Tag: bengali-novel

Book on Life of Noti Binodini ‘Binodini Rachanasamagra’ now Available at Starmark

nati-binodini-biography

Binodini Dasi is a legend in her own right. She was tutored and lovingly guided by Girish Chandra Ghosh. She married at 24 and brought the end to her career on stage. However her happiness was short lived with the passing away of her husband and daughter. She therefore switched to a new sphere of creativity- writing. Kolkata’s largest bookstore chain Starmark hosted in association with Patra Bharati, the launch of Binodini Rachanasamagra at the South City Mall outlet. Edited by Devajit Bandopadhyay, a well known researcher-performer on Bengali theatre songs, Binodini Rachanasamagra is a compilation of writings on and by Binodini Dasi also known as Noti Binodini with rare photographs, portraits and interesting pieces of information relating to her life. The book was launched by eminent actress Madhabi Mukherjee, Riddhi Bandopadhyay, Soumendu Roy, Sujoy Prasad Chatterjee and Tridib Chattopadhyay.

book-on-noti-binodini

Speaking at the occasion, Madhabi Mukherjee said “This is a great effort by Devajit to bring to life the contribution of many artists in the field of arts and entertainment. Many of them have been forgotten. Efforts of this kind will help in remembering such important personalities and also enable one to value their contribution. Moreover I have read Devajit’s writings before and he writes excellently. I think this will be another of his masterpieces”.

life-of-noti-binodini-dasi

Eminent cinematographer Soumendu Roy well known for his works with Satyajit Ray was also present on the occasion of the book launch. He said “I personally know Riddhi and Devajit for many years now. I also was present at their marriage. I am aware of the dedication that Devajit has and it is no surprise for me to see him do such an extensive research on Binodini Dasi. I look forward to reading the book”.

Madhabi-Mukherjee-current-pic

Devajit Bandopadhyay recited some poems written by Binodini Dasi on the occasion. His wife Riddhi Bandopadhyay sang a song written by Binodini Dasi and regaled the audience.

Binodini Rachanasamagra is priced at Rs. 500 and is a must buy for the theatre loving enthusiasts. This is surely a must have.

Priyanka Dutta

 

 

Bengali Short Story by Swedish National Mr. Annwesh Mukherjee; ‘Sakkhat O Kichu Prapti’

সাক্ষাৎ ও কিছু প্রাপ্তি

ট্যাক্সি থেকে নেমে, চার পা হেঁটে একটা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। ঠিক বুঝতে পারছিনা  কিভাবে   কাজটা শুরু   করব।  দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে এত বড় চ্যালেঞ্জের   মুখে কখনো  পড়েছি বলে মনে পরে না।

বেলা বারোটার গনগনে রোদ, হাতে এডিটর সাহেবের লেখা একটা চিঠি, চোখের সামনে একটা মস্ত অ্যাপার্টমেন্টের মুল দরজা, আর দরজার ওপারে দশ তলা উপরে একটা দু কামরার  ফ্ল্যাটে  বিরাজমান    বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ শ্রীযুক্ত সূর্য মুখোপাধ্যায়।

উনি এবছর সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরষ্কার পাচ্ছেন, তাই কাগজের মালিকের  অনুরোধ   আমি   যেন  কাল-বিলম্ব না করে ওনার একটা ইন্টারভিউ নিয়ে আসি।

এখন সমস্যাটা হল এই যে সারাজীবন আমি খেলাধুলা নিয়ে লিখে এসেছি, কেননা প্রথমত, খেলাধুলো আমি চিরকাল ভালবেসে এসেছি, আর দ্বিতীয়ত, আমি জানতাম যে ওসব নিয়ে লিখলে চাকরি আমার  চিরকাল  বজায় থাকবে। কিন্তু নতুন মালিক আমাকে   বিলকুল   পছন্দ   করে না, একটা ছুতো  খুঁজছে কি করে আমাকে তাড়াবে। আর সেই কারণেই এই বাঘের   মুখে ঠেলে দেওয়া।

বুদ্ধির গোরায় শেষ ধোঁয়াটুকু দিয়ে সাহস করে ঢুকে পরলাম  অন্দর মহলে। লিফট ছিল তাই বাঁচোয়া,       পৌঁছলাম ওনার দরজার ঠিক সামনে।

বেল বাজানোর সাথে সাথে আমারই সমবয়সী এক ভদ্রলোক বেড়িয়ে এলেন। হাত জোড়  করে  নমস্কার  করে জানালাম, “আমি ‘খবর বাংলার’ সাংবাদিক, অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী   সাক্ষাৎ  করতে  এসেছি   সূর্য-বাবুর  সাথে।”

ভদ্রলোক হাল্কা-স্বরে বললেন, “আমিই সূর্য মুখোপাধ্যায়, আসুন ভিতরে আসুন।”

নিতান্তই ছোট একটা বসবার ঘর – রয়েছে শুধু একটা টিভি, একটা কম্পিউটার টেবিল আর  একটা   বিশাল  বুক-শেল্ফ যার মধ্যে আরামে ঘর করছে কয়েকশো বই। মনে মনে ভাবলাম – ‘আমি  কেন  আমার  তিন  পুরুষ পড়ে শেষ করতে পারবে না।’ অগোছালো ঘরের এক কোনে দুটো সোফা কাউচ রাখা ছিল, তারই একটাতে বসতে বললেন।

“অরিত্র পাঠিয়েছে আপনাকে?”

“আজ্ঞে হ্যাঁ। আপনার মত প্রচার-বিমুখ মানুষকে নিয়ে যে লিখতে পারব ভাবতে পারিনি।”

“তাই বুঝি? হ্যাঁ, কিছুটা ঠিকই বলেছেন, আমাকে এই  অ্যাপার্টমেন্টের লোকই অর্ধেক চেনে  না।”  এই   অবধি বলে উনি বসলেন আরেকটি চেয়ারে। পাশের ঘর থেকে একটি অল্পবয়সী মেয়ে দু কাপ  চা  রেখে  দিয়ে  গেল আমাদের দুজনের সামনের টি টেবিলে।

“প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন জানাই আমার এবং আমাদের কাগজের তরফ থেকে।”

“ধন্যবাদ!”

মানুষটা নিতান্তই মৃদুভাষী এবং কম কথা বলেন। মনে মনে ভাবলাম টালিগঞ্জ  অগ্রগামী  নব্বইয়ের   দশকের কোচ ঠিক এরকম ছিলেন, ওনার  সঙ্গেও আড্ডা মারা খুব শক্ত ছিল। চায়ে দুবার চুমুক  দিয়ে  জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি যে সুর বেঁধে দিলেন তাই দিয়েই শুরু করি? খুব কম লোক আপনার সম্বন্ধে  জানে,  আমি অনেক খুঁজেও খুব বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারি নি, মুল কারণটা কি?”

“সেরকম কিছু নয়, সাধারণ ছাপোষা মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম, বাবা মার একমাত্র  সন্তান,  চেয়েছিলেন   বিদেশে গিয়ে ডাক্তারি পড়ি, কিংবা নিদেনপক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং বা ওকালতি। যখন কিছুই হল না ওনারা  নিজেদের  গুটিয়ে নিতে লাগলেন, আর ওনাদের সাথে সাথে আমিও।”

“স্যার, কিছু মনে করবেন না, এক বাক্যে আপনি কিন্তু একদম গল্পের সেন্টারে এনে  ফেললেন  আমাকে!একটু বিশদে জানতে চাই। আপনার বাবা মা চেয়েছিলেন আপনি অন্য কিছু পড়াশুনো  করুন, আপনি   গেলেন ইতিহাস-চর্চায়, এর পর বহু বছরের প্রচেষ্টা, গবেষণা, আর তার ফলস্বরূপ  ‘বাংলা – সিরাজের  আগে  ও পরে’ এই বই রচনা, আর সে বইয়ের পুরষ্কার প্রাপ্তি।”

ভদ্রলোক প্রাণ খুলে হেসে উঠলেন, পাক্কা দু মিনিট হেসে নিয়ে বললেন, “দারুণ দারুণ সারাংশ, আপনি  সফল ক্রিড়াসাংবাদিক এমনি এমনি হন নি। দারুণ ধরেছেন, তবে প্রচেষ্টার বদলে শব্দটা হবে সংগ্রাম,  জীবন  সংগ্রাম, যা আমার ক্ষেত্রে গভীর থেকে গভীরতর হয়ে ঠেকেছিল।”

উনি বলে চললেন, “আমার বাবা তিন ভাইয়ের মধ্যে সব চেয়ে ছোট ছিল, আমাদের পৈত্রিক ভিটে কামারপুকুর। বাবা পোর্টট্রাস্টে কাজ পেয়ে কলকাতায় চলে আসেন, কিন্তু  ভিটের  মায়া  ত্যাগ  করতে  পারেন  নি। আর ভিটের লোকজনের ঈর্ষার জাল থেকেও কখনো বেরতে পারেন নি। বাবা  চাইতেন আমি সবার থেকে ভালো হই পড়াশুনোয়, সব বিষয়ে ফার্স্ট হতে হবে আমাকে! বিজ্ঞান, অঙ্ক আমার বা   হাতের খেলা বানিয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু ভবিতব্য অন্য কথা বলতে আরম্ভ করেছিল। যেদিন থেকে  স্কুলে  গৌরিশঙ্কর বাবুর কাছে প্রথম শুনেছিলাম সম্রাট অশোকের কথা, যেদিন  জেনেছিলাম  চাণক্যর  প্রখর  বুদ্ধির কথা, যেদিন অনুধাবন করেছিলাম সমুদ্র-গুপ্তের রাজকীয়তার বর্ণনা, সেদিন থেকে ইতিহাসের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। কি অদ্ভুত সে প্রেম ? একের পর এক চরিত্র যেন আমার ভাই, বোন, মা, বন্ধু হয়ে আমার সামনে দেখা দিয়েছে। ঝাঁসির রানী, বা বঙ্কিম-চন্দ্র কেউ আমার ভালবাসার বেষ্টনী থেকে বেড়িয়ে যেতে  পারে নি। সারাজীবন ভেবে গেছি এদের কথা, মাথা নিচু করে পড়াশুনো চালিয়ে গেছি, একটার পর একটা ফলক অতিক্রম করে গেছি, আর আজ সকালে আপনার কাছে দাঁড়িয়ে সেই সব দিনগুলোর স্মৃতিচারণ  করে  যাচ্ছি। কি? কেমন লাগল?”

“হুম, অপূর্ব। কতটা বাঁধা পেয়েছিলেন আপনার বিস্তৃত পরিবার থেকে?”

“অনেক, স্বল্প পরিসরে বলে উঠতে পারব না। সব থেকে সুন্দর বললেন মেজ কাকা – ওনার ছেলে  ডাক্তার, উনি বললেন আমার মাথাটা দেখানো উচিত। সেই শুনে আমার মা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে  দিলেন। তখন আমি বি এ পার্ট ওয়ান দেব। গৌরিশঙ্কর-বাবুর কাছে ছুটলাম, জিজ্ঞেস করলাম, এই পড়াশুনোয় কি সত্যিই কোনই ভবিষ্যৎ নেই? উনি বললেন, ‘না থাকলে বিষয়টা রইল কেন?’ এই বলে উনি একটা কথা বললেন  যা আজও মনে আছে। উনি বললেন – ‘রাজা গ্রামে ঘোড়ার গাড়ি কিনে নিয়ে এলেন, সবাই  আনন্দ  করলো,  কেউ ভাবেনি গ্রামের রাস্তায় সে গাড়ি চলতে পারে। ভেজা মাটির ওপর দিয়ে সে গাড়ি যখন ছুটে গেল তা সবাই উপভোগ করল, কিন্তু সে গাড়ি মাটির উপর যে দাগ রেখে গেল তা কেউ মনে রাখল  না ।  অর্থাৎ, রাজার পরের প্রজন্ম জানতেও পারল না যে সেই পথের, সেই ছোট গ্রামের রাস্তার কত মাহাত্ব, আর সেই রাস্তা, সেই গ্রামের ইতিহাসকে আগলে রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। একটা প্রজন্ম গৌরব  করলো, আরেকটা  প্রজন্ম সেই গৌরবকে হেলায় ভুলে গেল। কেন হল এমন ? কেননা যেদিন গাড়ি চলেছিল, সেদিন অনেক সাক্ষীদের মধ্যে কেউ কেউ সে ঘটনা লিখে রেখে গিয়েছিল, কাগজে আর মগজে। কিন্তু সে লেখা কেউ আত্মস্থ  করার প্রয়োজনবোধ করেনি।”

এর পর আরও অনেক কথা হল, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সমগ্র পৃথিবীতে ইতিহাসের মর্যাদা নিয়ে অনেক আলোচনা হল। সূর্য-বাবুর জীবনের আরও অনেক বাধা বিপত্তির কথা নোট করলাম, কিন্তু বারে বারে ফিরে এলো সেই মুল কথাটা – ‘একজন ইতিহাসবিদ যা লিপিবদ্ধ তাকে আত্মস্থ করে।’

ওঠার আগে জিজ্ঞেস করলাম, “যদি আপনি কলেজ, বা পরে ইউনিভারসিটিতে চাকরি  না   পেতেন   তাহলে কি করতেন?”

“ইতিহাস-চর্চা, যদি তার জন্য ভিক্ষেও করতে হত, তা হলেও।”

“আরেকটা প্রশ্ন – বিয়ে করলেন না কেন?”

“ওই যে বললাম, অনেকজনকে নিজের করে ফেলেছিলাম, সবাই প্রাক্তনী ছিল। আমার বয়সী  কাউকে  সুখী করতে পারতাম না, তাই আর বিয়ের দিকে এগোলাম না।”

১৪, আমতলা রোডের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে সোজা চৌরঙ্গী গেলাম, দপ্তরে বড়সাহেবকে  দুটো  কাগজ পাঠিয়ে দিলাম – একটা চাকরি থেকে ত্যাগপত্র, আর একটা চিঠি যাতে স্পষ্ট ভাষায় লেখা কেন চাকরি ছাড়লাম। লিখলাম, “সারা জীবন ক্রিড়াজগৎ নিয়ে লিখব, দরকার পরে ভিক্ষা করেও লিখব ।।”
The Author Anwesh Mukherjee

Anwesh Mukherjee

Mr. Anwesh Mukherjee who is a software engineer by profession and is a Swedish National is also a story-writer, a poet and an essayist, who thrives on human values and human emotions, and who embodies in his works, elements from past and present generations of human society. A formidable grip on characters allows him to document complexity and openness with equal ease. The poetic charm gets mixed with a narrative flavor which creates a unique description of incidents in Anwesh’s works. A mind molded in the realm of simplicity of yester-years yearning to reach out to the audacious vivacity of the new age life is a simple depiction of Mr. Mukherjee as an author and a smooth and lucid blend of lyrical words with some commonplace expressions best describes the language the Anwesh the author cherishes the most.

 

 

Image Credit: Google Images

 

 

New Novel ‘Right Here Right Now’ by Nikita Singh Launched in Kolkata

New-Nikita-Singh-Novel

Starmark, Kolkata’s largest bookstore chain, hosted the launch of bestselling author Nikita Singh’s new novel ‘Right Here Right Now’, in association with its publishers Penguin Books India, at its Quest Mall outlet.  After the launch of the book, the author was in a conversation with Yajnaseni Chakraborty, former journalist and coordinator of Kolkata Literary Meet.

Novel-Right-Here-Right-Now

Nikita Singh is the bestselling author of six novels, including Love@Facebook, Accidentally in Love and The Promise. She has co-authored two books with Durjoy Datta, titled If It’s Not Forever . . . and Someone Like You. She has also contributed to the books in The Backbenchers series. She was born in Patna and grew up in Indore, from where she graduated in pharmacy. She is currently based in New Delhi, where she works as a publishing manager at a leading publishing house. Nikita received a Live India Young Achievers Award in 2013. With a library stocked with over 12,000 books, she is a voracious reader and adores her collection of fantasy novels. She is a cricket enthusiast and enjoys a good cardio workout.

New-NikitaSingh-Novel

The book is about reinventing yourself which is harder when you don’t remember who you were. Seventeen-year-old Kalindi wakes up in hospital with no recollection of how she got there. But that’s not the only thing she doesn’t remember: Her whole memory has been wiped clean. How? The doctors can only speculate. Kalindi doesn’t know what happened to her and—worse—she doesn’t know who she is. She enters her own life as if for the first time. Feeling like an invader, she meets her parents, friends and boyfriend. Everybody says her life was perfect, but she’s having a hard time accepting who she was, and the kind of person she wanted to be. She’s also got boards to pass—but she doesn’t remember anything she learned! And the recurrent nightmares don’t make it any easier. Nobody knows what happened to her. Can she have a peaceful present and future, without a past? Can she just live in the here and now?

Right Here Right Now, published by Penguin Books India, has been priced at Rs. 175/.

Priyanka Dutta

Bengali Poetry Recitation by All India Radio Artist Satyaki Roy

An All India Radio artist, Satyaki Roy, right from the age of four has been ardently pursuing his dream of making it big in the field of Bengali Recitation and elocution, and his passion for the art indeed took him places. His profession was also guided by his love for the art guided by which he started working for the recitation and drama division of AIR and participated in many programs of AIR, “Golpo Dadur Asor” being one of them.

Satyaki has also participated in Rajyo Yuba Utsav, Calcutta Cine Festival, and All Bengal Vivekananda Institution’s Ceremony and mesmerized the audience with his soulful rendition of some of Bengal’s most prized poems.

Under the august banner of Sony Music, Satyaki released his recitation and song album in the year 2005 which again was highly appreciated by his fans and admirers.

Satyaki has also performed in popular Bangla Television channels namely ETV, Akash Banglaand, Zee Tv has also done live shows at Rabindra Sadan, Salt Lake Stadium, Burdwan Utsav, Kolkata Utsav Etc.

Leading regional and national newspapers like, Andabazar, Times of India,  Hindustan Times, Asian Age, Bartamaan, Protidin, Saptahik Bartamaan, Anondomela have always extensively covered Satyaki’s performances and published beautiful reviews too.

Satyaki Roy is currently working as a voice over artist and is also composing music for several new Bengali Films which are soon to be released.

Rightly termed as the ‘Man with the Golden Voice’ by an entertainment web portal, Satyaki with his beautiful voice and unbeatable command over poetic renditions is indeed a gifted artist and we wish him the Very Best for his future pursuits.

Review of Graphic Novel Chander Pahar; The Classic in its Many Forms

Chander-Pahar-Graphic-Novelকলকাতা বইমেলা ২০১৪, ‘পারুল প্রকাশনী’ থেকে আত্মপ্রকাশ করলো ‘চাঁদের পাহাড়’- একটি গ্রাফিক নভেল। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী রচনাকে যুগপোযুগী চিত্রনাট্য ও ছবিতে সাজিয়ে তুলে ধরলেন যে শিল্পী, তাঁর নাম সপ্তর্ষি দে। পেশায় তিনি একজন আর্ট ডিরেক্টর, কলকাতা তাঁর কর্মক্ষেত্র। বর্তমানে টাইমস অফ ইন্ডিয়া গ্রুপের বাংলা সংবাদপত্র ‘এই সময়’- এ প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর দৈনিক কমিক স্ট্রীপ ‘প-ফ’। ‘চাঁদের পাহাড়’ সপ্তর্ষির প্রথম প্রকাশিত গ্রাফিক নভেল। গোটা ষাটেক পাতার মধ্যে মূল কাহিনীর সারবস্তুকে জায়গা দিতে গিয়ে গল্পের অনেক ডালপালাকেই কাটছাঁট করতে হয়েছে। শ্বাপদসঙ্কুল আফ্রিকায় গ্রামবাংলার ছেলে শঙ্করের দামাল অ্যাড্‌ভেঞ্চারকে রেখায় ও লেখায় পাঠকের দরবারে পেশ করার যে প্রয়াস করেছেন সপ্তর্ষি, তাতে তিনি একশভাগ সফল একথা হয়ত বলা যায় না। গ্রাফিক নভেলটির নিসর্গনির্ভর প্যানেলগুলি যতটা দৃষ্টিনন্দন, চরিত্রসমূহের দেহরেখা অঙ্কন ততটা মুন্সীয়ানার পরিচয় দেয় না। তবুও আলাদা করে বলতেই হয় সপ্তর্ষির রঙ সংক্রান্ত চিন্তাভাবনার কথা। গোটা বইটির বেশিরভাগ ছবি বহুবর্ণে রঞ্জিত হলেও আলভারেজ যেখানে শঙ্করকে পূর্বকথা শোনাচ্ছে, সেই অংশটিতে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র দুটি রঙ। চলচ্চিত্রে আমরা যেমন অনেকসময় অতীতের দৃশ্যকে সিপিয়া টোনে দেখি, সপ্তর্ষি তাঁর এই সৃষ্টিতে সেই মান্য ধারারই বুদ্ধিদীপ্ত স্বাক্ষর রেখেছেন।

কথাশিল্পী বিভূতিভূষণের কাহিনী অবলম্বনে সপ্তর্ষির এই গ্রাফিক নভেল সচেতন পাঠকের মনে কিছু চিন্তাভাবনার অবসর এনে দেয়। আজ সারা বিশ্বে কমিক্স ইন্ডাস্ট্রীর যে রমরমা বাজার সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা কমিক্সের অবস্থান ঠিক কোন জায়গায়? শ্রী নারায়ণ দেবনাথ, ময়ূখ চৌধুরী, তুষারকান্তি চট্টোপাধ্যায়, শৈল চক্রবর্তীর মত কিংবদন্তীদের উত্তরাধিকারে সমৃদ্ধ বাংলা কমিক্সের জগৎ। নন্টে-ফন্টে, বাঁটুল দি গ্রেট, প্রফেসর ত্রিবেদী, গোয়েন্দা নিশীথ রায়, ডাকু- এই সব চরিত্র আজও বাঙ্গালীর স্মৃতিতে অম্লান। এই সৃষ্টিসম্পদ যেমন বাঙ্গালীর গর্বের ভাণ্ডার, একই সঙ্গে অতীত গৌরবের অদ্যাবধি এই রোমন্থনেই কোথাও উঁকি মারে ভয়াবহ ভবিষ্যতের সিঁদুরে মেঘ। অতীত বিলাসিতার মসনদ থেকে নেমে বর্তমান বাস্তবের দিকে চোখ ফেরালে এই দৃশ্য নজরে আসতে বাধ্য যে বাংলা কমিক্স ইন্ডাস্ট্রী আজ ধুঁকছে অরিজিনাল কন্টেন্ট বা মৌলিক বিষয় তৈরি করতে না পারার ক্ষয়রোগে। সপ্তর্ষির ‘চাঁদের পাহাড়’ কিন্তু তার মেরুদন্ড ধার করেছে চিরকালীন বাংলা সাহিত্য থেকেই। প্রকাশকের কাছে হয়ত এটা পিঠ বাঁচিয়ে খেলা। নব্য ট্রেন্ড অনুযায়ী একটা গ্রাফিক নভেল বানানোও হল আবার বাজার ধরতেও অসুবিধা নেই যেহেতু উপন্যাস হিসেবে ‘চাঁদের পাহাড়’ অনেকদিন ধরেই বইপাড়ায় বেস্টসেলার তালিকার অন্তর্ভূক্ত। সঙ্গে সঙ্গে একই গ্রন্থনির্ভর টলিউডি সংস্করণের ‘দেব’তুল্য সাফল্য তথা ব্যাবসার স্রোতে গা ভাসানোর ইচ্ছাও যে প্রকাশকের মনে নড়েচড়ে ওঠে নি, সে কথাও হলফ করে বলা যায় না।

কেউ কেউ হয়তো বলবেন, এটা তো খারাপ কিছু নয়, চিরায়ত বাংলা সাহিত্য থেকে আজকের প্রজন্ম মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, সেখানে গ্রাফিক নভেলের মাধ্যমে যদি তাদের আগ্রহকে উস্‌কে দেওয়া যায় তো ক্ষতি কী? আসলে অনেক সময় প্রশ্নোত্তরের ঝড়ের ঠেলায় আসল সত্য চাপা পড়ে যায়। একটি ব্র্যান্ড যখন বাজারে প্রতিষ্ঠা খোঁজে তখন সেই প্রতিষ্ঠার জন্য লাভক্ষতির হিসেবের বাইরে গিয়ে, সেই ব্র্যান্ডটির একটি নিজস্ব চরিত্র গড়ে তোলাটা খুব জরুরী। বাংলা কমিক্স ও গ্রাফিক নভেল নামক ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এই ব্র্যান্ড, এই ইন্ডাস্ট্রী আজ যদি বাজারের মুখ চেয়ে শুধুই সাহিত্যনির্ভর হয়ে পড়ে তাহলে মৌলিক বিষয় ও ভাবনা নিয়ে কাজের কোনো সম্ভাবনাক্ষেত্রই হয়তো গড়ে উঠবে না। বাংলা কমিক্স ইন্ডাস্ট্রীও স্বাবলম্বনের পথ খুঁজে না পেয়ে আত্মপরিচয়হীনতার কানা গলিতে হারিয়ে যাবে।

Indranil Kanjilal
Indranil-Kanjilal

Professionally a high school teacher, Dr.Indranil Kanjilal has a passion for comics. Not only reading, he loves to explore this medium of visual storytelling by going through the history of comics’ universe. He also has a knack for writing short features. Being a post graduate student of Bengali literature he has completed his Ph.D. on eminent Bengali author Shirshendu Mukhopadhay.