে, তা ও তোর হুগলী জেলার নোলায় ঠিক শানাবে না। এর পরে আছে সিদ্ধ, তাতে রসোগোল্লা একাই বাজীমেরে রেখে দিয়েছে, যদিও তোরা ক্লেম করিস যে ওটা তোদের তৈরী মিষ্টি, আর ভোলা ময়রা টয়রা বলে খুব ফাটাস, কিন্তু আদতে ওটা উড়িষ্যার জিনিস, নেহাৎ কপিরাইট ইত্যাদি নিয়ে রাখেনি তাই বাকীরা চীল্লিয়ে দখলদারি করে রাখছে, না হলে বুঝতিস। আর যদি সত্যিই অমৃত বলিস তবে সে হল গে রাবড়ী। নীচে তাত উপরে হাওয়া দিয়ে যে কি সৃষ্টি করে ফেলেছিস তোরা তা তোরা নিজেরাই জানিস না। আর একটা জিনিস দেখে আমি বুঝে উঠতে পারিনা, তোরা পায়েস করতে পারিস হেঁসেলে কিন্তু সংসদে গিয়ে ঐরকম একে অন্য কে হুড়ো দিস কি করে, পায়েস হল গে টাইমিং, কোওর্ডিনেশান আর কোয়ালিশানের শেষ কথা। তা সেটা যাঁরা বানাতে পারেন তাঁদের তো দেশ চালাতে কোন প্রবলেম হওয়ার কথাই নয়”। উত্তর করিলাম “প্রভু দেশ যে প্রমীলা শাসিত নহে, না হইলে তো…”

যোগনিদ্রা ভঙ্গ হইল, দেখিলাম নিজের শয়ন কক্ষেই ফিরিয়া আসিয়াছি, এবং পত্নী সামনে এক পেয়ালা চা সহ উপস্থিত। সাথে ক্রীম ক্র্যাকার নামক এক প্রাণঘাতী বস্তু, আমি ইতস্তত করিতে করিতে জিজ্ঞাসা করিলাম এর সহিত কি একটু কুচো নিমকি, টিমকি…., “ওসব বিকেলে চায়ের সাথে দেব, এখন ষোল আনার লেখাটা শেষ কর দেখি, ঘুম থেকে উঠে, চান সেরে ঠাকুরঘরে এসে পুজোর আসনে বসে কি করে অত ঘুমোও বলত? বুঝি না বাপু”।

অন্তিমে করজোড়ে নিবেদন করি দেবসভায় দেবরাজ যেসকল মিষ্টান্নের উল্লেখ করিতে সক্ষম হন নাই সময়াভাবে, আমি তাহাদের কাছে অর্থাৎ সেই সকল মিষ্টান্নের কাছে এবং সেই সকল মিষ্টান্ন প্রেমীর কাছে ক্ষমা প্রার্থী। তবে বুঝিলাম মনুষ্য ভোগ্য অমৃত যদি কোন বস্তু হইয়া থাকে, তাহা মিষ্টি, তাহা মিষ্টি, তাহা মিষ্টি!

With this exhaustive article on exotic Bengali Sweets, Team Sholoana Bangaliana wishes its readers a Very Happy Poush Parbon !!

Picture Credits: Google Images

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

LEAVE A REPLY

Please enter your name here
Please enter your comment!