Tag: Calcutta University

Durga Puja Special : Influence of Sharad Utsav in Bengali Cinema by Somankar Lahiri (Sholoana Talents)

ওঁ শ্রী সাইরাম

সিনেমায় পুজো দেখা

সোমঙ্কর লাহিড়ী

সিনেমা হল সমাজের আয়না, আধুনা নিয়ামক ও বটে। যে কোন বহমান সামাজিক ঘটনাপ্রবাহ কে সিনেমা যত সুন্দর ভাবে মানুষের কাছে পৌছতে পারে অন্য মাধ্যম বোধহয় ততোটা পারেনা। বাড়ির পুজো যবে থেকে বারোয়ারি হল তখন থেকে তাতে একটা ব্যাপার যুক্ত হল চাঁদা। পথের পাঁচালির প্রথম অথবা দ্বিতীয় দৃশ্যেই আমরা দেখতে পাই শ্রদ্ধেয় তুলসী চক্রবর্তী মশাই এর সেই মুদিখানা চালাতে চালাতে গ্রামের পাঠশালায় ছাত্র পড়ান আর বারোয়ারির চাঁদা দেওয়ার অনবদ্য এক দৃশ্যকল্প, বিস্তারিত বোধহয় কারোকেই জানানোর দরকার নেই।

এহেন পুজো যা কিনা বৈভবে প্রাচুর্যে সবার চাইতে এগিয়ে আছে তা কিন্তু বাড়ির পুজো হিসেবে আমাদের কাছে বেশী বর্নময় ও আত্মিক হয়ে আছে। শিশুর কৌতূহল, বড়দের সে কৌতূহলে যোগদানের উদ্দীপনা দুটোর সুন্দর মেল বন্ধন আমরা দেখি হীরের আংটি তে, জয় বাবা ফেলুনাথে। যা আমার আজ ও মনে হয় দুর্গা ঠাকুরের কাঠামো তৈরীর সময় থেকে, ‘শেষ হবে তো’? এ প্রশ্ন আমার হয়ে যেন পরিচালকরাও করেছেন।

এক চালচিত্রের ডাকের সাজের ঠাকুর একান্নবর্তী পরিবার কেই বোঝাত বোধ হয়, তাই উৎসব ছবিতে বাড়ীর সবাই যখন এক হয় পুজো উপলক্ষে তখন আমাদের ও দলে টেনে নেন তাঁরা। বাড়ীর ছোট মেয়ের এক বৈবাহিক টানা পোড়েন যেন আমাদের ও দমবন্ধ করে রাখে। আর শেষ মুহুর্তের সেই ভিডিও আমাদের বিসর্জনের দুঃখকে আরো বাড়িয়ে তোলে। যাঃ শেষ হয়ে গেল? মাত্র চারদিন?

‘গণেশ তো আছে আফ্রিকার রাজার কাছে’। মা দুর্গার এই বাহনটি যে ভাবে সিনেমাতে ব্যবহৃত হয়েছেন তা বোধহয় অন্য কোথাও হন নি। তীক্ষ্ণ মেধা আর সুক্ষ রসবোধ এই ছবিতে পাশাপাশি বয়ে চলেছে হাতে হাত ধরে।  সাথে রয়েছে এক শিশুর কৌতূহল, ঠাকুরের চোখ আঁকা থেকে সাজ সব তাকে বোঝাচ্ছেন শশীবাবু, এও যেন এক শ্রুতি। প্রজন্মের হাত ধরে চলেছে।

কথিত আছে যে সন্ধিপুজোর সময় মোহিষের শিং এর উপরে একটি সরিষা রাখলে সেটি যতক্ষন থাকবে সেই মুহুর্তের জন্যে নাকি মা দুর্গা ভক্তদের মাঝে আসেন। শোনা কথা, মানতে ও আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের যেন মনের মধ্যে একটা ভরসা জন্মে আছে আমাদের সমস্যা মা এসে দূর করবেন। এই নেতি কেও ভেঙে দিয়েছে সিনেমা আর তারও মাধ্যম মায়ের পূজো।

দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদিকে বস্ত্র দিয়েছিলেন তার লাজ নিবারনার্থে। সেই সাত্যকি আবার শাড়ী দিলেন তবে এবার Vদ্যা কে। এবার সেটাই হয়ে গেল অস্ত্র। একজনের সত্যের সন্ধান, তার নিজের লড়াই আর নিজের শাশ্তিদানের পদ্ধতিকে অপরুপ ভাবে প্রয়োগ করলেন শ্রী সুজয় ঘোষ মশাই তাঁর কাহিনী ছবিতে। Vদ্যা বাগচি, দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা যাঁরা করেন তাদের মুখোশ খুলে দিলেন। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলেন। একা হাতে এই যুদ্ধে তিনি যখন জিতে বেরিয়ে যাচ্ছেন আর দেশের আইন তাঁকে নিজের হেফাজতে নিতে চাইছে ঠিক সেই সময় স্বয়ং মা দুর্গা যেন শত সহস্র লাল পেড়ে সাদা শাড়ির মোহজাল বিছিয়ে দিলেন, তার সাহসিনি কন্যাকে বাঁচাতে। তিনি যেন বার্তা দিলেন তুমি তোমার যুদ্ধ একাই শুরু কর, তোমাকে জেতানর দ্বায়িত্ব আমার। আমি ঐ এক মুহুর্তের জন্যে মর্ত্যে আসি না। আমি অধীষ্টান করি, তোমার ভেতরে।

 

Wishing All our readers a Very Happy Durga Puja !!


Mahalaya – Birendra Krishna Bhadra(Full) (You Tube)

 

bengali writer

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

Enhanced by Zemanta

Mahalaya Memories : Birendra Krishna Bhadra’s voice resounding on the Radio

মহালয়া মহিষাসুরমর্দ্দিনী

সোমঙ্কর লাহিড়ী

mahalaya radio

 

ভাল্ভসেট রেডিওর একটা ছোট্ট আসুবিধা ছিল যে সেটা চালানর সাথে সাথে অনুষ্টান শোনাতে পারত না, তাই সেই ৬০এর দশকের শেষে অনেক বাড়ীতে মহালয়া শোনার জন্যে রেডিও চালু হত ভোর ৩টে ৫০ বা ৫৫ মিনিটে। খানেকক্ষন একটা কোঁওওও শব্ধ, বাড়ীর সবার অধীর একটা অপেক্ষা, ঠিক ভোর ৪টে তে ঘোষকের গলা শোনা যেত “আকাশবানী কোলকাতা, এখন আপনারা শুনছেন…” প্রতি বছর একই সময় একই ঘোষনা, কিন্তু আমার ও আমার মত অনেকের একটা দমবন্ধ উৎকণ্ঠা, কিসের যে উৎকণ্ঠা তা বলতে পারব না, কিন্তু যেই ঘোষনার শেষে শঙ্খধ্বনীর সাথে, বৃন্দবাদন আর তারসাথে সমবেত কণ্ঠে গান শুরু হত আর আমাদের দুর্গাপুজোও শুরু হত।

একটা কালো অন্ধকার রাত, ঠান্ডাটা হাড়ে নয় শুধু গায়ে কাঁটা দেওয়াচ্ছে, বিছানায় পায়ের কাছে চাদর দলা মোচরা হয়ে রয়েছে, আমাদের বাড়ী ও আশপাশের সব বাড়ীকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন শ্রদ্ধেয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়ের শ্রুতি মধুর কণ্ঠে চন্ডীপাঠে। চা চাওয়া যাবে না, মশারি যদি খোলা না হয় তো না খোলাই থাকবে। পরিবারের সবাই যেন ওই বৈদিক মন্ত্রপাঠের মধ্যে দিয়ে গানের মধ্যে দিয়ে ভাষ্যের মধ্যে দিয়ে, পরলোক থেকে আসা পিতৃপুরুষকে তার প্রাপ্য সন্মান বা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। বাকি আনুষ্ঠানিকতা ওই দেড় ঘণ্টা বাদ দিয়ে। আর হিন্দুমতে সুর্যের উদয় না হলে তো দিনেরও শুরু হয় না।

এই যে ‘সর্বপ্রেতি অমাবস্যা’ যে দিন থেকে কিনা হিন্দুমতে ১৬ দিনের দেবীপক্ষের শুরু সেই দিনের সুর্য উদয়ের সময় তর্পনের মাধ্যামে আমরা হিন্দুরা আমাদের পরলোকগত পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা জানাই, কিন্তু এই দিনটা আমাদের কাছে আরো তাৎপর্যপুর্ণ করে তুলেছিলেন শ্রদ্ধেয় বানীকুমার ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়। ১৯৩২ সালে প্রথম এই অনুষ্ঠান আকাশবানী কোলকাতা কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়। সাথে ছিলেন প্রেমাঙ্কুর আতর্থি, নৃপেন্দ্র কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, রাইচাঁদ বড়াল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্টান ছিল বানী কুমার মহাশয়ের মস্তিষ্ক প্রসূত। গ্রন্থনা করেছিলেন বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়, আর এই অনুষ্টানের সুরারোপ ছিল আর এক তৎকালীন দিকপাল সুরকার পঙ্কজ কুমার মল্লিক মহাশয়ের। এনারা সবাই মিলে বোধহয় দেখিয়ে দিয়েছিলেন সুরে সঙ্গীতে কী ভাবে শ্রদ্ধা জানানো যায়।

অনুষ্টান শুরু হত বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মন্দ্র কন্ঠে, ‘তখন শ্রীবিষ্ণু ছিলেন যোগ নিদ্রায়, এ মহাবিশ্বের শ্রষ্টা ব্রহ্মার উদ্ভব হল তাঁর নাভিপদ্ম হতে, এবং মধু ও কৈটভ নামে দুই অসুরের সৃষ্ঠি হল তাঁর কর্ন কুহর হতে’। সেই বয়েসে সমস্ত পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রমুগ্ধ হত কি না আমার জানা নেই, কিন্তু আমাদের বাড়িতে একটা সুচ পড়লেও তার শব্দ বোধহয় শোনা যেত। তারপর ব্রহ্মার তপস্যায় মহামায়ার কৃপায় শ্রী বিষ্ণু তাঁর যোগনিদ্রা ভঙ্গ করে মধু ও কৈটভকে নিকেশ করতেন তাঁর চক্রের সাহায্যে, ছোটরা হাঁপ ছাড়ত, আর অনেক ঠাকুমা দিদিমা মাথায় হাত জোড় করে প্রনাম করতেন, তাঁরা জানতেন আর কিছুক্ষনের মধ্যেই মা দুর্গা উপস্থিত হবেন তাদের মানস মন্দিরে। আজও কী সেই প্রনাম কিন্তু করেন বর্তমানের ঠাকুমা দিদিমারা? দেবী দুর্গার সেই আদি রুপ চণ্ডীতে বর্নিত হয়েছে আদি শক্তির রুপ হিসাবে যাঁর সৃষ্টি নেই লয় নেই সেই পরম তেজঃপুঞ্জ হতে দেবী দুর্গা এলেন দেবগণের প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে, যাঁরা কিনা দেবাদিদেব মহাদেবের বরপ্রাপ্ত মহিষাসুরের অত্যাচারে দেবলোক হতে বিতাড়িত। ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর সেই শক্তিকে চিরায়ত মাতৃরুপ দান করলেন নাম হল মহামায়া, তিনি তখন মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। তাঁকে হিমালয় দিলেন সিংহ বাহন হিসাবে ব্যবহারের জন্য, বিষ্ণু দিলেন চক্র, দেবাদিদেব দিলেন ত্রিশুল, যম দিলেন দন্ড, ব্রহ্মা দিলেন কমন্ডুল ও জপমালা, ইন্দ্র দিলেন বজ্র, চন্দ্র দিলেন অস্টচন্দ্র, কালদেব দিলেন খড়্গ, সুর্য দিলেন ধনুক বান, কুবের দিলেন কন্ঠহার, বিশ্বকর্মা দিলেন বর্ম বা কবচ। তিনি আয়ূধময়ী হয়ে গেলেন রণে। অসুর বিনাশে। সত্যের জয় স্থাপনে। দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দ্দিনী রুপ ও চণ্ডী হয়ে গেলেন সমরুপা।

তারপর মহিষাসুরের সাথে তাঁর যুদ্ধ যে রণে মহিষাসুর ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলাচ্ছে, মা দুর্গাও বিভিন্ন ভাবে তাকে পরাস্ত করে চলেছেন সব শেষে শিবের ত্রিশুল মায়ের হাতে ঝলাসাল মহিষাসুরের বুক বিদীর্ন করে দিল, মহিষাসুর করজোড়ে মাতৃবন্দনায় রত হলেন ও মাতৃ আশীষে তার মাঝে লীন হলেন ও পুজিত হলেন মর্তে। সবশেষে মাতৃস্তুতিগানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি।

এই পুরো সময়টা বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র তাঁর সুমধুর কন্ঠে পাঠের মধ্যে দিয়ে শ্রদ্ধেয় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় (তব অচিন্ত রুপ শোভিত মহিমা..), শ্যামল মিত্র, তরুণ বন্দোপাধ্যায়, বিমল ভুষন, শ্রী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, শ্রীমতী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শ্রীমতী আরতী মুখোপাধ্যায়, উৎপলা সেন, কৃষ্ণা দাসগুপ্ত ও সুপ্রীতি ঘোষ (বাজল তোমার আলোর বেনু), তাদের গানের মাধ্যমে আমদের এক অনাবিল আনন্দের দেশে নিয়ে যেতেন বা যান, এখনও।

প্রথমদিকে এই অনুষ্টান হত সরাসরি, যাকে বলে লাইভ। প্রত্যেক কলা কুশলী ঐ ভোরে স্নান করে স্টুডিও তে আসতেন ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয় পট্ট বস্ত্র ধারন করে শঙ্খ ধ্বনির মাধ্যমে এই অনুষ্টানের সুচনা করতেন, সেই সময় অনুষ্টানটি হত নাকি প্রায় দু ঘণ্টা, পরে অবশ্য সেই সময় সীমা কমে হয় দেড় ঘণ্টা, আর তার ও পরে রেকর্ডেড অনুষ্ঠান চালু হয়। আর সেই রেকর্ডের ক্যাসেটের সিডির বিক্রয় কিন্তু আজও বেশ ভালই। ২০০৬ সালের মহালয়ার দিন বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্যা শ্রীমতী সুজাতা ভদ্র হাতে ‘সারেগামা’ ইন্ডিয়া লিমিটেডের পক্ষ থেকে তাঁর বাবার এই অমর সৃষ্ঠির বিক্রয়স্বত্ত্ব বাবদ ৫০৯১৭ টাকার একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। শিল্প সৃষ্ঠিকে টাকার মুল্যে বিচার করা একধরনের বাতুলতা ভাবতে পারে লোকে। এটা শুধু একটা কালজয়ী সৃষ্ঠিকে বানিজ্যিক কুর্নিশ বলা যায়।

১৯৭৬ সালে আকাশবানী এই অনুষ্ঠানটিকে একটু অন্যরকম ভাবে উপস্থাপিত করতে চান এবং সেই দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় মহানায়ক উত্তমকুমার কে, তাঁকে সহযোগিতা করতে ছিলেন রচনায় ডঃ ধ্যানেশ রঞ্জন চক্রবর্তী, পাঠে স্বয়ং  উত্তমকুমার, বসন্ত চৌধুরী, পার্থ ঘোষ, ছন্দা সেন প্রমুখ, স্তোত্র পাঠে ছিলেন   ডঃ গোবিন্দো গোপাল মুখার্জী, মাধুরী মুখার্জী, হেমন্ত মুখার্জী। গানে ছিলেন হেমন্ত মুখার্জী, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, মান্না দে ও আরো অনেকে। কিন্তু বাংলা তথা ভারতের অন্য প্রান্তের বাঙ্গালী সেই প্রোয়াস কে সেই ভাবে সমর্থন করেন নি।

আগামী কাল ভোরে আবার রেডিয়ও বাজবে আবার মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গা পুজার ঢাকে কাটি পড়বে। কিন্তু একটা ব্যাপার আক্ষেপ থেকেই যাবে মনে, যার জন্য সম্বৎসর অপেক্ষা করে বাঙালি তাকে ট্রাফিক জ্যামে আটকে শুনলে কি আর সেই রকম ভাল লাগবে? মাননীয়া যদি একটু ভাবেন। বন্যেরা আজও বনেই সুন্দর।

 


Mahalaya – Birendra Krishna Bhadra(Full) (You Tube)

 

Image Credits: Google Images

 

Article Contributed by:

bengali writer

 

Shri Somankar Lahiri was born on 17th of January 1967, in a small town name Serampore, in Hooghly district. His parents were Late D.S.Lahiri and Late Mukul Lahiri. Shri Lahiri completed his schooling from Mahesh Sri Ramkrishna Ashram, (1982) Chatra Nandalal Institution (1984) and graduated from Calcutta University in 1986. At present he is working with National Sample Survey Office, which belongs to The Ministry of Statistics and Program Implementation, as a Data Processing Asst. Along with adeptly managing his professional life, Shri. Lahiri also zealously follows his passion for writing and has many a beautiful short stories and excerpts to his credit.

Enhanced by Zemanta