Tag: Bengali literature

Obhijatra: Exploring Androgyny and Impersonation in Theatre; Conceptualized by Interdisciplinary Artist Sujoy Prasad Chatterjee

Sujoy-Prosad-Obhijatra

FUTURE FOOTPRINTS: OBHIJATRA is an arts project to explore the concepts of androgyny and impersonation in theatre and has been conceptualized by interdisciplinary artist Sujoy Prasad Chatterjee.

The latter half of the 19th century and the early 20th century was a period of transition when the public image of Indian womanhood was being crafted not only through literature and social experiments but also through the commercial media of the Parsi theatre and silent cinema.  The female image presented perpetuated patriarchal control not only of the material female body, but of its visual manifestations too.

Sita, Draupadi, Subhadra, Damayanti and other heroines from epic and myth have long been celebrated in the visual and verbal arts and rightly credited with establishing gender roles for women in Indian society. But what did it mean when men played their parts, as was so often the case in pre-modern performance traditions? Were the paradigms of womanly virtue parodied by the cross-dressed actor, or did his masquerade contribute to the construction of a ‘powerful ideal’? How was the spectator’s gaze focused by the conventions of female impersonation? Such questions have rarely been asked, perhaps because they expose to self-conscious inquiry, a practice so ubiquitous and widely accepted in south Asia as to appear invisible.

Bringing such elementary questions into the limelight is what Obhijatra all about. The event is going to take place on 20th April.​

Priyanka Dutta

Our Twitter Handle: @Sholoana1
Google+ ID: +Sholoana

Seventh edition of Apeejay Kolkata Literary Festival 2016 announced


Apeejay Kolkata Literary Festival 2016 announcement

Apeejay Surrendra Group and Oxford Bookstores announced the much awaited Apeejay Kolkata Literary Festival 2016 (AKLF 2016) at Oxford Bookstore. The literary festival in its seventh edition will be held in Kolkata from 14th to 17th January 2016. Present at the announcement press conference was Aparna Sen, Ashoke Vishwanathan, Maina Bhagat, Anjum Katyal, Stephane Amalir, Anuradha Lohia, Saira Shah Halim and others.

kolkata-literary-fest

The festival will also celebrate the hidden charms of the city through walks at the various heritage sites and magnificent public monuments. Among the other themes of this literary festival, AKLF 2016 will also be commemorating the 125th anniversary of Dame Agatha Christie, Queen of Crime Fiction. This will see the launch of “A for Arsenic: the poisons of Agatha Christie” by Kathryn Harkup, in association with UK’s leading Crime Writing Festival, Bloody Scotland!!

Apeejay-Kolkata-Literary-Festival-2016

Aparna Sen who was also present at the press conference said “I am really thrilled and excited that my film Saari Raat based on playwright Badal Sircar’s play will be showcased at the inaugural day of this literary festival. This is a great honor and I am glad that the organizers actually included a film in the literary festival”. The film will be shown at Nandan. Badal Sircar: Towards a theatre of Conscience will also be launched on the same day.

kolkata-literary-fest

The festival will see book launches by Ben Okri, Lord Meghnad Desai, Vir Sanghvi, Christine Manfield, Meera Syal and others. A host of literary initiatives like Poetry Café with city poets, literary heritage photo walks, blogger sessions, motivational sessions and other such things will take place in the literary festival.

The four day long literary festival will surely entice the audiences and expose them to the multifarious nature of art and literature.

Priyanka Dutta

Our Twitter Handle: @Sholoana1
Google+ ID: +Sholoana

Writer Nabarun Bhattacharya Leaves Mortal World at 66

Writer-Nabarun-Bhattacharya

নবারুণ ভট্টাচার্য

১৯৪৮ (২৩শে জুন) – ২০১৪ (৩১শে জুলাই)

নবারুণ ভট্টাচার্য সেই মানুষটির নাম, যাঁর জীবনদর্শন স্থিতি পেয়েছিলোএই অনুভবে যে, মানুষ সসাগরা বিশ্বের কেন্দ্রীয় তথা শ্রেষ্ঠতম প্রজাতি নয়। ‘KANGAAL MAALSAT’ (2003)- এর মতো উপন্যাসে তথাকথিত বাজারী মানসিকতার সুখী গৃহকোণে ঘটিয়েছেন ফ্যাতাড়ুর গদ্যবিস্ফোরণ, লিখেছেন একের পর এক ছকভাঙ্গা ছোটোগল্প। তবু নিজের অভিমুখে উজানযাত্রা করার সময় কিন্তু নবারুণ তাঁর আত্মার আত্মীয় কবিতাকেই সঙ্গী করে নিতেন। অমানবিকতার উৎসব ঘিরে গড়ে ওঠা বুজরুকির সার্কাসকে ঘেন্না মেশানো উপেক্ষায়‌, তাঁর সৃজন বারংবার আক্রমণ করে গেছে আর ছন্দের ভাঙ্গাগড়াকে হাতিয়ার করে সদর্পে ঘোষিত  হয়েছে সেই নির্মোহ সংলাপ, – ‘EI MRTYU UPOTYOKA AMAAR DESH NA’ (2004)। প্রথম জীবনে কট্টর  কম্যুনিজ্‌মে বিশ্বাসী নবারুণ পরবর্তীকালে এই মতবাদে আর আস্থা রাখতে পারেন নি। মানুষ ও মতাদর্শের আস্ফালন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া এই মানুষটির চিতা হয়তো ‘HERBERT’ (1994)- এর মতো জমে থাকা বিদ্রোহে ফেটে পড়বে না। বইভাবুক দুনিয়ায় কিছুদিন শোকতাপ, দুঃখিত চেহারারা চেশায়ার বিড়ালের মতো ঝুলে থেকে শেষমেষ মিলিয়ে যাবে। তবু চিন্তার গূঢ় গভীরে কোনো অবিরাম ঘুণপোকা হয়তো কুরে কুরে তুলে আনবে এই ভাবনা, একই বছরে জাদুবাস্তবতার দুই নক্ষত্র গাড় আঁধারে মুখ লুকালেন। একশ বা তারও বেশি সময়পরিধি জুড়ে থাকা কোনো নিঃসঙ্গতা তবে কি এক করে দিলো নবারুণ ভট্টাচার্য ও গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজকে? প্রশ্ন সহজ নয়, উত্তরও অজানা, তবু বিচ্ছিন্ন কষ্টদায়ক একাকীত্বকে অতিক্রম করে সদর্থক অন্বয়ের সন্ধানী নবারুণ ভট্টাচার্য লোকান্তরে থেকেও তাঁরই প্রিয় লেখক ও নাট্যকার মিখাইল বুলগানিনের সেই উক্তির আয়ুতেই চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন, “পাণ্ডুলিপিরা পুড়ে যায় না”।

Team Sholoana Bangaliana fondly remembers the legendary writer! R.I.P

Image Credits: Google Images

Bengali Poem Addar Lagi by Swedish National Annwesh Mukherjee

আড্ডার লাগি

সেদিন মদনার পানের দোকানে হঠাৎ পাঁচুর সাথে দেখা –

প্রায় একরকমই দেখতে আছে, কেবল বেড়েছে কপালে চিন্তার রেখা ।

আমি বললাম, “কি রে পাঁচু, কি খবর বল ?”

“আর কি খবর বলব বল’, ঘরে বাইরে ঝগড়া অনর্গল ।”

“কেন রে ? কি হল আবার ? বউয়ের সাথে না পাড়ার লোকের সাথে ?”

“দুজনের সাথেই, বউ তো তবু দু মুঠো খেতে দেয় দিনান্তে, নিজে হাতে,

তবে পাড়ার লোক ? ব’ল না আর তাদের কথা, ধড়া কে সরা জ্ঞান করছে আজকাল ।

সেই যে তুমি গেলে পাড়া ছেড়ে, নির্ভেজাল আড্ডাটুকুও হাপিশ হল, কি যে পড়ল দিনকাল !

খালি পরনিন্দা, পরচর্চা, এর কত মাইনে হল, কে স্কুটার কিনল, কে চার চাকা আনল –

এই সব চলছে, না আছে হাসি ঠাট্টা, না একটু ব্যাঙ্গ মস্ক, সব একে একে ঘুচল ।”

“নিন্দে, গালাগালি তো আগেও ছিল – হ্যাঁ তবে আরও বিষয় ছিল আড্ডা মারার ।”

“এই নিন্দে সেরকম নয় গো দাদা, এ একেবারে অন্দরমহলের, কিরকম এক বিষাক্ত কারবার ।

কেউ যে আর কাউকে সহ্যই করতে পারে না গো, আড্ডা দেবে কি ?

এর সঙ্গে ওকে লেলিয়ে দিচ্ছে, শুধু ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যে আর চালাকি । “

“একটু আধটু মিথ্যে তো আগেও বলা হত, এতে আর এমন কি দোষ ?”

“এ অন্যরকমের মিথ্যে গো দাদা, কেউ বলে ছেলে দু লাখ রোজগার করছে,

তো কেউ বলছে পাঁচ লাখ, সবাইকে থামিয়ে দিয়ে সবাই বলে চলেছে ।

এই তো সেদিন কে বললে, জানিস আমার জামাই বালিতে বেড়াতে গেছে,

আরেকজন বলল, জায়গা পেল না, আমার ভাইপোকে বলতে পারত, যে সিঙ্গাপুরে আছে ।

আমি ভাবলাম, ‘এত জায়গা ছেড়ে শেষে বালি গেলো ? সে তো দুটো স্টেশন পরেই ?

আর সিঙ্গাপুর ? সেও তো বেশি দূরে হতে পারে না, ওখানকার কলা রয়েছে আমার ঘরেই ।’

যেই না বলা, তেড়ে এলো সবাই, গুয়ে বসিয়ে দেওয়ার জোগাড় ।

বলে, “চিরকালের হতভাগা তুই, লোকে মূর্খ বলবে তোকে এবার ।

বালি, সিঙ্গাপুর বিরাট বড় দেশ – বড়লোকদের জায়গা ।”

তেলকলে জীবন কেটেছে, মোটা চামড়ায় মোড়া আমার গা ।

চুপ চাপ কেটে পরলাম, ভাবলাম কি ভাল ছিল আড্ডাগুলো যখন তুমি ছিলে –

ছিল তোমার মত আরও কতজন, তোমাদের কাছে আসত কত ছেলেপিলে,

বোকার মত কথা কি আগে কখনো বলি নি ?

কিন্তু কোনদিন ঘার ধাক্কা দিতে হয় নি ।

শিখেছি কত – বাহাত্তরের যুদ্ধ কি, বা কারা লেনিন, জহর, বিধান, শ্যামা,

কত গল্প হয়েছে সিনেমা নিয়ে, কে বেশি ভাল – সুপ্রিয়া না রমা ?

মানব, শ্যামল, মান্না, হেমন্ত কি গাইল পুজোয়, তাই নিয়ে কত চর্চা,

কোনদিন কি বলেছ সবার জন্য আলুর চপ কিনতে অনেক খরচা ?”

এতদূর বলে পাঁচুর চোখে এলো জল,

আমি বললাম, “থামলি কেন, আর কি বলবি বল ?”

পাঁচু বলল, “এস না একদিন বাড়িতে ? মেয়েটা ম্যাট্রিক দেবে, ওর সঙ্গে আড্ডা দিতে পারবে,

তোমার মত বাড়ি আমি তো করতে পারলাম না, নিজের মত করে মানিয়ে নেবে ?”

আমি কি বলব ভাবছিলাম, বাস এসে গেলো,

পাশের লোকগুলো গুঁতো দিয়ে বাসে তুলে দিল ।

পাঁচুর কথার কোন উত্তর দেওয়া হল না,

ভাবলাম, আমার মত আরও যারা ও পাড়ায় ছিল তারা কেন আসে না ?

মনে হয় আর আড্ডা দিতে কারুর ভালই লাগে না ।।

Image Credits: Google Images

The Author Anwesh Mukherjee

Anwesh Mukherjee

Mr. Anwesh Mukherjee who is a software engineer by profession and is a Swedish National is also a story-writer, a poet and an essayist, who thrives on human values and human emotions, and who embodies in his works, elements from past and present generations of human society. A formidable grip on characters allows him to document complexity and openness with equal ease. The poetic charm gets mixed with a narrative flavor which creates a unique description of incidents in Anwesh’s works. A mind molded in the realm of simplicity of yester-years yearning to reach out to the audacious vivacity of the new age life is a simple depiction of Mr. Mukherjee as an author and a smooth and lucid blend of lyrical words with some commonplace expressions best describes the language the Anwesh the author cherishes the most.

 

 

Football and its Love Affair with Cinema: A Football World Cup Special Feature

world-cup-entertainment

–         হ্যালো? এটা কী ডিরেক্টার মিঃ অনিকেশ চট্টোচৌধুরীর মোবাইল নাম্বার?

–         হ্যাঁ কথা বলছি, আপনি কে?

–         স্যার আমি “দুঃখ মাইনাস” ম্যাগাজিন থেকে রিরি কথা বলছি, আমাদের আপনি একটা এপোয়েন্টমেন্ট দিয়েছিলেন আপনার আপ কামিং প্রোজেক্টের ব্যাপারে কিছু বলবেন বলে, স্যার সেই ব্যাপারেই আমি আরকি….

–         ওঁ হ্যাঁ হ্যাঁ আপনাদের সাথে একটা এপোয়েন্টমেন্ট এর ব্যাপারে আমার সেক্রেটারি আমাকে বলছিল বটে আসলে আমার এত ব্যাস্ত শিডিউল না, বুঝতেই তো পারছেন… হ্যাঁ বলুন কী জানতে চান?

–         স্যার প্রথমেই একটা কথা স্যার আপনার সেক্রেটারি কী আপনার কোন আত্মীয়, আই মীন আপনার ভাই বা দাদা বা ছেলে টেলে…

–         এ প্রশ্নের মানে???

–         না স্যার ঐ এপোয়েন্টমেন্ট টার জন্যে পত্রিকার তরফ থেকে আমিই ফোন করেছিলাম আর যিনি ফোন ধরেছিলেন তাঁর গলাটা একদম, মানে একদম আপনার মত তো! তাই…

–         রিরি আপনার আওয়াজটা ঠিক আসছে না….. আওয়াজটা কেটে কেটে যাচ্ছে

–         যাগ গে স্যার ও প্রসঙ্গটা না হয় থাক স্যার, এই যে এখন আমরা শুনতে পাচ্ছি আপনি আপনার নতুন প্রোজেক্টের প্রি প্রোডাকশনের কাজ প্রায় শেষের মুখে যদি সে ব্যাপারে আমাদের কিছু বলেন

–         রিরি আমি সব সময় টিম ওয়ার্কে বিশ্বাস করি, আর এটা বলতে আমার গর্ব হয় যে আমার পাশে আমার যে টিমটা কাজ করে দে আর জাস্ট মার্ভেলাস! অসাধারন! ওরা প্রায় সব কাজ শেষ করেই এসে আমাকে ধরেছে ওদের ক্যাপ্টেন হবার জন্যে, আর বুঝতেই তো পারছেন পোস্ট কাটলেট রেজিমে আমার পলিটিকাল এজেন্ডাও আমাকে আর বিশেষ স্টিম্যুলেট করতে পারছে না তাই আর কি এটা আমাকে নিতেই হল।

–         তারমানে ওরাই সব করেছেন?

–         দেখ রিরি তুমি ব্যাপারটা কে একটা অন্য এঙ্গেল দেওয়ার চেষ্টা করছ, তুমি কখনো তোমার ব্রেন কে কাজ করতে দেখেছে? দেখনি, কিন্তু তার এফেক্ট স্বরুপ তোমার বাকি কাজগুলো তুমি করতে পারছ, কী তাই না?

–         কিন্তু স্যার আপনার আগের কথায় আমি একটু কনফিউজড হয়ে গেছিলাম, আপনি বললেন ওরা প্রায় সব কিছু রেডি….

–         তোমাদের এই একটা প্রবলেম রিরি তোমরা সবকিছু কে বড় টেক্সটচুয়ালি নিয়ে ফেল, ইন বিটুইন লাইন্সগুলোকে ধরতে পার না, এনিওয়ে লেটস কাম টু আওয়ার ইন্টারভ্যু, বল…

–         স্যার আমার কাছে খবর আছে আপনার রিসেন্ট ছবির বিষয় নাকি ফুটবল?

–         তুমি কি আমাকে ইন্টারভ্যু করতে চাও না কি তোমার স্কুপের ভেরিফিকেশান করাতে চাও, দ্যাটস এম্ব্যারাসিং রিরি..

–         সরি স্যার, আমার ভুল হয়ে গেছে, আপনি কিছু….

–         শোন তুমি যা শুনেছ সেটা পারর্শিয়ালি ঠিক, অর্ধ সত্য, আসলটা এবারে শোন, তুমি বলত আমাদের বাঙ্গালীদের প্যাসান কি কি?

–         স্যার ইলিশ মাছ, উত্তমকুমার, সুচিত্রা সেন, রসোগোল্লা, কমিউনিজম, হেমন্ত, মান্না, মুড়ি তেলেভাজা, বাংলা সিনেমা, সুনীল, শক্তি, লঙ্কা পিয়াজ দিয়ে আলুমাখা, সত্যজিৎ মৃনাল, ফুটবল

–         আরে থামো থামো তোমার লিস্টের বহরে তো তোমার ইন্টারভ্যু ভেসে যাবে। ছোট কর ছোট কর, খাওয়া, খানিক বিপ্লব বিপ্লব ভাব, আর রোমান্টিসিজম এই তিনটে ই হল মেন সেগমেন্ট, আমি তো তাই মনে করি। আমি এই তিনটের একটা কে ধরতে চেয়েছি।

–         কোনটা স্যার? রোমান্টিসিজম? মানে আপনার আপকামিং প্রোজেক্ট তাহলে রোমান্টিক মুভি, ফুটবল নয়?

–         না রিরি না, ফুটবল বাঙালীর রোমান্টিকতার মধ্যে পড়ে না এমন ধারনা তোমার হল কি করে? এই যে বিশ্বকাপের জন্যে বাঙালী রাত জাগছে তুমি এর মধ্যে রোমান্টিকতা খুঁজে পাচ্ছে না?

–         স্যার ফুটবলের জন্য রাত জাগার পিছনে রোম্যান্টিকটা…. ব্যাপারটা..

–         প্রেমে পড়েছ কখনো?

–         না মানে…

–         মানুষ একমাত্র প্রেমে পরলেই দয়িতের জন্য এইভাবে আকুল হয়ে রাত জাগে আর বাঙালী ফুটবলের জন্য, অন্য কোন কারন দেখাতে পার তুমি?

–         হ্যাঁ স্যার দাঁতব্যাথা

–         উঃ রিরি!!! আমি তোমার থেকে আরো একটু বেশী সেন্সেব্ল আন্সার আশা করেছিলাম। উঃ!!

–         সরি স্যার

–         আমি আমার নতুন ছবিতে দেখাতে চাই এই রকম ই একটা রোম্যান্টিকতা যেখানে ফুটবল ই হবে তার একটা মিডিয়াম।

–         মানে স্যার ধন্যিমেয়ের মত সিনেমা?

–         দেখ যে গল্প বলা হয়ে গেছে তাকে আবার নতুন করে বলার মধ্যে কোন কৃতিত্ব আছে কি? বাংলা ছবিতে ফুটবল এসেছে ধন্যিমেয়ে, মোহনবাগানের মেয়ে, বাইসাইকেল কিক ইত্যাদি কিছু ছবিতে, কিন্তু সেখানে শুধুই ফুটবল এসেছে এম্ন নয়, হয় প্রেমের গল্পের প্যারালাল প্লটে ফুটবল, না হলে কোন একটা চক্রান্তের প্যারালাল প্লটে ফুটবল, কিন্তু টোটাল ফুটবল নিয়ে কোন সিনেমা বাংলায় হয় নি, তাই না, তাই আমি ঠিক করেছি এবারে এমন ছবি করব যা কিনা টোটাল ফুটবল!!! আইডিয়াটা দারুন না?

–         হ্যাঁ স্যার নিশ্চই, কিন্তু এই টোটাল ফুটবল ব্যাপারটা ঠিক…

–         মানে হলে দর্শক যখন ঢুকবে সেই সময় থেকে তাকে সিনেমা নয় ফুটবলের ফিলটা দেওয়া হবে এই ছবিতে।

–         কিভাবে স্যার?

–         থ্রি ডি ছবিতে হলে ঢোকার আগে যেমন চশমা দেওয়া হয় এখানে হলে ঢোকার আগে বল, জার্সি, বুট, স্কস, সিনবোন গার্ড, তারপরে ঐ ঐ.. গার্ড, সব দর্শকদের দেওয়া হবে, দু দলের বসার জায়গা আলাদা রাখা হবে, ভুভুজেলা দেওয়া হবে এইসব শুধু শুরুর সময়ে ফিলটা আনবার জন্যে। কোলকাতা তে তো বিশেষ বিশেষ মাল্টিপ্লেক্সের লাইন মেন্টেন করতে আমরা হলের বুকীং এর কাছে মাউন্টেড পুলিশ ও রাখার বন্দোবস্ত করছি।

–         কিন্তু স্যার যদি স্টোরি লাইনটা যদি একটু হিন্ট দেন…

–         সেটা তো রিরি পুরোটা বলা সম্ভব না আর উচিত ও নয় তাহলে লোক হলে আসবে কেন টিকিট কেটে…

–         না মানে একটু..

–         এটা হচ্ছে একটা গল্প যেখানে একটা চিরাচরিত কনফ্লিক্ট কে আমরা ফোকাসে রেখেছি।

–         চিরাচরিত কনফ্লিক্ট বলতে…..

–         পুরুষ ও নারীর দ্বন্দ!!! বুঝতে পারলে না

–         তারমানে ?

–         আমার গল্পের নায়ক হল ফুটবল আর ভিলেন হল এই সমাজ, আর তার বাসিন্দারা পুরুষ ও মহিলা কুল। এই দুই দলের মধ্যে চিরাচিরত যুদ্ধের ফয়সলা হবে ফুটবল মাঠে। আর পুরুষদের কোচ একজন মহিলা ফুটবলার, আর মহিলাদের একজন পুরুষ। বাকি টুকু হলে।

–         কিন্তু স্যার এখানে তো সেই পুরুষ নারির যুদ্ধের গল্প বলা হচ্ছে, সেই প্রেম একটু অন্য ভাবে।

–         ঐখানেই তো গল্পের মোচড়, বাকিটা তো বলা যাবে না।

–         স্যার আপনার টেকনিকাল টিম শুনেছি না কি দারুন

–         এই দারুন কথাটা একটা আন্ডার স্টেটমেন্ট, সুপার্ব! সুপার্ব! আমরা মাঠের প্রপার ফিলের জন্য বলের মধ্যেও মাইক্রোফোন আর ক্যামেরা রেখেছি, অতেই তো প্রপার স্ক্রীপ্ট আর ফোটোগ্রাফির একটা মেজর পোর্সান হয়ে যাচ্ছে আমাদের। আর বাকিশুট টুকুর জন্যে আমরা যে কতগুলো ক্যামেরা রেখেছি সেটাও ভীষন গোপনীয়। কিছু মনে কর না।

–         না না ঠিক আছে, ঠিক আছে… কিন্তু স্যার একটা কৌতূহল চাপতে পারছি না, এই খেলায় শেষমেশ জিতছে কে? ওটা আপনি যদি আমাকে বলেন আমি কথা দিচ্ছি সেটা অফ দ্য রেকর্ড রাখব..

–         বলছ…

–         না মানে যদি.. কোন

–         ছবির শেষটা বেশ ভায়লেন্ট, মানে সিচুয়েশান টা সেই রকম ই ডিমান্ড করছে আর কি, খেলেতে খেলতে দুদলের প্লেয়ারদের মধ্যে একটা চাপা প্রেমের উদ্রেক হয়ে যায়, আরকি, তখন পুরুষদের সেন্টার ফরোয়ার্ড মহিলাদের গোল মুখে এসে বল না ঠলে গোলকিপারকে জড়িয়ে ধরে বলে “আমি তোমায় ভালবাসি”। ফলে গোল হয় না খেলা ড্র!, এদিকে হয়েছে কি এই পরাজয় মহিলা কোচ সহ্য করতে পারে না। সে হিতাহিত জ্ঞ্যন শুন্য হয়ে পুরুষ কোচ কে কামড়ে দেন। ক্যামেরা ফেড আউট করতে থাকে।

–         স্যার ব্যাপারটা উরুগুয়ের স্যুয়ারেজের ঘটনার মত হয়ে যাচ্ছে না?

দেখ উরুগুয়ে না হাঁটুগুয়ে জানি না, এই জন্যেই বলে ফিল্ম লাইনে চিত্রনাট্য কে যে কখন চুরি করছে ধরা দায়।

Article By:

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

Image Credits: Google Images