Tag: Asia

Bollywood Lyricist Poet Gulzar in Kolkata to Attend National Seminar on Indian Literature

Bollywood-lyricist-gulzar

Bollywood lyricist poet Gulzar, author Nabaneeta Dev Sen, Debjit Bandopadhyay, Sanjay Mukhopadhyay and Prabal Kumar Basu participated in the second day of the two day national seminar on Indian literature which was recently held in Kolkata. The national seminar on Indian literature supported by the Ministry of Culture, Govt of India and Notun Alo, a non-profit organization saw the presence of eminent personalities from the field of literature attend the seminar.

lyricist-poet-gulzar

Barnali Roy, Secretary of Notun Alo said “We generally concentrate on English literature but we forget about the treasure that we have. This is simply an initiative to create awareness about our vernacular literature amongst the youth”.

Gulzar-in-Kolkata

Paramita Bandopadhyay, a singer of much repute performed the welcome song for the seminar. The singer regaled the audience with her rendition of “Tumi kamon kore gaan koro” and “More aro aro dao pran”. Her performance was followed by a recital by ace elocutionist Sujoy Prasad Chatterjee. “I am speechless as I got the chance to perform before Gulzar ji” said Sujoy Prasad Chatterjee. He recited poems written by Gulzar and also that of other poets like Kalidas.

elocutionist-sujoy-prasad-chatterjee

Speaking on the occasion, Bollywood lyricist poet Gulzar said “I am happy to attend this seminar. This is a nice initiative taken by Notun Alo. It is seen that many vernacular novels gain popularity after they have been adapted on screen. Reading is not a passion among the youth in recent times. They are more interested in playing computer games. With a seminar of this caliber, the effort of popularizing Indian literature will surely achieve success”.

The day two of the seminar ended with a spirited dance drama performance titled Gahi samyer Gaan by Alokananda Roy. She was accompanied by the inmates from the correctional homes.

With such an initiative taken by Notun Alo, we do hope that this will lead to the popularization of the vernacular literature.

Priyanka Dutta

 

 

Enhanced by Zemanta

Holi in India; Its Evolution, The Celebrations and The Festival’s Bengali Connect

 

সে কি আজকের কথা, সেই দৈত্যরাজ হিরণ্যকষিপু তো ছেলের হরিভক্তি দেখে রেগে মেগে একসা, তারপরে গেল তার টেস্ট নিতে। বললে ‘দেখি আগুনে বসলে কি করে তোর ভগবান “শ্রী হরি” তোকে বাঁচায়’, আগুন টাগুন জ্বালানর সব অ্যারেঞ্জমেন্ট করে বললেন ‘যা গিয়ে বস দেখি’, এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল, আগুন জ্বললে প্রহ্লাদ তার মাঝে পড়লে পুড়েটুড়ে একসা হয়ে যেত আর হিরণ্যকষিপুর রাজত্বে একটা হরিভক্ত কমত। কিন্তু তা করলে তো আর আমি “দ্য হিরণ্যকষিপু” “শ্রীহরির” থেকে মাচ মাচ পাওয়ারফুল সেটা তো দেখান যাবে না। লক্ষ্য করুন রাজনীতি সেই তখন ও যেমন এখন ও তেমন, পাবলিকের মনে নিজের ইমেজটাকে ফাটিয়ে এস্টাব্লিশ করতে হবে। তবে না? সে গিয়ে নিজের বোন হোলিকা কে বলল “যা তো ওকে কোলে নিয়ে আগুনে গিয়ে বসত, (আর শোন বসার আগে গায়ে সেই ব্রহ্মার কাছ থেকে বর প্রাপ্ত শালটা জড়িয়ে নিতে ভুলিস না যেন) (এই কথাটা গলা নামিয়ে বলেছিল বলে ( ) মধ্যে দিলাম) কিন্তু ব্রহ্মা বলেই ছিলেন, “এই যে উত্তরীয় তোমায় দিলাম এ তোমায় রক্ষা করবে অগ্নিদহন থেকে, শুধু মিথ্যাচার করলেই ব্যাস! গেলে”। তা হোলিকা সেই বরপ্রাপ্ত উত্তরীয় গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ভাইপোকে কোলে করে আগুনের অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে গিয়ে বসল। প্রহ্লাদ, সে তো এক মনে “শ্রীহরি” কে স্মরণ করে চলেছে। ছোটছেলে তায় দেব ভক্তিতে একেবারে ঠাসা, আর তার উপরে পিসির কোল, তার আদরই আলাদা। শ্রীহরি দেখলেন এতো মহা জচ্চুরি হচ্ছে বাচ্ছাটার সাথে। পিসি নিজে পরে আছে ফায়ার রেজিস্টেন্ট ড্রেস, আর আমার ভক্তের বেলায় আমড়া! দাঁড়া দেখাচ্ছি, এই বলে পবনদেব কে বললেন “যাও তো, একটু তেড়ে বয়ে যাও তো, বেশী কিছু করতে হবে না শুধু উত্তরীয়টা কে উড়িয়ে সেটা দিয়ে ভক্ত প্রহ্লাদকে চাপা দিয়ে দাও, বাকিটা আমি অগ্নীদেবকে দিয়েই করিয়ে নিচ্ছি”, ‘যে আজ্ঞা’ বলে পবনদেব হুস করে গিয়ে দিল উত্তরীয়টাকে উড়িয়ে। হোলিকার গা থেকে উড়িয়ে দিয়ে প্রহ্লাদকে দিয়ে দিল চাপা। প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠলেন অগ্নীদেব। হোলিকার অবস্থা হল এখনকার রাজনৈতিক কর্মীদের মত, বুথ দখল করতে হবে বলে দিয়েছে তাতিয়ে, কিন্তু আধাসামরিক বাহিনীর কথা জানায়নি ঠিকঠাক। একদিকে আদরের ভাইপো, অন্য দিকে আগুন, কাকে রাখি ভাবার আগেই পুড়ে খাক। প্রহ্লাদ বেঁচে গেলেন চাদর চাপা পড়ে, মানুষের মনে আবার দেবমহিমা স্থাপিত হল, হিরণ্যকষিপুর হার হল। নৃসিংহ অবতার রুপে “শ্রীবিষ্ণু” অবতরিত হলেন, তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে দর্শন দিয়ে ধন্য করলেন। আর হিরন্যকষপুকে ধ্বংশ করলেন, তখন গোধুলি লগ্ন, রাজপ্রাসাদের চৌকাটের উপরে নিজের জানুর উপরে স্থাপিত করে নিজের নখ এর আঘাতে তার প্রাননাশ করে।

Holi in India

তা এত কিছু হল আর এরপরে একটু নাচাগানা খানাপিনা হবে না? মানুষ নিজেদের রাঙিয়ে নিল বসন্তের রঙে। পরদিন হৈ হৈ করে ঘরের বার হয়ে উৎসব শুরু করল বন্ধু শত্রু নির্বিশেষে রাঙিয়ে দিল একে অপরকে (এখন আমরা অনেক সভ্য হয়েছি তাই নির্বাচনের ফল বেরনর পরেই আমরা এক একটা হোলি পারন করে থাকি, তবে শত্তুর যাকে বা যাদের মনে করি তাদের জন্যে বাটাম অ্যালটমেন্ট) । সাথ দিল প্রকৃতি। রং কি শুধু চোখের? মনের রঙ্গের জন্যে এলো সঙ্গীত, হোরি, চৈতি, ফাগুয়া। আর তুরীয় ভাব আনার জনে প্রস্তুত হল মদিরা, ভাং, আর ইতর জনের মিষ্টান্নও প্রস্তুত হল গুজিয়া, মাঠরী, মালপোয়া ইত্যাদি।

এ তো গেল ধর্মের আর অধর্মের লড়াই। কিন্তু আরো আছে। সৃষ্টিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সৃষ্টির আদি পুরুষ ও প্রকৃতির মিলনের কাহিনীও আসে এই বসন্ত উৎসবে। যেখানে প্রবল শৈত্যের কষাঘাতে জর্জরিত পৃথিবীকে আবার সাজাতে এগিয়ে আসে ঋতুরাজ। এ গল্পে নায়ক পুরুষ স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ আর নায়িকা তাঁর প্রেয়সী, প্রকৃতি শ্রীরাধা। পুর্ববর্তী পর্বে ছিল দমনকারী, এ পর্বে তিনি প্রেমিক। কিন্তু এই চিরন্তন প্রেমিক কিন্তু তাঁর রক্ষাকারীর ভুমিকায় সদা অতন্দ্র, সেই হোলিকা এই যুগে উপস্থিত পূতনা রুপে, আর সুন্দরী পূতনার স্তন্যদাত্রী রুপে যখন মা যশোদা এবং অন্যান্য মহিলারা মোহিত তখন ‘বাল গোপাল’ তার স্তন্যপানের মাধ্যমে বিষাক্ত দুধ পান করে গোকুলের অন্য বালকদের শুধু রক্ষাই করলেন না নিজেও সেই বিষের তাড়সে হলেন মেঘবর্ন। আর পূতনা প্রথমে দুগ্ধান্তে রক্তক্ষরণ ও পরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘোর কৃষ্ণবর্ন ছাই এ পরিণত হলেন। হিরণ্যকষীপু এলেন কংসরুপে তিনিও নিহত হলেন ‘শ্রী কৃষ্ণের’ হাতে, কিন্তু সে পর্বের আগে এলো প্রেমিক পর্ব গোকুলে শ্রীরাধিকা আর ষোল’শ গোপিনী কে নিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেলেন তাঁর প্রেমিক রুপ। শ্রীরাধিকার মুখের বর্ন ছিল জোৎস্নার মত সুন্দর। গোপিনীরা সেই মুখের দিকে তাকালে আর শ্রী কৃষ্ণের মুখপানে চাইছেন না, তাই শ্রী কৃষ্ণেরর গোপীকুলের এই আচরণ দেখে মনে হতাসার উদ্রেক হল, সেই হতাসায় তিনি এমন অবস্থায় পৌছালেন যে মা যশোদা শেষে থাকতে না পেরে বললেন, যে যাও তোমার মনে যে রঙের ইচ্ছা হয় তুমি শ্রীরাধিকার মুখ সে রঙে রাঙিয়ে নাও। (এখনকার প্রেমিকরা একবার চেষ্টা করলে মায়েদের কি রিএকশান হয় সেটা কিন্তু গবেষণার ব্যাপার, আর সেই প্রেমিকপ্রবর বোধ হয় তার প্রেম যাত্রা পুলিসি হাজতে শেষ করবে।) সেই রঙে রাঙ্গানর উৎসবই হোলি। যেখানে পুরুষ রাঙ্গাচ্ছে প্রকৃতিকে তাঁর আপন রঙে আর নতুন সৃষ্টির পটভূমি তৈরী হচ্ছে। সাক্ষী কুঞ্জোবন আর ষোল’শ গোপিনী। এ হল সৃষ্টির উৎসব। ঋতুরাজের উপস্থিতি যেটাকে ত্বরান্বিত করে মাত্র।

শ্রী কৃষ্ণের ও শ্রী রাধিকার এই রঙিন লীলাখেলা যে শুধু ভারতেই হয় তা নয়, সারা পৃথিবী ঋতুরাজকে স্বাগত জানায় বিভিন্ন রঙ্গীন উৎসবের মাধ্যমে। হোলিকা দহন একটা প্রতীক মাত্র, এই উৎসবে সমস্ত অশুভকে দহনের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরও অগ্নীশুদ্ধি করে থাকি, সেটাও প্রতিকী, হোলির পরের দিন সকাল থেকেই সেই উৎসব পরিচিত হত ধুলি, বা সংস্কৃত শব্দ ধুলেটি বলে। এখন সেই ধুলি উৎসব ও হোলি নামেই পরিচিত, পরদিন প্রথমার্ধে আমরা একে অন্যকে রাঙাই আবির এর সাহায্যে, রঙ জলে গুলে পিচকারী দিয়ে একে অপরের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে থাকি। আর দ্বিতীয়ার্ধে সাজগোজ করে বন্ধু বান্ধবেরা একত্রিত হয়ে নানান ধরনের আনন্দ উৎসব করে থাকি, শাদা পাঞ্জাবী পাজামা পরে সুন্দর শাড়ী পরে সবাই বাড়ী থেকে বেরয় তারপরে মোটামুটি রাত নটার মধ্যে আবার রঙিন ভুত সেজে বাড়ী ফেরা। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞান আমাদের একটি নতুন আপদ উপহার দিয়েছে বেলুন, জিনিসটি রঙিন জলে ভর্তি হয়ে অনেক কেলেঙ্কারীর জন্ম দিয়েছে, কারন হোলিই বলুন আর ধুলিই বলুন এই রঙ মাখানোর সময় ছোটাছুটি না করলে ক্যালমা দেখান যায় না, যায় কি? সেই প্রেমিকা কে ইমপ্রেস করতে গিয়ে, নিজে যে অর্জুনের বংশধর সেটা প্রমান করতে গিয়ে বহু আহাম্মক এই বেলুনকে ব্যবহার করেছে এবং কখনো প্রেমিকার বাবা, কখনো রাশভারী জ্যাঠা বা কাকা মামা, কিছু না পেলে দাদাকে আহত করেছে আর ফলে হবু প্রেমিকা কে হতে পারত প্রেমিকায় পর্যবসিত করে ছেড়েছে। ভাবুন একবার দ্বপরে পুরুষোত্তম রঙিন বেলুন ছুঁড়লেন স্রীরাধিকার দিকে সেটা গিয়ে লাগল জটিলা বা কুটিলার রগে। প্রেম এত দূর যাওয়ার আগে বৈদ্যের কাছে ছুটতে হত তাঁকে।

প্রথমেই বলেছি হোলিকা দহন থেকেই এই উৎসবের সুচনা। মানে পৌরানিক উপস্থিতি এর আছে, কবি কালিদাস ৪তুর্থ শতকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময় কে বর্ননা করার সময় ও হোলি উৎসবের উল্লেখ করেছেন। ৭প্তম শতকে রত্নাবলী নাটকে আমরা হোলিকে পাই। আর ইয়োরোপিয় সওদাগররা এই উৎসব ভারতে দেখে আকৃষ্ট হন এবং নিজেদের দেশেও চালু করেন, তবে এখানে ইয়োরোপ মানে মুলত স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি এই সব দক্ষিণ ইয়োরোপ কেই ধরে নেওয়া ভালো, কারন উত্তরে যা ঠান্ডা সেখানে গায়ে রঙ দিলে ভালবাসা বাড়বে না কমবে সেটা অজানা। টোমাটিনা এই ধরনেরই এক উৎসব যেখানে মানুষ প্রচুর টমেটো ছুঁড়ে একে অন্যকে রঙিন করেন, নিজেও হন। ইংরেজরা এই হোলি শব্দটিকে অক্সফোর্ড ডিক্সনারীতে স্থান দিয়েছেন holi এই বানানে ১৯১০ সালের পরে। (মনে হয় এটা আনন্দ না কি অত্যাচার সেটা বুঝতে ওনাদের এত বছর সময় লেগে গেছে)। এর আগে Houly (1687)তে ছিল, Huli (1698)তে ছিল, Hohlee (1809)তে ছিল, আর Hoolee (1825)তে ছিল।

Holi in India

পুরুষতন্ত্রের বিরোধী বহু মহিলাকে বলতে দেখা গেছে সিঁদুর নাকি পিতৃতান্ত্রিক্তার দান (হতেই পারে, আমি অত পণ্ডিত নই তাই মানতেও অসুবিধা নেই) এটা নাকি মহিলারা বর্জন করতেই পারেন, আমি আমার অনেক বান্ধবীকে ছোটবেলায় দেখেছি দোলের পরের দিন বা তার বেশ দু তিন দিন পরেও মাথার সিঁথি লাল করে ঘুরছে, জিজ্ঞাস করলে লাজুক হেসে বলছে, ‘দ্যাখনা কিছুতেই উঠছে না’ (কি জানি বাবা আমার নিজের মাথা তো ফরসা তাই বুঝতে পারতাম না) পরে বুঝতে পেরেছিলাম সে রঙ এমন হাত থেকে এসেছে যে …. যাই হোক এ সব গেরামভারী আলোচনা না হওয়াই শ্রেয়।

উত্তরভারতে হোলির আরো এক প্রকরণ আছে নাম “লাঠ মার হোলি” ব্রজধাম থেকেই এর উৎপত্তি। এই যে গোপিনীরা শ্রী কৃষ্ণের সাথে রঙ মাখা ইত্যাদি করে ঘরে ফেরে, তা সেটা তো আর সব ঘরের মানুষের ভাল লাগেনা, হাজার হোক নিজের বউ বলে কথা, ওসব লীলা টীলা শুনতে ভাল, অন্যের ঘরে দেখতে আরো ভালো, কিন্তু নিজের বউ করলে??? চড়টা চাপড়টা তো পরবেই। কিন্তু এনারা হলেন শ্রী কৃষ্ণের লীলা সহচরী এনারাই বা ছাড়বেন কোন দুঃখে? তাই হোলির দিনে তারাও তাঁদের ঘরের লোকেদের ফিরতি কিছু দিয়ে দেন। কিন্তু বর্তমানে এই ফিরতির ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছর আগে চন্ডীগড়ে হোলির সময় থাকতে হয়েছিল। আগের দিন সন্ধ্যায় প্রতিবেশীনী ভাবীদের আলচ্য বিষয় শুনে আমি বেশ ঘাবড়ে গেছিলাম কারন সেই আলচনায় আমার বউ ও উপস্থিত। কে কী ভাবে তাদের পতিদেব কে ধোলাই দেবে হাসতে হাসতে সেই আলোচনাই চলছিল সেখানে। কড়োয়া চৌথ অবধি চালু হয়েগেছে আমাদের বঙ্গভুমে। শীত আসিয়াছে বসন্ত কি আর না আসিয়া থাকিতে পারিবে? সাধু সাবধান!!

 

Holi in India is celebrated with great fervor as it not only ushers in spring but loads of happiness and cheer in the lives of people too. Team Sholoana Bangaliana wishes its readers A Very Happy and Colorful Holi.

Save Water, Play with Herbal and natural Gulal and respect each others feelings amidst all the merriment and pranks.

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

 

 

Photographs By: Bitan De

Enhanced by Zemanta

Bengali Literature and Its Adorable Ghosts; Special Feature by Somankar Lahiri

ghost storiesGhosts have made their presence felt in literature of all regions, specially that of Bengal and Bengali Literature is the proud custodian of some of the most adorable ghosts that children and adults alike have connected with and loved since ages. It is also the Bengali’s uncanny ability of busting the ghost myths that has led to blockbuster’s like Anik Dutta’s Bhooter Bhabisyat that has now been adapted into a Bollywood Film Gang of Ghosts with an ensemble cast of talented actors from Bollywood and Tollywood alike. Here’s more to read about these adorable ghosts ……

আজকে সঞ্জীব যখন লেখার জন্য বলল আর বিষয় সম্পর্কে জানাল তখন আমি ভাবলাম যাই আমার ল্যাপটপ টা নিয়ে ‘কাপে কফি দে’ নামক কফি শপে ব’সে লেখাটা শুরু করি, (কিছুই না শ্রেফ কায়দা মারার চেষ্টা, আর শুনেছি আজকাল এই সব বড় বড় কফি শপে নাকি সেলেবরা তাদের নিজেদের সব ব্যবসায়িক কথাবার্তা ইন্টারভিউ ইত্যাদি চালায়, তা সেখানে হেব্বি ড্রেস ট্রেস দিয়ে সামনে ল্যাপটপ খুলে কায়দা মেরে আমিও সেলেব সাজার চেষ্টা করলুম আর কি) কারন আজকের যে বিষয় নিয়ে লিখতে হবে তার সোর্স এন্ড সাপ্লায়ার মেজদা, এই মেজদা আমায় প্রায় সমস্ত ব্যাপারে খবরাখবর যোগান দিয়ে থাকে। তাই সেখানে পৌছে মনে মনে ভাবতে লাগলাম মেজদা যেন তাড়াতাড়ি চলে আসে। আসলে এক কাপ কফি নেওয়ার পরে বুঝলাম যদি দেরি করে আজ তবে আমার খরচা আছে। বেশী দেরি করলে ‘খবর আছে’।

যাই হোক মেজদা ঠিক পাঁচ মিনিট লেটে এলো, এসেই একগাল হাসি দিয়ে বলল

–   জামাই কিছু মনে করনিতো, জাস্ট পাঁচ মিনিট, ওক্কে?

এই একটা ব্যাপার আমার খুব বিটকেল লাগে আমায় জামাই বলে ডাকাটা, সে যাই হোক, আমি হেসে বললাম

–   আরে না না এই কোলকাতা শহরে পাঁচ মিনিট লেট একটা লেট হল, তা আছ কেমন?

–   তোফা বললে কম বলা হয়, তা আজকে কিসের খবরাখবর লাগবে?

বিষয়টা শোনার পরে হেসে বলল

–   আজ বরং ফরম্যাটটা একটু চেঞ্জ কর জামাই, আপত্তি নেই তো?

–   না না আপত্তি আর কিসের, তা কিরকম ফরম্যাট করতে চাইছ তুমি?

–   ব্যাপারটা একটু ইন্টারভিউ টাইপের কর, তোমার ফোনটা আমার সামনে কথা বলার সময় ধরবে, আর মাঝে মাঝে নিজের ল্যাপটপের স্ক্রীনের দিকে মুখ গোমড়া করে তাকাবে, মাঝে মাঝে একটু আধটু দাড়ি খুজলাবে, বেশ একটা ঘ্যাম মিডিয়া পার্সোনালিটির মত লাগবে তোমায়, আর আমিও সেই বুঝেই উত্তর টুত্তর দেবো বেশ জমে যাবে ব্যাপারটা কি বল?’

আমার ব্যাপারটা ভালোই লাগল,

–   তা তোমায় কি বলে প্রশ্ন শুরু করব ‘মেজদা’ বলে?

–   আরে ওটাই তো ট্রেন্ড বেশ একটা ইয়ে ফিলিং আছে, মানে নিজের লোক নিজের লোক ব্যাপার আর কি।

প্রশ্নঃ – আচ্ছা মেজদা ভুত সম্পর্কে তোমার কি ধারনা?

মেঃ- ভুত হচ্ছে মানুষের মৃত্যু আর পুনর্জন্মের মাঝখানের একটা বেশ ফুরফুরে অবস্থা, এই ধর চাকরীতে রিটায়ার হলে ৫৮তে বা ৬০এ আর রোগের ভোগের খপ্পরে গিয়ে পড়লে বা ট্যেঁসে গেলে ৭৫এ বা তার কিছু পরে, এর মাঝে এই যে তুমি চাকরি করছ না, শরীর স্বাস্থ সেই রকম ভাবে জ্বালাচ্ছে না, রিটায়ার্মেন্টের টাকা সারদা টারদার গব্বে যায় নি, তুমি এম.আই.এস আর ফিক্সড এর উপর গিন্নী কে নিয়ে আইনক্স, একাডেমি করছ ছেলে বৌমা মেয়ে জামাই কে সেক্টর ফাইভ, ব্যাঙ্গালোর, সিলিকন ভ্যালিতে পাঠিয়ে দিয়েছ, সেখান থেকে একটা রসদ এসে মোটা হয়ে যাচ্ছে আচমকা, এই যে ফুরফুরে অবস্থা ভুত ও হচ্ছে অনেকটা সেই রকম।

আমি একটু দাড়ি চুলকে নিয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলাম

প্রশ্নঃ – যদি আরো একটু সোজা করে বল তবে পাঠক দের সুবিধা হয় আর কি

মেঃ- আরে আরো সোজা করার কি আছে, এই ধর তোমার ইচ্ছে আছে অনেক রকম, কিন্তু সেটা পুরন করতে পারছ না, কারন তোমার বিভিন্ন রকমের সামাজিক দায় ইত্যাদি, নিজের শরীর ও একটা ব্যাপার, কিন্তু যেই না শরীরটা ছাড়তে পারলে অমনি ব্যাস, ফুস করে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াও। যা ইচ্ছে করে বেড়াও কেউ কিচ্ছু বলবার পথটি পাবে না। সামাজিক দায় দায়িত্ব হাওয়া, ব্যাস! ‘রায় মশাই’ তো দেখিয়ে দিয়েছিলেন অনেক আগেই। আরে ‘ভুতের রাজা’ তিনটে বর দিল, তা নিজের না থাকলে বর দিতে পারত? এতো আর ওভার ড্রাফটে দেশ চালান নয়।

প্রশ্নঃ – কিন্তু সেটা তো একটা গল্প, আর তার থেকে সিনেমা

মেঃ- অ.. তা ম্যালকম এক্স, নো ওয়ান কীলড জেসিকা এগুলো কী? শুধুই সিনেমা? পিছনে কোন ঘটনা নেই বলতে চাও, আর টাইটানিক? ওরে বাবা সবই গল্প আবার সবই সত্যি।  ট্রুথ ইস স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশান আর গ্রেটার দ্যান অ্যাকশান।

প্রশ্নঃ – আচ্ছা তুমি ভুতে বিশ্বাস কর?

মেঃ- সেটা বড় কথা নয়, যেটা বড় সেটা হল এই যে বছরের পর বছর ধরে সারা পৃথিবী জুড়ে যে ব্যাপারটা রয়েছে সেটাকে আমি বিশ্বাস করি কি না করি তাতে কিছুই আসে যায় না। ধর আমি বললাম বিশ্বাস করি না, তাতে তো আর ব্যাপারটা নস্যাৎ হয়ে যায় না, যায় কি? খামোকা খানিক তর্ক বিতর্ক বাড়ে আরে কিছু দোকানে চা কফির বিক্রি বাট্টা ভাল হয়।

প্রশ্নঃ – তাহলে তুমি ভুত ব্যাপারটাকে ডিফাইন করবে কি করে?

মেঃ- এতো আচ্ছা জ্বালায় ফেললে, পৃথিবীর সব ব্যাপারটাকে ডিফাইন করতে হবে এমন মাথার দিব্যি কে দিয়েছে? এই যে তুমি অফিস পালিয়ে এখানে বসে কফি খাচ্ছ আর আমার সাথে ভাটাচ্ছ, এর যে মজা সেটাকে যদি তোমায় ডিফাইন করতে বলা হয় তুমি পারবে? না অন্য কেউ যে তোমার বন্ধু বা চেনা বা অচেনা সে পারবে? এটা একটা অনুভুতি, ভুত ও সেই রকম একটা অনুভুতি। একে ডিফাইন করতে গেলে হাজার হাজার শব্দ ছবি ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে, কিন্তু যে এই অনুভুতির মধ্যে দিয়ে যাবে শুধু মাত্র সেই বুঝবে কি হল।

প্রশ্নঃ – তা হলে সাধারন পাঠক কে আমি কি বোঝাব? ভুত নিয়েই বা কি লিখব?

মেঃ- অমন কাজটি করতে যেও না, প্রথমটা তুমি পাঠক কে হাজার চেষ্টা করেও ভুত বোঝাতে পারবে না। কারন তুমি তো তোমার পাঠক কুল কে নির্দিষ্ট পরিবেশের মধ্যে ফেলতে পারবে না, পারবে? এই যে শীত কাল চলে গেল সেই শীতের শেষে বৃষ্টির সন্ধ্যা ছিল সেই স্যাঁত স্যাঁতে ঠান্ডা সন্ধ্যায় নিভু নিভু একটা লম্ফের আলোয় গায়ে পায়ে একটা ঝুব্বুশ লেপ বা কম্বল চাপাদিয়ে বসে সামনে এক কাঁসি মুড়ি মাখা এইসব সহযোগে তুমি তোমার পাঠক দের নিয়ে ভুতের গল্পের বা ঘটনার মুখোমুখি হলে বরং পারতে। কিন্তু এখন তো শহরে সেই পরিবেশ ই পাবে না। আর দ্বিতীয় ব্যাপারটা দয়া করে ট্রাই কর না ভুত নিয়ে লেখার পথে পরমপুজ্য ‘পরশুরাম’ ভুশুণ্ডির মাঠের মত লেখা লিখে গেছেন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মশাই এর কলমে ভুতেদের অনায়াস আনাগোনার পরে ও পথে আর তুমি হাঁটতে যেও না হড়কে যাবে।

প্রশ্নঃ – কিন্তু ভুত নিয়ে লেখার তবে কি হবে আমি কোন আঙ্গেলটা ট্রাই করব?

মেঃ- খুব সোজা এখন যা জামানা পরেছে মানুষ কেবল তথ্য চাইছে, ইনফরমেশন ইস পাওয়ার, তুমি বরং প্রশ্ন কর মেজদা ভুত কয় প্রকার ও কি কি? ওসব অনুভুতি টনুভুতির ধার দিয়েও হাঁটতে হবে না, আর লোকেও ভাববে তুমি কত জান। একটু সমঝে চলবে। বাবা মায়েরা তোমায় দেখিয়ে ছেলে মেয়েদের বলতেও পারে “ঐ দ্যাখ জি কে আঙ্কেল যাচ্ছে”

এই বলে মেজদা খ্যা খ্যা করে খানেক হাসল, আমার একটু চিড়বিড়িনি ধরেছিল কিন্তু কি আর করা যাবে লিখতেই হবে ভুত নিয়ে অগত্যা.. আমি মুখ গোঁজ করে বললাম – আচ্ছা তবে তাই করি, আমার পরের প্রশ্ন

প্রশ্নঃ- আচ্ছা মেজদা ভুতকে অনুভব করতে গেলে কি কেবল ঐ শীতের রাত, বা বৃষ্টির রাত এই সবই হতে হবে? না হলে কি কেউ ভুত কে ফীল করতে পারবে না?

মেঃ- না না তা কেন, তুমি ধর ঘোর গ্রীষ্মে হাড়োয়াতে বা সুন্দরবনের গোসাবা থেকে ৪৫ কিমি ভেতরে কোন ফ্রী প্রাইমারী স্কুলে পঞ্চায়েত ভোট করতে গেছ প্রিসাইডিং অফিসার হয়ে দু দলের উগ্র সমর্থকরা তোমায় হাড়মাস ভাজা ভাজা করে দিচ্ছে ঠিক এই রকম সময়ে তুমি দেখলে তুমি গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, ইত্যাদির ব্যালট গুলিয়ে ফেলেছ আর ব্যালট আকাউন্ট মেলাতে পারছ না, বুঝতে হবে যে তোমায় পেঁচোয় পেয়েছে।

প্রশ্নঃ- সে আবার কি পেঁচো আবার কি? ভুত?

মেঃ- এই রে জানো না? শোন তবে, পেঁচো হল সেই ভুত যে তোমার কানের ভেতর দিয়ে মাথায় ঢুকে পরে তার পরে তোমার চিন্তা করার রাস্তা গুলোকে জট পাকিয়ে দেয়, তুমি কিছুতেই আর ঠিকঠাক চিন্তা ভাবনা করতে পারবে না। এই একটা ব্যাপার তুমি বাড়িতেও দেখতে পাবে, মাসের শেষে বৌকে হয়ত বললে সংসারের হিসেব মিলছে না, দেখবে বৌ তখন হঠাৎ এমন চিল্লা চিল্লি শুরু করে দিল যে তুমি পুরো ব্যাপার টাই গুলিয়ে ফেললে। এটা আর কিছুই না পেঁচোর উৎপাত।

প্রশ্নঃ- আচ্ছা তবে এর থেকে বাঁচার উপায়।

মেঃ- খুবই সোজা, চোখ বন্ধ করে দাও, দু কান সজাগ হয়ে যাবে, অমনি এক কানে যা শুনবে অন্য কান দিয়ে বার করে দেবে দেখবে খানেক বাদে পেঁচোর প্রভাব কেটে যাবে।

প্রশ্নঃ- আচ্ছা মেজদা ভুত মোটামুটি কত ধরনের হয়?

মেঃ- এটা তুমি কি বললে জামাই, ভুত কত রকমের? এটা কোন প্রশ্ন হল, যত রকমের প্রানী তত রকমের ভুত, তার মধ্যে আমরা সাধারন ভাবে মানুষের ভুত নিয়েই এখানে আলোচনা করতে বসেছি, হাতির ভুত বা হাঙরের ভুত নিয়ে বা পেঙ্গুইনের ভুত নিয়ে সাধারণত মানুষ আলচনা করে না, তাই এক্ষেত্রে শুধু মানুষের মৃত্যুর পরে যে ভুতের উদ্ভব হয়ে থাকে আমরা সেটা নিয়েই আলচনা করব, কেমন? এই যে ধর আমাদের সমাজে যত রকমের মানুষ আছে, মরে ঠিক ততরকমেরই ভুত হয়ে থাকে। শুধু নমেনক্লেচারের সুবিধার জন্যে আমরা তাদের বিভিন্ন নামে ডেকে থাকি, ব্রহ্মদত্তি, সাধারন ভুত, পেত্নী, শাঁখচুন্নী, মেছো, পেঁচো, পেঁচি, চোরাচুন্নী, কুনি, বুনি, মামদো, কন্ধকাটা, নিশি, কানাখোলা, জলাডাকা, ফলাডাকা, ইত্যাদি। আর আমাদের বায়ু মণ্ডলে যে রকম স্ট্রাটোস্ফিয়ার, আয়োনোস্ফিয়ার, এই সব স্তর থাকে ভুতেদের ও সেই রকম থাকে, এক দল থাকে যারা বেশ ফুরফুরে স্বভাবের, তোমার মাছটা কলাটা মুলোটা, হাপিস করে দিল, তোমায় পথ ভুলিয়ে দিল, এইসব ছোট খাট দুষ্টুমি করবে। প্রান নিয়ে টানাটানি করবে না, আবার আরো একদল থাকে দরজা, জানলা খুলে দিয়ে ছাদে আওয়াজ করে, চেয়ের টেবিল উলটে পালটে তোমার ঘর নোংরা করে তোমায় বিরক্ত করে মারবে। এরা সাধারণত মানুষ জীবনে ছাপোষা জীবন যাপন করত, তাই এদের ধক বলতে এইটুকুই। কিন্তু আরো একটা স্তর আছে যারা তোমায় মেরে ধরে প্রান ছাড়া করিয়ে নিজেদের দলে টানার চেষ্টা করবে সেগুলো মহা সব্বোনেশে। সাধারণত ভুতসমাজের বাইরেই থাকে, মাঝে মাঝে আসে আর হুজ্জত বাধায়। ট্রেন উল্টোয়, গাড়ীতে বাসেতে ধাক্কা লাগায়, জলে লঞ্চ স্টিমার ডোবায়, আরো বড় ভাবে চেষ্টা করে যুদ্ধ টুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে মহা কেলেংকারী করে ছাড়ে।  মানুষ জীবনে এরা ঠিক কি ধরনের ছিল সেটা তোমায় নিশ্চই বলে দিতে হবে না।

আমার মাথা ভোঁ ভোঁ করতে লাগল, আমি মেজদার দিকে তাকিয়ে হাত তুলে থামতে বললাম, মেজদা মাথা নেড়ে সায় দিয়ে এদিক ওদিক দেখতে লাগল, আমি ভেবে নিলাম এর পরে কী প্রশ্ন করব।

প্রশ্নঃ- আচ্ছা মেজদা আমার ধারনা অপঘাতে মরলেই নাকি ভুত হয়, না হলে হয় না? সেটা কি ঠিক?

মেঃ- দেখো টোটাল ব্যাপারটাই থিওরি অফ রিবার্থ আর এফেক্ট অফ কর্মার উপর ডিপেন্ডেন্ট। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্ম যে মুহুর্তে নিজেক বহুধা বিভক্ত করতে চাইলেন এবং করলেন ঠিক সেই সময় থেকেই তিনি টোটাল যে পরিমাণ ভেঙ্গে ছিলেন সেটার একটা পারফেক্ট হিসেব মেন্টেন করেছিলেন আর এখনও করছেন, নো ফাঁকিবাজী বিজনেস, ডেবিট ক্রেডিট মেন্টেন করে জীবাত্মাকে বহু জন্মে বহু প্রানী করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তবে আবার পরমাত্মায় মিলিত করে থাকেন। শাস্ত্রে সেই রকমই বলেছে। তা প্রত্যেক জন্মে তুমি আলাদা আলাদা প্রানী হচ্ছ, এই জন্মে মানুষ তো পরের জন্মে হাতি, তো তার পরের জন্মে বটগাছ। কিন্তু প্রত্যেক জন্মের পরেই কিন্তু তুমি মরছ। মশা হলে চড় খেয়ে, হাতি হলে গুলি বা ট্রেনে কাটা। এই মৃত্যুর পরে আবার নতুন করে জন্মানর মাঝে তুমি ভুত। কারন স্টোরে রিসিভিং আর ডেসপ্যাচের মাঝখানের সময়টা তো তোমায় কাটাতে হবে ওভার হোলিং এর জন্যে। তাই না? তাই শুধু অপঘাতে নয় সাধারন মৃত্যুতেও ভুত হয়ে থাকতে হয়। তবে হ্যাঁ তুমি একজন্মে প্রায় নব্বই বছর বাঁচলে, মরলে পর তোমার ব্যাটারী এমনিতেই টোটাল ডিসচার্জ হয়ে গেছে, তুমি সেই অবস্থাতে ভুত হলেও ঐ ডিসচার্য হয়ে যাওয়া জীবাত্মার জন্যে আর বেশী তিড়িং বিড়িং করতে পারবে না, লেটকে থাকবে। কিন্তু অপঘাতে মরলে ব্যাটারী ডিসচার্জ সেই রকম ভাবে হয় না, তাই সেই রিমেনিং পাওয়ার নিয়ে তোমার দাপাদাপি চলতে থাকবে ‘আন্টিল ডিসচার্জ অর ডেসপ্যাচ’। বোঝা গেল কিছু?

–   তুমি কিন্তু ব্যাপারটাকে খুব ভারী করে দিচ্ছ মেজদা, এতো ভারী পাঠক নেবে?

–   শোন জামাই, তুমি চিত্রপরিচালক নও যে মিডিয়ার সামনে তোমার নতুন ছবির প্রোমো দিতে বসে হ্যা হ্যা করে বলতে থাকবে যে প্রোডিউসারের পয়সা ফেরত দেওয়াটাই আমার প্রধান উদ্দ্যেশ্য আপনারা আসুন আমার ছবি দেখুন এই সব ফ্যাত্রা কথা। তুমি ভুতের মত একটা সিরিয়াস ব্যাপার নিয়ে আলচনায় বসেছ। সেখানে তোমায় কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি দুটোই মেন্টেন করতে হবে। দত্ত বাবু তো দেখিয়ে দিয়েছেন শুধু কনটেন্ট আর প্রেজেন্টেশান এর দিকে নজর দিলে পাবলিক খায়। শুধু খায় না চেটেপুটে খায়। তুমি লিখবে, সাব্জেক্টে দম থাকলে পাঠক আটকে যাবে বঁড়শির মাছের মত। তুমি শুধু তোমার সাব্জেক্টের কাছে দায়বদ্ধ অন্যের কাছে নও। আচ্ছা তোমার কথাও থাক তুমি এবারে কিছু র‍্যাপিড ফায়ার টাইপ কর দেখি ব্যাপারটা হালকা করতে পারি কি না

প্রশ্নঃ- ব্রহ্মদত্যি খড়ম পরে কেন?

মেঃ- পুজারি বামুন গুলো এমনিতেই একটু কিপটে হয় আর কাঠ আমাদের দেশে সস্তা ছিল একসময়, এখন তেনারা খালি পায়ে নয়ত রবারের চটি পরেন।

প্রশ্নঃ- পেত্নী নাকি সুরে চীৎকার করে কথা বলে কেন?

মেঃ- ওটা চীৎকার নয় পিচ এফেক্ট। গলা যদি ন্যাসাল হয় তবে আস্তে আওয়াজও হাই পিচের শোনাবে।

প্রশ্নঃ- ভুতপেত্নী সবসময় ভাঙ্গা বাড়ীতেই থাকে কেন?

মেঃ- পূরো ভুল ধারনা, দত্ত বাবু তেনাদের এই ব্যাপারটা কে ফোকাস করেছিলেন যথাযত ভাবে। কিন্তু এখন সমস্ত সরকারী অফিসের ভেতরে, শপিং মলের দোকান গুলোর ভেতরে তেনারা থাকেন, দেখনা মলের করিডরে আর ফুড কোর্টেই যত ভীড়, আর দোকান গুলোর ভেতরের হাল দেখেছ?

প্রঃ- ভটক্তি আত্মা ব্যাপারটা কি?

মেঃ- আরে ওটা তো হিন্দি বলয়ের ব্যাপার। আমাদের দেশে ব্যাপারটাকে পাড়াবেড়ানি বলে, মানুষ জন্মে একদল মহিলা ও পুরুষ কিছুতেই নিজেদের ঘরে কাজকম্ম করে শুয়ে বসে থাকতে পারে না, পাড়ায় না ঘুরলে তাদের শান্তি হয় না। ভুত জন্মে এরাই ভটক্তিআত্মা, খালি নিজে নিজেই ঘুরে বেড়ায় আর কথা চালাচালি করে ঝগড়া বাড়ায়। এখন তো আর পাড়া ব্যাপারটা সেই রকম ভাবে নেই। তাই সন্ধ্যে হলে এদের বিভিন্ন চ্যানেলে দেখা দেন। রাত প্রায় সাড়ে দশটা অবধি।

প্রশ্নঃ- পেত্নীরা সর্বদা সাদা শাড়ী পরে ঘোরে কেন?

মেঃ- আরে মরে ভুত হওয়ার পরে তো আর বাড়ীশুদ্ধু লোকের জামা কাপড় কাচতে হয় না, তাই নিজেরটার দিকে বেশী সময় দিতে পারে ।

প্রশ্নঃ- নিশি ডাকে সাড়া পেলে মানুষের আত্মাকে ডাবের মধ্যে ভরে নেয় কেন?

মেঃ- জল ফেলে দিলে ডাবের ভেতরে খানেক ফাঁকা যায়গা থাকে আত্মাটাকে সেখানে রাখা যায় তাই।

প্রশ্নঃ- কুনি আর বুনি কে?

মেঃ- যে মহিলা ভুত ঘরের কথা বাইরে বলে দিয়ে ঝগড়া লাগায় সে কুনি, আর বাইরের ঝামেলা বাড়ীতে নিয়ে আসে যে সে হল বুনি। মানুষ জন্মে ডমেস্টিক হেল্পিং হ্যান্ড আর বরের সেক্রেটারি এরাই হল আদর্শ উদাহরণ।

প্রশ্নঃ- ভুতেরা কি রাম নামে সত্যি ভয় পায়?

মেঃ- ওটা একটা মিথ ছিল ৬ই ডিসেম্বরের পরে ওটা অচল হয়ে গেছে। নিজেরাই ভেঙ্গে দিয়েছে।

প্রশ্নঃ- এটা একটা ব্যাক্তিগত প্রশ্ন, করব?

মেঃ- কর, কোন ব্যাপার নয়

প্রশ্নঃ- তোমার সাথে আমার পরিচিতি তো কম দিনের নয় তবু তুমি আমায় জামাই বলে ডাক কেন?

মেঃ- আরে বাবা আমি তো তারকেশ্বর লোকালে যাতায়াত করতাম আর তাতেই কাটা পরে মরেছি, আর তারকেশ্বর লোকালে তো সব চেনা ছেলেই ‘জামাই’ আর মেয়ে হলে ‘বৌদি’।

এই বলে মেজদা উপে গেল, অন্য দিন যেমন যায়। আর ‘কাপে কফি দে’ র ছেলেটা যখন কফির বিলটা নিয়ে সামনে রাখল, আমি উপে গেলাম! যা দাম!

Article By:

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

Image Credits: Google Images

Enhanced by Zemanta

Sight to Insight Exhibition- Photographs that Bring to Life the Colonial Legacy of Kolkata starts January 31,2014

sight to insight exhibition

A government Banker by profession and a Shutter-Locker by passion, Mr. Gautam Das Sharma is all set to host his debut solo Photography exhibition titled as ‘The Colonial Legacy … Sight to Insight’ with Sholoana Bangaliana as the event web partners.

sight to insight exhibition

Kolkata which is still Calcutta for Photographer Gautam Das Sharma’s camera is a city of unexplored prophecies and hidden mysteries that he has captured from angles rarely seen before…. truly a Sight to Insight ….

sight to insight exhibition

He has got the eyes, which can get into the deeper depths of the undiscovered heritages of our own city and in the exhibition to be held on January 31 the Colonial Legacy of Kolkata will be seen live and pulsating again. Right from the Synagogues of Kolkata to the forlorn Rajbaris and the banks of the River Hoogli, in the the Sight to Insight exhibition Kolkata will get an insight into the unexplored angles of the city’s landscape.

sight to insight exhibition

Since the time of the British regime, Calcutta has grown in her glory to become the Kolkata of today and Mr. Gautam Das Sharma with his magical lenses has lovingly captured all the unexplored glories of our beloved City Of Joy. Respecting this insight, Sholoana Bangaliana has decided to co-host the debut solo photography exhibition of Mr Gautam Das Sharma, titled : Sight to Insight.

Enhanced by Zemanta

Bengali Theater Rwituparno Ghosh – Review; A Play that Carries the Message of Being Yourself

Bengali Theater 'Rwituparno Ghoshনতুন নাট্যগোষ্ঠী ‘শব্দমুগ্ধ’-র নবতম প্রযোজনার নাম যখন শুনলাম ‘ঋতুপর্ণ ঘোষ’, তখন প্রথমেই যে কথা মাথায় এসেছিলো, তা হল – এ আবার কেমন গিমিক? একজন শ্রদ্ধেয় তথা কৃতি শিল্পী ব্যক্তিত্ত্ব আমাদের ছেড়ে অকালে চলে গেলেন আর তাকেই কিনা নাটকের মঞ্চে টেনে আনা হচ্ছে? আসলে এমন মনভাবের পিছনে কারনও ছিল বিস্তর। ঋতুপর্ণ ঘোষ (Rituparno Ghosh) এমন একজন মানুষ ছিলেন যার গুণগ্রাহীর যেমন অভাব ছিলনা, ঠিক তেমনি ঋতুদার সাজ-পোশাক, সেক্সুয়াল প্রেফারেন্স সংক্রান্ত অবৈধ, অযাচিত অপরিণত কৌতূহলের অন্ত আমাদের সমাজে খুব একটা কম ছিল না। আসলে যেকোন প্রকারের গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত কোন মানুষ যদি একটুও ‘অন্যধারা’-র হন তাহলে তাকে সমাজের গোঁড়ামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর একটা চেষ্টা ছিদ্রান্বেষীরা করে যেতেই থাকেন। তাই ঋতুদার মৃত্যুর কয়েক মাসের মধ্যেই যখন ‘ঋতুপর্ণ ঘোষ’ শিরোনাম দিয়ে নাটকের অবতারনা ঘটলো তখন ঘর পোড়া গরুর মতো সিঁদুরে মেঘ দেখে আমরা অনেকেই কিছুটা ভয় পেয়েছিলাম। মৃত্যুর পরেও মানুষটার ব্যেক্তিগত জীবন নিয়ে আবার ময়না তদন্ত শুরু হয়ে যাবেনা তো!! তাই…

এরকম আশা আশঙ্কার দোলাচল মনের মধ্যে বহন করে দেখতে গেছিলাম ‘শব্দমুগ্ধ’-র নতুন নাটক ‘ঋতুপর্ণ ঘোষ’। নাটক শুরু হওয়ার পরে বুঝতে পারলাম যে আমাদের আশঙ্কা ভ্রান্ত। এই নাটকে ‘ঋতুপর্ণ ঘোষ’ নামটি ব্যবহৃত হয়েছে এক ‘রূপক’ (metaphor) হিসাবে। এই নাটকের যে কেন্দ্রীয় চরিত্র তার জীবনযাত্রার অনেকাংশ জুড়েই ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। ব্যেক্তি ঋতুপর্ণ ঘোষের থেকেও এখানে উজ্জ্বল রূপে প্রতিফলিত হয়েছে প্রয়াত ‘ঋতুপর্ণ ঘোষ’ – এর জীবনদর্শনের সারাৎসার।

এই নাটকের নায়ক রঞ্জন, দেহে পুরুষ হলেও মনে এক নারী। রঞ্জনের এই অন্য ধারার স্বাধীন যৌন চেতনাকে মন থেকে মেনে নিতে পারেন না তার অধ্যাপিকা মা এবং আপাত নিরীহ সংবেদনশীল বাবা। রঞ্জনের মা ছেলের এই স্বাধীন যৌনপরিচয়কে কড়া হাতে দমন করার চেষ্টা করে চলেন। রঞ্জনের বাবা সন্তানের এই যৌনচেতনাকে কে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য বলে মনে না করলেও, সেটিকে একেবারে অস্বীকার করতেও পারেন না। রঞ্জনের একমাত্র বান্ধবী বলতে তার বাবার ছোট বোন, তার ‘চিনু পিসি’। চিনু পিসির সঙ্গেই তার মনের ভাবের আদানপ্রদান।

এই নাটকের ব্যাপ্তিকাল ঋতুদার মৃত্যুর দিনের বৃষ্টিস্নাতা কলকাতা শহরের সকাল থেকে সন্ধা। রঞ্জন নিজের জীবনপুরের পথপ্রদর্শক ঋতুপর্ণ ঘোষের অন্তীম যাত্রার সঙ্গিনী হতে চায় কিন্তু তার অভিভাবকরা তাকে ওইদিন বাড়ি থেকে বেরনোর অনুমতি দেন না। এই নিয়েই শুরু হয় সম্পর্কের পারস্পরিক টানাপড়েন। এই টানাপড়েনে ক্রম পর্যায়ে যুক্ত হয়ে পড়েন রঞ্জনের চিনু পিসি, তার ছেলে, দিদিমা এবং একজন স্বার্থপর N.G.O কর্মসঞ্চালক। ঋতুদার প্রয়ানের দিনেই এক এক করে কাছের মানুষদের মুখোশ খসে পড়তে শুরু করে রঞ্জনের মনের চোখের সামনে। দর্শকাসনে বসে আমাদের মনের মধ্যেও প্রশ্ন জাগতে শুরু করে নিজের অজান্তেই জীবনের অন্তীম লগ্নে পৌঁছে ঋতুপর্ণ ঘোষ-ও কি এমন আত্মপলব্ধির সম্মুখীন হয়েছিলেন? যখন তার কাছের মানুষগুলির মেকি মুখোশগুলো একে একে খসে পড়েছিল। রঞ্জন আর তার আধুনিকা তথা স্বাধীনচেতা চিনু পিসির অন্তরঙ্গ সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে আমরা যেন ঋতুপর্ণ ঘোষ এবং তার রীনাদি অর্থাৎ অপর্ণা সেন-কে (Aparna Sen) খুঁজে নিতে পারি।

অভিনয়ে প্রত্যেক অভিনেতা/অভিনেত্রী আন্তরিক তথা অনবদ্য অভিনয়ের নিদর্শন রেখেছেন। বিশেষ করে বলতে হবে কেন্দ্রীয় চরিত্রে রঞ্জন বসুর (Ranjan Basu) কথা। রঞ্জনের অভিনয় দেখতে দেখতে ঠিক যেন মনে অল্পবয়সী ঋতুদাকে দেখছি। এই নস্টালজিয়াটার জন্যে অভিনেতা রঞ্জন এবং নাটকের রচয়িতা তথা পরিচালক রাকেশ ঘোষকে জানাই অনেক ধন্যবাদ। বাকিরাও বেশ ভাল অভিনয় করেছেন। নুপুর বন্দপাধ্যায় (Nupur Banerjee), স্বাতী চক্রবর্তী (Swati Chakraborty) এবং শম্পা দে (Shampa Dey) তিন অভিনেত্রীই খুব ভালো কাজ করেছেন। নাটকের কাহিনীর উৎস, প্রবাহ এবং ধারা তিন দিকই বেশ জোরালো। রাকেশ যে ধন্যবাদ এমন একটি সময়োপযোগী নাট্য প্রযোজনা আমাদের উপহার দেওয়ার জন্যে। সুপ্রিম কোর্ট সমকামী সম্পর্ক (Homosexuality) নিয়ে এমন এক অমানবিক রায় দেওয়ার পরে তো এমন এক নাটক কলকাতার রঙ্গমঞ্চে রীতিমতন বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। নাট্যকার-পরিচালক রাকেশ ঘোষকে (Rakesh Ghosh) অনেক অনেক অভিনন্দন এমন এক সুন্দর প্রযোজনা বাঙালি নাট্যসমাজকে উপহার দেওয়ার জন্যে। এই নাটক প্রকৃতঅর্থেই আমাদের সবার প্রানের সখা ঋতুপর্ণ ঘোষ-কে এক বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী।

A young theatre group Shabdomugdho has created the Bengali Theater Rwituparno Ghosh. It is not a biography of the filmmaker but a tribute to one of Bengal’s most prolific and influential cultural producers, which actually shows Rituparno’s lasting impact on the younger generation.

 

Bengali Theater Rwituparno Ghosh Review By:

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and has written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com
The information and views set out in this movie review are those of the author and do not necessarily reflect the official opinion of the Publication/Organization. Neither the Publication/Organization nor any person acting on their behalf may be held responsible for the use which may be made of the information contained therein.

 

 

 

Enhanced by Zemanta