Tag: Anjan Dutta

Interview: Actress Ankita Chakraborty on Playing Damayanti in Anjan Dutt’s Byomkesh o Chiriakhana (Sholoana Bangaliana Exclusive)

Actress-Ankita-interview

Actress Ankita Chakraborty is well known for her choice of roles that she portrayed in different films like Room no 103, Hing Ting Chot, Byomkesh Bakshi, Byomkesh Phire Elo and others. She is also an equally well known actress on the small screen with serials like Nir bhanga jhor, Binni dhaner khoi, Ishti kutum in her kitty. Sholoana Bangaliana correspondent caught up with the actress in an exclusive chat about her upcoming Bengali film Byomkesh o Chiriakhana which is slated for release during the Pujas.

Priyanka Dutta, Sholoana Bangaliana- Another film on Byomkesh and that too releasing during the Pujas, you surely must be excited?

Ankita Chakraborty- Yes, I am excited. This is like a double treat for me. Ma Durga is coming and it is during this time that my film is releasing and I am so glad. What a good timing!!

Can you tell us something about the role you play in the film?

Ankita Chakraborty- I play Damayanti, one of the prime suspect in Byomkesh o Chiriakhana. I won’t reveal much about it now as that will take away the suspense from it. I know many have read the story and they will know it. For those who have not read it yet, let it be a surprise.

Actress-Ankita-interview

How was the experience of working with Anjan Dutt again?

Ankita Chakraborty- The experience was good. He is a good director and the fact that he is such a new individual everyday is what amazes me. The films on Byomkesh are getting good response, which is also a positive thing for the team that works on the project.

Have you read the story or seen the film that was made on this story years ago?

Ankita Chakraborty- I have not read the story but I have seen the film. Anjan da said that if I had not read the story, then I do not have to read it for the film. The script follows the story only and slight changes are made. Hence following the script is enough.

You have acted in some detective films now. Given a chance, will you like to play the role of a woman detective in the future?

Ankita Chakraborty- Well, I have not yet received any such role. But yes, I like experimenting with characters I play onscreen. If I am given such a role, I will surely give it a try.

Ankita-Byomkesh-o-Chiriakhana

Do you have any dream role that you want to portray on screen?

Ankita Chakraborty- I have done a handful of films and mostly with Anjan Dutt and Aniket Chattopadhyay. I am free to experiment with the roles offered to me. I am waiting for such a meaty role.

Many actresses are trying their luck in Bollywood. Have you given it a thought?

Ankita Chakraborty- I have a wish of doing roles in Bollywood films. I will try too. Roles which will suit me and my personality are the ones which I will do in the films.

A very cliché yet an important question- What are your expectations from the film, Byomkesh o Chiriakhana?

Ankita Chakraborty- Though I have not watched the film completely yet I am hopeful that it will have a good run at the box office. This is simply because the films on Byomkesh do well.

We wish the talented actress all the best for her upcoming Bengali film!!

Interviewer:

Priyanka

Priyanka Dutta takes a keen interest in lifestyle and entertainment related news. She also enjoys interviewing celebrities and other renowned personalities. Priyanka holds a post graduate degree in English and Mass Communication. Journalism is her passion and she has reported for many a reputed international web portals.

 

 

Connect with us on Facebook at: https://www.facebook.com/sholoanabangaliana?ref=hl

Our You Tube Channel: https://www.youtube.com/channel/UC2nKhJo7Qd_riZIKxRO_RoA

Our Twitter Handle: @Sholoana1

Google+ ID: +Sholoana

Director Samik Roy Choudhury’s Film D Major Selected at Prestigious FOG International Film Festival

D-Major-FOG-Festival

“D Major” a film by Samik Roy Choudhury has been selected for the prestigious FOG (Festival of Globe) International Film Festival,Silicon Valley,San Francisco. The other two Bengali films which will be show in this festival are “Hemanta” by Anjan Dutta, “Dark Chocolate” by Agnidev Chatterjee.

D-Major-FOG-Film-Festival

FOG Extravaganza 2016 is a mega event slated to run through 10 days (5th Aug to 14th Aug). Over 300,000 people are expected to participate in multiple events that are part of this gala. Film and music celebrities and thought leaders from across the globe are among the star attractions.

“D Major” is a Bengali film of 82 minutes duration. Written and directed by Samik Roy Choudhury , the film has been produced by Shivanggi Choudhury and Samik Roy Choudhury.

D-Major-FOG-Film-Festival

The story of the film is about Diya, a girl from the suburbs (Jhargram). She was sent to Kolkata by her parents to acquire a Bachelor degree on Bengali Language. But deep inside she had a desire to learn guitars. At the university she made new friends, Suchi, Manik and a few more. They came to know about her aspirations and help her to get a guitar teacher. The first teacher (Ron) who himself was an amateur actually misguided her towards addiction and drugs. After that she went to several teachers who either dragged her to immature politics or molested her sexually.

D-Major-Bengali-Film

As failure came she went deeper into drugs. Her best friends (Suchi and Manik) tried for one last time to make her a student of an old Jazz guitarist. But the old guitarist died on the very first day she was about to attend his class. Drowned in addiction Diya takes wrong routes to buy her increased daily doses. Suchi or Manik couldn’t control her. Out of control Diya had to be hospitalized after an almost fatal overdose. She was taken back to her home where she suffers of withdrawal syndrome. Decision was taken by her parent that she had to get admitted to a rehab. What happens next? Will she be free from the effect of drugs?

D-Major-Bengali-film

DOP of the film is Prosenjit Koley and Samik. The editor is Sanglap Bhowmik(AJC, Babar naam Gandhiji, Egaro, 89, Crossing bridges[National Award winner], Cholai)

The music is by Samik – Kunaal and the songs have been sung by Timir Biswas, Koushik Chakraborty(Prithibi), Palbasha Siddique (Minnesota) and Anny Ahmed.

Moulika Shajwal, Poulomi Das, Kaustabh Bhowmik, Bidyut Roy Choudhury will be seen acting in pivotal roles in the film.

Priyanka Dutta

Connect with us on Facebook at: https://www.facebook.com/sholoanabangaliana?ref=hl

Our You Tube Channel: https://www.youtube.com/channel/UC2nKhJo7Qd_riZIKxRO_RoA

Our Twitter Handle: @Sholoana1

Google+ ID: +Sholoana

Mahalaya Memories : Birendra Krishna Bhadra’s voice resounding on the Radio

মহালয়া মহিষাসুরমর্দ্দিনী

সোমঙ্কর লাহিড়ী

mahalaya radio

 

ভাল্ভসেট রেডিওর একটা ছোট্ট আসুবিধা ছিল যে সেটা চালানর সাথে সাথে অনুষ্টান শোনাতে পারত না, তাই সেই ৬০এর দশকের শেষে অনেক বাড়ীতে মহালয়া শোনার জন্যে রেডিও চালু হত ভোর ৩টে ৫০ বা ৫৫ মিনিটে। খানেকক্ষন একটা কোঁওওও শব্ধ, বাড়ীর সবার অধীর একটা অপেক্ষা, ঠিক ভোর ৪টে তে ঘোষকের গলা শোনা যেত “আকাশবানী কোলকাতা, এখন আপনারা শুনছেন…” প্রতি বছর একই সময় একই ঘোষনা, কিন্তু আমার ও আমার মত অনেকের একটা দমবন্ধ উৎকণ্ঠা, কিসের যে উৎকণ্ঠা তা বলতে পারব না, কিন্তু যেই ঘোষনার শেষে শঙ্খধ্বনীর সাথে, বৃন্দবাদন আর তারসাথে সমবেত কণ্ঠে গান শুরু হত আর আমাদের দুর্গাপুজোও শুরু হত।

একটা কালো অন্ধকার রাত, ঠান্ডাটা হাড়ে নয় শুধু গায়ে কাঁটা দেওয়াচ্ছে, বিছানায় পায়ের কাছে চাদর দলা মোচরা হয়ে রয়েছে, আমাদের বাড়ী ও আশপাশের সব বাড়ীকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন শ্রদ্ধেয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়ের শ্রুতি মধুর কণ্ঠে চন্ডীপাঠে। চা চাওয়া যাবে না, মশারি যদি খোলা না হয় তো না খোলাই থাকবে। পরিবারের সবাই যেন ওই বৈদিক মন্ত্রপাঠের মধ্যে দিয়ে গানের মধ্যে দিয়ে ভাষ্যের মধ্যে দিয়ে, পরলোক থেকে আসা পিতৃপুরুষকে তার প্রাপ্য সন্মান বা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। বাকি আনুষ্ঠানিকতা ওই দেড় ঘণ্টা বাদ দিয়ে। আর হিন্দুমতে সুর্যের উদয় না হলে তো দিনেরও শুরু হয় না।

এই যে ‘সর্বপ্রেতি অমাবস্যা’ যে দিন থেকে কিনা হিন্দুমতে ১৬ দিনের দেবীপক্ষের শুরু সেই দিনের সুর্য উদয়ের সময় তর্পনের মাধ্যামে আমরা হিন্দুরা আমাদের পরলোকগত পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা জানাই, কিন্তু এই দিনটা আমাদের কাছে আরো তাৎপর্যপুর্ণ করে তুলেছিলেন শ্রদ্ধেয় বানীকুমার ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়। ১৯৩২ সালে প্রথম এই অনুষ্ঠান আকাশবানী কোলকাতা কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়। সাথে ছিলেন প্রেমাঙ্কুর আতর্থি, নৃপেন্দ্র কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, রাইচাঁদ বড়াল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্টান ছিল বানী কুমার মহাশয়ের মস্তিষ্ক প্রসূত। গ্রন্থনা করেছিলেন বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়, আর এই অনুষ্টানের সুরারোপ ছিল আর এক তৎকালীন দিকপাল সুরকার পঙ্কজ কুমার মল্লিক মহাশয়ের। এনারা সবাই মিলে বোধহয় দেখিয়ে দিয়েছিলেন সুরে সঙ্গীতে কী ভাবে শ্রদ্ধা জানানো যায়।

অনুষ্টান শুরু হত বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মন্দ্র কন্ঠে, ‘তখন শ্রীবিষ্ণু ছিলেন যোগ নিদ্রায়, এ মহাবিশ্বের শ্রষ্টা ব্রহ্মার উদ্ভব হল তাঁর নাভিপদ্ম হতে, এবং মধু ও কৈটভ নামে দুই অসুরের সৃষ্ঠি হল তাঁর কর্ন কুহর হতে’। সেই বয়েসে সমস্ত পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রমুগ্ধ হত কি না আমার জানা নেই, কিন্তু আমাদের বাড়িতে একটা সুচ পড়লেও তার শব্দ বোধহয় শোনা যেত। তারপর ব্রহ্মার তপস্যায় মহামায়ার কৃপায় শ্রী বিষ্ণু তাঁর যোগনিদ্রা ভঙ্গ করে মধু ও কৈটভকে নিকেশ করতেন তাঁর চক্রের সাহায্যে, ছোটরা হাঁপ ছাড়ত, আর অনেক ঠাকুমা দিদিমা মাথায় হাত জোড় করে প্রনাম করতেন, তাঁরা জানতেন আর কিছুক্ষনের মধ্যেই মা দুর্গা উপস্থিত হবেন তাদের মানস মন্দিরে। আজও কী সেই প্রনাম কিন্তু করেন বর্তমানের ঠাকুমা দিদিমারা? দেবী দুর্গার সেই আদি রুপ চণ্ডীতে বর্নিত হয়েছে আদি শক্তির রুপ হিসাবে যাঁর সৃষ্টি নেই লয় নেই সেই পরম তেজঃপুঞ্জ হতে দেবী দুর্গা এলেন দেবগণের প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে, যাঁরা কিনা দেবাদিদেব মহাদেবের বরপ্রাপ্ত মহিষাসুরের অত্যাচারে দেবলোক হতে বিতাড়িত। ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর সেই শক্তিকে চিরায়ত মাতৃরুপ দান করলেন নাম হল মহামায়া, তিনি তখন মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। তাঁকে হিমালয় দিলেন সিংহ বাহন হিসাবে ব্যবহারের জন্য, বিষ্ণু দিলেন চক্র, দেবাদিদেব দিলেন ত্রিশুল, যম দিলেন দন্ড, ব্রহ্মা দিলেন কমন্ডুল ও জপমালা, ইন্দ্র দিলেন বজ্র, চন্দ্র দিলেন অস্টচন্দ্র, কালদেব দিলেন খড়্গ, সুর্য দিলেন ধনুক বান, কুবের দিলেন কন্ঠহার, বিশ্বকর্মা দিলেন বর্ম বা কবচ। তিনি আয়ূধময়ী হয়ে গেলেন রণে। অসুর বিনাশে। সত্যের জয় স্থাপনে। দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দ্দিনী রুপ ও চণ্ডী হয়ে গেলেন সমরুপা।

তারপর মহিষাসুরের সাথে তাঁর যুদ্ধ যে রণে মহিষাসুর ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলাচ্ছে, মা দুর্গাও বিভিন্ন ভাবে তাকে পরাস্ত করে চলেছেন সব শেষে শিবের ত্রিশুল মায়ের হাতে ঝলাসাল মহিষাসুরের বুক বিদীর্ন করে দিল, মহিষাসুর করজোড়ে মাতৃবন্দনায় রত হলেন ও মাতৃ আশীষে তার মাঝে লীন হলেন ও পুজিত হলেন মর্তে। সবশেষে মাতৃস্তুতিগানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি।

এই পুরো সময়টা বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র তাঁর সুমধুর কন্ঠে পাঠের মধ্যে দিয়ে শ্রদ্ধেয় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় (তব অচিন্ত রুপ শোভিত মহিমা..), শ্যামল মিত্র, তরুণ বন্দোপাধ্যায়, বিমল ভুষন, শ্রী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, শ্রীমতী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শ্রীমতী আরতী মুখোপাধ্যায়, উৎপলা সেন, কৃষ্ণা দাসগুপ্ত ও সুপ্রীতি ঘোষ (বাজল তোমার আলোর বেনু), তাদের গানের মাধ্যমে আমদের এক অনাবিল আনন্দের দেশে নিয়ে যেতেন বা যান, এখনও।

প্রথমদিকে এই অনুষ্টান হত সরাসরি, যাকে বলে লাইভ। প্রত্যেক কলা কুশলী ঐ ভোরে স্নান করে স্টুডিও তে আসতেন ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয় পট্ট বস্ত্র ধারন করে শঙ্খ ধ্বনির মাধ্যমে এই অনুষ্টানের সুচনা করতেন, সেই সময় অনুষ্টানটি হত নাকি প্রায় দু ঘণ্টা, পরে অবশ্য সেই সময় সীমা কমে হয় দেড় ঘণ্টা, আর তার ও পরে রেকর্ডেড অনুষ্ঠান চালু হয়। আর সেই রেকর্ডের ক্যাসেটের সিডির বিক্রয় কিন্তু আজও বেশ ভালই। ২০০৬ সালের মহালয়ার দিন বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্যা শ্রীমতী সুজাতা ভদ্র হাতে ‘সারেগামা’ ইন্ডিয়া লিমিটেডের পক্ষ থেকে তাঁর বাবার এই অমর সৃষ্ঠির বিক্রয়স্বত্ত্ব বাবদ ৫০৯১৭ টাকার একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। শিল্প সৃষ্ঠিকে টাকার মুল্যে বিচার করা একধরনের বাতুলতা ভাবতে পারে লোকে। এটা শুধু একটা কালজয়ী সৃষ্ঠিকে বানিজ্যিক কুর্নিশ বলা যায়।

১৯৭৬ সালে আকাশবানী এই অনুষ্ঠানটিকে একটু অন্যরকম ভাবে উপস্থাপিত করতে চান এবং সেই দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় মহানায়ক উত্তমকুমার কে, তাঁকে সহযোগিতা করতে ছিলেন রচনায় ডঃ ধ্যানেশ রঞ্জন চক্রবর্তী, পাঠে স্বয়ং  উত্তমকুমার, বসন্ত চৌধুরী, পার্থ ঘোষ, ছন্দা সেন প্রমুখ, স্তোত্র পাঠে ছিলেন   ডঃ গোবিন্দো গোপাল মুখার্জী, মাধুরী মুখার্জী, হেমন্ত মুখার্জী। গানে ছিলেন হেমন্ত মুখার্জী, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, মান্না দে ও আরো অনেকে। কিন্তু বাংলা তথা ভারতের অন্য প্রান্তের বাঙ্গালী সেই প্রোয়াস কে সেই ভাবে সমর্থন করেন নি।

আগামী কাল ভোরে আবার রেডিয়ও বাজবে আবার মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গা পুজার ঢাকে কাটি পড়বে। কিন্তু একটা ব্যাপার আক্ষেপ থেকেই যাবে মনে, যার জন্য সম্বৎসর অপেক্ষা করে বাঙালি তাকে ট্রাফিক জ্যামে আটকে শুনলে কি আর সেই রকম ভাল লাগবে? মাননীয়া যদি একটু ভাবেন। বন্যেরা আজও বনেই সুন্দর।

 


Mahalaya – Birendra Krishna Bhadra(Full) (You Tube)

 

Image Credits: Google Images

 

Article Contributed by:

bengali writer

 

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

Enhanced by Zemanta