Tag: kabir suman

Jatishwar Trailer launch; Bengal eagerly looking forward to Srijit Mukherji’s New Bangla Movie

Jatishwar trailer

Srijit Mukherjee’s next directorial venture “Jatishwar” has eminent actor Prasenjit Chatterjee playing the lead character of Antony. The trailer launch of this upcoming Bangla Movie took place recently at Axis Mall. Among the other dignitaries who graced this occasion were Sidhu, Kabir Suman, Kumar Sanu, Jisshu Sengupta and Indraadip Dasgupta. The film is produced by Reliance entertainment and Rana Sarkar.

Speaking on the occasion, Srijit Mukherjee said “The film is actually a remake of the hit film “Antony Firingi” starring Mahanayak Uttam Kumar. The film is based on the story but the setting is contemporary. I have set the film on a contemporary frame just so that the audience can easily relate to it. Hence the film is set in a 2013 set up. The audience will go back and forth in time as the story has reincarnations in it”. The shooting of this film has been done in various parts of the city and also in Chandannagar, Naihati and Paris.

Since the film is based on a Kabiyal singer, music plays an important role here. Lot of research has gone into the music in order to make it sound credible. The music of this film has been composed by ace musician Kabir Suman.

tollywood hero prosenjit chatterjee

Looking just like a Bengali groom in the traditional Dhoti and Panjabi in the Jatishwar Trailer Launch function, Prosenjit Chatterjee captured the eyes of the assembled guests. “Bengalis have ceased to be Bengalis. They are no more proud of their culture. Hence I am trying in my own small way to revive the culture by sticking to the Bengali way of dressing” said the actor. The actor also said that this film is a special project for him.

Prasenjit Chatterjee left the audience spellbound with his great performance as Lalon Fakir. We will have to wait and watch to see whether he can recreate the same magic in the portrayal of the Portuguese poet Antony.

Priyanka Dutta


Jatishwar Official Trailer (You Tube)

Enhanced by Zemanta

Interview: Silajit Majumder – The Innocent and Outspoken Super Talented Singer/Actor/Composer (Video Unplugged)

 

photo Silajit Majumder

I do get connected to my genre of musical audiences directly; never ever will need a middleman or a broker for that purpose whatsoever …!!!

 

Silajit Majumder was born on 9th October 1965 and completed his schooling from St.Pauls school and then completed his +2 from Scottish Church College. Thereafter he acquired his bachelors degree in English Literature from Vidyasagar College, University of Calcutta. Silajit then joined ABP Ltd as a Ad-Sales Executive but his creative mind did not let him pursue his career in Marketing for long. While working with The Anandabazar Patrika, Silajit gradually started involving himself more into making his ‘genre’ of music, something which he has always believed in. Though he was an untrained vocalist, still Silajit’s unique voice texture created sensation in the Bangla modern music circuit.

In the late 90′s the Bangla modern music was dominated by ‘Jibonmukhi’ gaan, a special ultra-modern urban musical genre, which was dominated by the talented Suman Chattopadhyay alias Kabir Suman & the versatile Nachiketa Chakraborty. Kabir Suman and Nachiketa were also joined by Anjan Dutt, who was primarily a filmmaker/actor. Anjan Dutt’s stabilization and westernized genre also won the hearts of Bengali urban music lovers. Bangla Band culture also started to gain momentum during this phase with the evolution of Cactus and Lokkhichhara.

During such a juncture, Silajit resigned from his secured marketing job and decided to take up music professionally. Silajit’s emergence in the Bangla music scene, created a havoc in the minds of educated urban college going youth as his writings always spoke about their frustrations, anguishes and often reflected pain of failed love. Silajit’s songs were simple in nature and musical treatment given to those was very raw and such manly rawness attracted the young listeners to a large extent. His famous song “Ghum Peyeche Bari Jaa” was one of the prime chart-busters of the 90′s.

Silajit also stepped in Tollywood, when late Rituparno Ghosh chose him to play the male lead opposite Debosree Roy in his 3rd film, titled ‘Asukh’. The film also starred Soumitra Chatterjee and marked the debut of Arpita Chattejee (then ‘Pal), who later on married Prosenjit Chatterjee. Asukh won various awards, at the National & International levels and Silajit Majumder also became an actor and many noted directors started to take his acting skills more seriously. Thereafter Silajit has acted in many Tollywood projects, those includes major Box Blusters, such as Aniket Chattopadhyay’s “Chha-e Chhuti” & “Bye Bye Bangkok” and Srijit Mukherj’s “Hemlock Society”.

Apart from making music and acting in Bangla cinema, Silajit is also considered to be a skilled writer as well. He has already written six popular books. All of these books got released during the course of The Kolkata International Book Fair (2007-2012). Silajit has also composed and sung the title track for the 1st ever Bengali Big Boss (2013), which became very popular.

silajit modern bangla songs


Interview Excerpts:

 

Sholoana Bangaliana :  শিলাজিৎ দা “ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানা” তে তোমাকে স্বাগত জানাই, ২০১৩ সালে গায়ক শিলাজিৎ কতখানি এগোলেন ?

শিলাজিৎ :  এই তো সবে শুরু হল … আমি আগেই বলে রেখেছিলাম যে ২০১৩ সালে গায়ক শিলাজিৎ আত্মপ্রকাশ করবে।

 

Sholoana Bangaliana :  Radio Mirchi  জলসাঘরে  মীর (Mir)-এর সঙ্গে স্পেসাল ষ্টেজ পারফরমেন্স করে কেমন লাগলো?

শিলাজিৎ : ভালোই তো লাগলো গান গেয়ে। ওই যেমন দর্শকরা দেখেছেন … তেমনই ।

 

Sholoana Bangaliana:  একটা কথা জানতে খুব ইচ্ছে করছে … গায়ক না অভিনেতা, কোন পরিচয়টা তোমার নিজের কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়? এখন তো তুমি গানের পাশাপাশি অভিনয়টাও সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছ … তাই জিজ্ঞেস করলাম … কোন পরিচয়টাকে তুমি বেশি গুরুত্ব দাও?

শিলাজিৎ : প্রথমেই আসবে সুরকার শিলাজিৎ … আমার কাছে যদি জানতে চায় কেউ, তাহলে বলব প্রথমেই আমি শিলাজিৎ মজুমদারকে একজন সুরকার হিসাবে দেখি … এরপরেই আসবে আমার লেখা … তারপর আমি একজন গায়ক এবং সবার শেষে থাকবে আমার অভিনয়।

 

Sholoana Bangaliana :  তুমি তো সম্প্রতি STRUGGLER’S নামক একটি বাংলা ছবির সংগীত পরিচালনা করে ফেললে। কাজটা করে কেমন লাগলো?

শিলাজিৎ :  STRUGGLER’S সিনেমার সব গানগুলো ইতিমধ্যেই যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে শ্রোতাদের মধ্যে। অনেকেই আমাকে জানাচ্ছে যে গানগুলো বেশ ভালো লাগছে শুনতে। আমি এই ছবিতে যে গায়ক/গায়িকাদের নিয়ে কাজ করেছি, তারা প্রত্যেকেই প্রতিভাবান এবং খুব মন দিয়ে গানগুলোকে গেয়েছে। যারা আমার জন্যে গান গেয়েছে, তাদের মধ্যে দুজন তো অত্যন্ত পরিচিত তথা জনপ্রিয় শিল্পী এবং একজন স্বল্প পরিচিতা। তারা হলেন রুপম  (Rupam Islam), অনুপম এবং অনন্যা । অনন্যা আমার ব্যান্ডের গায়িকা, আমার সঙ্গে বহু বছর কাজ করছে। আমি খুব ভালো রেসপন্স পাচ্ছি আর আমার বেশ ভালো লেগেছে এই ছবির সংগীত পরিচালনা করে।

 

Sholoana Bangaliana : এখন টলিউডে যে ধরনের কাজ হচ্ছে, মানে বর্তমানে বাংলা ছবিতে যে ধরনের গান ব্যবহৃত হচ্ছে। বেশ কয়েকজন নবীন সংগীত পরিচালকরা এসে যে ধরনের কাজ করছেন। সেই সম্পর্কে শিলাজিতের কি বক্তব্য? কেমন লাগছে?

শিলাজিৎ : আমার তো বেশ ভালো লাগে এমন কাজ দেখতে। আমি খুব খুশি যে আমি এই জেনেরশন টার একজন। ইনফ্যাক্ট আমাদের জেনেরশনটা নিয়ে যথেষ্ট গর্ববোধ করি আমি।

 

Sholoana Bangaliana : তুমি তো গায়ক হিসাবে নিউ জেনেরশন সংগীত পরিচালকদের প্রায় সবার সঙ্গেই কাজ করেছ। কেমন লেগেছে কাজ করে?

শিলাজিৎ :  আমি সম্প্রতি যে দুজনের সঙ্গে কাজ করেছি, তারা হচ্ছেন জয় সরকার (Joy Sarkar) এবং অনুপম রায় (Anupam Roy) ….

 

Sholoana Bangaliana :   Indraadip Dasgupta -র সঙ্গে নতুন কোন কাজ করছ না ?

শিলাজিৎ :   ইন্দ্রদীপের সঙ্গে  তো আমি আগে অনেক কাজ করেছি , ও আমাকে দিয়ে একটা সময় প্রচুর গান গাইয়েছে। কিন্তু তখন তো আর ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত ‘কমার্শিয়াল’ সিনেমার সংগীত পরিচালক ছিলো না। যবে থেকে ইন্দ্রদীপ কমার্শিয়াল সিনেমায় সুর দেওয়া শুরু করেছে, আমাকে আর গান গাইতে ডাকে না। হয়ত এখনো শিলাজিৎ ওর কাছে এনাফ কমার্শিয়ালি ভায়াবল সিঙ্গার নয় !!! যেদিন আমি কমার্শিয়াল সিঙ্গং হবো,  সেদিন থেকে ইন্দ্রদীপ আমাকে আবার ওর সুরে গান গাইতে ডাকবে। অবশ্য এখন যে ইন্দ্রদীপ আমাকে ডাকে না, সেটাতেও আমার কিসস্যু যায় আসে না। আসলে আজ যারা বাংলা সংগীত জগতে করে খাচ্ছে, তাদের অনেককেই আমি তাদের কেরিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে কোন না কোনভাবে সাহায্য করেছি। আমার বরং এটা ভেবেই ভালো লাগে যে আজকের অনেক রাঘব বোয়ালদের আমি একটা সময় নানা ভাবে সাহায্য করেছি। কখনো তাদের প্রোজেক্টে কম পারিশ্রমিকে কাজ করেছি, কখনো বা বিনা পারিশ্রমিকে গান গেয়ে দিয়েছি তাদের জন্যে। নিজের মতন করে কন্ট্রিবিউট করেছি তাদের কেরিয়ারে। আজকে তারা যে জায়গাটা পেয়েছে, সেটা পাওয়ার পেছনে শিলাজিৎ মজুমদারের যথেষ্ট অবদান আছে। এখন যদি তারা আমাকে পাত্তা নাও দেয়, তাহলেও তাতে শিলাজিতের কিস্যু যায় আসেনা। আমার কানেক্সন ডাইরেক্ট জনতার সঙ্গে করা আছে। জনগনের কাছে পৌছনোর জন্যে  শিলাজিতের কোনোদিন কোন দালালকে দরকার পড়েনি আর ভবিষ্যতেও পড়বে না।

 

Sholoana Bangaliana :  তোমার নতুন ব্যান্ড ফরমেশন নিয়ে কিছু বলবে না ?

শিলাজিৎ :  নতুন ব্যান্ড এবং শিলাজিৎ প্রায় সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রত্যেক বছরই আমি আমার ব্যান্ডের ফরম্যাট চেঞ্জ করে দিই। শ্রোতাদের নতুন ধরনের মিউজিক উপহার দেবার প্রচেষ্টা করেই যাই আর সেই জন্যেই ফরম্যাটে রদবদল ঘটিয়ে দিই।  এখন বাংলা ব্যান্ড যে ধরনের মিউজিক্যাল আরেঞ্জমেনট নিয়ে ষ্টেজ পারফরমেন্স করে, সেই ধারার প্রবর্তক-ও কিন্তু শিলাজিৎ মজুমদার। তবে এবার যা আসতে চলেছে, তা হয়ত পশ্চিমবঙ্গের দর্শকরা বোধয় আগে কখনো দেখেনি। অনেক চিরাচরিত ধ্যান ধারনা কিম্বা বলা ভালো প্র্যাকটিসকে পাল্টে ফেলে আমি এক নতুন ধরনের মিউজিকাল ফরম্যাট নিয়ে আসছি আমি। আমি করছি তো …  তাই আমার কাজের উপর ভরসা রাখলে এবারও আমার কাছ থেকে কিছু নতুনত্ব আশা করতেই পারেন বাঙালি শ্রোতারা।

 

Sholoana Bangaliana : BANGLA BIG BOSS-এর টাইটেল ট্র্যাক গাইলে তুমি, এত জনপ্রিয় হল। কেমন লাগছে এই সর্বভারতীয় জনপ্রিয়তা? তোমার অভিজ্ঞ্যতা ভাগ করে নাও।

শিলাজিৎ :  আমি খুব খুশি যে আমার মধ্যে যে একটা ‘BOSSY’ ব্যাপার আছে, সেটা খেয়াল করে উদ্যক্তারা আমাকে নির্বাচন করলেন প্রথম বাংলা বিগ বসের টাইটেল ট্র্যাক -টা গাওয়ার জন্যে। গানটা গেয়ে ভালো পয়সা পেলাম … জাতীয় স্থরে বেশ নামডাক হল … Tile Track-টা শুনে লোকে প্রশংসা করছে। ভালোই তো লাগছে।

 

Sholoana Bangaliana : তুমি তো বিগ বস বাড়িতেও একদিনের জন্যে ছিলে … কেমন লাগলো অমন একটা বাড়িতে রাত কাটিয়ে?

শিলাজিৎ :  বেশ মজার ব্যাপার … ভালোই লেগেছে BIG BOSS HOUSE-এ একদিনের জন্য থাকতে। আমাকে আসলে অভিনয় করতে হয়ছিল বিগ বস  হাউসে থাকতে এসেছি বলে  বাড়ির বাকিদের চমকে দেবার জন্যে। একটা অন্য ধরনের জীবনযাপন … বেশ অন্যরকম ওখানকার সবকিছু। ওখানে তখন যারা ছিল, তারা সবাই আমাকে চিনত … তারা আমাকে ভালোবাসে কিনা জানিনা তবে প্রত্যেকেই আমাকে পছন্দ করে একথা বলতে পারি, অবশ্য অপছন্দ করলেও মুখের উপর কেউ কোনদিন বুঝতে দেয়নি আমাকে।

 

Sholoana Bangaliana:  বিগ বস হাউসে কি দুজন জ্যোতিষী ছিল? মানে একজনকে আমরা তো সবাই চিনি – বিখ্যাত জ্যোতিষী শ্রী মহেশ জালান। আরেকজন জ্যোতিষী কি তুমি? কারন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) যখন জানতে চাইলেন তোমার কাছে, যে বিগ বস প্রতিযোগিতার সম্ভাব্য বিজয়ী কে? তুমি বলেছিলে যে অনীক ধর হচ্ছে তোমার ডার্ক হর্স। কিভাবে বুঝেছিলে?

শিলাজিৎ : আমি শুধু আমার ডার্ক হর্স হিসাবে অনীক কে বাছিনি, আমি মিঠুনদাকে এটাও বলে দিয়েছিলাম যে সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট কে কে হবে। এটা খুব সাধারন সমীকরণ। আমাকে তখনকার প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে এমন তিনজনকে বাছতে হয়েছিল, যাদের বিগ বসের ফাইনালিস্ট হবার মতন কলজের জোর ছিল এবং যারা লড়াই করে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে বাজিমাত করতে পারে। আমার এক্সপেরিয়েন্স, তাদের এক্সপেরিয়েন্স সবকিছু ক্যালকুলেট করে, আমি মিঠুনদাকে আমার বাছাইদের নাম জানাই এবং পরবর্তীকালে দেখলাম যে আমার আন্দাজ অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেলো! অবশ্য না মিলতেও পারতো। একটা কথা বলি, যে জ্যোতিষীগিরি করে, যারা করে খাচ্ছে, খাক কিন্তু এটা বুঝতে হবে যে বিগ বস বিজয়ী কে হতে পারে, সেটা বোঝার জন্যে জ্যোতিষ বিদ্যা লাগেনা, যেটা লাগে সেটা হচ্ছে অভিজ্ঞ্যতা এবং মানুষ চেনার সাধারন জ্ঞ্যান।

 

Sholoana Bangaliana - অনেক ধন্যবাদ দাদা, ষোলোআনা বাঙ্গালিয়ানার সঙ্গে এতটা সময় কাটানোর জন্য। তুমি খুব ভালো থেক।।

Interview: Silajit Majumder, Unplugged and Unedited (You Tube)
Note: The views expressed are solely those of the interviewee and Sholoana Bangaliana in no way agrees or disagrees to any comment made by the interviewee or the interviewer.

 

 

Interviewer: Pratik Banerjee

Photographs: Sagnik Jaiswal

 

 

Enhanced by Zemanta

Sholoana Bangaliana’s tribute to Sri. Sukumar Ray- The Father Of Bengali Satirical Nonsensical Literature

 abol tabol

 

Sukumar Ray was the son of the famous children’s fairy tale writer Upendrakishore Roy Chowdhury, the father of the greatest filmmaker of India, Satyajit Ray and also the grandfather of Tollywood filmmaker Sandip Ray. Sukumar Ray was the founder secretary of “Monday Club” (মণ্ডা ক্লাব), a weekly gathering of like-minded people at the Ray residence, where the members were free to express their opinions about the world at large. Eminent personalities like Rabindranath Tagore and Saratchandra Chattopadhyay also visited the Monday Club meetings, to honour the invitation of Sukumar Ray. A number of poems were penned by Sukumar Ray in relation to the matters concerning “Monday Club”, primarily soliciting attendance, announcing important meetings etc.

 

আয়রে ভোলা খেয়াল খোলা

স্বপনদোলা নাচিয়ে আয়

আয় রে পাগল আবোল তাবোল

মত্ত মাদল বাজিয়ে আয়

আজ ঈশ্বর দিবস। আজ থেকে ঠিক একশো ছাব্বিশ বছর আগে জন্ম হয়েছিল সেই বেয়ারা সৃষ্টিছাড়া নিয়মহারা হিসেবহীন ঈশ্বরের, যিনি তাঁর অসম্ভবের ছন্দে, উধাও হাওয়ার স্রোতে আজও ভাসিয়ে নিয়ে চলেছেন আমাদের। তিনি সুকুমার রায়। আমরা যারা বড্ড ছোট, বড্ড সাধারণ, বড্ড হিসেবী, যাদের জীবন ঘিরে বারবার প্রতিধ্বনিত হয় শুধুমাত্র ধুত্তেরিকা আর ধ্যাত্তেরিকা, আমাদের সেই বিরক্তিহীন বাঁচতে চাওয়ার বৃথা আশার দিকে সটান তাকিয়ে মুচকি হেসে যিনি আমাদের এই আকালেও স্বপ্ন দেখতে শেখান, তিনি হলেন সুকুমার রায়। ঈশ্বর, পৃথিবী এবং ভালোবাসাকে গুলে খাওয়া, যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকা এমন এক মানুষ, যাঁকে এখনো আমাদের চল্লিশ না পেরিয়েও চালসে পড়ে যাওয়া চোখ তকমা দেয় শুধুমাত্র শিশু সাহিত্যিকের।

এখনো যখন মাঝ ছাদে একলা দুপুর নামে, চিলেকোঠার ঘরে অল্প অল্প করে নেমে আসতে থাকে শান্ত রূপকথারা, আরো পশ্চিমে বড় হয়ে উঠতে থাকে ছায়া, যখন শৈশব পালন করে জ্যোৎস্নার উৎসব, তখন ঘুমপাড়ানি গানের মত সারা গায়ে জেগে থাকে পাগলা দাশু, খুড়োর কল,কাতুকুত বুড়ো, কাগেশ্বর কুচকুচে, আহ্লাদীরা। কবীর সুমন বলেছিলেন, ‘তোর গানে পেঁচী রে, সব ভুলে গেছি রে’ এর মত প্রেমের কবিতা একমাত্র সুকুমার রায়ের পক্ষেই লেখা সম্ভব। আর পুণ্যলতা চক্রবর্তী লিখেছিলেন, ছন্দ মেলানোর ব্যাপারে দাদা কখনো হারত না। যত শক্ত হোক না কেন, চট করে মিলিয়ে দিত। আট বছর বয়সে যাঁর প্রথম কবিতা ‘নদী’ এবং নয় বছর বয়েসে দ্বিতীয় কবিতা ‘টিক টিক টং’ ছাপা হয়েছিল ‘মুকুল’ পত্রিকায়, যাঁর ম্যাজিক ঝুলিতে রয়েছে ‘সন্দেশ’ এবং ‘মন্ডা ক্লাব’ এর মত অসম্ভব মজার সমস্ত জিনিস, তিনি শুধু একশো ছাব্বিশ বছর কেন, এক লক্ষ ছাব্বিশ বছর পরেও থাকবেন কন্টেম্পোরারি। তাঁর অজস্র গপ্প ছড়িয়ে রয়েছে পুণ্যলতা চক্রবর্তীর বই ‘ছেলেবেলার দিনগুলি’ তে। যদি সত্যিই জানতে চান এই মানুষটিকে এবং তাঁর সেই অসাধারণ পরিবারটিকে, তাহলে অবশ্যই পড়বেন এই বই। আরো অনেক কথা বলার ছিল, জানার ছিল। কিন্তু বাধ সাধল পাগলা দাশু। কানে কানে এসে বলে গেল, অতিরিক্ত কৌতূহল ভাল নয়। কাঁচকলা খাও।

 

Image Credits: Google Images

Article By:

sagnik roychowdhury

 

Sagnik Roy Chowdhury is an upcoming young & talented screenplay writer from Tollywood. He has got movies like “Bicycle Kick” to his credit as a script & dialogue writer. He also writes occasional columns for various Bengali newspapers and magazines.

Enhanced by Zemanta

Legendary Singer Manna Dey is no more; Sholoana Bangaliana salutes the Musical Maestro

(May 1, 1919 – October 24, 2013)

Prabodh Chandra Dey (1 May 1919 − 24 October 2013) popularly known by his stage name Manna Dey was an eminent vocalist, who has innumerable private albums to his credit and also has sung for Hindi and Bangla movies. Manna Dey debuted with the film Tamanna in 1942, and thereafter went on to record more than 4000 songs during 1942-2013. The Central Government of India honored him with the Padma Shri in 1971, the Padma Bhusan in 2005 and the most prestigious film award, which is the Dadasaheb Phalke Award in 2007. Manna Dey also recorded songs in several other regional languages, apart from Hindi and Bengali. His best years in the Hindi playback singing can be outlined as 1953-1976. Manna Dey’s Gurus were Krishna Chandra Dey, who was a blind singer-composer and Ustad Dabir Khan, who was a master of traditional Indian classical music. Manna Dey has also sang duet songs with other male singers like Kishore Kumar, Md. Rafi, Bhupinder Singh, apart from leading female playback singers like Suraiya, Geeta Dutt, Asha Bhonsle and Lata Mangeskar.

যে নামে আপামর ভারতবাসী তাঁকে চেনেন নামটির অন্য একটি মানে আছে “মান্না” স্বর্গ থেকে পাঠানো খাবার বা ঈশ্বর প্রেরিত খাবার। ঈশ্বর যখন বিশ্বসৃষ্টি করেছিলেন তখন ষষ্ঠ দিবসের গোধুলি লগ্নে এই অপরূপ বস্তু সৃষ্টি করেছিলেন তাঁর সৃষ্টি কে জীবিত রাখার জন্যে। কথাটা হয়ত অনেকের মানতে অসুবিধা হতে পারে, কিন্তু মান্না দে মহাশয়ের অপরুপত্ত্ব মানতে কোন মানুষের কোন রকমের সন্দেহের অবকাশ নেই।

উপরের লেখা সন তারিখ গুলিকে কেবলমাত্র দুটি দিন হিসাবে আমরা যদি দেখি তাহলে প্রথম দিনটিতে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন পূঁর্ণ চন্দ্র দে ও মঁহামায় দেবীর সংসারে আর দ্বিতীয় দিনটি আমরা হারালাম তাঁর পার্থিব দেহটিকে। কিন্তু যে স্বর্গীয় সৃষ্টি তিনি আমাদের মধ্যে রেখে দিয়ে গেলেন তা অবিনশ্বর বলেই চিহ্নিত ও স্বীকৃত।

লেখাপড়া শুরু ‘ইন্দুবাবুর পাঠশালা’ নামক অনাম্নি এক পাঠশালায় তারপরে স্কটিশ চার্চ কলিজিয়েট স্কুল  আর বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে স্নাতক। এই সময় তাঁর ছোটকাকা সঙ্গীতাচার্য কৃঁষ্ণ চন্দ্র দে মহাশয়ের তত্ত্বাবধানে তাঁর তালিমের শুরু ও পরে স্বর্গীয় ওস্তাদ দবীর খাঁ সাহেবের কাছেও তিনি তাঁর মার্গীয় সঙ্গীতের তালিম নেন। ছোট কাকার প্রভাব ছিল ওনার সাঙ্গীতিক জীবনে প্রচুর। তবে কলেজ জীবনে কুস্তি ও বক্সিং করতেন বলে, এই দুই ক্ষেত্রে তাঁর খ্যাতি ছিল ভালোই এবং সেই সঙ্গে তিন বছর পরপর আন্তঃকলেজ সঙ্গীত প্রতিযোগীতায় তিনিই প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। বৈপরীত্য বোধহয় প্রতীভাশালীদের একটা চারিত্রিক বৈশিষ্ট।

এই লেখাটা যখন লিখতে শুরু করেছি তখন কোলকাতার সবকটা এফ FM Channel-এ বেজে চলেছে তাঁর গাওয়া অসাধারন সব গান। তাঁর গাওয়া গান দিয়েই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আমরা। কারন Kabir Suman-এর লেখা “তোমার তুলনা আমি খুঁজিনি কখনো, বহু ব্যবহার করা কোন উপমায়” এই রকম হৃদয়স্পর্শী গান সমসাময়িক বাংলায় বোধহয় খুব বেশী নেই। তিনি কত গান গেয়েছিলেন, কোন কোন সুরকারের সুরে গান গেয়েছিলেন এগুলো কেবলমাত্র তথ্য। শ্রদ্ধ্যাঞ্জলীকে তথ্য ভারাক্রান্ত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হল স্রষ্টা কে বিনম্র প্রণাম জানানো।

গান সৃষ্টি হয় অনেকের সম্মিলিত চেষ্টায়, তাতে সামিল থাকেন গীতিকার, সুরকার, গায়ক ও বাদ্যযন্ত্রীরা। সেই মিলিত চেষ্টাকে যিনি প্রান প্রতিষ্টা করেন তিনি গায়ক। তাঁর জন্যে গান লিখেছিলেন প্রখ্যাত গীতিকারেরা, সুর সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন সেই রকম দিকপাল সুরকারেরা। কিন্তু তিনি যখন তাঁর কন্ঠ দিয়ে সেই মিলিত সৃষ্টিকে আমাদের কাছে পৌছে দিয়েছেন তখন যেন তাঁর প্রানের বা আত্মার অংশ সেই গানের মধ্যে মিশিয়ে দিয়ে গেছেন, তা নাহলে তাঁর গাওয়া ১৯৫০ এর দশকের গান আজও এত জনপ্রিয় থাকে কী করে?

তাঁর প্রথম প্লেব্যাক স্বর্গীয় কৃষ্ণ চন্দ্র দে মহাশয়ের সুরারোপিত একটি ডুয়েট সহশিল্পী ছিলেন ‘সুরাইয়াজী’ (Suraiya) ছবির নাম “তামান্না” গানটির কথা ছিল বড় সুন্দর “জাগো আয়া ঊষা, পঞ্ছি বোলে জাগো” এ গান যেন আমাদের জানিয়ে দিচ্ছে ওঠ জাগো, দেখ গানের রাজত্ব্যে রাজা তার সভায় প্রবেশ করছেন। অজান্তেই মুহুর্তরা বোধহয় এইভাবেই তৈরী হয়ে যায়। সেই সময়ের বম্বেতে কাকা কৃষ্ণ চন্দ্রের সহকারি সুরকার হিসাবে ছবিতে গানের সুর দিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন, কিন্তু ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের তালিম বন্ধ হতে দেন নি তাঁর কাকা। স্বর্গীয় ওস্তাদ আমন আলী খাঁ সাহেব (Ustaad Aman Ali Khan) ও ওস্তাদ আব্দুল রহমান খাঁ (Ustaad Abdul Rehman Khan) সাহেবের কাছে পুরোদস্তুর তালিম চলেছিল তাঁর সেই সময়।

ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের (Indian Classical Music) এই সুদীর্ঘ তালিম যে তাঁর গায়কিকে আনায়াস ও সাবলীল করে রেখেছিল সেকথা তিনি সব সময়েই স্বীকার করে গেছেন। তাঁর সময়ে সমসাময়িক গায়ক গায়িকাদের মধ্যে একটা আলাদা জায়গা করে নিতে তাঁর খুব বেশীদিন সময় ও লাগেনি তার এই অনায়াস ও সাবলীল গায়কির জন্যে। তাঁর গানের একটা মজার ব্যাপার ছিল এই যে শুনলে গায়কদের বা সাধারন মানুষের সবারই মনে হত এত সহজ, এতো গেয়ে ফেলা যায়, কিন্তু সে ফাঁদে যে পরেছে সেই জেনেছে যে ভিতরে কি সুক্ষতা দিয়ে তিনি সুরের জাল বুনে গেছেন।

উনি সরলতাই শিল্পের অন্যতম শর্ত এই মতে বিশ্বাসী ছিলেন আজীবন তাই কী রেকর্ডিং এ কী মঞ্চে হাজার হাজার মানুষের সামনে, অতি বিনম্র ভাবে শুরু করতেন তিনি তাঁর গান,  সেই চিরাচরিত হাফ হাতা রঙ্গীন বুশ শার্ট আর গাঢ় রঙের ট্রাউজার্সে মাথায় থাকত টুপি। কিছুক্ষনের মধ্যে দর্শক বুঁদ হয়ে যেতেন সুরের মায়াজালে। নাহলে রেকর্ডিং  স্টুডিওতে তৈরী হত আরো একটি নতুন কোন অনবদ্য গান। স্টাইল স্টেটমেন্টে উনি এবং শ্রদ্ধেয় হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এক অদ্ভুত বৈপরিত্য বজায় রাখতেন। ইনি রঙ্গিন আর উনি সাদা-কালো।

উনি ১৮ই ডিসেম্বর ১৯৫৩ তে সুলোচনা কুমারন (Sulochona Kumaran) এর সাথে বিবাহ সুত্রে আবদ্ধ হন, তাঁদের দুই মেয়ে সুরোমা ও সুমিতা জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৫৬ ও ১৯৫৮ সালে। দীর্ঘ ৫০ বছরের মূম্বাই এর বাস ত্যাগ করে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ব্যাঙ্গালোর (Bangalore) বাসী রয়ে গেলেন। স্ত্রী সুলোচনা র মৃত্যু হয় ২০১২ ক্যান্সারে।

ওনার যে সাঙ্গিতিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৪২ তা মোটামুটি জারি ছিল ১৯৯২ সাল অবধি, তাঁর পরে তিনি গানের অনুষ্ঠান,করেছেন রেকর্ড করেছেন তবে অনেক বাছাই করে। ভারতবর্ষে এবং বিদেশে অজস্র পুরস্কারের প্রাপক ছিলেন উনি। যেগুলি ওনাকে যতটা সম্মানিত করেছেন নিজেরা সম্মানিত হয়েছেন সমপরিমাণে। সর্বশেষ দাদা সাহেব ফালকে (Dada Saheb Phalke) পুরষ্কার। গান থাকবে শ্রোতারা থাকবে, শুধু হয়ত কোন এক অলস দুপুর মনে মনে গেয়ে উঠবে “মুকুটটা তো পড়েই আছে রাজাই শুধু নেই”।

Contributor: Sri Somankar Lahiri

Enhanced by Zemanta

Video Interview: Kharaj Mukherjee – One of Tollywood’s most versatile actors; Sesh Anker Khela, Off beat Movies, Jatishwar and more

Up close with Kharaj Mukherjee at the sets of Joydeep Ghosh’s directorial debut Sesh Anker khela. Wearing the khaki uniform, Kharaj looked tired after the hectic shooting schedule. Team Sholoana Bangaliana caught up with him as soon he was free.

You are dressed in khaki uniform so you must be playing the role of a police officer. Tell us something about the character in the film”?

Kharaj: I am playing the role of the sub-inspector of the area where the crime takes place. Janardan Mahto (the name of his character in the movie) is a mediocre but an honest police officer who tries to stop all the crime. But he has a funny side to his character also. He has an affinity for speaking in English. But since he can’t speak English at all, his style of speaking adds a comic element to his character as well as to the film which is otherwise an all in all suspense movie.

Alongside with Kharaj, Mumtaz Sorcar also stars in this film playing the role of a lady cop. For the first time Kharaj Mukherjee is working with the actress.

mumtaz-sorcar

Share with us the first time experience of working with Mumtaz as a co- star”

Kharaj: She is very serious and sincere about her work and puts in her whole effort in the role. We both gel up very good together. We both discuss about our role and character in between the shots as it helps both of us to portray our characters better.

On this note our next question to Kharaj was “Being a senior actor how are you guiding Mumtaz with her role”?

Kharaj: There is no need for me to guide her. She is a wonderful actress herself and knows her part very well. But we do have discussion about her roles.

What are your upcoming projects”?

Kharaj: many of my films are about to release like Rangbaaz and Khiladi. Other than that one of the films that needs to be mentioned is obviously Jatiswar. Though I am playing a very small role here I enjoyed working in this film and gave my best for my role. Apart from acting I have also sung two songs for the film. Suman dealt very patiently with me (he is talking about Kabir Suman, music director of the film Jatiswar). I am not a professional singer but I did try my best.

“Nowadays in Tollywood there is a new trend of making experimental movies. What is your take on that”?

Kharaj: I feel those movies must be made. Those movies are of a different genre and unlike commercial movies they are not copied. Thus they do have a risk of not being commercially hit.  But those types of movies need to be made.  If you talk about off-beat movies then Bhooter Bhobisyot, Baise e Srabon are also among them but the audience liked those movies. In fact Dev is also working on one such movie Chander Pahar. The role is very different from his other movies. If he can do it then why not others? We like the use of abusive language in English movies but when it comes to Tollywood we become critical. Why so? This needs to change for the betterment of Bengali film industry as our next generation does prefer these experimental off-beat movies.

Kharaj Mukherjee shed light on many important issues. This actor is famous for his comic timing and sense of humor. Now it’s time to wait and see how much the audience appreciates his role in the film Sesh Anker Khela.

Enhanced by Zemanta


Video Interview of Kharaj Mukherjee at shooting location of Sesh Anker Khela (You Tube)