Tag: Bhaag Milkha Bhaag

5 Bengali films selected for Indian Panorama category for IFFI-2013; A proud moment for Bengali cinema

PAN SINGH TOMAR got direct entry as the 26thfilm of Indian Panorama for IFFI-2013 since it won the Best Feature Film award at the recent 60thNational Film Awards. BHAAG MILKHA BHAAG and OMG OH MY GOD are the other two Hindi feature films that also got selected in the same section. There are 6 Hindi feature films and 6 Malayalam films dominating this year in this category followed by 5 Bengali films, 3 Marathi films and English, Konkani, Kannada, Tamil and Oriya.

The jury for feature film selection was headed by non-other than renowned filmmaker and Editor Shri B. Lenin, who selected 25 films out of a total of 210 eligible entries.

The Non-Feature film selection featured a list of 15 films out of 130 eligible entries selected by a jury that was headed by well-known director Shri Raja Sen. 7 Hindi films were included in non-feature films category this year followed by MALAYALAM, ENGLISH/ASSAMESE, MARATHI, JHARKHAND & CHATTISGARH, GUJRATI and two KASHMIRI.

KANYAKA TALKIES (Malayalam, Director: K. R. Manoj) is selected as the opening film for Indian Panorama 2013 in the feature film selection and in the Non-Feature Film category, RANGABHOOMI (Hindi, Director: Kamal Swaroop) is the opening film.

Enhanced by Zemanta

Movie Review BHAAG MILKHA BHAAG: In Bengali for the Global Bangali

 

Bhaag Milkha Bhaag official trailer | Farhan Akhtar | Sonam Kapoor (You Tube)

শুধু বিষয়টার জন্যেই প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের একবার অন্তত ‘ BHAAG MILKHA BHAAG” দেখা প্রয়োজন। Bio-Pic কে সিনেমার পর্দায় নিয়ে আসার কিছু সীমাবদ্ধতা থেকেই যায় । সেই গণ্ডির মধ্যে কাজ করে একটি পুরদস্তুর বাণিজ্যিক ছবি বানানো টা বেশ শ্রমসাধ্য । Rakyesh Omprakash Mehra এবং Proshun Joshi জুটি এই কঠিন দায়িত্ত্বে ঠিকঠাক উতরে গেছেন। আর Farhan Akhtar যেভাবে নিজের সমস্ত সত্বাকে ভেঙে চুরমার করে ছবির পর্দায় ” উড়ন্ত শিখ ” হয়ে উঠেছেন, তাকে magic ছাড়া কি ভাবে ব্যাখা করা যায় ?

মিলখা সিং-এর জীবনে এমন কিছু নাটকীয় ঘটনা আছে, যা ভীষণভাবে মানুষের মনকে তথা অন্তরাত্মা কে কোন না কোন ভাবে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে বাধ্য । আমি একটা কথা বিশ্বাস করি যে আত্মজীবনী অনেকেই হয়তো লিখে ফেলতে পারেন কিন্তু ইতিহাস কিন্তু আত্মজীবনী লেখার অধিকার সবাইকে দেয় না । কারন ইতিহাস সব সংগ্রহ করে রাখে, কিছুই সে ভোলে না । তাই ভারতবর্ষের ক্রীড়া ইতিহাসে মিলখা সিংহ -এর আত্মজীবনী -র একটি তাৎপর্য আছে কারন পড়তে পড়তে ওঠা আর উঠতে উঠতে পড়ে যাওয়া এই দুরকম ঘটনাই তার জীবনে খুঁজে পাওয়া যায় । আমি মিলখা সিংহ -র আত্মজীবনী পড়েছি (আনন্দমেলা তে একসময় মিলখার লেখার বঙ্গানুবাদ ছেপে বেরত ) তাই জানি কতোটা অকপট তার সরল স্বীকারোক্তি গুলো, যদিও ছোটো দের পত্রিকা বলে সেই জীবনীর বেশ কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছিলো । এই ছবি তে সেই অংশ গুলি দেখে আমি যেন মানুষ টাকে নতুন করে জাণলাম ।

Farhan Akhtar নিজের অসাধারন অভিনয় দিয়ে ছবির পর্দায় মিলখাকে রক্ত মাংসের জীবন্ত মানুষ করে তুলেছেন । এই ছবির জন্যে তাকে যে বিশেষ প্রশিক্ষন নিতে হয়েছে তা মিডিয়ার কল্যানে আমরা সবাই এতদিনে জেনে গেছি তাই মুক্ত কণ্ঠে ফারহান কে ‘ সাবাশ ‘ বলতে আমাদের কোন দ্বিধা থাকা উচিৎ নয় । নিজেকে এই চরিত্রের জন্যে তৈরি করতে ফারহান কে অসম্ভব পরিশ্রম করতে হয়েছে, মিলখা কে বুঝতে হয়েছে, জানতে হয়েছে, চিনতে হয়েছে । যে মানুষ তার আত্মজীবনী মোটে এক টাকায় বিক্রি করতে পারেন, যেখানে তার কাছে এক কোটি টাকার অফার ছিল, সেই মানুষ যে ঠিক কেমন মানসিকতার হতে পারেন, সেটা ফারহান কে বুঝতে হয়েছে, যেহেতু ফারহান নিজে একজন লেখক, পরিচালক তাই অন্য যে কোন অভিনেতার থেকে তার দৃষ্টি ভঙ্গি  যে খানিক টা হলেও ভিন্ন হবে, সেটা সহজেই অনুমেয় । মিলখার প্রেম, ভালোবাসা, স্নেহ, দেশপ্রেম, আত্মগ্লানি এমনভাবে উপলব্ধি করার জন্যে যে মেধা ও মননের প্রয়োজন ছিল, ফারহানের মধ্যে সেই মেধা পুরোপুরি ভাবে চোখে পড়েছে আমার । ফারহানের কথা এখানে একটু লিখতে ইচ্ছে করছে – আমার মনে হয় যে কিশোর কুমারের পরে এমন বহুমুখি প্রতিভা বোধয় ভারতীয় সিনেমায় আর আসেনি । এই বয়সে ফারহান নিজের প্রতিভাকে যে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, সেটা বিশ্বাস করা কঠিন । ফারহান একাধারে পরিচালক, চিত্রনাট্য রচয়িতা , প্রযোজক, কবি , গায়ক এবং এখন একজন অভিনেতাও বটে … একজন মানুষ এক জীবনে এতরকমের কাজ দক্ষ্যতার সঙ্গে করে যাচ্ছেন, এতো শুধু সিনেমার গল্পে হয় অথেচ ফারহান এইসব দায়িত্ব সাবলীল ভাবে সামলে দিচ্ছেন, এ কথা আমরা সিনেমা প্রেমিরা সবাই জানি তাই ফারহানকে টুপি খুলে কুর্নিশ করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই । এই ফিল্মের পরে যদি দর্শক রা ফারহান কেও ফ্লায়িং ফারহান ” (Flying Farhan)  বলে দাকেন, তাতে আমি অবাক হবনা ।

বাকি চরিত্রে সব অভিনেতা/অভিনেত্রীরা সবাই খুব ভাল, বিশেষ করে রনবীর সিংহ চরিত্রে প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার তথা Yuvraj Singh-এর বাবা Yograj Singh, তিনি তো পেশাদার অভিনেতা নন কিন্তু যে দাপটে তিনি জাতীয় কোচের চরিত্রটি কে মেলে ধরেছেন তা দর্শক দের মনে থেকে যাবে । আরেকজন কোচের চরিত্রে Pawan Malhotra -ও নিজের অভিনয়ের দ্বারা দর্শক দের মন জয় করছেন, এটা তার পাঞ্জাবি সংলাপে ঘন ঘন হাততালিই জানিয়ে দিয়েছে । আর্মি অফিসর রূপে দক্ষিনের নামকরা অভিনেতা Prakash Raj তার কমিক সংলাপ দিয়ে জমিয়ে দিয়েছেন । মিলখার দিদির চরিত্রে Divya Dutta আরেকবার প্রমান করলেন যে তিনি অত্যন্ত গুণী একজন শিল্পী ।

Sonam Kapoor -এর স্ক্রিন স্পেস টা বেশ ছোট কিন্তু এমন মধুর হাসি ছুড়ে দিয়েছেন তিনি, যে পর্দার মিলখার মতন দর্শকরাও তার প্রেমে পড়তে বাধ্য হবেন । মিলখার বিদেশিনী প্রেমিকা Stella রূপে অস্ত্রেলিয়ান অভিনেত্রী Rebeca Breeds কে দেখতে যতটা মিষ্টি লেগেছে, তিনি ততটাই স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় করেছেন । প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহেরু রূপে Dalip Tahil অনেকদিন পরে একটি অন্য ধরনের চরিত্র পেয়ে ভাল কাজ করেছেন । পেরিজাদের ছোট চরিত্রে Meesha Shafi -কে বেশ লেগেছে, আরেজনের কথা আলাদা করে লিখতে ইচ্ছে করছে, তিনিও ছোট একটি চরিত্র করেছেন, মিলখার বাবার চরিত্রে Art Malik  এক কথায় অনবদ্য কাজ করেছেন, আমার ব্যক্তিগত ভাবে উনার অভিনয় খুব ভাল লেগেছে ।

টেকনিক্যাল দিক থেকে ‘ ভাগ মিলখা ভাগ ‘ -র ত্রুটি খুঁজে বার করা খুব কঠিন কাজ, তার জন্যে ছিদ্রান্বেষী হতে হবে আর আমি মনে করিনা কোন চিত্র সমলচক কে  ছবির দোষ ধরতেই হবে তাই ত্রুটি খুজে বার করতে গেলাম না আর । হ্যাঁ , কেউ কেউ হয়তো ছবিটির দৈর্ঘ্য নিয়ে আপত্তি তুলতেই পারেন ( ১৮৫ মিনিট ) কিন্তু আমি বলব যে গল্পটির প্রতি সুবিচার করার জন্যে যদি ছবি খানিক বড় হয় , তাতে ক্ষতি নেই কোন, তাই সম্পাদক এবং পরিচালকের বিপক্ষে আমার দর্শক রূপে কোন নালিশ নেই । চিত্রগ্রহনের কাজ খুব ভাল হয়েছে, বিশেষ করে মিলখা এবং রনবীরের পাহাড় ও গরম বালিতে অনুশীলনের দৃশ্য গুলি ।

তবে দুটি জায়গায় আমার খটকা লেগেছে –

১) রোম অলিম্পিক দৌড়ে মিলখার হেরে যাওয়া টাকে একটা মনস্তাত্তিক কারন দেখিয়ে justify করানো টা খুব  বোকা বোকা কারন একজন athlete -এর জীবনে জিত যেমন আছে, ঠিক তেমনি হার ও থাকবেই ( সবসময়  খেলোয়াড়ের ফর্ম সমান যায়না )।

২) মিলখার জীবনের আড়াই খানা প্রেম দেখান হল কিন্তু বিয়ে টা এড়িয়ে যাওয়া হল, যেখানে আমরা জানি যে মিলখা সিংহের স্ত্রী Mrs. Nirmal Kaur (Singh) ভারতের ভলিবল টিমের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন । সেই প্রেম পর্ব টা দেখালে মানুষ মিলখা কে আরেকটু ভাল চেনা যেত বলে আমার মনে হয় ।

গীতিকার Prashun Joshi এই প্রথমবার চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লিখলেন বড় পর্দার ছবির জন্যে ( বিজ্ঞাপনের স্ক্রিপ্টের কাজ তিনি অনেকবার করেছেন আগে ), আর এই প্রথমবারেই প্রসূন জোশী প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে গেলেণ, যদিও ৭০% নম্বর দিলাম,  উপরোক্ত দুটি খটকার খেসারৎ বাবদ।

এই ছবির এক ভীষণ সুন্দর বিভাগ হচ্ছে ছবির গান এবং আবহ । Shankar – Ehesaan – Loy খুব যত্ন করে কাজ টা করেছেন । এই ছবির গানে বলিউডে প্রথম বার গান গাইলেন সুরকার তথা গায়ক Shankar Mahadevan -এর  পুত্র Siddharth Mahadevan । সিনেমার টাইটেল ট্র্যাক টির একটি রক রিমিক্স ভার্সন সিদ্ধার্থ মহা দেবনের গাওয়া ।

Sukhvinder Singh -এর কণ্ঠে একটি গানও বেশ মিষ্টি ও নাচের ছন্দের তালে ।

Movie Review by : Sanjib Banerji

Enhanced by Zemanta