Tag: bengal-festivals

Aakash Aath Tagore Special Programs to Celebrate the Bard’s Birthday

Rabindranath-Tagore-Birthday

Rabindranath Tagore is one writer who has reshaped the music and the literary traditions of Bengal and also of India. His thoughts were progressive and ahead of the times that he lived in. Born on 7th May, 1861, the poet will be turning 153 this year.

On the occasion of 25 Baishakh, next week Aakash Aath will be airing a special story on Sahityer Sera Samay by Rabindranath Tagore. The episodes will be a tribute to the legend by the channel authorities on his birthday. These special episodes will be aired to celebrate the birthday of Rabindranath Tagore and will be shown on the channel from 5th May to 10th May. The time of this program is 7pm.

Aakash-Aath-Tagore-Special

Muktir Upay by Rabindranath Tagore which will be aired is the story of a married man. He turns into a fakir. He runs away from his family to carry on with his life as a fakir only to become a target of mistaken identity. Muktir Upay is actually a short story and also a satirical play especially for the children and the young audience.

With Tagore’s birthday just round the corner, Aakash Aath’s endeavor to pay tribute to the legendary writer is a great attempt. The audience will be treated to the style of Tagore and will be able to understand him even better through his works. Therefore, in between all the activities that may have been lined up for Tagore’s birthday celebrations, Bengalis across the globe should spare some time for these Aakash Aath Tagore Special Programs.

Priyanka Dutta

Holi in India; Its Evolution, The Celebrations and The Festival’s Bengali Connect

 

সে কি আজকের কথা, সেই দৈত্যরাজ হিরণ্যকষিপু তো ছেলের হরিভক্তি দেখে রেগে মেগে একসা, তারপরে গেল তার টেস্ট নিতে। বললে ‘দেখি আগুনে বসলে কি করে তোর ভগবান “শ্রী হরি” তোকে বাঁচায়’, আগুন টাগুন জ্বালানর সব অ্যারেঞ্জমেন্ট করে বললেন ‘যা গিয়ে বস দেখি’, এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল, আগুন জ্বললে প্রহ্লাদ তার মাঝে পড়লে পুড়েটুড়ে একসা হয়ে যেত আর হিরণ্যকষিপুর রাজত্বে একটা হরিভক্ত কমত। কিন্তু তা করলে তো আর আমি “দ্য হিরণ্যকষিপু” “শ্রীহরির” থেকে মাচ মাচ পাওয়ারফুল সেটা তো দেখান যাবে না। লক্ষ্য করুন রাজনীতি সেই তখন ও যেমন এখন ও তেমন, পাবলিকের মনে নিজের ইমেজটাকে ফাটিয়ে এস্টাব্লিশ করতে হবে। তবে না? সে গিয়ে নিজের বোন হোলিকা কে বলল “যা তো ওকে কোলে নিয়ে আগুনে গিয়ে বসত, (আর শোন বসার আগে গায়ে সেই ব্রহ্মার কাছ থেকে বর প্রাপ্ত শালটা জড়িয়ে নিতে ভুলিস না যেন) (এই কথাটা গলা নামিয়ে বলেছিল বলে ( ) মধ্যে দিলাম) কিন্তু ব্রহ্মা বলেই ছিলেন, “এই যে উত্তরীয় তোমায় দিলাম এ তোমায় রক্ষা করবে অগ্নিদহন থেকে, শুধু মিথ্যাচার করলেই ব্যাস! গেলে”। তা হোলিকা সেই বরপ্রাপ্ত উত্তরীয় গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ভাইপোকে কোলে করে আগুনের অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে গিয়ে বসল। প্রহ্লাদ, সে তো এক মনে “শ্রীহরি” কে স্মরণ করে চলেছে। ছোটছেলে তায় দেব ভক্তিতে একেবারে ঠাসা, আর তার উপরে পিসির কোল, তার আদরই আলাদা। শ্রীহরি দেখলেন এতো মহা জচ্চুরি হচ্ছে বাচ্ছাটার সাথে। পিসি নিজে পরে আছে ফায়ার রেজিস্টেন্ট ড্রেস, আর আমার ভক্তের বেলায় আমড়া! দাঁড়া দেখাচ্ছি, এই বলে পবনদেব কে বললেন “যাও তো, একটু তেড়ে বয়ে যাও তো, বেশী কিছু করতে হবে না শুধু উত্তরীয়টা কে উড়িয়ে সেটা দিয়ে ভক্ত প্রহ্লাদকে চাপা দিয়ে দাও, বাকিটা আমি অগ্নীদেবকে দিয়েই করিয়ে নিচ্ছি”, ‘যে আজ্ঞা’ বলে পবনদেব হুস করে গিয়ে দিল উত্তরীয়টাকে উড়িয়ে। হোলিকার গা থেকে উড়িয়ে দিয়ে প্রহ্লাদকে দিয়ে দিল চাপা। প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠলেন অগ্নীদেব। হোলিকার অবস্থা হল এখনকার রাজনৈতিক কর্মীদের মত, বুথ দখল করতে হবে বলে দিয়েছে তাতিয়ে, কিন্তু আধাসামরিক বাহিনীর কথা জানায়নি ঠিকঠাক। একদিকে আদরের ভাইপো, অন্য দিকে আগুন, কাকে রাখি ভাবার আগেই পুড়ে খাক। প্রহ্লাদ বেঁচে গেলেন চাদর চাপা পড়ে, মানুষের মনে আবার দেবমহিমা স্থাপিত হল, হিরণ্যকষিপুর হার হল। নৃসিংহ অবতার রুপে “শ্রীবিষ্ণু” অবতরিত হলেন, তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে দর্শন দিয়ে ধন্য করলেন। আর হিরন্যকষপুকে ধ্বংশ করলেন, তখন গোধুলি লগ্ন, রাজপ্রাসাদের চৌকাটের উপরে নিজের জানুর উপরে স্থাপিত করে নিজের নখ এর আঘাতে তার প্রাননাশ করে।

Holi in India

তা এত কিছু হল আর এরপরে একটু নাচাগানা খানাপিনা হবে না? মানুষ নিজেদের রাঙিয়ে নিল বসন্তের রঙে। পরদিন হৈ হৈ করে ঘরের বার হয়ে উৎসব শুরু করল বন্ধু শত্রু নির্বিশেষে রাঙিয়ে দিল একে অপরকে (এখন আমরা অনেক সভ্য হয়েছি তাই নির্বাচনের ফল বেরনর পরেই আমরা এক একটা হোলি পারন করে থাকি, তবে শত্তুর যাকে বা যাদের মনে করি তাদের জন্যে বাটাম অ্যালটমেন্ট) । সাথ দিল প্রকৃতি। রং কি শুধু চোখের? মনের রঙ্গের জন্যে এলো সঙ্গীত, হোরি, চৈতি, ফাগুয়া। আর তুরীয় ভাব আনার জনে প্রস্তুত হল মদিরা, ভাং, আর ইতর জনের মিষ্টান্নও প্রস্তুত হল গুজিয়া, মাঠরী, মালপোয়া ইত্যাদি।

এ তো গেল ধর্মের আর অধর্মের লড়াই। কিন্তু আরো আছে। সৃষ্টিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সৃষ্টির আদি পুরুষ ও প্রকৃতির মিলনের কাহিনীও আসে এই বসন্ত উৎসবে। যেখানে প্রবল শৈত্যের কষাঘাতে জর্জরিত পৃথিবীকে আবার সাজাতে এগিয়ে আসে ঋতুরাজ। এ গল্পে নায়ক পুরুষ স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ আর নায়িকা তাঁর প্রেয়সী, প্রকৃতি শ্রীরাধা। পুর্ববর্তী পর্বে ছিল দমনকারী, এ পর্বে তিনি প্রেমিক। কিন্তু এই চিরন্তন প্রেমিক কিন্তু তাঁর রক্ষাকারীর ভুমিকায় সদা অতন্দ্র, সেই হোলিকা এই যুগে উপস্থিত পূতনা রুপে, আর সুন্দরী পূতনার স্তন্যদাত্রী রুপে যখন মা যশোদা এবং অন্যান্য মহিলারা মোহিত তখন ‘বাল গোপাল’ তার স্তন্যপানের মাধ্যমে বিষাক্ত দুধ পান করে গোকুলের অন্য বালকদের শুধু রক্ষাই করলেন না নিজেও সেই বিষের তাড়সে হলেন মেঘবর্ন। আর পূতনা প্রথমে দুগ্ধান্তে রক্তক্ষরণ ও পরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘোর কৃষ্ণবর্ন ছাই এ পরিণত হলেন। হিরণ্যকষীপু এলেন কংসরুপে তিনিও নিহত হলেন ‘শ্রী কৃষ্ণের’ হাতে, কিন্তু সে পর্বের আগে এলো প্রেমিক পর্ব গোকুলে শ্রীরাধিকা আর ষোল’শ গোপিনী কে নিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেলেন তাঁর প্রেমিক রুপ। শ্রীরাধিকার মুখের বর্ন ছিল জোৎস্নার মত সুন্দর। গোপিনীরা সেই মুখের দিকে তাকালে আর শ্রী কৃষ্ণের মুখপানে চাইছেন না, তাই শ্রী কৃষ্ণেরর গোপীকুলের এই আচরণ দেখে মনে হতাসার উদ্রেক হল, সেই হতাসায় তিনি এমন অবস্থায় পৌছালেন যে মা যশোদা শেষে থাকতে না পেরে বললেন, যে যাও তোমার মনে যে রঙের ইচ্ছা হয় তুমি শ্রীরাধিকার মুখ সে রঙে রাঙিয়ে নাও। (এখনকার প্রেমিকরা একবার চেষ্টা করলে মায়েদের কি রিএকশান হয় সেটা কিন্তু গবেষণার ব্যাপার, আর সেই প্রেমিকপ্রবর বোধ হয় তার প্রেম যাত্রা পুলিসি হাজতে শেষ করবে।) সেই রঙে রাঙ্গানর উৎসবই হোলি। যেখানে পুরুষ রাঙ্গাচ্ছে প্রকৃতিকে তাঁর আপন রঙে আর নতুন সৃষ্টির পটভূমি তৈরী হচ্ছে। সাক্ষী কুঞ্জোবন আর ষোল’শ গোপিনী। এ হল সৃষ্টির উৎসব। ঋতুরাজের উপস্থিতি যেটাকে ত্বরান্বিত করে মাত্র।

শ্রী কৃষ্ণের ও শ্রী রাধিকার এই রঙিন লীলাখেলা যে শুধু ভারতেই হয় তা নয়, সারা পৃথিবী ঋতুরাজকে স্বাগত জানায় বিভিন্ন রঙ্গীন উৎসবের মাধ্যমে। হোলিকা দহন একটা প্রতীক মাত্র, এই উৎসবে সমস্ত অশুভকে দহনের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরও অগ্নীশুদ্ধি করে থাকি, সেটাও প্রতিকী, হোলির পরের দিন সকাল থেকেই সেই উৎসব পরিচিত হত ধুলি, বা সংস্কৃত শব্দ ধুলেটি বলে। এখন সেই ধুলি উৎসব ও হোলি নামেই পরিচিত, পরদিন প্রথমার্ধে আমরা একে অন্যকে রাঙাই আবির এর সাহায্যে, রঙ জলে গুলে পিচকারী দিয়ে একে অপরের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে থাকি। আর দ্বিতীয়ার্ধে সাজগোজ করে বন্ধু বান্ধবেরা একত্রিত হয়ে নানান ধরনের আনন্দ উৎসব করে থাকি, শাদা পাঞ্জাবী পাজামা পরে সুন্দর শাড়ী পরে সবাই বাড়ী থেকে বেরয় তারপরে মোটামুটি রাত নটার মধ্যে আবার রঙিন ভুত সেজে বাড়ী ফেরা। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞান আমাদের একটি নতুন আপদ উপহার দিয়েছে বেলুন, জিনিসটি রঙিন জলে ভর্তি হয়ে অনেক কেলেঙ্কারীর জন্ম দিয়েছে, কারন হোলিই বলুন আর ধুলিই বলুন এই রঙ মাখানোর সময় ছোটাছুটি না করলে ক্যালমা দেখান যায় না, যায় কি? সেই প্রেমিকা কে ইমপ্রেস করতে গিয়ে, নিজে যে অর্জুনের বংশধর সেটা প্রমান করতে গিয়ে বহু আহাম্মক এই বেলুনকে ব্যবহার করেছে এবং কখনো প্রেমিকার বাবা, কখনো রাশভারী জ্যাঠা বা কাকা মামা, কিছু না পেলে দাদাকে আহত করেছে আর ফলে হবু প্রেমিকা কে হতে পারত প্রেমিকায় পর্যবসিত করে ছেড়েছে। ভাবুন একবার দ্বপরে পুরুষোত্তম রঙিন বেলুন ছুঁড়লেন স্রীরাধিকার দিকে সেটা গিয়ে লাগল জটিলা বা কুটিলার রগে। প্রেম এত দূর যাওয়ার আগে বৈদ্যের কাছে ছুটতে হত তাঁকে।

প্রথমেই বলেছি হোলিকা দহন থেকেই এই উৎসবের সুচনা। মানে পৌরানিক উপস্থিতি এর আছে, কবি কালিদাস ৪তুর্থ শতকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময় কে বর্ননা করার সময় ও হোলি উৎসবের উল্লেখ করেছেন। ৭প্তম শতকে রত্নাবলী নাটকে আমরা হোলিকে পাই। আর ইয়োরোপিয় সওদাগররা এই উৎসব ভারতে দেখে আকৃষ্ট হন এবং নিজেদের দেশেও চালু করেন, তবে এখানে ইয়োরোপ মানে মুলত স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি এই সব দক্ষিণ ইয়োরোপ কেই ধরে নেওয়া ভালো, কারন উত্তরে যা ঠান্ডা সেখানে গায়ে রঙ দিলে ভালবাসা বাড়বে না কমবে সেটা অজানা। টোমাটিনা এই ধরনেরই এক উৎসব যেখানে মানুষ প্রচুর টমেটো ছুঁড়ে একে অন্যকে রঙিন করেন, নিজেও হন। ইংরেজরা এই হোলি শব্দটিকে অক্সফোর্ড ডিক্সনারীতে স্থান দিয়েছেন holi এই বানানে ১৯১০ সালের পরে। (মনে হয় এটা আনন্দ না কি অত্যাচার সেটা বুঝতে ওনাদের এত বছর সময় লেগে গেছে)। এর আগে Houly (1687)তে ছিল, Huli (1698)তে ছিল, Hohlee (1809)তে ছিল, আর Hoolee (1825)তে ছিল।

Holi in India

পুরুষতন্ত্রের বিরোধী বহু মহিলাকে বলতে দেখা গেছে সিঁদুর নাকি পিতৃতান্ত্রিক্তার দান (হতেই পারে, আমি অত পণ্ডিত নই তাই মানতেও অসুবিধা নেই) এটা নাকি মহিলারা বর্জন করতেই পারেন, আমি আমার অনেক বান্ধবীকে ছোটবেলায় দেখেছি দোলের পরের দিন বা তার বেশ দু তিন দিন পরেও মাথার সিঁথি লাল করে ঘুরছে, জিজ্ঞাস করলে লাজুক হেসে বলছে, ‘দ্যাখনা কিছুতেই উঠছে না’ (কি জানি বাবা আমার নিজের মাথা তো ফরসা তাই বুঝতে পারতাম না) পরে বুঝতে পেরেছিলাম সে রঙ এমন হাত থেকে এসেছে যে …. যাই হোক এ সব গেরামভারী আলোচনা না হওয়াই শ্রেয়।

উত্তরভারতে হোলির আরো এক প্রকরণ আছে নাম “লাঠ মার হোলি” ব্রজধাম থেকেই এর উৎপত্তি। এই যে গোপিনীরা শ্রী কৃষ্ণের সাথে রঙ মাখা ইত্যাদি করে ঘরে ফেরে, তা সেটা তো আর সব ঘরের মানুষের ভাল লাগেনা, হাজার হোক নিজের বউ বলে কথা, ওসব লীলা টীলা শুনতে ভাল, অন্যের ঘরে দেখতে আরো ভালো, কিন্তু নিজের বউ করলে??? চড়টা চাপড়টা তো পরবেই। কিন্তু এনারা হলেন শ্রী কৃষ্ণের লীলা সহচরী এনারাই বা ছাড়বেন কোন দুঃখে? তাই হোলির দিনে তারাও তাঁদের ঘরের লোকেদের ফিরতি কিছু দিয়ে দেন। কিন্তু বর্তমানে এই ফিরতির ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছর আগে চন্ডীগড়ে হোলির সময় থাকতে হয়েছিল। আগের দিন সন্ধ্যায় প্রতিবেশীনী ভাবীদের আলচ্য বিষয় শুনে আমি বেশ ঘাবড়ে গেছিলাম কারন সেই আলচনায় আমার বউ ও উপস্থিত। কে কী ভাবে তাদের পতিদেব কে ধোলাই দেবে হাসতে হাসতে সেই আলোচনাই চলছিল সেখানে। কড়োয়া চৌথ অবধি চালু হয়েগেছে আমাদের বঙ্গভুমে। শীত আসিয়াছে বসন্ত কি আর না আসিয়া থাকিতে পারিবে? সাধু সাবধান!!

 

Holi in India is celebrated with great fervor as it not only ushers in spring but loads of happiness and cheer in the lives of people too. Team Sholoana Bangaliana wishes its readers A Very Happy and Colorful Holi.

Save Water, Play with Herbal and natural Gulal and respect each others feelings amidst all the merriment and pranks.

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

 

 

Photographs By: Bitan De

Enhanced by Zemanta