Tag: bengali-festivals

New Bengali Calendar 1423 Launched by Vastra; A Bong Calendar to Appeal to the Senses of Gen Y


In the august presence of celebrities from the film and television fraternity like Pujarini Ghosh, Somraj Maity, Megha, Priyanka, Ronojoy, Tuya, Antasheela and others, the Bengali Calendar Launch of brand Vastra took place.

The Bong Calendar 1423 has been conceptualized, designed and stylized by costume designer Joy Roy (Jiku). The photography has been done by Amit Das and the makeup has been done by Babusona Saha.


“I am working now for the serial Ei Cheleta Bhelbheleta. I got some free time in between and I agreed to do the shot. We had some fun time shooting for the calendar” said actor Somraj.


Dressed in quintessential Bengali attire, all the actors, models and actresses looked their best in the calendar. Sritama, Arnab, Indranil, Ena Saha, Antasheela, Pramit,Nijel, Sampurna, Ronojoy, Priyanka, Joy, Sohini, Tuya, Pujarini, Somraj, Bonny, Megha and others have modeled for the calendar.

The calendar showcases Bangaliana in the best way possible. We wish Joy all the best and hope he continues to come up with such amazing calendars in the near future too.

Priyanka Dutta

Our Twitter Handle: @Sholoana1
Google+ ID: +Sholoana

New Bengali Film Ichchemotir Gappo Review, Premiere Pics; A Tale of Relationships told in an Unusual Way

Moments from the Premiere of New Bengali Film Ichchemotir Gappo

All those of you who have been yearning for a film that brings to light the working culture and dynamics of most of Bengali Dance and Theater groups, MacNeil Media’s New Kolkata Bengali Film Ichchemotir Gappo is here to treat you with all that is musical and mostly pleasant.

Ichchemotir Gappo is essentially the story of a danseuse named Ichche and her conflicting emotions and relationships with two men and her first love i.e. dance. Ichche initially falls in love with Neel (played by Saswata Chatterjee) only to give up on him owed to her commitment to the art but then again falls for the charms of the young and dynamic photographer Rupam (played by Saheb Bhattacharya). Ichche owed to all the turmoil and dilemma that she goes though in her personal life completely loses her mental composure and gives up dancing. It is now that Neel who is still madly in love with Ichche comes to her rescue and helps her gain back the mental balance and makes way for her return on stage. After this entire episode of rejections, denials and psychological breakdowns has Ichche really been able to come back to stage and to her beloved Neel or is she still willing to chalk her own way out without any regard for boundaries and bonds, much like the river Ichchemoti is what the story reveals in due course.

The directors A-AA-K, as they prefer being addressed must be credited for having attempted to film such a complex tale of human emotions. Each with expertise in different aspects of film making seem to have put in their heart and soul in making this film and their efforts in more places than one are visible.

Since, along with being a tale of relationships and human emotions this is essentially a film that entwines dance, choreographer Kohinoor Sen Borat must be specially congratulated for such beautiful choreography and very strong visual representations of some basic human needs. Duly complementing the younger Borat’s choreography is elder brother Kalyan Sen Borat’s music that is contemporary yet rooted.

This being the tale of Ichchemoti which has been played by Tanushree in the film, the audience had a lot of expectations from the actress but were left wanting for more. Tanushree, as most say is a director’s actor and here her performance could really shine out with little more efforts from the director trio. Saswata is good in whatever he does but unfortunately in the film where the assumption was that Neel and Ichche make a couple in their mid-twenties, Saswata comes across as bit too matured for a young man madly in love. Saheb as the photographer had precious little to add to the film. Other actors namely Aparajita Auddy, Biswanath Basu, Dwijen Bandopadhyay, Biswajit Chakroborty and others have done their bit with due sincerity but could not add much to the film.

Apart from the cultural extravaganza that the film promises with its beautiful dance sequences and eloquent language, it also brings with it a huge culture shock as not always do you get to hear slang of such elite order, that too in Bangla. Biswajit Chakroborty for no particular reason seemed to be entrusted with the task of educating the masses with the slang that the great Bengali language hides within itself. Those typical mannerisms and gestures not only seemed gross but time and again kept acting as hurdles in the smooth flow of the film. Also, those who are not too musically inclined and would try watching the film for the sake of its cinematic elements would time and again question the credibility of the script as, in an effort to talk about too many things in one film the directors have not really been able to present individual concepts to their best.

The cinematographer however must be credited for such beautiful portrayal of the hills of North Bengal. Right from the city scape as is visible at dusk to the lofty peaks of the Kanchenjunga bathed in the golden rays of the morning sun; the lens man has captured it all in its most surreal form.

Overall it can be said that Ichchemotir Gappo is a film that gives the viewers the independence of opinion and approval as while a certain group of people would hail such an effort another would simply shun it off stating it as an absolutely half baked thing. Ichchemotir Gappo is one that you can Love or Hate but definitely not ignore; so go watch it lest you miss something you may enjoy watching.


Sholoana Bangaliana Rating: 2/5


Photographs By: Amitav Sarkar


Holi in India; Its Evolution, The Celebrations and The Festival’s Bengali Connect


সে কি আজকের কথা, সেই দৈত্যরাজ হিরণ্যকষিপু তো ছেলের হরিভক্তি দেখে রেগে মেগে একসা, তারপরে গেল তার টেস্ট নিতে। বললে ‘দেখি আগুনে বসলে কি করে তোর ভগবান “শ্রী হরি” তোকে বাঁচায়’, আগুন টাগুন জ্বালানর সব অ্যারেঞ্জমেন্ট করে বললেন ‘যা গিয়ে বস দেখি’, এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল, আগুন জ্বললে প্রহ্লাদ তার মাঝে পড়লে পুড়েটুড়ে একসা হয়ে যেত আর হিরণ্যকষিপুর রাজত্বে একটা হরিভক্ত কমত। কিন্তু তা করলে তো আর আমি “দ্য হিরণ্যকষিপু” “শ্রীহরির” থেকে মাচ মাচ পাওয়ারফুল সেটা তো দেখান যাবে না। লক্ষ্য করুন রাজনীতি সেই তখন ও যেমন এখন ও তেমন, পাবলিকের মনে নিজের ইমেজটাকে ফাটিয়ে এস্টাব্লিশ করতে হবে। তবে না? সে গিয়ে নিজের বোন হোলিকা কে বলল “যা তো ওকে কোলে নিয়ে আগুনে গিয়ে বসত, (আর শোন বসার আগে গায়ে সেই ব্রহ্মার কাছ থেকে বর প্রাপ্ত শালটা জড়িয়ে নিতে ভুলিস না যেন) (এই কথাটা গলা নামিয়ে বলেছিল বলে ( ) মধ্যে দিলাম) কিন্তু ব্রহ্মা বলেই ছিলেন, “এই যে উত্তরীয় তোমায় দিলাম এ তোমায় রক্ষা করবে অগ্নিদহন থেকে, শুধু মিথ্যাচার করলেই ব্যাস! গেলে”। তা হোলিকা সেই বরপ্রাপ্ত উত্তরীয় গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ভাইপোকে কোলে করে আগুনের অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে গিয়ে বসল। প্রহ্লাদ, সে তো এক মনে “শ্রীহরি” কে স্মরণ করে চলেছে। ছোটছেলে তায় দেব ভক্তিতে একেবারে ঠাসা, আর তার উপরে পিসির কোল, তার আদরই আলাদা। শ্রীহরি দেখলেন এতো মহা জচ্চুরি হচ্ছে বাচ্ছাটার সাথে। পিসি নিজে পরে আছে ফায়ার রেজিস্টেন্ট ড্রেস, আর আমার ভক্তের বেলায় আমড়া! দাঁড়া দেখাচ্ছি, এই বলে পবনদেব কে বললেন “যাও তো, একটু তেড়ে বয়ে যাও তো, বেশী কিছু করতে হবে না শুধু উত্তরীয়টা কে উড়িয়ে সেটা দিয়ে ভক্ত প্রহ্লাদকে চাপা দিয়ে দাও, বাকিটা আমি অগ্নীদেবকে দিয়েই করিয়ে নিচ্ছি”, ‘যে আজ্ঞা’ বলে পবনদেব হুস করে গিয়ে দিল উত্তরীয়টাকে উড়িয়ে। হোলিকার গা থেকে উড়িয়ে দিয়ে প্রহ্লাদকে দিয়ে দিল চাপা। প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠলেন অগ্নীদেব। হোলিকার অবস্থা হল এখনকার রাজনৈতিক কর্মীদের মত, বুথ দখল করতে হবে বলে দিয়েছে তাতিয়ে, কিন্তু আধাসামরিক বাহিনীর কথা জানায়নি ঠিকঠাক। একদিকে আদরের ভাইপো, অন্য দিকে আগুন, কাকে রাখি ভাবার আগেই পুড়ে খাক। প্রহ্লাদ বেঁচে গেলেন চাদর চাপা পড়ে, মানুষের মনে আবার দেবমহিমা স্থাপিত হল, হিরণ্যকষিপুর হার হল। নৃসিংহ অবতার রুপে “শ্রীবিষ্ণু” অবতরিত হলেন, তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে দর্শন দিয়ে ধন্য করলেন। আর হিরন্যকষপুকে ধ্বংশ করলেন, তখন গোধুলি লগ্ন, রাজপ্রাসাদের চৌকাটের উপরে নিজের জানুর উপরে স্থাপিত করে নিজের নখ এর আঘাতে তার প্রাননাশ করে।

Holi in India

তা এত কিছু হল আর এরপরে একটু নাচাগানা খানাপিনা হবে না? মানুষ নিজেদের রাঙিয়ে নিল বসন্তের রঙে। পরদিন হৈ হৈ করে ঘরের বার হয়ে উৎসব শুরু করল বন্ধু শত্রু নির্বিশেষে রাঙিয়ে দিল একে অপরকে (এখন আমরা অনেক সভ্য হয়েছি তাই নির্বাচনের ফল বেরনর পরেই আমরা এক একটা হোলি পারন করে থাকি, তবে শত্তুর যাকে বা যাদের মনে করি তাদের জন্যে বাটাম অ্যালটমেন্ট) । সাথ দিল প্রকৃতি। রং কি শুধু চোখের? মনের রঙ্গের জন্যে এলো সঙ্গীত, হোরি, চৈতি, ফাগুয়া। আর তুরীয় ভাব আনার জনে প্রস্তুত হল মদিরা, ভাং, আর ইতর জনের মিষ্টান্নও প্রস্তুত হল গুজিয়া, মাঠরী, মালপোয়া ইত্যাদি।

এ তো গেল ধর্মের আর অধর্মের লড়াই। কিন্তু আরো আছে। সৃষ্টিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সৃষ্টির আদি পুরুষ ও প্রকৃতির মিলনের কাহিনীও আসে এই বসন্ত উৎসবে। যেখানে প্রবল শৈত্যের কষাঘাতে জর্জরিত পৃথিবীকে আবার সাজাতে এগিয়ে আসে ঋতুরাজ। এ গল্পে নায়ক পুরুষ স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ আর নায়িকা তাঁর প্রেয়সী, প্রকৃতি শ্রীরাধা। পুর্ববর্তী পর্বে ছিল দমনকারী, এ পর্বে তিনি প্রেমিক। কিন্তু এই চিরন্তন প্রেমিক কিন্তু তাঁর রক্ষাকারীর ভুমিকায় সদা অতন্দ্র, সেই হোলিকা এই যুগে উপস্থিত পূতনা রুপে, আর সুন্দরী পূতনার স্তন্যদাত্রী রুপে যখন মা যশোদা এবং অন্যান্য মহিলারা মোহিত তখন ‘বাল গোপাল’ তার স্তন্যপানের মাধ্যমে বিষাক্ত দুধ পান করে গোকুলের অন্য বালকদের শুধু রক্ষাই করলেন না নিজেও সেই বিষের তাড়সে হলেন মেঘবর্ন। আর পূতনা প্রথমে দুগ্ধান্তে রক্তক্ষরণ ও পরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘোর কৃষ্ণবর্ন ছাই এ পরিণত হলেন। হিরণ্যকষীপু এলেন কংসরুপে তিনিও নিহত হলেন ‘শ্রী কৃষ্ণের’ হাতে, কিন্তু সে পর্বের আগে এলো প্রেমিক পর্ব গোকুলে শ্রীরাধিকা আর ষোল’শ গোপিনী কে নিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেলেন তাঁর প্রেমিক রুপ। শ্রীরাধিকার মুখের বর্ন ছিল জোৎস্নার মত সুন্দর। গোপিনীরা সেই মুখের দিকে তাকালে আর শ্রী কৃষ্ণের মুখপানে চাইছেন না, তাই শ্রী কৃষ্ণেরর গোপীকুলের এই আচরণ দেখে মনে হতাসার উদ্রেক হল, সেই হতাসায় তিনি এমন অবস্থায় পৌছালেন যে মা যশোদা শেষে থাকতে না পেরে বললেন, যে যাও তোমার মনে যে রঙের ইচ্ছা হয় তুমি শ্রীরাধিকার মুখ সে রঙে রাঙিয়ে নাও। (এখনকার প্রেমিকরা একবার চেষ্টা করলে মায়েদের কি রিএকশান হয় সেটা কিন্তু গবেষণার ব্যাপার, আর সেই প্রেমিকপ্রবর বোধ হয় তার প্রেম যাত্রা পুলিসি হাজতে শেষ করবে।) সেই রঙে রাঙ্গানর উৎসবই হোলি। যেখানে পুরুষ রাঙ্গাচ্ছে প্রকৃতিকে তাঁর আপন রঙে আর নতুন সৃষ্টির পটভূমি তৈরী হচ্ছে। সাক্ষী কুঞ্জোবন আর ষোল’শ গোপিনী। এ হল সৃষ্টির উৎসব। ঋতুরাজের উপস্থিতি যেটাকে ত্বরান্বিত করে মাত্র।

শ্রী কৃষ্ণের ও শ্রী রাধিকার এই রঙিন লীলাখেলা যে শুধু ভারতেই হয় তা নয়, সারা পৃথিবী ঋতুরাজকে স্বাগত জানায় বিভিন্ন রঙ্গীন উৎসবের মাধ্যমে। হোলিকা দহন একটা প্রতীক মাত্র, এই উৎসবে সমস্ত অশুভকে দহনের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরও অগ্নীশুদ্ধি করে থাকি, সেটাও প্রতিকী, হোলির পরের দিন সকাল থেকেই সেই উৎসব পরিচিত হত ধুলি, বা সংস্কৃত শব্দ ধুলেটি বলে। এখন সেই ধুলি উৎসব ও হোলি নামেই পরিচিত, পরদিন প্রথমার্ধে আমরা একে অন্যকে রাঙাই আবির এর সাহায্যে, রঙ জলে গুলে পিচকারী দিয়ে একে অপরের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে থাকি। আর দ্বিতীয়ার্ধে সাজগোজ করে বন্ধু বান্ধবেরা একত্রিত হয়ে নানান ধরনের আনন্দ উৎসব করে থাকি, শাদা পাঞ্জাবী পাজামা পরে সুন্দর শাড়ী পরে সবাই বাড়ী থেকে বেরয় তারপরে মোটামুটি রাত নটার মধ্যে আবার রঙিন ভুত সেজে বাড়ী ফেরা। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞান আমাদের একটি নতুন আপদ উপহার দিয়েছে বেলুন, জিনিসটি রঙিন জলে ভর্তি হয়ে অনেক কেলেঙ্কারীর জন্ম দিয়েছে, কারন হোলিই বলুন আর ধুলিই বলুন এই রঙ মাখানোর সময় ছোটাছুটি না করলে ক্যালমা দেখান যায় না, যায় কি? সেই প্রেমিকা কে ইমপ্রেস করতে গিয়ে, নিজে যে অর্জুনের বংশধর সেটা প্রমান করতে গিয়ে বহু আহাম্মক এই বেলুনকে ব্যবহার করেছে এবং কখনো প্রেমিকার বাবা, কখনো রাশভারী জ্যাঠা বা কাকা মামা, কিছু না পেলে দাদাকে আহত করেছে আর ফলে হবু প্রেমিকা কে হতে পারত প্রেমিকায় পর্যবসিত করে ছেড়েছে। ভাবুন একবার দ্বপরে পুরুষোত্তম রঙিন বেলুন ছুঁড়লেন স্রীরাধিকার দিকে সেটা গিয়ে লাগল জটিলা বা কুটিলার রগে। প্রেম এত দূর যাওয়ার আগে বৈদ্যের কাছে ছুটতে হত তাঁকে।

প্রথমেই বলেছি হোলিকা দহন থেকেই এই উৎসবের সুচনা। মানে পৌরানিক উপস্থিতি এর আছে, কবি কালিদাস ৪তুর্থ শতকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময় কে বর্ননা করার সময় ও হোলি উৎসবের উল্লেখ করেছেন। ৭প্তম শতকে রত্নাবলী নাটকে আমরা হোলিকে পাই। আর ইয়োরোপিয় সওদাগররা এই উৎসব ভারতে দেখে আকৃষ্ট হন এবং নিজেদের দেশেও চালু করেন, তবে এখানে ইয়োরোপ মানে মুলত স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি এই সব দক্ষিণ ইয়োরোপ কেই ধরে নেওয়া ভালো, কারন উত্তরে যা ঠান্ডা সেখানে গায়ে রঙ দিলে ভালবাসা বাড়বে না কমবে সেটা অজানা। টোমাটিনা এই ধরনেরই এক উৎসব যেখানে মানুষ প্রচুর টমেটো ছুঁড়ে একে অন্যকে রঙিন করেন, নিজেও হন। ইংরেজরা এই হোলি শব্দটিকে অক্সফোর্ড ডিক্সনারীতে স্থান দিয়েছেন holi এই বানানে ১৯১০ সালের পরে। (মনে হয় এটা আনন্দ না কি অত্যাচার সেটা বুঝতে ওনাদের এত বছর সময় লেগে গেছে)। এর আগে Houly (1687)তে ছিল, Huli (1698)তে ছিল, Hohlee (1809)তে ছিল, আর Hoolee (1825)তে ছিল।

Holi in India

পুরুষতন্ত্রের বিরোধী বহু মহিলাকে বলতে দেখা গেছে সিঁদুর নাকি পিতৃতান্ত্রিক্তার দান (হতেই পারে, আমি অত পণ্ডিত নই তাই মানতেও অসুবিধা নেই) এটা নাকি মহিলারা বর্জন করতেই পারেন, আমি আমার অনেক বান্ধবীকে ছোটবেলায় দেখেছি দোলের পরের দিন বা তার বেশ দু তিন দিন পরেও মাথার সিঁথি লাল করে ঘুরছে, জিজ্ঞাস করলে লাজুক হেসে বলছে, ‘দ্যাখনা কিছুতেই উঠছে না’ (কি জানি বাবা আমার নিজের মাথা তো ফরসা তাই বুঝতে পারতাম না) পরে বুঝতে পেরেছিলাম সে রঙ এমন হাত থেকে এসেছে যে …. যাই হোক এ সব গেরামভারী আলোচনা না হওয়াই শ্রেয়।

উত্তরভারতে হোলির আরো এক প্রকরণ আছে নাম “লাঠ মার হোলি” ব্রজধাম থেকেই এর উৎপত্তি। এই যে গোপিনীরা শ্রী কৃষ্ণের সাথে রঙ মাখা ইত্যাদি করে ঘরে ফেরে, তা সেটা তো আর সব ঘরের মানুষের ভাল লাগেনা, হাজার হোক নিজের বউ বলে কথা, ওসব লীলা টীলা শুনতে ভাল, অন্যের ঘরে দেখতে আরো ভালো, কিন্তু নিজের বউ করলে??? চড়টা চাপড়টা তো পরবেই। কিন্তু এনারা হলেন শ্রী কৃষ্ণের লীলা সহচরী এনারাই বা ছাড়বেন কোন দুঃখে? তাই হোলির দিনে তারাও তাঁদের ঘরের লোকেদের ফিরতি কিছু দিয়ে দেন। কিন্তু বর্তমানে এই ফিরতির ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছর আগে চন্ডীগড়ে হোলির সময় থাকতে হয়েছিল। আগের দিন সন্ধ্যায় প্রতিবেশীনী ভাবীদের আলচ্য বিষয় শুনে আমি বেশ ঘাবড়ে গেছিলাম কারন সেই আলচনায় আমার বউ ও উপস্থিত। কে কী ভাবে তাদের পতিদেব কে ধোলাই দেবে হাসতে হাসতে সেই আলোচনাই চলছিল সেখানে। কড়োয়া চৌথ অবধি চালু হয়েগেছে আমাদের বঙ্গভুমে। শীত আসিয়াছে বসন্ত কি আর না আসিয়া থাকিতে পারিবে? সাধু সাবধান!!


Holi in India is celebrated with great fervor as it not only ushers in spring but loads of happiness and cheer in the lives of people too. Team Sholoana Bangaliana wishes its readers A Very Happy and Colorful Holi.

Save Water, Play with Herbal and natural Gulal and respect each others feelings amidst all the merriment and pranks.

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.



Photographs By: Bitan De

Enhanced by Zemanta