Tag: bollywood-superhero

Krrish 3 : Movie Review, Poster, Trailer; An out n out Hrithik Roshan entertainer with a Hollywood look and feel

krrish 3 poster

Yet again this Hrithik Roshan has proved the fact that no one else in Bollywood can portray the character of a Superhero with such conviction & élan. Though heroes like Shahrukh Khan and Abhishek Bachchan have tried to do superhero films in Hindi but the Indian audience has  always voted in favor of Junior Roshan and as a result of this verdict, both RA-ONE and Drona flopped badly at the box office. Story content & scripting wise this third film of the superhero-series is much weaker than ‘Koi Mil Gaya’ or even ‘Krrish’ but treatment wise Krrish3 is definitely stronger & sleeker than its two prequels. The VFX technologists played an important role in shaping up this hi-tech action flick. For the first time an Indian film seemed like a Hollywood Science Fiction thriller by its look & feel. Vivek Oberoi & Kangana Ranaut have also acted quite well but as I have said earlier, Krrish3 is an out n out Hrittik Roshan movie. In short, Jo Hrithik se karte hain pyar, woh ‘Krrish3’ se kaise karein inkaar?

The only thing, which I could not understand is why this film has been titled as Krrish3, ideally it should have been named as Krrish2 instead of Krrish3 because ‘Koi Mil Gaya’ was the story of Rohit and not Krrish.

 

 

যদি আপনি ‘কৈ মিল গয়া’ কিম্বা ‘কৃশ ‘ হ্যাংওভার নিয়ে কৃশ থ্রী  দেখতে বসেন তাহলে কিন্ত সিনেমাটা আপনার অতোটা ভালো নাও লাগতে পারে কারন কাহিনী তথা চিত্রনাট্য দিয়ে বিচার করলে আগের দুটি ছবি ‘কৃশ-থ্রী’-র থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবে। কিন্তু যদি খোলা মনে একটি ভারতীয় কল্প বিজ্ঞ্যান ভিত্তিক হাই টেক সিনেমা হিসাবে ‘কৃশ থ্রী’-কে বিচার করেন তাহলে কৃশ-রূপী ঋত্বিক রোশনের এই নতুন ছবি আপনাকে টানটান উত্তেজনায় মাতিয়ে রাখবে শেষ পর্যন্ত।  ঋত্বিক রোশন এই ছবিতে রোহিত এবং কৃষ্ণ অর্থাৎ বাবা-ছেলে দুজনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। বিশেষত রোহিতের ভূমিকায় ঋত্বিক একেবারে ফাটিয়ে দিয়েছেন। রোহিতের সরলতা, সংবেদনশীলতা, বাৎসল্য সবকিছুই ঋত্বিক নিজের অভিনয়ে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কৃষ্ণ-র ভূমিকায় ঋত্বিক মিষ্টি এবং রোম্যান্টিক আবার সেই একই ঋত্বিক কৃশের চরিত্রে ভীষণভাবে হিরোয়িক। একেবারে আন্তর্জাতিক মানের অভিনয় করেছেন আমাদের দেশের এই সুদর্শন সুপারস্টার।

ভারতীয় সিনেমায় সুপার হিরো চরিত্রে বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করার মতন অভিনেতা একজনই আছেন এবং তিনি হলেন রাকেশ রোশনের পুত্র ঋত্বিক রোশন। এর আগে শাহরুখ খান, অভিষেক বচ্চন দুজনেই নিজের মতন করে চেষ্টা করেছেন ছবির রূপোলী পর্দায় সুপার হিরো হয়ে ওঠার কিন্তু ‘দ্রোণ’ এবং ‘রা-অয়ান’ দুটি ছবিই সুপার ফ্লপ করে প্রমান করে দেয় যে ভারতীয় দর্শকদের কাছে সুপার হিরো শুধুমাত্র ঋত্বিক রোশন, অন্য কেউ নন। ঋত্বিকের এমন অভ্যুথানের পিছনে পরিচালক রাকেশ রোশনের যথেষ্ট অবদান আছে। আসলে রাকেশজী এমনভাবে ঋত্বিকের জন্য চিত্রনাট্য সাজান, যে সেই সিনেমায় দর্শকরা ঋত্বিক ব্যতিত অন্য কোন অভিনেতার কথা অলীক কল্পনাতেও আনতে পারেন না।

এবার পাঠক/পাঠিকাদের জন্য কৃশ থ্রীর গল্পটা অল্প কথায় জানিয়ে দেওয়া যাক। এর আগের পর্বে আমরা দেখেছি কিভাবে কৃষ্ণ তার বাবা রোহিতকে ডঃ আরিয়ার কবল থেকে উদ্ধার করে সিঙ্গাপুর থেকে নিজেদের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। নিজের বাড়িতে ফিরে এসে রোহিত আবার নিজের গবেষণার কাজ নতুন উদ্যমে শুরু করেন। কৃষ্ণ এবং প্রিয়ার বিয়ে হয়ে যায়। সুখি পরিবারের ছবি দেখিয়ে শেষ হয়েছিলো এই সিরিজের দ্বিতীয় ছবি “কৃশ”। সিরিজের নতুন ছবি “কৃশ-থ্রী” -র গল্প শুরু হয় এর কয়েক বছর পর থেকে। ভারত থেকে বহুদুরে অবস্থিত এক জায়গায় বাস করে এক মহা প্রতিভাধর শয়তান, যার নাম ‘কাল’। ‘কাল’ -এর বুদ্ধি আছে, জ্ঞ্যান আছে, প্রতিভা আছে কিন্তু বিবেক নেই। আর নেই চলা ফেরা করার ক্ষমতা। নিজের প্রতিভার অপব্যবহার করে কাল চায় সমগ্র পৃথিবীর অধীশ্বর হয়ে উঠতে। এই লক্ষ্য চরিতার্থ করতে সে মানুষের সঙ্গে জানোয়ারের রক্ত মিশিয়ে তৈরি করে একধরনের পশু-মানব। এই শ্রেণীর হিংস্র পশু-মানবদের নিয়ে কাল পৃথিবীতে শুরু করে দেয় তার তাণ্ডবলীলা। একপ্রকার ভাইরাস বানিয়ে ছড়িয়ে দেয় এক একটি দেশের মধ্যে। তারপর সেই ভাইরাসের এফেক্টে মানুষ মরতে শুরু করলে, চড়া দামে নিজের কোম্পানি থেকে পাঠিয়ে দেয় ভাইরাসের অ্যান্টি ডট। ছোট ছোট কয়েকটি দেশে নিজের এই এক্সপেরিমেন্ট-কে সফল হতে দেখে কাল-এর নজর এবার এসে পড়ে ভারতবর্ষের উপরে। ভারতের ঢুকে কাল নির্মিত বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় কাল-এর পশু-মানবদের দল। সাধারন মানুষকে বাঁচাতে নেমে পড়ে রোহিত এবং কৃশ। এরপর কি হল? সেটা আর এখানে লিখছি না কারন আমি জানি এই লেখা যারা পড়বেন, তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সময় বার করে কৃশ-থ্রী দেখতে সিনেমা হলে গিয়ে বসবেন। তাই কিছুটা নাহয় সাস্পেন্স তোলা থাক দর্শকদের জন্যে।

এই ছবির আসল আকর্ষণ হচ্ছে ভি এফ এক্স টেকনলজির কাজ। দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল ঠিক যেন হলিউডের কোন সায়েন্স ফিকশন সিনেমা দেখছি। Action দৃশ্যগুলি এতটাই টানটান যে দর্শকদের উত্তেজনা তুঙ্গে উঠে যেতে বাধ্য। Action Directors Sui-Tung-Ching এবং Sham Kaushal  দুজনেই মনে রেখে দেওয়ার মতন কাজ করেছেন।

এই ছবির মেক আপ এবং কস্টিউম ডিজাইনিং-র কাজও আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে। রোহিত মেহরা রূপী ঋত্বিকের মেক আপ সত্যি মনে কেড়ে নেয়। কাল নির্মিত ‘কায়া’ রূপিণী কঙ্গানা রানায়াতকে একদম ‘ক্যাট ওমেন’-এর মতন লেগেছে। তবে ক্লাইম্যাক্সে বিবেকের কস্টিউম আমার বেশ চোখে লেগেছে। মুখ-ঢাকা হেলমেট -বর্ম পরিহিত বিবেক কে দেখে হাসি পেয়েছে, ভয় করেনি। বিদেশ থেকে আমদানি করা স্পেশাল মেক আপ আর্টিস্ট-দ্বয় Mike H.G Bates এবং Mike Stinger তারিফযোগ্য কাজ করে দেখিয়েছেন। দুজন কস্টিউম ডিজাইনার দীপিকা লাল এবং অনিরুদ্ধ সিংহের কাজও যথেষ্ট মনগ্রাহী হয়েছে। ক্যামেরাতে এস তিরু দারুন কাজ করেছেন। কিছু শট দেখে তো হলে বসে থাকা দর্শকরা উত্তেজনায় ভির্মি খেয়েছেন। আমার তো মনে হয় এই ছবির সিনেমাটোগ্রাফি স্পাইডারম্যান সিনেমার সঙ্গে তুলনীয়। সম্পাদনায় চন্দন অরোরা একেবারে কাট টু কাট তথা স্লিক। কস্টিউম, মেক আপ, সিনেমাটোগ্রাফি এবং এডিটিং হলো – ‘কৃশ থ্রী’ -র চার উজ্জ্বল ডিপার্টমেন্ট।

অভিনয়ে সবাই বেশ ভালো … বিশেষত কাল চরিত্রে বিবেক অবেরয়। সারাক্ষন একটা চেয়ারে বসে বসে, শুধু মৌখিক অভিব্যক্তির দ্বারা  দারুন অভিনয় করেছেন বলিউডের এই অন্যতম প্রতিনায়ক। কায়ার ভূমিকায় কাঙ্গানা রানায়াত বেশ ভালো কাজ করেছেন। কৃশের স্ত্রী প্রিয়া-র চরিত্রে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার এই ছবিতে বিশেষ কিছু করার ছিল না। বরং সিরিজের আগের ছবিটাতে প্রিয়াঙ্কার জন্যে চিত্রনাট্যে অনেক বেশি রসদ মজুত ছিল। এই ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া একটি সুন্দরী শো পিস ব্যতিত অন্যকিছু নন।

krrish 3 show time

প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কৃশ থ্রী  মূলত ঋত্বিক রোশনের-ই ছবি। আপনি যদি ঋত্বিক রোশনের ফ্যান হন তাহলে আপনি কৃশ থ্রী টিকিট কেটে হলে গিয়ে দেখবেনই, সে আমি রিভিউতে যাই লিখি না কেন! শুধু গল্পটা যদি আরো খানিকটা জমাটি হত তাহলেই আমি এই ছবিকে অনেক বেশি নম্বর দিয়ে ফেলতাম। তাও নম্বর আমাকে দিতেই হবে, তাই ‘ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা-র পক্ষ্য থেকে ‘কৃশ থ্রী’-কে আমি দিলাম : 7/10.

Enhanced by Zemanta


KRRISH 3 – Official Theatrical Trailer (Exclusive) (You Tube)

 

 

 

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and have written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com