Tag: Chennai Express

Fashion Photographer Sudip Majumder and Make-Up Artist Papiya Chanda Launched Studio Blue Angle

Sudip majumder fashion calender Sudip majumder photographs singer lopamudra Fashion Photographer SudipFashion Photographer SudipFashion Photographer SudipSudip majumder photography Fashion Photographer Sudiptollywood actress sonaleefashion photography      

Ace Fashion photographer Sudip majumder and popular Make Up artist and stylist Papiya Chanda have joined hands to create Studio Blue Angle and as their debut production together, the duo has launched a fascinating State-of-the-art fashion calendar that captures twelve moods of twelve drop dead gorgeous models that are in sync with the twelve months of the year.

Love, rain, colors, poetry, patriotism, beauty and sensuality form the underlying themes of this one-of-a-kind calendar. Leading Tollywood actress Sonalee Choudhury and models Madhumita, Nilanjana, Sonu, Soham, Ditipriya, Lopamudra, Upasana, Tua, Sumana, Manali, Maitreyee and Priyanka have posed for this calendar and added to the glamor quotient of this wonderful piece of art.

The calendar was launched on January 14, 2014 at Square 4o5 in Mani Square Mall Kolkata in the presence of Tollywood singer Lopamudra Mitra, Music composer Joy Sarkar and lyricist Srijato; all of whom were quite happy to be a part of the launch and were all praises for Sudip and his work. Papiya Chanda, whose brushed have played magic wand and given a makeover to many a popular pretty faces of Tollywood also received a lot of praises for her innovative styling and make up that has made this calendar a collector’s item.

Ayan Hare, co-stylist with Papiya and Hair Dresser Abinash Bhowmick also deserve a special mention as they had made a great contribution to this project. Amit Mondal, in-charge of the editing and graphic is the man behind the final glitzy finished product that the Blue Angle Table Top Calender is at present.

Sholoana Bangaliana spoke to the models at length during the launch and all of them said almost in unison that they had a gala time shooting for this calendar and Sudip and Papiya Chanda have actually created a one of a kind product, something that is not often heard of or seen in Kolkata.


Interview: Models speak to Sholoana Bangaliana at Blue Angle Calender Launch (You Tube)

 

 

 

Enhanced by Zemanta

Miss Lovely Promotions in Kolkata; Nawazuddin Siddqui is a Porn Films Producer in this New Movie

Miss Lovely

Nawazuddinn Siddiqui, Niharika Singh and director Ashim Ahluwalia were in Kolkata to promote their New Movie “ Miss Lovely ”. The press conference for this film took place at Hotel Hindustan International Kolkata.

Miss Lovely

Miss Lovely is a film which is set in the criminal depths of Mumbai’s C-grade (horror and porn film) industry. The story is primarily about the Duggal brothers who produce sleazy sex horror films in the mid 1980’s. The movie explores the intense and mutually destructive relationship between the younger sibling Sonu Duggal(Nawazuddin) and his elder brother Vicky(Anil George). Sonu finds himself drawn to a mysterious young woman named Pinky (Niharika Singh) which eventually leads to his downfall.

Speaking about the film, Ashim Ahluwalia said “The stylized form, densely layered narrative, period costumes and production design simultaneously conveys a pulp style and contemptuous modernity. The film constantly switches between genre pieces and is a part love story, part documentary and part melodrama”. This is the first feature film of the director who wants to stay away from making commercial factory productions genre of movies. The film has been shot on a combination of Kodak Super 16 and 35 mm films in widescreen.

nawazuddin siddiqui

Nawazuddin while sharing his experience of working with Niharika Singh said, “The first day I came to know I have to work with a model as my co-actor, I was nervous. However when we began acting, I found her to be honest, easy going and comfortable to work with”. This is Nawazuddin’s first film in a lead role and the actor is sort of happy at having bagged a role as the lead. He also laid stress on the fact that he will be looking for more such lead roles in this year.

niharika singh in miss lovely

Niharika Singh, the winner of Femina Miss India Earth 2005 revealed that she had been warned by her friends not to do such a film like Miss Lovely. “This is not the typical Friday release that audiences are habituated at watching. This is a new kind of film which aims at addressing an issue” said the pretty actress who is yet to make her mark in Bollywood. The actress had done many films which did not release. “I do not have any god father in the industry to guide me. I did films earlier which came my way. Now I will pick the films on the basis of the script and the director” added the actress.

The film has competed in the Un-Certain regard section at the 2012 Cannes Film Festival. It has also been screened at the Toronto International Film Festival and International Film Festival Rotterdam. Miss Lovely is scheduled for commercial release in India on January 17, 2014.

Priyanka Dutta

Enhanced by Zemanta

New Bangla Movie Durbin Review, Poster, Interview; A Confluence of Goendas

Durbin Movie Review

প্রথমেই এটা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন যে ‘ছোট’ দের জন্য ছবি করা কিন্তু একেবারেই সহজ কাজ নয়। তাদের জন্য সিনেমা বানাতে গেলে কিছু জিনিস পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার-কে সর্বদা মাথায় রাখতে হয়। প্রথম কথা – চিত্রনাট্য এমন হতে হবে যা তাদের সরল মনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। দ্বিতীয় কথা – কঠিন কথাগুলিকে তাদের কাছে সহজভাবে উপস্থিত করতে হবে। সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray) (গুপি গাইন – বাঘা বাইন / হীরক রাজার দেশে), তপন সিনহা (Tapan Sinha) (সবুজ দ্বীপের রাজা) কিম্বা ঋত্বিক ঘটক (Ritwik Ghatak) (বাড়ি থেকে পালিয়ে) যখনই ছোটদের জন্য ছবি করেছেন, এই কথাগুলিকে মেনে চিত্রনাট্য লিখেছেন। ‘ওরে হাল্লা রাজার সেনা !!! তোরা জুদ্ধু করে করবি কি তা বল?’ অথবা ‘… একবার ত্যাজিয়ে সোনার গদি, রাজা মাঠে গিয়ে যদি হাওয়া খায়। তবে রাজা শান্তি পায়। একবার ভেবে দেখুন পাঠকরা, কত বড় জীবন/সমাজদর্শনের কথা, কিন্তু কত সহজ ভাষায় অভিব্যক্ত করা! অথবা সবুজ দ্বীপের রাজা ছবিতে যখন শহুরে মানুষের লোভের কথা তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি ‘পাতালঘর’ ছবির কথাও এখানে উল্লেখ্য। যেখানে সাম্রাজ্যবাদ তথা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানবিকতার কথা, সম্পর্কের কথা, ভালবাসার কথা কত সহজভাবে বলা হয়েছিল। অনেকেই হয়ত বলবেন যে গোয়েন্দা গল্পে সমাজদর্শনের কথা কিভাবে বলা যেতে পারে? কিন্তু একটু ভেবে যদি দেখেন তাহলে দেখবেন ব্যোমকেশ বক্সী (Byomkesh Bakshi) থেকে শুরু করে পাণ্ডব গোয়েন্দা সব গল্পেই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির জয়ের কথা বলা হয়েছে সহজভাবে। অপরাধ একধরনের সামাজিক অসুখ এবং রহস্যভেদি গোয়েন্দা সেখানে ডাক্তার, যার মূল কাজ হচ্ছে, নিজের বুদ্ধিমত্তার দ্বারা সেই অপরাধের কিনারা করা এবং অপরাধীকে সংশোধনাগারে পাঠানো। অনেকসময় এমনও হয়েছে যে গোয়েন্দা অপরাধীকে ধরে ফেলেও শেষে মুক্তি দিয়েছে কারন তার বিশ্বাস হয়েছে যে অপরাধী নিজেই এখানে অবিচারের শিকার।

DURBIN ছবির গল্পে তেমন বুদ্ধিমত্তার কোনোরকম ঝলক খুঁজে পাওয়া যায়না। গল্পটাকে বেশ ‘বোকা-বোকা’ বলা চলে। প্রধান চমক হিসাবে কাহিনী, চিত্রনাট্যকার তথা ছবির সৃজন-পরিচালক সুব্রত গুহ রায় বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল গোয়েন্দাকে এই গল্পে একসঙ্গে নিয়ে এসেছেন। সত্যজিৎ রায়ের প্রদোষ মিত্র ওরফে মধ্যবয়স্ক ‘ফেলুদা’ (Feluda) এবং শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Saradindu Bandopadhyay) বৃদ্ধ ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ এই পাড়ার একই ভাড়া বাড়ির উপর-নিচে বসবাস করেন। বর্তমান সময়ের ফেরে প্রাইভেট গোয়েন্দাদের পেশায় খরা তাই আজ দুজনের হাতেই তেমন কেস নেই। ফেলুদা এবং তোপসে বাচ্ছাদের অঙ্কের টিউশন দেন এবং ব্যোমকেশের বন্ধু অজিত জীবন বিমার এজেন্ট হিসাবে কাজ করেন। বলতেই হচ্ছে পুরো ব্যাপারটা যতটাই হাস্যকর ততটাই খেলো। চিত্রনাট্যকার বোধয় বর্তমান কলকাতায় প্রাইভেট ডিটেকটিভ এজেন্সি-গুলির বাড়বাড়ন্ত বাজারদরের খবর রাখেন না। কর্পোরেট, সম্পত্তি তথা বৈষয়িক এবং প্রাক- বৈবাহিক তদন্ত নিয়ে কলকাতার ডিটেকটিভ এজেন্সি গুলির এখন বেশ রমরমা অবস্থা। লেখায় হাত দেবার আগে আরো খানিক রিসার্চ করে নেওয়া উচিৎ ছিল সুব্রতবাবুর। যদি আমরা সৃজনজনিত কারনে যদি ধরেও নিই যে ফেলুদা এবং ব্যোমকেশের হাতে বর্তমানে তেমন জবরদস্ত তদন্তের কাজ নেই তাহলেও বলতেই হবে ‘দুরবীন’-এর মূল গল্পটাই ভীষণ দুর্বল।

দুরবীন ছবির মূল চরিত্র একটি ছোট্ট ছেলে ‘পুপুল’ এবং দুই বন্ধু তাতাই আর ভেবলি। এই দুই ছেলে এবং একটি মেয়ে মনে মনে ‘গোয়েন্দা’ ভাবে এবং রাস্তায়, ঘাটে, অলিতে-গলিতে যেখানেই একটু রহস্যের গন্ধ পায়, সেখানেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। পুপুলের বাবা একজন আইনজীবী এবং পাড়ার সবার সাথেই তার সম্পর্ক বেশ ভালো। পুপুল বাবার কাছে জন্মদিনের উপহার হিসাবে একটি দুরবীন চায় কিন্তু পুপুলের মা আপত্তি তোলাতে তিনি ছেলেকে ‘দুরবীন’ উপহার দিতে পারেননা। এদিকে আদরের ভাগ্নের আবদার মেটাতে পুপুলের মামা তাকে জন্মদিনের উপহার রূপে একটি দুরবীন কিনে দেন। সকালবেলা ছাদে উঠে পুপুল সেই দুরবীন দিয়ে একটি ‘হত্যাকাণ্ড’ স্বচক্ষে প্রতক্ষ্য করে ফেলে। পাশের বাড়ির ‘দত্তকাকু’-কে আচমকা একজন ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। পুপুল হত্যাকারীকে চিনে ফেলে কারন দুরবীনের সাহায্যে সে অপরাধীকে খুব কাছ থেকে দেখেছে। এতেও ক্ষান্ত নেই!!! পুপুলের দুরবীন আবার জাদু দুরবীন … দুরবীন থেকে স্বর নির্গত হয়ে পুপুল্-কে সব বিপদের কথা আগে থেকে জানিয়ে দেয়। এমনকি খুনির আসল পরিচয়টাও ঐ দুরবীনই পুপুলকে জানিয়ে দেয়। প্রথমে ভয় পেয়ে গেলেও পরে পুপুল, তাতাই এবং ভেবলি নিজেদের মতন করে খুনিকে ধরার চেষ্টা করতে থাকে।

এদিকে দত্তকাকুর স্ত্রী এই কেসের দায়িত্ত্ব দিতে যান ব্যোমকেশ বক্সীর কাছে অথেচ মাঝপথে তোপসে এবং ফেলুদার বন্ধু লেখক লালমোহনবাবু দত্তবাবুর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়ে কেস নিয়ে চলে যায় ফেলুদার কাছে। ফেলুদা কেস হাতে পেয়ে সিধু জ্যাঠার কাছে যায় এবং জানতে পারে যে দত্তবাবুর সঙ্গে ফিল্ম ডিরেক্টর গোবিন্দ গড়গড়ি-র ঝগড়া হয়েছিল কারন দত্তবাবুর স্ত্রী বিয়ের আগে ছবির নায়িকা ছিলেন। ছবির মাঝপথে প্রযোজক দত্তবাবুকে বিয়ে করে নায়িকা ছবি ছেড়ে দেন। সেই বিয়েকে কেন্দ্র করেই অতঃপর প্রযোজক এবং পরিচালকের মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। এই পর্যন্ত পৌঁছেই ফেলুদার মগজাস্ত্র পথ হারিয়ে ফেলে। অতঃপর অগতির গতি ব্যোমকেশ বক্সী। এরপরে ফেলুদা এবং ব্যোমকেশ দুজনে একসঙ্গে দত্তবাবুর খুনের কিনারা করতে আসরে নেমে পড়েন অজিত, তোপসে এবং লালমোহন গাঙ্গুলি-কে সঙ্গে নিয়ে। এদিকে পুপুল, তাতাই, ভেবলিও নিজেদের মতন করে খুনি গোবিন্দ গড়গড়িকে কে ফাঁদে ফেলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ধুরন্ধর অপরাধী গোবিন্দ সুযোগ বুঝে পুপুলকে অপহরন করে। এরপর ভেবলি -তাতাই দের থেকে খুনির নাম জেনে নিয়ে ফেলুদা – ব্যোমকেশ পুপুল-কে গোবিন্দ-র কবল থেকে পুপুল-কে উদ্ধার করে। ছবির একদম শেষে এসে জানা যায় যে আসল মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন স্বয়ং প্রয়াত দত্তবাবুর স্ত্রী, যার গুলিতে খুন হয় গোবিন্দ গড়গড়ি। জানা যায় যে দত্তগিন্নীর অঙ্গুলিহেলনেই তার স্বামীকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়ে খুন করেছিল গোবিন্দ গড়গড়ি। কিন্ত কেন যে তিনি নিজের স্বামীকে গোবিন্দর হাত দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, সেই উত্তর কিন্তু আমরা ছবির শেষে এসেও খুঁজে পাইনা। এরপরে জানা যায় সবটাই স্বপ্ন ছিল। জন্মদিনের রাতে দুরবীন উপহার পেয়ে আনন্দিত পুপুল ঘুমের মধ্যে এই পুরো ঘটনাটা স্বপ্নে দেখছিল। গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে গেলে হয়ত ভালো হত। এতদুর পর্যন্ত তাও মেনে নেওয়া যেত কিন্তু এরপরেই যা ঘটলো, সেটাকে কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।

পুপুল ছাদে উঠে চোখে আবার দুরবীন লাগিয়ে যখন দেখল যে তার দেখা রাতের স্বপ্নের মতনই সবকিছু একইরকম তখন সে মনে মনে চাইতে শুরু করলো যে পাশের ছাদে এক্সারসাইজ করা ‘দত্তকাকু’ খুন হয়ে যান। যাতে তার স্বপ্নে ছএকবারও ভেবে দেখলেন না ? চুরি কিম্বা অন্য কিছু রহস্য পর্যন্ত ঠিক ছিল কিন্তু হত্যা? একটি সরল বাচ্চা ছেলে কিভাবে মনে মনে চাইতে পারে যে তার বাবার এক বন্ধু, স্নেহশীল এক কাকু খুন হয়ে যান? এটা কি ধরনের জীবনদর্শন? এমন যদি সব খুদে গোয়েন্দা ভাবতে শুরু করে তাহলে সমাজের কোন সৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ হবে? প্রথমেই লিখেছিলাম যে ‘ছোট’ দের জন্য গল্প লেখা অথবা সিনেমা বানানো মোটেও সোজা কাজ নয়! সৈকত মিত্র, সুব্রত গুহ রায় এবং স্বাগত চৌধুরী তিনজনের টিম ‘ডাহা’ ফেল করে গেলেন! সমিত গুপ্তের চিত্রগ্রহণ খুব সাধারন মানের। বেশির ভাগ দৃশ্য বাড়ির ভিতরের অথবা পাড়ার গলির মধ্যে। ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের মধ্যে কোনরকম নতুনত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না। এই ছবির আরেক দুর্বলতা হচ্ছে সুজয় দত্ত রায়ের ‘সাধারন’ মানের সম্পাদনা। এখনকার বাংলা ছবিতে যেপ্রকার কারিগরী দক্ষ্যতার নিদর্শন দেখা যায়, তার ছিটেফোঁটাও ‘দুরবীন’ ছবিতে দুরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। সৈকত মিত্রের (Saikat Mitra) কণ্ঠে তথা সুরে শুরুর গানটা শুনতে বেশ লাগে এবং সুমিত সমাদ্দারের (Sumit Samaddar) গানের ‘কথা’ ও উপযোগী। পরিচালক স্বাগত চৌধুরী-কে (Swagato Chowdhury) নিয়ে লেখার বিশেষ কিছু নেই কারন সুব্রত গুহ রায়-ই এই ছবির আসল পরিচালক।

অভিনয়ে খলনায়ক গোবিন্দ গড়গড়ির ধুরন্ধর চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় (Shantilal Mukherjee) নিজের মতন করেই অভিনয় করেছেন। শান্তিলাল এমন একজন অভিনেতা, যার অভিনয় দেখতে সবসময় ভালো লাগে। পুপুলের মা-এর ভূমিকায় অঞ্জনা বসু সীমিত অবসরে বেশ ভালো অভিনয় করেছেন। পুপুলের বাবার চরিত্রে কাহিনী-চিত্রনাট্যকার সুব্রত গুহ রায়ের অভিনয় খারাপ লাগেনা। দত্তবাবুর ছোট্ট ক্যামিওতে গায়ক প্রতীক চৌধুরী-কে (Pratik Chowdhury) বেশ দেখতে লেগেছে কিন্তু অভিনয় করার তেমন সুযোগ তিনি পাননি। গল্পের মূল খলনায়িকা মিসেস দত্ত-র ভূমিকায় ছোট পর্দার ব্যস্ত তথা বিখ্যাত অভিনেত্রী অপরাজীতা আদ্ধ্য (Aparajita Auddy) যতটা সুযোগ পেয়েছেন, সেটার পরিপূর্ণ স্বদব্যবহার করেছেন। পুপুল, তাতাই এবং ভেবলির চরিত্রে তিন খুদে রঙ্গিত, দীপ্তদীপ এবং অহনা-কে নিয়ে লিখতে গিয়ে কিঞ্চিৎ কুণ্ঠাবোধ করছি কারন ওরা তিনজনেই বয়সে খুব ছোট। তাও লিখতে বাধ্য হচ্ছি যে দীপ্ত সারাক্ষন দাঁতে দাঁত চেপে সংলাপ বলে গেল। রঙ্গিত (Rangeet Guha Roy) ভীষণ কনশাস, হাতে পায়ে যেন সারাক্ষন ‘আঠা’ লেগে ছিল। সংলাপ বলতে গিয়েও খুব নার্ভাস লাগছিল রঙ্গিতকে। তিনজনের মধ্যে একমাত্র অহনা-কেই বেশ সপ্রতিভা লেগেছে, তার অভিনয়ে বিশেষ জড়তা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ব্যোমকেশ বক্সীর চরিত্রে আমাদের সবার প্রিয় অভিনেতা Soumitra Chatterjee-কে দেখতে দারুন লেগেছে। সত্যি তো, ব্যোমকেশ বক্সীর বয়স বাড়লে এমনটাই তো হতেন। বৃদ্ধ অথচ সর্বদা চৌকস তথা স্মার্ট। অজিত রূপে থিয়েটর অভিনেতা রজত গঙ্গোপাধ্যায়-কেও বেশ মানানসই লেগেছে বয়স্ক ব্যোমকেশের পাশে। অনেকদিন পরে আমরা একজন নতুন লালমোহন গাঙ্গুলিকে পেলাম ছবির পর্দায়। ইনিও গাঙ্গুলি … তবে … নিত্য গাঙ্গুলি (Nitya Ganguly) !!! ভালোই লেগেছে আমাদের নিত্যদাকে লালমোহনবাবু রূপে। যদিও আরো খানিকটা ওজন বাড়ালে আরও বেশি মানাত। অভিনয়টা কিন্তু নিত্যদা জমিয়ে করেছেন। তোপসের ভূমিকায় ছোট পর্দার অভিনেতা অরিত্র-কে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত লেগেছে। ফেলুদার চরিত্রে সব্যসাচী চক্রবর্তীকে (Sabyasachi Chakraborty) নিয়ে নতুন করে কিই বা লিখি? যতদিন না অঞ্জন দত্তের (Anjan Dutta) ব্যোমকেশ বক্সীর খোলস ঝেড়ে ফেলে সন্দীপ রায়ের (Sandip Ray) পরবর্তী ফেলুদা ছবি ‘বাদশাহি আংটি’-তে ফেলুদা রূপে আবীর চট্টোপাধ্যায় বড় পর্দায় আবির্ভূত হচ্ছেন, ততদিন আমাদের কাছে বর্তমান ফেলুদা বলতে তো ‘বেনুদা’-ই। এই ছবিতে অবশ্য বেনুদা খানিক কমেডি মিশিয়ে দিয়েছেন ফেলুদা চরিত্রে। এই ছবিতে ‘ভানু গোয়েন্দার’ চরিত্রটিকেও স্বল্পক্ষনের জন্যে নিয়ে এসেছেন চিত্রনাট্যকার কিন্তু ভানু গোয়েন্দা রূপী দেবাঞ্জন নাগ (Debanjan Nag)-কে আমরা একটি দৃশ্যের বেশি দেখতে পেলাম না। কেন? এর উত্তর আমার জানা নেই।

একটি দৃশ্যে যখন ফেলুদা ব্যোমকেশের হাতে পায়ে ধরে, অনুনয় বিনয় করছেন কেসে সাহায্য করার জন্যে তারপর বলছেন যে এটা তো মানবেনই যে আপনার এতো জনপ্রিয়তার পেছনে আমার বাবারও কিছুটা কন্ট্রিবিউশন আছে … চিড়িয়াখানা … ওহ … সরি … চারমিনার নিন। এই সংলাপটা আমার দারুন লেগেছে।

Sholoana Bangaliana-র পক্ষ থেকে পরিচালক স্বাগত চৌধুরীর প্রথম ছবি ‘দুরবীন’-কে আমি 4/10 নম্বর দিলাম।

Durbin Review can thus be summarized by saying  that Fantastic performances by Soumitra Chatterjee and Sabyasachi Chakraborty got wasted due to a weak story and script.


Interview: Durbin Child Artist Ahana Dutta and Director Swagato (You Tube)

 

SanjibSanjib Banerji takes a keen interest in both Old and Contemporary/modern Bengali literature and cinema and has written several short stories for Bengali Little magazines. He also runs a little magazine in Bangla, named – Haat Nispish, which has completed its 6th consecutive year in the last Kolkata International Book Fair. Being the eldest grandson of Late Sukumar Bandopadhaya, who was the owner of HNC Productions and an eminent film producer cum distributor of his time (made platinum blockbusters with Uttam Kumar, like “Prithibi Aamarey Chaaye”, “Indrani” and several others), Sanjib always nurtured an inherent aspiration of making it big and worthy in the reel arena. He has already written few screenplays for ETV BANGLA.
Sanjib can be reached at sanjib@sholoanabangaliana.com
The information and views set out in this movie review are those of the author and do not necessarily reflect the official opinion of the Publication/Organization. Neither the Publication/Organization nor any person acting on their behalf may be held responsible for the use which may be made of the information contained therein.

 

Enhanced by Zemanta

Is Kolkata giving a miss to Shahrukh Khan’s Chennai Express; The cheesy ‘lungi dance’ may be a saving grace

Chennao Express

Watched the much hyped, Chennai Express. The film’s story is about how Rahul(Shahrukh Khan), gets mixed up in the problems of Meenama (Deepika) and instead of going to Goa lands up in her village to help her. So far all looks well to the audience. The problem starts when SRK boards the train, Chennai Express. It is one mistake after another from here. It is from here the film becomes BOKWAS (Typically in the accent used by Deepika). Repeated references to his earlier films and making stale jokes of many popular scenes are not what one expects from SRK. The man is over the top in most of the scenes. I wonder where the actor who had done films like Chak De, Swades is? This is not the SRK I have grown up watching. Deepika looks good as the South Indian Girl and her accent sounds good. Looking for intellectual element in a Rohit Shetty film is not a good idea, I know that. But unlike his earlier films which were funny in a silly way, this one is unfunny.

The music is nothing out of the blue. The tribute song for Rajnikant “the lungi dance” is a cheesy output. The other item number 1,2,3,4 is slightly better than the other one. The music is simply not pleasing for the ears. The locales are good and have been shot beautifully. However this is a film and not a travel show. Why will one go to the hall simply to watch beautiful locales? The satellite and the internet have made it already possible to see them at home. Despite portraying the role of a sweet seller, SRK fails to mix sweetness in this film which turns out to be stale, bland. Board the train at your own risk because as the jokes which are doing the rounds say, “Chain nai express”.

Enhanced by Zemanta

Shahrukh Khan in Kolkata to promote Chennai Express- Durga Puja crowd seen just in one evening

SRK Welcome

The evening of 27th July again saw Kolkata’s passion and enthusiasm owed to the presence of King of hearts Shahrukh Khan’s presence in City Center 2 in Rajarhat Kolkata. The crowd that CC2 witnessed in the evening can be seen in Kolkata only during Durga Puja, but then again King Khan’s presence is definitely no small an event for us Kolkatans. SRK was in town to promote his upcoming film, Chennai Express and to meet and brief the press about the movie and its prospects. He started off with a live performance, driving the crowd crazier and then went on to meet the press.

Shah Rukh Khan in Kolkata

Sharukh passionately spoke about his association with the city and also told the press that of all the places he visits the kind of warmth that he gets from the people of Kolkata is unmatched and most overwhelming. SRK, the brand ambassador of the city also said that he loves Kolkata and just finds a reason to come here again and again.

About the film he said that it is an action comedy film with a sweet layer of romance in it. This Rohit Shetty Film is already very popular because of its star cast, unique dialogues and soulful music. He said that it is a clean family film which can be enjoyed by people of different ages.

“Chennai Express”, stars Shahrukh Khan and Deepika Padukone and the two actors have come together to share screen space after six years. Their first film together was Om Shanti Om that established and introduced Deepika to Bollywood and since then there has been no looking back for ravishing Deepika. Talking about Deepika, King Khan said that they are very good friends and he did not find any change in her as an actor or as a person after all the success she has tasted off late. According to him, Deepika is the epitome of Stardom in Bollywood and with her charming personality and beautiful looks she is exactly what an international actor should be.

Shahrukh also voiced his opinion about the increasing crime rate in Bengal against women and feels that it is not only the case of a single city or state, this is something that can be seen all around the world. He said that in order to get rid of this ordeal, the basic education of boys needs to be looked into. Respecting women and protecting them and their rights should become second nature to them right from the very childhood and this can be achieved only with constructive basic education.

The Bollywood Hindi film Chennai Express will be releasing on 9th August, on the auspicious occasion of Eid. Probed about the plan of releasing his film on Eid, the Baadshah mentioned that it is not his conscious choice as he is not too superstitious about these things. He however feels that Eid, Diwali and Christmas are the three most important times to release films from a commercial point of view as it is during these festivals that people need avenues to enjoy and the fun of watching a fully entertaining masala Bollywood Hindi film is second to none.

With Sharukh Khan in Kolkata to promote the movie, the fate of Chennai Express seems to be sealed at least in the city as probably no other city has as many SRK fans as Kolkata can boast of.

Enhanced by Zemanta

Shah Rukh Khan in Kolkata for promotion of Chennai Express (You Tube)

 

Photo and Video by: Amitav Sarkar

Report By: Sneha Singh