Tag: bengali-folklore

Tinkle’s Bengali Ghost Series Buchki and The Booligans; Stories With a Touch of Folklore in a Comic Avatar

Buchki-and-The-Booligans

Monsters, fairies and ghosts may make us feel afraid, but they have nevertheless been an essential part of the growing up years of most individuals. Holidays, train journeys without such stories could not be imagined by the kids. Keeping this idea in mind, Tinkle has come up with a new series of these stories with Bengali characters– Buchki and the Booligans – in a comic avatar.

The series is about a young girl and her encounters with the ghostly hooligans of Boodanga aka Booligans! Boodanga is a fictional small town on the crossroads of Jharkhand, Odisha and West Bengal.

Buchki-and-The-Booligans

Buchki is an eight-year-old explorer in her head. The truth is she is scared of the dark and of ghosts. She happens to have the talent to see ghosts who are not always nice. They come in various shapes and sizes, from myths and from legends. So, it is a good thing Buchki has her brother, her Dadu and her Didu to help her deal with these Booligans.

The idea behind Buchki came from the need to explore Indian folklore and giving it a classic Tinkle spin. The editor, Rajani Thindiath felt that with this series the kids of today’s times will be exposed to the wonderful world of Indian folktales.

Buchki-and-The-Booligans

Paroma Bose, the brain behind the series immediately thought of her hometown, Jamshedpur, and its surrounding villages, steeped in the tradition of oral stories. She took inspiration from the many Bengali folktales she had heard and read as a child. The series will first focus on legends and folktales from eastern India and then slowly expand to stories from the rest of India.

The artist of the series, Avik Kumar Maitra, was able to set a traditional Bengali premise for the series, since he is familiar with Bengali folklore.

With this new series, the kids will be exposed to the rich he

Priyanka Dutta

Connect with us on Facebook at: https://www.facebook.com/sholoanabangaliana?ref=hl

Our You Tube Channel: https://www.youtube.com/channel/UC2nKhJo7Qd_riZIKxRO_RoA

Our Twitter Handle: @Sholoana1

Google+ ID: +Sholoana

Bohurupi – One of Bengal’s Native Art Forms Dying a Slow Death; An Essay by Somankar Lahiri

Bengal-Folk-Art-Bohurupi

বহুরূপী শব্দটি এসেছে দুটি সংস্কৃত শব্দের মেলবন্ধন থেকে প্রথমটি হচ্ছে ‘বহু’ যা কিনা আমাদের বাংলাতেও ব্যবহৃত শব্দ মানে ‘নানাপ্রকার’ আর ‘রুপ’ যেটির মানে চেহারা, সেই নানাপ্রকার চেহারা যারা ধারন করতে পারেন আর সেই ধারন করা রুপের চাল চলন আচার আচরণের একটু উচ্চকিত প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের মনরঞ্জনের চেষ্টা করে থাকেন তাঁরাই বহুরূপী। এ শুধু বাংলার নয় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের এক প্রচলিত লোকশিল্প। যার মাধ্যমে একসময় বহু মানুষ তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতেন, বর্তমানে যদিও সে সংখ্যা ক্ষীয়মাণ তবুও তাঁরা আছেন, সময়ের সাথে বদলান রুচীর সাথে হয়ত আপস করতে হয়েছে তবুও এই লোকশিল্প এখনও অতীত নয়। এঁরা বর্তমানে শহরের পথে পথে বিভিন্ন দেব দেবীর বেশ বা রুপ ধারন করে যেটি করে থাকেন সেটিকে আমরা ভিক্ষার সাথে গুলিয়ে ফেলি বটে কিন্তু সেটা আমাদের একান্ত নিজস্ব সমস্যা। এই শিল্পের প্রাচীনত্ব এর বহু মাধ্যমে প্রয়োগ ইত্যাদির ইতিহাসের দিকে যদি আমরা তাকাই তবে তা আমাদের শুধু অবাকই করে না, লজ্জিতও করে। নিজেদের উদাসীনতার ফলে কি ভাবে আমরা আরো একটি লোকশিল্পকে নষ্ট করে চলেছি সেই কথা মনে করিয়ে দিয়ে।

একটা সময় ছিল যখন এই বহুরূপীর সাজে মানুষ সারাবছর তাদের জীবিকা নির্বাহ করার তাগিদে গ্রাম থেকে গ্রামে গঞ্জে হাটে তাদের দর্শককুল কে খুঁজে নিয়ে তাঁদের মনরঞ্জনের জন্য বহু প্রকার প্রদর্শন করে থাকতেন নিত্যদিন। তখন ঘরে ঘরে টেলিভিষন বা শহরে খুব বেশী সিনেমা হল বা ভিডিও হল ছিল না। বিনোদনের উপায় ও ছিল বেশ সীমিত। প্রতিদানে বাড়ীর গৃহিনীর দেওয়া চাল ডাল ও জুটে যেত গঞ্জের হাটের হাটুরেদের দেওয়া টাকা পয়সাও জুটত, কিন্তু সেটাকে উভয়পক্ষের কেউই ভিক্ষা বলে ধরতেন না, কারন একটা বাড়ীর মহিলা শিশুদের দল কে বা হাটের একদল মানুষ কে একটা নির্দিষ্ট ধরনের বিনোদনের মাধ্যমেই তাঁরা এই উপার্জন করে থাকতেন। শুধু সাজই নয় তার সাথে থাকত নাচ বা গান বা দৈহিক কসরত ইত্যাদি।

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই দেওয়া বা পাওয়ার ধরন গেছে পালটে, এখন আর শুধু নির্দিষ্ট দেব দেবীর কাহিনী বা বাঘ ভাল্লুক ইত্যাদি সেজে লোকের মনরঞ্জন করা যায় না গ্রামে বা শহরে তাই যখন যা জোটে তাই গ্রহণ করতে হয় বাধ্য হয়ে। বর্তমানে চাষের কাজের শেষে এই শিল্পিরা তাদের শিল্পের সাধনা বা প্রদর্শন করে থাকেন গ্রামে গঞ্জে আর বিভিন্ন গ্রামীন মেলায়, সেই মেলা মোটামুটি বন্ধ হয়ে যায় বর্ষার আগমনে, তখন আবার ফিরে যাওয়া অন্য জীবিকায়। কেউ মধুর চাক নামাতে যান, কেউ দিন মজুরের কাজে ফিরে যান, আবার সুকন্ঠি যাঁরা তাঁরা কীর্তনে ফিরে যান।

একটা সময় ছিল যখন বহুরূপীদের সমস্ত প্রদর্শন এক একটা নির্দিষ্ট গল্প নির্ভর হত। সেই কাহিনী অনু্যায়ী বেশভুষাও তাঁরা যোগাড় করতেন। গ্রামে গঞ্জে যেখানেই একজন বহুরূপী যান না কেন তাঁর সাথে থাকে তার নিজস্ব বেশভুষার বাক্স, তাতে জিঙ্ক অক্সাইডের মত রং থেকে অরম্ভ করে বিভিন্ন মুখোশ, কাপড় জামা, মায় শ্রীকৃষ্ণের সুদর্শন, মা কালীর খাঁড়া বা রাবনের এক্সট্রা মাথা সবকিছুই মজুদ। শুধু যে বেশ ও সাজে তাঁরা পারদর্শী হতেন তা নয় সাথে থাকত শারীরিক পারদর্শীতা ও তাৎক্ষনিক অভিনয় শৈলীর প্রয়োগ বা পরিবর্তন। স্বরক্ষেপন শৈলীকেও তাঁদের আয়ত্বে রাখেতে হত যথাযত ভাবে। মুহুর্তের ভগ্নাংশে পুরুষ কন্ঠ থেকে মহিলা কন্ঠে যাওয়া আসায় তাঁদের অনায়াস দক্ষতা ছিল ঈর্ষনীয়। শুধু মনুষ্য কন্ঠ নয় তাঁদের পারদর্শী হতে হত হরবোলার স্বরক্ষেপণে, গান লেখায় সুর দেওয়ায় এবং অভিনয়ের মধ্যে একক ভাবে ঠিক সময় মত সেগুলো প্রয়োগ করায়। এত কিছুর পরেও মনেরাখা উচিত এই পুরো ব্যাপারটাই কিন্তু একটা একক প্রদর্শন।

Bengali-folk-tradition

তার জন্যে যে পরিমাণ সাধনা ও শারীরিক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় সেটাকে চালু রাখার জন্য একটা ন্যুনতম সহায়তাও তাঁরা পান না, সেটাও নিজেদের যোগাড় করতে হয়। যে কোন শিল্প মাধ্যম যদি রাজানুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হয় তবে তা আবলুপ্ত হতে বেশী দিন লাগে না, উদাহরণ স্বরুপ নাচনী ও রসিক সম্প্রদায় ও কবিগানের উল্লেখ করা যেতেই পারে। বহুরূপী কে বাঁচানর একটা সরকারি চেষ্টা শুরু হয়েছিল ২০০২ – ২০০৩ সালে বীরভুম জেলায় কিন্তু সেটাও ছিল তাঁদের সামাজিক মুল স্রোতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। যাতে করে তাঁরা আর পাঁচজন সাধারন মানুষ যে ভাবে সমাজে বাঁচেন তাঁরাও যেন সেভাবে বেঁচে থেকেন। তাঁদেরকেও সেই একই ছাঁচে ঢেলে দেওয়ার প্রচেষ্টামাত্র। শিল্পকে প্রসারিত করে শিল্পীকে তাঁর হৃত সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া বোধহয় একে বলে না। তবে সে প্রচেষ্টা ও যে কতখানি সফল হবে সে ব্যাপারে একটা প্রশ্ন চিহ্ন রয়েই যায়, কারন বহুরূপীদের মধ্যে এক ধরনের যাযাবর মানসিকতার সুক্ষ উপস্থিতি। যাঁর মনের মধ্যে বিভিন্ন স্বত্তা লুকীয়ে আছে প্রকাশের অপেক্ষায়। তারপরে যে মানুষ তার প্রয়োগশৈলীর তারিফ হাতেনাতে পান তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে গৃহস্থ বানানোর চেষ্টা যে সার্থক হবে এমন আশ্বাস বোধহয় দেওয়া যায় না।

Image Credits: Google Images

Essay on Bohurupi Folk Art By:

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.